Skip to content
Facebook Twitter Google-plus Youtube Microphone
  • Home
  • About Us
  • Contact Us
Menu
  • Home
  • About Us
  • Contact Us
Swasthyer Britte Archive
Search
Generic filters
  • আরোগ্যের সন্ধানে
  • ডক্টর অন কল
  • ছবিতে চিকিৎসা
  • মা ও শিশু
  • মন নিয়ে
  • ডক্টরস’ ডায়ালগ
  • ঘরোয়া চিকিৎসা
  • শরীর যখন সম্পদ
  • ডক্টর’স ডায়েরি
  • স্বাস্থ্য আন্দোলন
  • সরকারি কড়চা
  • বাংলার মুখ
  • বহির্বিশ্ব
  • তাহাদের কথা
  • অন্ধকারের উৎস হতে
  • সম্পাদকীয়
  • ইতিহাসের সরণি
Menu
  • আরোগ্যের সন্ধানে
  • ডক্টর অন কল
  • ছবিতে চিকিৎসা
  • মা ও শিশু
  • মন নিয়ে
  • ডক্টরস’ ডায়ালগ
  • ঘরোয়া চিকিৎসা
  • শরীর যখন সম্পদ
  • ডক্টর’স ডায়েরি
  • স্বাস্থ্য আন্দোলন
  • সরকারি কড়চা
  • বাংলার মুখ
  • বহির্বিশ্ব
  • তাহাদের কথা
  • অন্ধকারের উৎস হতে
  • সম্পাদকীয়
  • ইতিহাসের সরণি
  • আরোগ্যের সন্ধানে
  • ডক্টর অন কল
  • ছবিতে চিকিৎসা
  • মা ও শিশু
  • মন নিয়ে
  • ডক্টরস’ ডায়ালগ
  • ঘরোয়া চিকিৎসা
  • শরীর যখন সম্পদ
  • ডক্টর’স ডায়েরি
  • স্বাস্থ্য আন্দোলন
  • সরকারি কড়চা
  • বাংলার মুখ
  • বহির্বিশ্ব
  • তাহাদের কথা
  • অন্ধকারের উৎস হতে
  • সম্পাদকীয়
  • ইতিহাসের সরণি
Menu
  • আরোগ্যের সন্ধানে
  • ডক্টর অন কল
  • ছবিতে চিকিৎসা
  • মা ও শিশু
  • মন নিয়ে
  • ডক্টরস’ ডায়ালগ
  • ঘরোয়া চিকিৎসা
  • শরীর যখন সম্পদ
  • ডক্টর’স ডায়েরি
  • স্বাস্থ্য আন্দোলন
  • সরকারি কড়চা
  • বাংলার মুখ
  • বহির্বিশ্ব
  • তাহাদের কথা
  • অন্ধকারের উৎস হতে
  • সম্পাদকীয়
  • ইতিহাসের সরণি
Search
Generic filters

আইসোলেশনের দিনরাত্রি ৫

IMG_20200727_225518
Dipankar Mandal

Dipankar Mandal

Journalist
My Other Posts
  • July 28, 2020
  • 7:32 am
  • No Comments

আমার মেয়ে এখানেই জন্মেছে। এই ছোট্ট ঘরে বেড়ে উঠছে। গত কয়েক মাসে আকাশ দেখেনি। খোলা বাতাসে দাঁড়ায়নি। বেচারা। ওর মা বলে, আমিই কোভিড নিয়ে এসেছি। রাতে স্নান করে আর এসি চালিয়ে সেই ভাইরাসটিকে বাড়তে দিয়েছি। ঠিকই বলে হয়ত। কিন্তু তার জেরে এই বিচ্ছিরি গরমে রাতের স্নান বন্ধ। এসির প্লাগও সেই কবে থেকে খোলা।

রাতে আমরা তিনজন এক জায়গায় ঘুমোই। একটা সিলিং ফ্যান আর ছবিতে যে টেবিল পাখাটি দেখছেন এটা আমাদের ভরসা। মেয়ে আর আমি এই ছোট্ট পাখাটার কোলে মাথা রাখি। মাঝরাতে মেয়ে হঠাৎ করে উঠে পড়ে। বলে,– বাবা। মা তো ঘুমিয়ে গেছে। একটু এসিটা চালাবে। আমি ওকে আদর করে দিই। কিছু বলি না। কি বোঝে কি জানি। আবার শুয়ে পড়ে।

আসলে পরিস্থিতির চাপে আমরা সব কিছু মেনে নেই। মানিয়ে নেই। এই ধরুন না আমি। ছোটবেলা কাটল খাল-বিল নদীর সুন্দরবনে। তারপর নন্দীগ্রাম। তারপর খেজুরি। মেঠো পথ। গাছে ওঠা। পুকুরে স্নান। সাইকেল চালিয়ে কত কত দূরে চলে যাওয়া। মাথার ওপরে বিরাট বড় আকাশ। বৃষ্টি ভেজা‌। রোদে পোড়া। কাদার মধ্যে হাডুডু খেলা। আছাড় খেতে খেতে, ঠোক্কর খেতে খেতে সেই আমি কিনা এলাম এই ইট আর কংক্রিটের জঙ্গলে। এই যে এখন চুপটি করে একটা ছোট্ট ঘরের মধ্যে আটকে থাকা। কখনো মনে হচ্ছে কাশ্মীরের মেহবুবা মুফতি, ওমর আব্দুল্লাহকে গৃহবন্দী করে রাখার কথা। কখনো ভাবছি শ্রী অরবিন্দ আন্দামানে নির্জন সেলের মধ্যে থেকে কিভাবে ঋষি হয়ে উঠেছিলেন। খুব চেষ্টা করছি একাগ্রতা বাড়ানোর। কিন্তু হচ্ছে না। হয়ও না।

কাল রাতে কিংশুকদার পোস্ট পড়ছিলাম। প্রত্যেকটা বর্ণ সত্যি। লকডাউন কিছু পেশাকে স্রেফ শুইয়ে দিয়েছে। আমাদের রিপোর্টারির কাজকে তো প্রায় চুল্লীর মধ্যে ঢুকিয়ে দিয়েছে। শেষবার রথের আগের দিন দুটো অ্যাসাইনমেন্টে গেছি। এক) চিৎপুরে যাত্রা পাড়ার দুর্দশা, দুই) কাঁকুড়গাছিতে এক চাটার্ড অ্যাকাউন্টেন্টের কীর্তি। যে নিজে ব্যাঙ্গালোরে বউকে খুন করে এসে শাশুড়িকে গুলি চালায় এবং পরে নিজে আত্মহত্যা করে। তারপর একদিন কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়ে ঢুকেছি। অর্পনের সঙ্গে কিছুক্ষণ আড্ডা। প্যারামাউন্টে কোল্ড কফি। ব্যাস।

আমরা যারা রাস্তাঘাটের রিপোর্টার, তাদের এরকম টানা বন্দি করে রাখা যে কি বীভৎস কষ্টের, বলে বোঝানো যাবে না। তবু ব্যক্তিগতভাবে লকডাউনের মধ্যেও আমি কিছু কিছু বাইরে যাওয়ার বরাত পেয়েছি। যেমন আমফানের সময় দীঘায় ছিলাম। এরপরে খেজুরি, মন্দারমনি, তাজপুর, শংকরপুর, সাগরদ্বীপ, কাকদ্বীপ ইত্যাদি ইত্যাদি। এটুকুও যাদের জোটেনি ভাবছি তাদের কি অবস্থা। ও আরেকটা কথা বলতেই হবে। লকডাউনে বেশ কয়েকবার খাবার, শাড়ি, ত্রিপল প্রভৃতি নিয়ে খেজুরি গেছি। সকালে গিয়ে রাতে ফিরে এসেছি। মোটকথা ঘরে থাকিনি। মাস্ক পরে, স্যানিটাইজার নিয়ে, দূরত্ব রেখে ক্ষতিগ্রস্তদের সঙ্গে কথা বলেছি। সেই আমি কিনা এখন করোনার জন্য গৃহবন্দি।

আজ দুপুরে কার্টুন দেখতে দেখতে খাওয়ার সময় মেয়ের এই ছবি তুলেছি। বলার অপেক্ষা রাখে না ও পুরোপুরি স্বাভাবিক। আমি এবং মোমোও তাই। প্রত্যেকদিন অফিসের কপি লিখতে হয়। ‘ওয়ার্ক ফ্রম হোম’ শুরু হয়েছে আগে থেকেই। এসবের মাঝে কিছু খবর বিষন্ন করে। টিভি দেখবো না, কাগজ পড়বো না বললে আমাদের তো চলে না। মর্গে থাকবো আর মড়ার গন্ধ শুঁকবোনা তা তো হয় না। আজ সকালে এক ডেপুটি ম্যাজিস্ট্রেট আর এক বিধায়কের ছবি প্রথম পাতায়। দুজনেই মৃত। মনটা খচখচ করছে। এসবের মাঝে কাল মাধ্যমিকের রেজাল্ট। বহু বছর পরে আমি এই মেগা ইভেন্টের সাংবাদিক বৈঠকে থাকব না। যাক। কী আর করা যাবে। দুটো মোবাইল আছে। যতটা পারি খবর জোগাড় করে লিখব।

PrevPreviousক্লিনিক ডায়েরি
NextCorona Pandemic and the State Dilemma (Part – 5)Next
0 0 votes
Article Rating
Subscribe
Notify of
guest
guest
0 Comments
Inline Feedbacks
View all comments

সম্পর্কিত পোস্ট

এই আন্দোলন অনেক কিছু দিয়ে গেলো…….

July 31, 2026 No Comments

ইংল্যান্ডে থাকা আমাদের দেশের এক ছেলে, মুম্বাই থেকে তার বাবা- মা কে যন্তরমন্তরে পাঠিয়েছেন এই বলে, “বাবা, তুমি আমার হয়ে পুলিশের কাছে একটা ডান্ডা খেয়ে

প্রতিবাদের অধিকার হরণের প্রচেষ্টা বর্ধমান মেডিক্যাল কলেজে

July 31, 2026 No Comments

২৯ জুলাই, ২০২৬ ২৪ জুলাই ২০২৬ বর্ধমান মেডিক্যাল কলেজের অধ্যক্ষ একটি ‘উপদেশ’ জারি করেছেন (মেমো নম্বর BMC/2192) তাঁর নিজস্ব প্রশাসনিক আওতাভুক্ত কলেজ, ছাত্রাবাস, হাসপাতাল, হাসপাতালের

আ জা দি

July 31, 2026 No Comments

আ -য়ে আক্রমণ, আ-য়ে আগ্নেয়াস্ত্র, আ -তে আর্তনাদ, আতংক, আশঙ্কা, আততায়ী, সবই বড় ভয়ানক আ। অমন আ’দের মুখে আগুন জ্বেলে, আকাশের মতো অন্য আ’দের চাই,

প্রতিরোধের অগ্নিশিখায় জ্বালবো নতুন আলো …..

July 30, 2026 11 Comments

সাত সকালে ইউ টিউবে ভেসে আসা ছবিটা দেখে রীতিমতো আতঙ্কিত হয়েছিলাম। আপনাদের‌ও নিশ্চয়ই চোখে পড়েছে অমন চমকদার দৃশ্যখানি – সারসার মহিলার দেহ শোয়ানো রয়েছে চিতার

তুমিও হেঁটে দেখো কলকাতা

July 30, 2026 No Comments

গত ২৪শে জুলাই শহর কলকাতায় এক রূপকথার জন্ম হল। পড়ন্ত সূর্যের মায়াবি আলোয় লাখো মানুষের মিছিলে জ্বলে উঠল হাজার আশার ঝাড়বাতি। এই রূপকথার নির্মাণ যারা

সাম্প্রতিক পোস্ট

এই আন্দোলন অনেক কিছু দিয়ে গেলো…….

Sukalyan Bhattacharya July 31, 2026

প্রতিবাদের অধিকার হরণের প্রচেষ্টা বর্ধমান মেডিক্যাল কলেজে

The Joint Platform of Doctors West Bengal July 31, 2026

আ জা দি

Arya Tirtha July 31, 2026

প্রতিরোধের অগ্নিশিখায় জ্বালবো নতুন আলো …..

Somnath Mukhopadhyay July 30, 2026

তুমিও হেঁটে দেখো কলকাতা

Gopa Mukherjee July 30, 2026

An Initiative of Swasthyer Britto society

আমাদের লক্ষ্য সবার জন্য স্বাস্থ্য আর সবার জন্য চিকিৎসা পরিষেবা। আমাদের আশা, এই লক্ষ্যে ডাক্তার, স্বাস্থ্যকর্মী, রোগী ও আপামর মানুষ, স্বাস্থ্য ব্যবস্থার সমস্ত স্টেক হোল্ডারদের আলোচনা ও কর্মকাণ্ডের একটি মঞ্চ হয়ে উঠবে ডক্টরস ডায়ালগ।

Contact Us

Editorial Committee:
Dr. Punyabrata Gun
Dr. Jayanta Das
Dr. Chinmay Nath
Dr. Indranil Saha
Dr. Aindril Bhowmik
Executive Editor: Piyali Dey Biswas

Address: 

Shramajibi Swasthya Udyog
HA 44, Salt Lake, Sector-3, Kolkata-700097

Leave an audio message

নীচে Justori র মাধ্যমে আমাদের সদস্য হন  – নিজে বলুন আপনার প্রশ্ন, মতামত – সরাসরি উত্তর পান ডাক্তারের কাছ থেকে

Total Visitor

656875
Share on facebook
Share on google
Share on twitter
Share on linkedin

Copyright © 2019 by Doctors’ Dialogue

wpDiscuz

আমাদের লক্ষ্য সবার জন্য স্বাস্থ্য আর সবার জন্য চিকিৎসা পরিষেবা। আমাদের আশা, এই লক্ষ্যে ডাক্তার, স্বাস্থ্যকর্মী, রোগী ও আপামর মানুষ, স্বাস্থ্য ব্যবস্থার সমস্ত স্টেক হোল্ডারদের আলোচনা ও কর্মকাণ্ডের একটি মঞ্চ হয়ে উঠবে ডক্টরস ডায়ালগ।

[wppb-register]