Skip to content
Facebook Twitter Google-plus Youtube Microphone
  • Home
  • About Us
  • Contact Us
Menu
  • Home
  • About Us
  • Contact Us
Swasthyer Britte Archive
Search
Generic filters
  • আরোগ্যের সন্ধানে
  • ডক্টর অন কল
  • ছবিতে চিকিৎসা
  • মা ও শিশু
  • মন নিয়ে
  • ডক্টরস’ ডায়ালগ
  • ঘরোয়া চিকিৎসা
  • শরীর যখন সম্পদ
  • ডক্টর’স ডায়েরি
  • স্বাস্থ্য আন্দোলন
  • সরকারি কড়চা
  • বাংলার মুখ
  • বহির্বিশ্ব
  • তাহাদের কথা
  • অন্ধকারের উৎস হতে
  • সম্পাদকীয়
  • ইতিহাসের সরণি
Menu
  • আরোগ্যের সন্ধানে
  • ডক্টর অন কল
  • ছবিতে চিকিৎসা
  • মা ও শিশু
  • মন নিয়ে
  • ডক্টরস’ ডায়ালগ
  • ঘরোয়া চিকিৎসা
  • শরীর যখন সম্পদ
  • ডক্টর’স ডায়েরি
  • স্বাস্থ্য আন্দোলন
  • সরকারি কড়চা
  • বাংলার মুখ
  • বহির্বিশ্ব
  • তাহাদের কথা
  • অন্ধকারের উৎস হতে
  • সম্পাদকীয়
  • ইতিহাসের সরণি
  • আরোগ্যের সন্ধানে
  • ডক্টর অন কল
  • ছবিতে চিকিৎসা
  • মা ও শিশু
  • মন নিয়ে
  • ডক্টরস’ ডায়ালগ
  • ঘরোয়া চিকিৎসা
  • শরীর যখন সম্পদ
  • ডক্টর’স ডায়েরি
  • স্বাস্থ্য আন্দোলন
  • সরকারি কড়চা
  • বাংলার মুখ
  • বহির্বিশ্ব
  • তাহাদের কথা
  • অন্ধকারের উৎস হতে
  • সম্পাদকীয়
  • ইতিহাসের সরণি
Menu
  • আরোগ্যের সন্ধানে
  • ডক্টর অন কল
  • ছবিতে চিকিৎসা
  • মা ও শিশু
  • মন নিয়ে
  • ডক্টরস’ ডায়ালগ
  • ঘরোয়া চিকিৎসা
  • শরীর যখন সম্পদ
  • ডক্টর’স ডায়েরি
  • স্বাস্থ্য আন্দোলন
  • সরকারি কড়চা
  • বাংলার মুখ
  • বহির্বিশ্ব
  • তাহাদের কথা
  • অন্ধকারের উৎস হতে
  • সম্পাদকীয়
  • ইতিহাসের সরণি
Search
Generic filters

করোনার দিনগুলি ৪৮ বুড়োর গল্প

FB_IMG_1594784129360
Dr. Aindril Bhowmik

Dr. Aindril Bhowmik

Medicine specialist
My Other Posts
  • July 16, 2020
  • 3:09 am
  • 2 Comments

আম গাছের তলায় মেডিকেল ক্যাম্প চলছিলো। বিচ্ছিরি রকমের কাশতে কাশতে বুড়ো মানুষটি সামনের চেয়ারে বসল।

এসময় লোকজনকে কাশতে দেখলে আতঙ্ক হয়। তার উপর কাশির দমকে বুড়োর কাপড়ের মাস্ক চিবুকের নীচে ঝুলছে।

বললাম, ‘আপনি নিজেও মরবেন, আমাদেরও মারবেন। শিগগিরই মাস্ক তুলুন।’

বুড়ো দু-তিনবার মাস্ক নাকের উপরে তোলার ব্যর্থ চেষ্টা করল। তারপর তোবড়ানো গালে হাসল, ‘লুজ হয়ে গেছে। হবে নি ডাক্তার বাবু।’

আমি বললাম, ‘ফিতে কানের সাথে পেঁচান। মাস্ক দিয়ে নাক মুখ না ঢাকলে আমি দেখবই না।’

বুড়ো অতিকষ্টে কাপড়ের মাস্কটি নাকের উপরে স্থির করলো। তারপর ফোঁস করে একটা দীর্ঘশ্বাস ফেলে বলল, ‘কি দিন কাল আইলো। মুখ ঢেকে কেশে সুখ নাই।’

এইসব বুড়োদের সাথে মায়ায় জড়ানো শ্যামলা শ্যামলা একটি ছোট্ট নাতনি থাকে। এই বুড়োর সাথেও ছিল। সে বলল, ‘সারারাত ধরে দাদু কাশে। তিন রাত্রি ঘুমাতে পারেনি।’

আমি অভিভূত হয়ে ছোট্ট মেয়েটির চোখে অতল মাতৃস্নেহ দেখছিলাম। বুড়ো বলল, ‘কয়খান জোরদার বড়ি দেন ডাক্তার বাবু। কাশিটা যেন একটু কমে। এই মা মরা মেয়েটা আমার ঘরে শোয়। আমার কাশি হলে সারারাত জেগে বসে থাকে।’

বললাম, ‘বিড়ি খাচ্ছেন?’

‘ছাড়ি দিয়েছি বাবু।’

শ্যামলা মেয়েটি চোখ বড় বড় করল।

বুড়ো বলল, ‘এবার সত্যিই ছাড়িছি। যবে থেকে এবারের কাশিটা উঠলো, আর খাইনি। বিড়ি খাব কি- একখান টান দিতেই কাশির দাপটে জীবন বেড়োয় যায়।’

বুকে স্টেথো বসালাম। সারেগামার সপ্তসুর শোনা যাচ্ছে। ভেতরে কফ যেন বুড়বুড়ি কাটছে। বললাম, ‘অবস্থা খুব খারাপ।’

বুড়ো বলল, ‘করুণা না কি যেনো কয়, ওই রোগটা হলো নাকি? আমি মরি খেতি নাই, এই মেয়েডার কি হবে। ওর বাপ আবার বিয়া করিছে। নতুন বউ একেবারে হারামজাদি। মাগী আমাদের দুজনের কাউরেই সহ্য করতে পারে নে। আমি মরলে তুলি যাবে কনে?’

মেয়েটি লজ্জা পেয়ে বলল, ‘দাদু, চুপ করো।’

বললাম, ‘শুধু ওষুধে হবে না, ইনহেলার লাগবে। বিড়ির বদলে ইনহেলার টানতে হবে।’

‘ওই যেটা চাপলে ফুস করে হাওয়া বেরোয়?’

বললাম, ‘ওগুলোর অনেক দাম। বরঞ্চ আপনাকে টানার ক্যাপসুল মানে রোটাহেলার লিখে দি। খাওয়ার ওষুধ পত্র সব দিয়ে দিচ্ছি। কিন্তু রোটাহেলার দিতে পারবো না। কিনে নিতে হবে।’

‘কোথা থেকে কিনবো ডাক্তার বাবু। পয়সা কনে পাবো?’

আমি বললাম, ‘বিড়ির পয়সায় হয়ে যাবে।’

খস খস করে প্রেসক্রিপশন লিখছিলাম। মেয়েটি হঠাৎ বলল, ‘ডাক্তার কাকু একটা কথা বলব?’

‘বল।’

‘কোয়েলদির কিছু হবে নাতো?’

‘কে কোয়েলদি?’

মেয়েটি লাজুক লাজুক মুখ করে বলল, ‘ওই যে- সিনেমা করে। রঞ্জিত মল্লিকের মেয়ে। ওনার তো করোনা হয়েছে।’

আমি হাসলাম। বললাম, ‘উনি শ্রেষ্ঠ হাসপাতালে শ্রেষ্ঠ চিকিৎসকের চিকিৎসা পাচ্ছেন। তোদের মতো তো গাছতলার ডাক্তারের ভরসায় বসে নেই। তারপর এত্তো মানুষের ভালোবাসা, শুভকামনা পাচ্ছেন। উনি নিশ্চয়ই সুস্থ হয়ে যাবেন।’

একটু খানি চুপ করে থেকে বললাম, ‘আচ্ছা, তুই ডা. বিপ্লব কান্তি দাশগুপ্তের নাম শুনেছিস? অথবা শুভজিত চট্টোপাধ্যায়ের নাম? তোর থেকে চার- পাঁচ বছরের বড়ো।’

‘এরা কারা?’ মেয়েটি অবাক হয়ে জিজ্ঞাসা করলো।

আবার হাসলাম, ‘এরা কেউ নয়। তোর আর জেনে কাজ নেই। যা এবার ওষুধ বুঝে নে।’

দাদুকে হাত ধরে মেয়েটি নিয়ে যাচ্ছে। বড় মায়ায় জড়ানো শ্যামলা মেয়েটি।

অবশেষে ক্যাম্প শেষ হলো। ডিউক, বাবাই আর প্রণবদা ওষুধ পত্র গোটাচ্ছে। এই তিনজন ছোটোবেলার বন্ধু সব মেডিকেল ক্যাম্পের সঙ্গী। আমি চায়ে চুমুক দিতে দিতে চারিদিকে দেখছি।

আজ তীব্র হাওয়ার দিন। এদিক ওদিক কাগজ উড়ে বেড়াচ্ছে। কয়েকটি কাগজ উড়ে পেছনের পুকুরে পড়েছে। আমার সামনে একটি কাগজ উড়ে এলো। তুললাম। আমারই লেখা প্রেসক্রিপশন।

বড্ড হাসি পেলো। এ এক অর্থহীন প্রচেষ্টা। এভাবে মেডিকেল ক্যাম্পে একশো রোগী দেখে, তাদেরকে পনেরো দিন- এক মাসের ওষুধ দিয়ে আমরা স্বাস্থ্য ব্যবস্থা বদলাতে পারব না। সাধারণ মানুষ স্বাস্থ্য কথাটার মানেই জানেনা।

জানি, খুঁজলে ওই বুড়োর প্রেসক্রিপশনও এই ছড়িয়ে থাকা কাগজের মধ্যে পাওয়া যাবে। জানি, ওই বুড়ো ইনহেলার কোনো দিনই কিনবে না। জানি, কাশি কমে গেলেই যথারীতি বিড়ি খাবে।

তবু আমরা অর্থহীন কাজই করে যাব।

PrevPrevious“জিন্দেগী বড়ি হোনি চাহিয়ে, লম্বি নেহি..”
Nextমেডিকেল কলেজের কার্যত অকেজো করে রাখা ইমার্জেন্সি বিভাগ চালু হল জুনিয়র ডাক্তারদের দাবি মেনে নিয়েNext
0 0 votes
Article Rating
Subscribe
Notify of
guest
guest
2 Comments
Oldest
Newest Most Voted
Inline Feedbacks
View all comments
আশিস নবদ্বীপ
আশিস নবদ্বীপ
6 years ago

অনেক অর্থহীন কাজ একদিন অর্থ পূন কাজে পরিনত হবে।

0
Reply
Partha Das
Partha Das
6 years ago

কর্পোরেট হাসপাতালে যারা দেখেন, তাদের কাজ টা ই অর্থে পূর্ন। আপনার কাজটা অর্থপূর্ণ। দেওয়াল দেখে থমকে গিয়ে ফেরত আসা খুব সহজ কাজ। দেওয়াল ডিঙিয়ে যাওয়া কঠিন কাজ। এই কাজ অন্য অনেক মানুষ কে বেঁচে থাকা ও বাঁচাতে শেখানোর শক্তি যোগায়।

0
Reply

সম্পর্কিত পোস্ট

প্রতিরোধের অগ্নিশিখায় জ্বালবো নতুন আলো …..

July 30, 2026 4 Comments

সাত সকালে ইউ টিউবে ভেসে আসা ছবিটা দেখে রীতিমতো আতঙ্কিত হয়েছিলাম। আপনাদের‌ও নিশ্চয়ই চোখে পড়েছে অমন চমকদার দৃশ্যখানি – সারসার মহিলার দেহ শোয়ানো রয়েছে চিতার

তুমিও হেঁটে দেখো কলকাতা

July 30, 2026 No Comments

গত ২৪শে জুলাই শহর কলকাতায় এক রূপকথার জন্ম হল। পড়ন্ত সূর্যের মায়াবি আলোয় লাখো মানুষের মিছিলে জ্বলে উঠল হাজার আশার ঝাড়বাতি। এই রূপকথার নির্মাণ যারা

Why the Rise of the Cockroach Janata Party Matters?

July 30, 2026 No Comments

“When the Revolution becomes a joke, even a joke can start a Revolution”. That’s what I wrote in the founding statement of the Communist Party of

ফ্যাসিবাদী স্বৈরতন্ত্র কায়েম করার সরকারি প্রচেষ্টাকে সংগ্রামী গণমঞ্চ তীব্র ধিক্কার জানাচ্ছে

July 29, 2026 No Comments

২৭ জুলাই, ২০২৬ ধর্মেন্দ্র প্রধানের ইস্তফা এবং দুর্নীতিমুক্ত শিক্ষাব্যবস্থা গড়ে তোলার দাবিতে দিল্লির যন্তর মন্তরে দীর্ঘ দিন ধরে চলা আন্দোলনের সংহতিতে গত ২৪ জুলাই বামপন্থী

আমিষ বনাম নিরামিষ: আসল প্রশ্ন কোনটা?

July 29, 2026 No Comments

সহরচনাকারঃ পারমিতা দাশ পশ্চিমবঙ্গের রাজনৈতিক পালাবদলের সঙ্গে সঙ্গে সরকারি বিদ্যালয়ের  মিড ডে মিলের মেনুর বদল নিয়ে জোরদার বিতর্ক শুরু হয়েছে। নতুন সরকার মিড  ডে মিলের জন্যে বরাদ্দ

সাম্প্রতিক পোস্ট

প্রতিরোধের অগ্নিশিখায় জ্বালবো নতুন আলো …..

Somnath Mukhopadhyay July 30, 2026

তুমিও হেঁটে দেখো কলকাতা

Gopa Mukherjee July 30, 2026

Why the Rise of the Cockroach Janata Party Matters?

Satya Sagar July 30, 2026

ফ্যাসিবাদী স্বৈরতন্ত্র কায়েম করার সরকারি প্রচেষ্টাকে সংগ্রামী গণমঞ্চ তীব্র ধিক্কার জানাচ্ছে

Sangrami Gana Mancha July 29, 2026

আমিষ বনাম নিরামিষ: আসল প্রশ্ন কোনটা?

Debashish Goswami July 29, 2026

An Initiative of Swasthyer Britto society

আমাদের লক্ষ্য সবার জন্য স্বাস্থ্য আর সবার জন্য চিকিৎসা পরিষেবা। আমাদের আশা, এই লক্ষ্যে ডাক্তার, স্বাস্থ্যকর্মী, রোগী ও আপামর মানুষ, স্বাস্থ্য ব্যবস্থার সমস্ত স্টেক হোল্ডারদের আলোচনা ও কর্মকাণ্ডের একটি মঞ্চ হয়ে উঠবে ডক্টরস ডায়ালগ।

Contact Us

Editorial Committee:
Dr. Punyabrata Gun
Dr. Jayanta Das
Dr. Chinmay Nath
Dr. Indranil Saha
Dr. Aindril Bhowmik
Executive Editor: Piyali Dey Biswas

Address: 

Shramajibi Swasthya Udyog
HA 44, Salt Lake, Sector-3, Kolkata-700097

Leave an audio message

নীচে Justori র মাধ্যমে আমাদের সদস্য হন  – নিজে বলুন আপনার প্রশ্ন, মতামত – সরাসরি উত্তর পান ডাক্তারের কাছ থেকে

Total Visitor

656513
Share on facebook
Share on google
Share on twitter
Share on linkedin

Copyright © 2019 by Doctors’ Dialogue

wpDiscuz

আমাদের লক্ষ্য সবার জন্য স্বাস্থ্য আর সবার জন্য চিকিৎসা পরিষেবা। আমাদের আশা, এই লক্ষ্যে ডাক্তার, স্বাস্থ্যকর্মী, রোগী ও আপামর মানুষ, স্বাস্থ্য ব্যবস্থার সমস্ত স্টেক হোল্ডারদের আলোচনা ও কর্মকাণ্ডের একটি মঞ্চ হয়ে উঠবে ডক্টরস ডায়ালগ।

[wppb-register]