Skip to content
Facebook Twitter Google-plus Youtube Microphone
  • Home
  • About Us
  • Contact Us
Menu
  • Home
  • About Us
  • Contact Us
Swasthyer Britte Archive
Search
Generic filters
  • আরোগ্যের সন্ধানে
  • ডক্টর অন কল
  • ছবিতে চিকিৎসা
  • মা ও শিশু
  • মন নিয়ে
  • ডক্টরস’ ডায়ালগ
  • ঘরোয়া চিকিৎসা
  • শরীর যখন সম্পদ
  • ডক্টর’স ডায়েরি
  • স্বাস্থ্য আন্দোলন
  • সরকারি কড়চা
  • বাংলার মুখ
  • বহির্বিশ্ব
  • তাহাদের কথা
  • অন্ধকারের উৎস হতে
  • সম্পাদকীয়
  • ইতিহাসের সরণি
Menu
  • আরোগ্যের সন্ধানে
  • ডক্টর অন কল
  • ছবিতে চিকিৎসা
  • মা ও শিশু
  • মন নিয়ে
  • ডক্টরস’ ডায়ালগ
  • ঘরোয়া চিকিৎসা
  • শরীর যখন সম্পদ
  • ডক্টর’স ডায়েরি
  • স্বাস্থ্য আন্দোলন
  • সরকারি কড়চা
  • বাংলার মুখ
  • বহির্বিশ্ব
  • তাহাদের কথা
  • অন্ধকারের উৎস হতে
  • সম্পাদকীয়
  • ইতিহাসের সরণি
  • আরোগ্যের সন্ধানে
  • ডক্টর অন কল
  • ছবিতে চিকিৎসা
  • মা ও শিশু
  • মন নিয়ে
  • ডক্টরস’ ডায়ালগ
  • ঘরোয়া চিকিৎসা
  • শরীর যখন সম্পদ
  • ডক্টর’স ডায়েরি
  • স্বাস্থ্য আন্দোলন
  • সরকারি কড়চা
  • বাংলার মুখ
  • বহির্বিশ্ব
  • তাহাদের কথা
  • অন্ধকারের উৎস হতে
  • সম্পাদকীয়
  • ইতিহাসের সরণি
Menu
  • আরোগ্যের সন্ধানে
  • ডক্টর অন কল
  • ছবিতে চিকিৎসা
  • মা ও শিশু
  • মন নিয়ে
  • ডক্টরস’ ডায়ালগ
  • ঘরোয়া চিকিৎসা
  • শরীর যখন সম্পদ
  • ডক্টর’স ডায়েরি
  • স্বাস্থ্য আন্দোলন
  • সরকারি কড়চা
  • বাংলার মুখ
  • বহির্বিশ্ব
  • তাহাদের কথা
  • অন্ধকারের উৎস হতে
  • সম্পাদকীয়
  • ইতিহাসের সরণি
Search
Generic filters

এক প্রতিবাদী ডাক্তার আর এক ফুটবল আকাডেমী, এক ফুটবল ক্লাব

FB_IMG_1755960784490
Abhaya Mancha

Abhaya Mancha

A joint platform of more than 100 organisations seeking Justice for Abhaya
My Other Posts
  • August 25, 2025
  • 8:04 am
  • No Comments

কলকাতা ফুটবলের হারিয়ে যেতে বসা এক ঐতিহ্যবাহী ক্লাবকে ফের আলোয় তুলে আনার লড়াইয়ে সামিল বাংলার এক প্রতিবাদী ডাক্তার।

অভয়া মঞ্চের সেই ডাক্তারের হাত ধরে ঘুরে দাঁড়ানোর লড়াই অন্য সবুজ মেরুনে।

লিখেছেন পার্থ দত্ত।

যাঁরা কলকাতা ময়দানে ঘুরে ছোট ক্লাবদের প্র্যাক্টিস বা ম্যাচ দেখেন, তাঁরা যদি এখন কোনও দিন সকাল সাড়ে ন’টা-দশটা নাগাদ ইডেনের উল্টো দিকের রাস্তায় তালতলা মাঠ আসেন, তাহলেই দেখা মিলবে এক অন্য জগতের এক অতি পরিচিতের।

দেখতে পাবেন মাঠের ধারে দাঁড়িয়ে একঝাঁক কাদা মাখা জুনিয়র ফুটবলারকে উৎসাহ দিচ্ছেন সাদা হাফ শার্ট পরা ছোট করে ছাঁটা কাঁচা-পাকা চুলের এক ভদ্রলোক। নাম ডাঃ তমোনাশ চৌধুরী। ইনি কলকাতার অন্যতম নামী ল্যাপারোস্কোপিক সার্জেন। তবে গত এক বছরে তিনি বিশেষভাবে প্রচারের আলোয় উঠে এসেছেন আন্দোলনকারী এক চিকিৎসক নেতা হিসেবে। গত বছর আরজি কর হাসপাতালের মধ্যে অত্যাচারিত হয়ে খুন হওয়া জুনিয়র ডাক্তারের দোষীদের খুঁজে বের করে তাদের শাস্তি দেওয়ার দাবি তুলে যে অভয়া মঞ্চ গড়া হয়েছে তমোনাশ হলেন সেই মঞ্চের অন্যতম আহ্বায়ক। প্রশাসনের টনক নড়ানোর জন্য নিরন্তর আন্দোলন চালিয়ে চলেছেন তমোনাশ। গত সপ্তাহেও অভয়া মঞ্চ থেকে সাইকেল মিছিলে আন্দোলন করায় তাঁকে পুলিশী জেরার মুখে পড়তে হয়েছিল। এই আন্দোলনের জন্যই তিনি এখন রাজ্য প্রশাসনের কাছে এক প্রতিবাদী মুখ।

বৃহস্পতিবার (২১ অগস্ট, ২০২৫) সকালে সেই প্রতিবাদী মুখের দেখা মিলল একজন ফুটবলপ্রেমী হিসেবে। ময়দানে তালতলা ইনস্টিটিউট ক্লাবের ফুটবল টিমের দায়িত্ব এখন নিজের কাঁধে তুলে নিয়েছেন তমোনাশ। কলকাতার বড় ক্লাবদের পাশে অনেককেই দাঁড়াতে দেখা যায়, কিন্তু ছোট ক্লাবেরা তলিয়ে গেলেও তার পাশে দাঁড়ানোর মতো লোক পাওয়া যাচ্ছে না। ফলে প্রবল সঙ্কটে কলকাতার ছোট ক্লাবগুলো। সেই জায়গায় কেন তিনি তৃতীয় ডিভিশন লিগে খেলা তালতলা ইনস্টিটিউটের পাশে? প্রথমে ব্যাপারটা এড়িয়েই যেতে চেয়েছিলেন ডাক্তারবাবু। কারণ একটা ফুটবল ক্লাবকে সাহায্য করার জন্য তিনি প্রচার চান না। পরে অবশ্য জানা গেল তাঁর গভীর ফুটবলপ্রেমের কথা।

তালতলা মাঠে টিমের প্র্যাক্টিসের পরে ফুটবলারদের খোঁজখবর নিয়ে কোচ দিব্যেন্দু ঘোষের সঙ্গে পরবর্তী ম্যাচের আলোচনা সারার পরে তমোনাশ শুরু করলেন কথা। তিনি বলছিলেন, ‘বাঁকুড়ার জয়পুর থানার অন্তর্গত মাগুরা গ্রামে আমি পাঁচ বছর ধরে একটা ফুটবল অ্যাকাডেমি চালাই, আমার মায়ের নামে। গীতা স্পোর্টস অ্যাকাডেমিতে প্রায় ১০০ জন ছেলে আর ৫০ জন মেয়ে নিয়মিত প্র্যাক্টিস করে। যার মধ্যে আছে অনেক প্রতিভা। কিন্তু এরা খেলবে কোথায়? তাই আমি কলকাতা লিগে এমন একটা ক্লাব খুঁজছিলাম, যেখানে আমার অ্যাকাডেমির ছেলেরা খেলবে। তালতলা ইনস্টিটিউটের কর্তারা আমাকে সেই সুযোগ দিয়েছেন।’

তালতলা ইনস্টিটিউট ময়দানে ‘ছোট মোহনবাগান’ হিসেবে চিহ্নিত ছিল সাতের-আটের দশকে। অমল চক্রবর্তী, মোহন সিং, অমিত ভদ্রের মতো জাতীয় পর্যায়ের ফুটবলাররা ছিলেন এই ক্লাবের প্রডাক্ট। এই ক্লাব বরাবরই সবুজ মেরুন জার্সিতে খেলে। সেই জার্সি পরার জন্যই ইস্টবেঙ্গল ম্যাচের পরে ওই মাঠের সমর্থকেরা তালতলা টেন্টের দিকে ইট-পাটকলেও ছুঁড়ে যেত। এখনও তালতলা সবুজ মেরুন জার্সি পরেই খেলে। কিন্তু ‘তালপুকুরে ঘটি না ডোবা’ জমিদারের মতো অবস্থা। নামতে নামতে তারা তৃতীয় ডিভিশনে।

সেই জায়গা থেকেই আবার ঘুরে দাঁড়ানোর লড়াই শুরু হয়েছে প্রতিবাদী ডাক্তার তমোনাশের হাত ধরে। তালতলা ইনস্টিটিউট এ বার তৃতীয় ডিভিশনে চ্যাম্পিয়ন হওয়ার দৌড়ে এগিয়ে। তমোনাশের সঙ্গে রয়েছেন কোচ দিব্যেন্দু। ময়দানে যিনি পরিচিত কাটু নামে। তিনি ছোট টিমের বড় কোচ। ভবানীপুর ক্লাব থেকে অ্যালবার্ট—যে ক্লাবেরই দায়িত্ব নিয়েছেন, তাদের দিব্যেন্দু তুলে এনেছেন উপরের ডিভিশনে।

দিব্যেন্দু বাঁকুড়ায় তমোনাশের অ্যাকাডেমিতে গিয়ে বাছাই করে কিছু ফুটবলার এনেছেন তালতলা ইনস্টিটিউটের জন্য। যেহেতু এই ডিভিশনে খেলে অনূর্ধ্ব ১৮ বছর বয়সিরা, তাই অ্যাকাডেমির সব ছেলেদের এখানে নেওয়া সম্ভব হয়নি। তারা অনেকেই খেলে ময়দানের অন্য ক্লাবে। দিব্যেন্দুই বলছিলেন, ‘জেলার ছেলেদের কলকাতা লিগে খেলার সবচেয়ে বড় সমস্যা এখানে থাকা-খাওয়ার ব্যবস্থা। আমাদের সুবিধে হয়েছে, ডাক্তারবাবু সিঁথিতে তাঁর বাড়িতেই ছেলেদের থাকা খাওয়া দিয়ে রেখে দিয়েছেন। ফলে এই সব ছেলেরা কলকাতা লিগে খেলে আগামী দিনে বাংলার ফুটবলের সাপ্লাইলাইন হতে চলেছে।

ডাক্তারি, আন্দোলন, তার পাশাপাশি এই ফুটবল প্রীতি কী ভাবে? তমোনাশের ব্যাখ্যা, ‘করোনার পরে গ্রামে ফিরে দেখি, সেখানকার ছেলেরা স্কুলে যায় না। সারাদিন ডুবে থাকে মোবাইলে। মানসিকভাবে কার্যত অসুস্থ হয়ে পড়ছে। তখনই মনে হয়েছিল, কম খরচে ফুটবল খেলার মাধ্যমেই সমাজ সংস্কার করা সম্ভব। মায়ের ইচ্ছাতেই তাঁর নামে আমি গ্রামের স্কুলের মাঠে অ্যাকাডেমি গড়ি। পঞ্চায়েত সাহায্য করে। গ্রামবাসীরাও পাশে এসে দাঁড়ান। খুব দ্রুত ছেলেরা মাঠমুখী হয়।’ এই কোচিং ক্যাম্পের ব্যাপারে ডাঃ চৌধুরীকে সাহায্য করেন সন্তোষ ট্রফি জয়ী বাংলা টিমের কোচ মৃদুল বন্দ্যোপাধ্যায়। মৃদুলের সঙ্গে এখন যোগ হয়েছেন দিব্যেন্দুও।

এই অ্যাকাডেমির ছেলেরা শুধু খেলেই না ডাক্তারবাবুর আদর্শে উদ্ধুদ্ধ হয়ে সামাজিক কাজকর্মেও যোগ দেয়। এক ফুটবলার বললেন, ‘কারও প্রয়োজন পড়লে আমরা রক্তদান করে আসি। এলাকার মানুষ বিপদে পড়লে পাশে দাঁড়াই। ডাক্তারবাবুর সাহায্য নিয়ে প্রাকৃতিক বিপর্যয়ে পড়া মানুষের সেবা করারও চেষ্টা করি।’

পরবর্তী লক্ষ্য নিয়ে তমোনাশ বলছিলেন ‘এত দিন অ্যাকাডেমি ছিল অনাবাসিক। এখন আমি এক স্কুলের সঙ্গে চুক্তি করে থাকা ও পড়াশোনার ব্যবস্থা করে আবাসিক বিভাগও শুরু করছি। কারণ শুধু তো আমার গ্রামের নয়, বাঁকুড়ার বিভিন্ন প্রান্তের ও অন্য জেলার ছেলেরাও আমার অ্যাকাডেমিতে প্র্যাক্টিসে আসছে। মেয়েদের সংখ্যাও দ্রুত বাড়ছে। মেয়েদের সুবিধের জন্য ড্রেসিংরুম করা হয়েছে। নিরাপত্তার জন্য মাঠে লাগানো হয়েছে সিসিটিভিও। সব মিলিয়ে আমার চোখে ফুটবল নিয়ে অনেক স্বপ্ন।’

স্বপ্ন দেখছেন প্রায় হারিয়ে যেতে বসা তালতলা ইনস্টিটিউটের কর্তারাও। ক্লাবের প্রবীণ কর্তা সরোজ ঘোষ বলছিলেন, ‘ডাক্তারবাবু ভীষণ সজ্জন মানুষ। গত বছর উনি আমাদের ফুটবল টিমের দায়িত্ব নিতে চাইলেও আমরা কিছু সমস্যার জন্য তা দিতে পারিনি। এ বার দিয়েই আমরা সাফল্যের মুখ দেখতে চলেছি। আশা করি, ডাক্তারবাবুর হাত ধরেই তালতলা ইনস্টিটিউট ফের ছোট মোহনবাগানের তকমা ফিরে পাবে।’

প্রতিবাদীর লড়াইয়েই যেন এক নতুন স্বপ্ন।

PrevPreviousপুলিশ যত ভয় দেখাবে আন্দোলন তত জোরালো হবে।
Nextমালদা মেডিকেল কলেজ উত্তাল ছাত্র ছাত্রী বিক্ষোভেNext
5 1 vote
Article Rating
Subscribe
Notify of
guest
guest
0 Comments
Inline Feedbacks
View all comments

সম্পর্কিত পোস্ট

ফ্যাসিস্ট শক্তির পতন সময়ের অপেক্ষা

October 13, 2026 No Comments

১১ অক্টোবর, ২০২৬ প্রতিবাদের বাঁধভাঙা জনস্রোতে, জনরোষে, তারুণ্যের প্লাবনে ভেসে গেল ফ্যাসিস্ট সরকারের ব্যারিকেড। যন্তরমন্তর সহ দিল্লি দুর্গের পতন হয়েছে অহিংস আন্দোলনকারীদের দৃপ্ত, নাছোড় জমায়েতে।

মনে রাখা হবে

October 13, 2026 No Comments

আমরা যারা বাবা-জ্যাঠাদের মুখে সিদ্ধার্থশঙ্কর রায়ের জমানায় ১৯৭২ থেকে ’৭৭-এর নৃশংস পুলিশি অত্যাচারের গল্প শুনে বড় হয়েছি, দিল্লি পুলিশের এই আচরণে তারা অবাক হইনি। গুন্ডাদের

স্বাস্থ্য মন্ত্রীকে ডেপুটেশন ও প্রতিবাদী জমায়েত | বিচারহীন ২৬ মাস | অভয়া মঞ্চ

October 13, 2026 No Comments

৯ অক্টোবর, ২০২৬

ভীষণ অসম্ভবে তোমাকে চাই’

October 12, 2026 1 Comment

১০ অক্টোবর কলকাতার সূর্য সেন ভবনে ভবিষ্যতের দিশা ও বিকল্পের সন্ধানে পি ডি এস এফ ছাত্র সংগঠন একটি অসাধারণ আলোচনা সভার আয়োজন করেছিল। বিষয় ছিল

শংকর গুহ নিয়োগী ও শ্রমিক আন্দোলন

October 12, 2026 No Comments

২৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬ শংকর গুহ নিয়োগীর ৩৫ তম শহীদ দিবস উদযাপন।

সাম্প্রতিক পোস্ট

ফ্যাসিস্ট শক্তির পতন সময়ের অপেক্ষা

Sangrami Gana Mancha October 13, 2026

মনে রাখা হবে

Dr. Arjun Dasgupta October 13, 2026

স্বাস্থ্য মন্ত্রীকে ডেপুটেশন ও প্রতিবাদী জমায়েত | বিচারহীন ২৬ মাস | অভয়া মঞ্চ

Abhaya Mancha October 13, 2026

ভীষণ অসম্ভবে তোমাকে চাই’

Gopa Mukherjee October 12, 2026

শংকর গুহ নিয়োগী ও শ্রমিক আন্দোলন

Doctors' Dialogue October 12, 2026

An Initiative of Swasthyer Britto society

আমাদের লক্ষ্য সবার জন্য স্বাস্থ্য আর সবার জন্য চিকিৎসা পরিষেবা। আমাদের আশা, এই লক্ষ্যে ডাক্তার, স্বাস্থ্যকর্মী, রোগী ও আপামর মানুষ, স্বাস্থ্য ব্যবস্থার সমস্ত স্টেক হোল্ডারদের আলোচনা ও কর্মকাণ্ডের একটি মঞ্চ হয়ে উঠবে ডক্টরস ডায়ালগ।

Contact Us

Editorial Committee:
Dr. Punyabrata Gun
Dr. Jayanta Das
Dr. Chinmay Nath
Dr. Indranil Saha
Dr. Aindril Bhowmik
Executive Editor: Piyali Dey Biswas

Address: 

Shramajibi Swasthya Udyog
HA 44, Salt Lake, Sector-3, Kolkata-700097

Leave an audio message

নীচে Justori র মাধ্যমে আমাদের সদস্য হন  – নিজে বলুন আপনার প্রশ্ন, মতামত – সরাসরি উত্তর পান ডাক্তারের কাছ থেকে

Total Visitor

690315
Share on facebook
Share on google
Share on twitter
Share on linkedin

Copyright © 2019 by Doctors’ Dialogue

wpDiscuz

আমাদের লক্ষ্য সবার জন্য স্বাস্থ্য আর সবার জন্য চিকিৎসা পরিষেবা। আমাদের আশা, এই লক্ষ্যে ডাক্তার, স্বাস্থ্যকর্মী, রোগী ও আপামর মানুষ, স্বাস্থ্য ব্যবস্থার সমস্ত স্টেক হোল্ডারদের আলোচনা ও কর্মকাণ্ডের একটি মঞ্চ হয়ে উঠবে ডক্টরস ডায়ালগ।

[wppb-register]