Skip to content
Facebook Twitter Google-plus Youtube Microphone
  • Home
  • About Us
  • Contact Us
Menu
  • Home
  • About Us
  • Contact Us
Swasthyer Britte Archive
Search
Generic filters
  • আরোগ্যের সন্ধানে
  • ডক্টর অন কল
  • ছবিতে চিকিৎসা
  • মা ও শিশু
  • মন নিয়ে
  • ডক্টরস’ ডায়ালগ
  • ঘরোয়া চিকিৎসা
  • শরীর যখন সম্পদ
  • ডক্টর’স ডায়েরি
  • স্বাস্থ্য আন্দোলন
  • সরকারি কড়চা
  • বাংলার মুখ
  • বহির্বিশ্ব
  • তাহাদের কথা
  • অন্ধকারের উৎস হতে
  • সম্পাদকীয়
  • ইতিহাসের সরণি
Menu
  • আরোগ্যের সন্ধানে
  • ডক্টর অন কল
  • ছবিতে চিকিৎসা
  • মা ও শিশু
  • মন নিয়ে
  • ডক্টরস’ ডায়ালগ
  • ঘরোয়া চিকিৎসা
  • শরীর যখন সম্পদ
  • ডক্টর’স ডায়েরি
  • স্বাস্থ্য আন্দোলন
  • সরকারি কড়চা
  • বাংলার মুখ
  • বহির্বিশ্ব
  • তাহাদের কথা
  • অন্ধকারের উৎস হতে
  • সম্পাদকীয়
  • ইতিহাসের সরণি
  • আরোগ্যের সন্ধানে
  • ডক্টর অন কল
  • ছবিতে চিকিৎসা
  • মা ও শিশু
  • মন নিয়ে
  • ডক্টরস’ ডায়ালগ
  • ঘরোয়া চিকিৎসা
  • শরীর যখন সম্পদ
  • ডক্টর’স ডায়েরি
  • স্বাস্থ্য আন্দোলন
  • সরকারি কড়চা
  • বাংলার মুখ
  • বহির্বিশ্ব
  • তাহাদের কথা
  • অন্ধকারের উৎস হতে
  • সম্পাদকীয়
  • ইতিহাসের সরণি
Menu
  • আরোগ্যের সন্ধানে
  • ডক্টর অন কল
  • ছবিতে চিকিৎসা
  • মা ও শিশু
  • মন নিয়ে
  • ডক্টরস’ ডায়ালগ
  • ঘরোয়া চিকিৎসা
  • শরীর যখন সম্পদ
  • ডক্টর’স ডায়েরি
  • স্বাস্থ্য আন্দোলন
  • সরকারি কড়চা
  • বাংলার মুখ
  • বহির্বিশ্ব
  • তাহাদের কথা
  • অন্ধকারের উৎস হতে
  • সম্পাদকীয়
  • ইতিহাসের সরণি
Search
Generic filters

সিয়াঙ্, তোমাকে বাঁচাতে মোরা যুদ্ধ করি

feature
Somnath Mukhopadhyay

Somnath Mukhopadhyay

Retired school teacher, Writer
My Other Posts
  • June 13, 2025
  • 7:56 am
  • 6 Comments

নদী বাঁধ নির্মাণ নিয়ে আন্দোলন খুব নতুন কিছু নয়। বৃহত্তর উন্নয়নের দোহাই দিয়ে নদীতে বাঁধ দিয়ে জল আটকে রেখে তাকে ব্যবহার করার পরিকল্পনা করা হয়। জল ছাড়া আমাদের জীবন অচল আর তাই প্রয়োজন হয় জল নিয়ে সু পরিকল্পনার। নদীর জলকে ধরে রেখে সেই জল কৃষির প্রয়োজনে ব্যবহার করার পরম্পরা বেশ পুরনো। ভাবতে ভালো লাগে যে আমাদের দেশে সেই প্রাচীনকাল থেকেই নদীতে বাঁধ দিয়ে জল আটকে রেখে প্রয়োজন মতো ব্যবহারের প্রচেষ্টা শুরু হয়েছিল । খৃষ্টীয় দ্বিতীয় শতকে দক্ষিণ ভারতে শাসনরত চোল রাজবংশের রাজা কারিকালান কাবেরী নদীর ওপর বিখ্যাত কাল্লানাই বাঁধ নির্মাণ করান।স্কুলপাঠ্য ভূগোল ব‌ইয়ের পাতায় এই বাঁধের কথা বলা হয় গ্র্যান্ড অ্যানিকাট বাঁধ নামে।  এইটি আজ‌ও স্বমহিমায় বিরাজমান এবং অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ এই বাঁধটি ভারতের সুপ্রাচীন স্থাপত্য ও বাস্ত বিদ্যার উদাহরণ। শুধু তাই নয় এই বাঁধের জলকে কাজে লাগিয়ে কাবেরী বদ্বীপের নিম্নাংশে আজ‌ও  প্রচুর ফসল ফলায় তামিল কৃষকেরা।

স্বাধীনতা লাভের পর বহুমুখী নদী পরিকল্পনার আওতায় অসংখ্য নদী বাঁধ নির্মাণ করা হয়েছে। এ নিয়ে বিতর্ক যে হয়নি তা কিন্তু নয়। সর্দার সরোবর নদী প্রকল্পের রূপায়ণ ও তেহরি বাঁধের নির্মাণের প্রতিবাদে উত্তাল হয়ে উঠেছিল গোটা দেশ। নদীতে বড়ো বাঁধের নির্মাণ সবক্ষেত্রেই স্থায়ী আবাসিকদের জীবনকে অস্থিত করে তোলে। এই মূহুর্তে যেমন ব্রহ্মপুত্র নদের বিখ্যাত বাঁকের মুখে সুবিশাল বাঁধ তৈরির চিন্তা ভাবনা চলছে প্রতিবেশী চীন দেশে। এই বাঁধ নির্মাণ নিয়ে ইতিমধ্যেই নাসার তরফে সতর্কবার্তা জারি করা হয়েছে এই বলে যে, এই সুবিশাল বাঁধ নির্মাণের ফলে পৃথিবীর ঘূর্ণন গতি কমে যাবে যার প্রতিক্রিয়া হবে মারাত্মক। বাঁধ নির্মাণ দেশের এক বিরাট সংখ্যক মানুষের জীবনকে অনিশ্চিত করে তোলে। পরম্পরাগত আবাস ছেড়ে খেটে খাওয়া আদিবাসী,বনবাসী ও জনজাতি সম্প্রদায়ের মানুষ এক অনিশ্চিত ছিন্নমূল আগাছার জীবন বেছে নিতে বাধ্য হয়। গণ আন্দোলনের চেহারা নিলেও বাঁধের নির্মাণ সম্পূর্ণভাবে বাতিল করা সম্ভব হয়তো হয়না , তবে সমাজের একেবারে প্রান্তিক জনগোষ্ঠীর মানুষের প্রতিবাদ মুখরতা বৃহত্তর সমাজের কাছে বিশেষ মান্যতা পায়।

এই মূহুর্তে সিয়াঙ্ নদীতে মেগা বাঁধ নির্মাণ নিয়ে এক প্রতিবাদী আন্দোলন শুরু হয়েছে দেশের উত্তর পূর্বাঞ্চলের অরুণাচল প্রদেশে এখোমে মোউয়ো ওয়েলফেয়ার সোসাইটির ব্যানারে। জেলা সদর আনিনি কেন্দ্রিক এই সংগঠনের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে যে , এই অঞ্চলের আদিবাসী মানুষদের গ্রাম সভাকে সম্পূর্ণভাবে অন্ধকারে রেখে, আগে থেকে এমন সিদ্ধান্ত গ্রহণ করা সম্পূর্ণভাবে অনৈতিক এবং এই অঞ্চলে বসবাসকারী মানুষদের অস্তিত্বের পক্ষে বিপদজ্জনক। বর্তমান এন. ডি. এ. পরিচালিত বিজেপি সরকারের এই একতরফা সিদ্ধান্ত তাঁদের স্বার্থের পরিপন্থী বলে সিয়াঙ্ নদীর ওপর প্রস্তাবিত মেগা নদী বাঁধ নির্মাণের বিরুদ্ধে রুখে দাঁড়িয়ে, স্থানীয় মানুষেরা আজ প্রতিবাদ মুখর।পাঠকদের অবগতির জন্য জানাই, যে সিয়াঙ্ নদী আজকের আন্দোলনের কেন্দ্রবিন্দুতে রয়েছে তা আদতে সর্বজন পরিচিত ব্রহ্মপুত্র নদের অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ উপনদী। তিব্বতের ইয়ারলুঙ্ সাংপো নদী অরুণাচল প্রদেশে প্রবেশ করে হয়েছে ডিহঙ্ বা সিয়াঙ্। পরে অরুণাচল প্রদেশ ছেড়ে আসামে ঢুকে ডিবঙ্ ও লোহিতের সঙ্গে যুক্ত হয়ে ব্রহ্মপুত্র নাম নিয়ে প্রবাহিত হয়েছে। সংক্ষেপে এই হলো সিয়াঙ্ নদী বেত্তান্ত ।

এই নদীর ওপর নতুন বাঁধ নির্মাণ করা নিয়ে এই মুহূর্তে মুখ্যমন্ত্রী শ্রী পেমা খান্ডু শাসিত অরুণাচল প্রদেশ রীতিমতো সরগরম। মন্ত্রী মশাই অবশ্য তাঁর মন্ত্রীসভার সিদ্ধান্তে অবিচল।

আপার সিয়াঙ্ জেলার অন্তর্গত ২৯ গ্রামের প্রতিনিধিরা সম্প্রতি সম্মিলিতভাবে ডিবঙ্ ভ্যালি জেলা কর্মকর্তাদের এক স্মারকলিপি পেশ করেছেন । তাঁদের পক্ষ থেকে প্রবল এবং সঙ্গত দাবি জানিয়ে বলা হয়েছে যে, দ্রি নদীর ওপর প্রস্তাবিত ৪০০ মেগাওয়াট ক্ষমতার মিহুমডঙ্ জলবিদ্যুৎ কেন্দ্র স্থাপনের কাজ বন্ধ করতে হবে। সমিতির সাধারণ সম্পাদক মোরে মোলো এবং কোষাধ্যক্ষ আইসি মো দ্ব্যর্থহীন ভাষায় তাঁদের আপত্তির কথা জানিয়ে বলেছেন – “আমরা ভূমিকম্প প্রবণ এবং বাস্তু তান্ত্রিক ভাবে অত্যন্ত সংবেদনশীল এমন একটি  এলাকায় বাঁধ নির্মাণের পরিকল্পনার বিরুদ্ধে আমাদের জেহাদ ঘোষণা করছি। আমরা আমাদের এলাকায় বাঁধ কেন্দ্রিক উন্নয়নের বিরুদ্ধে। এই বাঁধ নির্মাণ একটি আত্মঘাতী প্রকল্প। আমাদের আপত্তি ও আন্দোলনকে উপেক্ষা করে এই বাঁধ নির্মিত হলে আমরা আমাদের পিতৃভূমি থেকে উৎখাত হবো।” গত মে মাসের শেষ সপ্তাহ থেকে অরুণাচলের এই বাঁধ বিরোধী আন্দোলন একটু একটু করে আক্রমণাত্মক চেহারা নিয়েছে। আন্দোলনের একদম সামনের সারিতে রয়েছেন মহিলারা। এই মূহুর্তে বাঁধ নির্মাণের সম্ভাবনা খতিয়ে দেখতে বেগিঙ্ গ্রামে জরিপের কাজ শুরু হয়েছে NHPC র তত্বাবধানে। তাতেই পরিস্থিতি রীতিমতো অগ্নিগর্ভ। প্রশাসনের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে যে, ২০১৭ সালেই নীতি আয়োগ সিদ্ধান্ত নিয়েছিল সিয়াঙ্ নদীর উজানী প্রবাহের ওপর ১৩.২ বিলিয়ন ডলার খরচ করে বাঁধ নির্মাণ করা হবে। আজ ভাটির অংশের অধিবাসীদের তীব্র বিরোধিতার কারণে থমকে আছে।

আন্দোলনকারীদের অভিমত – “ সিয়াঙ্ নদী আমাদের কাছে কেবলমাত্র একটি নদী নয়,সিয়াঙ্ আমাদের আনে , মা। মাকে কেউ এভাবে বিকিয়ে দেয়? যাঁকে আমরা শ্রদ্ধা করি,পুজো করি তাঁর এই পরিণতি আমরা মেনে নেব না। এই বাঁধ নির্মাণ করা হলে আমরা চূর্ণবিচূর্ণ হয়ে যাব। আমাদের সবার পৈতৃক জমিজমা ও খামার ধ্বংস হয়ে যাবে।”আজকাল কোনো বৃহৎ উন্নয়ন প্রকল্প রূপায়ণের আগে পরিবেশ প্রতিক্রিয়া পরিমাপের চল হয়েছে অর্থাৎ এই ধরনের প্রকল্পের বাস্তবায়ন সেই অঞ্চলের পরিবেশের ওপর কী প্রভাব ফেলবে, কতটা ক্ষয়ক্ষতির সম্মুখীন হতে পারে সেই অঞ্চলের মানুষের জীবন ও জীবিকা , বাস্তুতন্ত্রের শৃঙ্খলা কতটা বিধ্বস্ত হবে সে বিষয়ে বিস্তারিত খোঁজ খবর নেওয়া হয়। সিয়াঙ্ নদীর ওপর বাঁধ নির্মাণের আগে এই ধরনের সমীক্ষার দায়িত্ব দেওয়া হয়েছিল G.B.Panth National Institute of Himalyan Environment ‘ এর ওপর। তাঁরা তাঁদের রিপোর্টে ঐ অঞ্চলের প্রতিবাদ মুখর মানুষের আশঙ্কাকেই সঠিক বলে মেনে নিয়েছেন। তাঁদের মতে – “এই বাঁধ নির্মাণের ফলে নুকুঙ্ ও মিয়া গ্রামের মানুষজন ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতির সম্মুখীন হবেন।”জাতীয় পরিকাঠামো উন্নয়নের নামে এই সীমান্ত প্রান্তিক অঞ্চলে এমন বড়ো মাপের বাঁধ নির্মাণের সিদ্ধান্ত যে রীতিমতো বুমেরাং হয়ে উঠতে পারে তেমন আশঙ্কা প্রকাশ করেছেন পরিবেশ গবেষণার সাথে যুক্ত বিজ্ঞানী চিন্তন শেঠ। তাঁর অভিমত, উত্তর পূর্বাঞ্চলের এই এলাকায় বাঁধ নির্মাণ করা হলে প্রাথমিক বাস্তুপরিবেশ শুধু নষ্ট হয়ে যাবে তেমন নয় এক‌ই সঙ্গে সহযোগী বনাঞ্চল ও বাঁশ বাগানের স্বাভাবিক বেড়ে ওঠার প্রক্রিয়াও ভীষণভাবে প্রভাবিত হবে। আজকের দুনিয়ায় যখন কার্বন নিঃসরণ বন্ধ করতে সর্বাত্মক প্রয়াসের ওপর জোর দেওয়া হচ্ছে, তখন এই প্রকল্প রূপায়ণের যৌক্তিকতা নিয়ে প্রশ্ন ওঠা খুব স্বাভাবিক।

পনের বছরের কাছাকাছি সময় ধরে চিন্তন কাজ করছেন অরুণাচল প্রদেশ সরকারের সঙ্গে। এতোদিনে রাজ্যটাকে চিনেছেন, জেনেছেন নিজের হাতের তালুর মতো করে ফলে তাঁর মতামতের গুরুত্ব রয়েছে। তিনি জানিয়েছেন – “সংখ্যায় খুব বেশি না হলেও পশ্চিম কামেঙ্ জেলায় অজানা কারণে গাছেরা মারা যাচ্ছে। এই বিষয়ে দ্রুত পদক্ষেপ গ্রহণ করতে হবে। তবে বিদ্যুৎ উৎপাদন কেন্দ্রের জলাধার থেকে নিঃসৃত মিথেন গ্যাসের প্রভাবে এমন বিপর্যয় অসম্ভব নয়। আসলে প্রকৃতির সমস্ত ক্ষেত্রগুলো পরস্পর নিবিড় সম্পর্কে বাঁধা,একটার পরিবর্তন ঘটলে অন্যান্য ক্ষেত্রেও পরিবর্তন অনিবার্য হয়ে ওঠে। এই সত্যকে যত দ্রুত আমরা অনুভব করবো , ততই মঙ্গল হবে এই বিপন্ন ধরিত্রীর।”এই মূহুর্তে বাঁধ বিরোধী আন্দোলন দানা বাঁধতে শুরু করেছে সমাজের নানান স্তরে। কৃষকদের পক্ষ থেকেও তাঁদের আপত্তির কথা জানানো হয়েছে সংশ্লিষ্ট প্রশাসনিক মহলে। তাঁরা কেন্দ্রীয় ও রাজ্য সরকারের সংশ্লিষ্ট দফতরে জানিয়েছে বাঁধের জলে বানভাসি হলে বিপুলসংখ্যক মানুষ কেবল ভিটেমাটি ছেড়ে চলে যেতে বাধ্য হবেন তা নয়, তাঁদের ভবিষ্যৎ অর্থহীন শূন্যতায় ভরে যাবে।

আসলে এরমধ্যে জড়িয়ে আছে “জল রাজনীতির” একটি বিশেষ অধ্যায় – এই রাজনীতি হলো আস্ফালনের রাজনীতি। ভারত চীন সীমান্তবর্তী এলাকায়, শক্তিশালী প্রতিবেশীর একেবারে নাকের ডগায় বাঁধ নির্মাণ করে আমাদের চলতি শাসকেরা বুঝি প্রমাণ করতে চান – হাম কিসিসে কম নহী। তুমি ৬০ গিগাওয়াট ক্ষমতা সম্পন্ন সুপার মেগা বিদ্যুৎকেন্দ্র নির্মাণ করলে আমিও ১০ গিগাওয়াটের বিদ্যুৎ কেন্দ্র তৈরি করবো তাতে করে যদি আমার পরিবেশ ধ্বংস হয়ে যায়,খান ৩০ গ্রামে শান্তিতে বসবাসকারী আদিবাসী মানুষদের গ্রামছাড়া হতে হয়, বাস্তুতন্ত্রের শৃঙ্খলা ভেঙে বিশৃঙ্খল হয়ে যায়, চারিদিক যদি সবহারাদের কান্নার কলরোলে ভরে ওঠে তাতেও কুছ পরোয়া নেহি। উন্নয়ন তো হলো, নাকের বদলে নরুণ তো পেলাম! আর কে না জানে কিছু পেতে গেলে, কিছু দিতে হয়! আমরা না হয় একটু বেশিই দিলাম!

কৃতজ্ঞতা স্বীকার: সর্বভারতীয় বিভিন্ন পত্র পত্রিকার প্রতিবেদন ।

জুন ১০, ২০২৫.

PrevPreviousঊর্মিমুখর: চতুর্দশ পরিচ্ছেদ
Nextঅঙ্ক ও স্বপ্নের গল্পNext
5 3 votes
Article Rating
Subscribe
Notify of
guest
guest
6 Comments
Oldest
Newest Most Voted
Inline Feedbacks
View all comments
Soumen Roy
Soumen Roy
1 year ago

যুদ্ধও চলছে। বাঁধও হচ্ছে।মাঝে মাঝে ছোট মাথা গুলিয়ে যায়।
শেষপর্যন্ত কোথায় দাঁড়াব কি জানি!

0
Reply
Somnath Mukhopadhyay
Somnath Mukhopadhyay
Reply to  Soumen Roy
1 year ago

সময়টা বড়ই কঠিন। মাথা গুলিয়ে যাওয়া খুব অস্বাভাবিক নয়।

0
Reply
Jayanta Bhattacharya
Jayanta Bhattacharya
1 year ago

খুব পরিচ্ছন্ন বক্তব্য। প্রয়োজনীয় এবং সুন্দর লেখা।

0
Reply
Somnath Mukhopadhyay
Somnath Mukhopadhyay
Reply to  Jayanta Bhattacharya
1 year ago

জয়ন্ত বাবুকে ধন্যবাদ জানাই পরিচ্ছন্ন মন্তব্যের জন্য। আমি মন্থনের পক্ষে। লেখক ও পাঠকের নিরন্তর সংলাপ আমাদের উভয়ের ভাবনাকেই পরিণত করে, পরিশুদ্ধ করে। ভালো থাকবেন।

0
Reply
শর্মিষ্ঠা লাহিড়ী
শর্মিষ্ঠা লাহিড়ী
1 year ago

সিয়াঙ কে বাঁচাতে সত্যিই অনেক ভাবনা চিন্তার প্রয়োজন আছে। শুধুমাত্র শক্তি প্রদর্শন ই যেন বাঁধ নির্মাণের মূল কারণ না হয়। স্থানীয় অধিবাসীদের ভাবনা চিন্তা কেও যথেষ্ট গুরুত্ব দিয়ে প্রকল্প রূপায়ন করা উচিত।

0
Reply
Somnath Mukhopadhyay
Somnath Mukhopadhyay
Reply to  শর্মিষ্ঠা লাহিড়ী
1 year ago

এই মূহুর্তে আমরা সবাই উন্নয়ন নামের এক পাগলা ঘোড়ার পিঠে উঠে বসেছি। ও ছুটছে দিগ্বিদিক জ্ঞান শূন্য হয়ে। সব ছারখার হয়ে গেল। সেসব নিয়ে ভাবার সময় নেই। স্থানীয় মানুষের কথা শুনলে যে উন্নয়ন পিছিয়ে যাবে।

0
Reply

সম্পর্কিত পোস্ট

লগ্নভ্রষ্টা

September 22, 2026 No Comments

নিচের গল্পটা আমার লেখা, কিন্তু সুকন্যা বন্দ্যোপাধ্যায়ের নয়। যে বন্ধুরা আমার লেখা মাঝেমধ্যে হলেও পড়ে থাকেন, তাঁদের মধ্যে কেউ যদি বুঝতে পারেন কেন এটা সুকন্যা

গণেশ চতুর্থী: পেট পুজো না পেটকাটা?

September 22, 2026 No Comments

কিছুদিন আগে জন্মাষ্টমীর দিন কলকাতার বিভিন্ন নার্সিংহোমে একদিনে প্রায় দশ কুড়িটা করে সিজার হয়েছিল। সাধারণত প্রতিদিন যা হয় তার দুই থেকে তিনগুণ। আজ গণেশ চতুর্থী

দীর্ঘ আলাপচারিতা: এমসিডিএসএ, এবিজেডিএফ ও অভয়া আন্দোলন, শ্রমিক কৃষক মৈত্রী স্বাস্থ্য কেন্দ্র, শ্রমজীবী স্বাস্থ্য উদ্যোগ…

September 22, 2026 No Comments

একজন তরুণী রাজনৈতিক কর্মীকে পাঠানো জীবননাশের হুমকির নিন্দা করুন।

September 21, 2026 1 Comment

সমসাময়িক ভারতীয় রাজনীতিতে তরুণ কণ্ঠস্বর নেহা বোরা জওহরলাল নেহরু বিশ্ববিদ্যালয়ের (JNU) থিয়েটার অ্যান্ড পারফরম্যান্স স্টাডিজ বিভাগের পিএইচডি গবেষক এবং অল ইন্ডিয়া স্টুডেন্টস’ অ্যাসোসিয়েশন (AISA)-এর জাতীয়

একটা গল্প বলি।

September 21, 2026 No Comments

মামুনি কীভাবে আমাদের পরিবারকে একসাথে বেঁধে রেখেছিল, আগেই বলেছি। এর পেছনে একটা কারণ ছিল। ঠাকুমা মারা যাবার পর আমাদের পরিবারটা যেন হঠাৎ ভিত হারিয়ে ফেলল

সাম্প্রতিক পোস্ট

লগ্নভ্রষ্টা

Dr. Sukanya Bandopadhyay September 22, 2026

গণেশ চতুর্থী: পেট পুজো না পেটকাটা?

Dr. Indranil Saha September 22, 2026

দীর্ঘ আলাপচারিতা: এমসিডিএসএ, এবিজেডিএফ ও অভয়া আন্দোলন, শ্রমিক কৃষক মৈত্রী স্বাস্থ্য কেন্দ্র, শ্রমজীবী স্বাস্থ্য উদ্যোগ…

Dr. Punyabrata Gun September 22, 2026

একজন তরুণী রাজনৈতিক কর্মীকে পাঠানো জীবননাশের হুমকির নিন্দা করুন।

Kanchan Sarker September 21, 2026

একটা গল্প বলি।

Dr. Arjun Dasgupta September 21, 2026

An Initiative of Swasthyer Britto society

আমাদের লক্ষ্য সবার জন্য স্বাস্থ্য আর সবার জন্য চিকিৎসা পরিষেবা। আমাদের আশা, এই লক্ষ্যে ডাক্তার, স্বাস্থ্যকর্মী, রোগী ও আপামর মানুষ, স্বাস্থ্য ব্যবস্থার সমস্ত স্টেক হোল্ডারদের আলোচনা ও কর্মকাণ্ডের একটি মঞ্চ হয়ে উঠবে ডক্টরস ডায়ালগ।

Contact Us

Editorial Committee:
Dr. Punyabrata Gun
Dr. Jayanta Das
Dr. Chinmay Nath
Dr. Indranil Saha
Dr. Aindril Bhowmik
Executive Editor: Piyali Dey Biswas

Address: 

Shramajibi Swasthya Udyog
HA 44, Salt Lake, Sector-3, Kolkata-700097

Leave an audio message

নীচে Justori র মাধ্যমে আমাদের সদস্য হন  – নিজে বলুন আপনার প্রশ্ন, মতামত – সরাসরি উত্তর পান ডাক্তারের কাছ থেকে

Total Visitor

678462
Share on facebook
Share on google
Share on twitter
Share on linkedin

Copyright © 2019 by Doctors’ Dialogue

wpDiscuz

আমাদের লক্ষ্য সবার জন্য স্বাস্থ্য আর সবার জন্য চিকিৎসা পরিষেবা। আমাদের আশা, এই লক্ষ্যে ডাক্তার, স্বাস্থ্যকর্মী, রোগী ও আপামর মানুষ, স্বাস্থ্য ব্যবস্থার সমস্ত স্টেক হোল্ডারদের আলোচনা ও কর্মকাণ্ডের একটি মঞ্চ হয়ে উঠবে ডক্টরস ডায়ালগ।

[wppb-register]