খেলার মাঠে যাচ্ছি সেই উনসত্তর সাল থেকে, কতো ঘটনা কতো দুর্ঘটনার সাক্ষী!
কিন্তু খেলার মাঠে এই রকম জলজ্যান্ত জোচ্চুরি এমন বেপরোয়া লুঠ কোনো দিন দেখিনি। এতোটা প্রবঞ্চনা এতো মানুষের সঙ্গে যে সত্যিই করা সম্ভব সেটা কেউ কল্পনাও করেনি। মিনিট ২০-২৫ একটা ঝাঁক মাঠের মধ্যে ঘুরে বেড়ালো, তার মধ্যে নাকি মেসি ছিল। ঝাঁকটা এতটাই ঘন ছিল যে জায়েন্ট স্ক্রিনেও তাকে দেখা গেছে দু একটা ঝলক মাত্র। ইংরেজিতে কী একটা কথা আছে না, 𝘢𝘴 𝘵𝘩𝘪𝘤𝘬 𝘢𝘴 𝘵𝘩𝘪𝘦𝘷𝘦𝘴, ঝাঁকের চেহারা ছিল ঠিক সেই রকম! ঠিকই আছে, পুরো চোরেদেরই ঝাঁক, মেসি ও তার সহযোগীদের বাদ দিয়ে!!
চুরি তো চিরকালই ছিল, অব্যবস্থার উদাহরণও প্রচুর পাওয়া যাবে অতীতে। কিন্তু এই রকম বেপরোয়া চুরি, সরি চুরি নয় দিন দুপুরে ডাকাতি হাজার হাজার মানুষকে সাক্ষী রেখে, সত্যিই 𝘫𝘶𝘴𝘵 ভাবা যায়না!! আরও অসহ্য হলো পরবর্তী ঘটনাগুলো, কে জানে এরা মানুষকে কী ভাবে, ছাগলের থেকেও অধম, না আরো নিম্ন স্তরের??
পুলিশ কর্তা এতো বিবৃতি দিচ্ছেন, মেসিকে ঘিরে ভীড়ের মধ্যে তার উপস্থিতি তো ছিল বিশিষ্ট ভাবে প্রতীয়মান! তার কি একবারও মনে হয়েছিল, এতো উৎসুক দর্শকদের বঞ্চিত করাটা খুবই অন্যায় হচ্ছে? নিশ্চয়ই নয়, কারণ হলে তার পক্ষে ব্যবস্থা নেওয়াটাই ছিল সবচেয়ে সহজ কাজ!!
ঘোরতর সন্দেহ আছে এটা কি সত্যিই অব্যবস্থা, না পূর্বপরিকল্পিত ব্যবস্থা, মানুষকে সম্পূর্ণ রূপে বোকা বানানোর জন্য??কারণ এটাই এখনকার রীতি যে চুরি-জোচ্চুরি-খুনখারাপি-রাহাজানি সবকিছু হবে একেবারে খুল্লাম খুল্লা, কোনো রাখঢাকের দরকার নেই…..
আসলে এরা জানে এসব সত্ত্বেও এতো কিছুর পরেও, এরাই জিতবে, এবং হাজার হাজার ভোটে……
আর,এটাই হলো সবচেয়ে পরম আশ্চর্যের বিষয়! মেসির সাক্ষাৎ না পেলেও, সেই অত্যাশ্চার্য প্রায় অতীন্দ্রিয় ঘটনা প্রত্যক্ষ করতে মনে হয় না আদৌ কোনো অসুবিধা হবে, আমাদের………









