Skip to content
Facebook Twitter Google-plus Youtube Microphone
  • Home
  • About Us
  • Contact Us
Menu
  • Home
  • About Us
  • Contact Us
Swasthyer Britte Archive
Search
Generic filters
  • আরোগ্যের সন্ধানে
  • ডক্টর অন কল
  • ছবিতে চিকিৎসা
  • মা ও শিশু
  • মন নিয়ে
  • ডক্টরস’ ডায়ালগ
  • ঘরোয়া চিকিৎসা
  • শরীর যখন সম্পদ
  • ডক্টর’স ডায়েরি
  • স্বাস্থ্য আন্দোলন
  • সরকারি কড়চা
  • বাংলার মুখ
  • বহির্বিশ্ব
  • তাহাদের কথা
  • অন্ধকারের উৎস হতে
  • সম্পাদকীয়
  • ইতিহাসের সরণি
Menu
  • আরোগ্যের সন্ধানে
  • ডক্টর অন কল
  • ছবিতে চিকিৎসা
  • মা ও শিশু
  • মন নিয়ে
  • ডক্টরস’ ডায়ালগ
  • ঘরোয়া চিকিৎসা
  • শরীর যখন সম্পদ
  • ডক্টর’স ডায়েরি
  • স্বাস্থ্য আন্দোলন
  • সরকারি কড়চা
  • বাংলার মুখ
  • বহির্বিশ্ব
  • তাহাদের কথা
  • অন্ধকারের উৎস হতে
  • সম্পাদকীয়
  • ইতিহাসের সরণি
  • আরোগ্যের সন্ধানে
  • ডক্টর অন কল
  • ছবিতে চিকিৎসা
  • মা ও শিশু
  • মন নিয়ে
  • ডক্টরস’ ডায়ালগ
  • ঘরোয়া চিকিৎসা
  • শরীর যখন সম্পদ
  • ডক্টর’স ডায়েরি
  • স্বাস্থ্য আন্দোলন
  • সরকারি কড়চা
  • বাংলার মুখ
  • বহির্বিশ্ব
  • তাহাদের কথা
  • অন্ধকারের উৎস হতে
  • সম্পাদকীয়
  • ইতিহাসের সরণি
Menu
  • আরোগ্যের সন্ধানে
  • ডক্টর অন কল
  • ছবিতে চিকিৎসা
  • মা ও শিশু
  • মন নিয়ে
  • ডক্টরস’ ডায়ালগ
  • ঘরোয়া চিকিৎসা
  • শরীর যখন সম্পদ
  • ডক্টর’স ডায়েরি
  • স্বাস্থ্য আন্দোলন
  • সরকারি কড়চা
  • বাংলার মুখ
  • বহির্বিশ্ব
  • তাহাদের কথা
  • অন্ধকারের উৎস হতে
  • সম্পাদকীয়
  • ইতিহাসের সরণি
Search
Generic filters

এদের সহনাগরিক বলতে লজ্জা হয়

Screenshot_2026-08-21-00-14-07-77_680d03679600f7af0b4c700c6b270fe7
Dr. Samudra Sengupta

Dr. Samudra Sengupta

Health administrator
My Other Posts
  • August 21, 2026
  • 7:32 am
  • No Comments

কিংসফোর্ডকে লক্ষ্য করে ক্ষুদিরাম বসুর ছোঁড়া বোমাটা সেদিন সঠিক লক্ষ্যে লাগেনি। এক অর্থে ব্যর্থ। সেই ব্যর্থ মানুষটিকে নিয়ে লিখতে বসার কিছুতো কারণ থাকবে। সেটা জানার ইচ্ছে হলে সুধী পাঠক এই লেখাটার বাকি অংশ পড়ে দেখতে পারেন।

কে এই কিংসফোর্ড, কেন তাঁকে মারার জন্য বিপ্লবীরা তৎপর হয়েছিলেন জানতে একটু পিছিয়ে যাওয়া যাক। বন্দে মাতরম পত্রিকায় রাজদ্রোহমূলক প্রবন্ধের জন্য অরবিন্দ ঘোষ অভিযুক্ত হয়েছিলেন। সেই মামলায় সাক্ষ্য দিতে অস্বীকার করায় বিপিন চন্দ্র পাল অভিযুক্ত হন। তার বিচারের দিন লালবাজার পুলিশ কোর্টের সামনে জমায়েত হওয়া জনতার ওপর এক ইউরোপীয় ইন্সপেক্টর লাঠি চালানোর নির্দেশ দেয়। তাতে উত্তজিত হয়ে সুশীল সেন ওই ইন্সপেক্টর এর মুখে ঘুষি চালায়। এই অপরাধে সেই ১৪ বছরের কিশোর কে ১৪ ঘা বেতের বাড়ি খেতে হয় যে বিচারকের আদেশে তার নাম ম্যাজিষ্ট্রেট কিংসফোর্ড। (সূত্র: হেমচন্দ্র কানুনগো: বাংলায় বিপ্লব প্রচেষ্টা)

জাতীয় ও আন্তর্জাতিক স্তরে আলোড়ন তুলে দেওয়া ক্ষুদিরাম এর মতো মানুষরা নিজেদের জন্য বিপ্লবী, মুক্তিযোদ্ধা, দেশের জন্য বলিপ্রদত্ত, স্বাধীনতা সংগ্রামী— এই সব বিশেষণই ব্যবহার করতেন। কিন্তু এই জাতীয় সশস্ত্র স্বাধীনতা সংগ্রামীদের হেয় প্রতিপন্ন করার জন্য ব্রিটিশ গুপ্তচর বিভাগের অফিসাররা ‘অ্যানার্কিস্ট’, ‘টেররিস্ট’ ইত্যাদি শব্দ ব্যবহার করেন। ডিরেক্টর অব ইন্টেলিজেন্স সি আর মিডল্যান্ড তো এঁদের ‘পলিটিকো-ক্রিমিনাল কনস্পিরেটর’ বলে নিন্দা করেন। সশস্ত্র সংগ্রামীদের সন্ত্রাসবাদী তকমা ব্রিটিশরাই দিয়েছে। (সূত্র: অনুশীলন সমিতির ইতিহাস, সম্পা: অমলেন্দু দে, পৃ ১৬-১৭)।

কলোনিয়াল শাসক ও তাদের ধামাধরা ইতিহাসবিদদের লেখা পড়ে আমাদের পূর্বসূরী ও আমাদের প্রজন্মের অনেকেই বড় হয়েছি। ওই “সন্ত্রাসবাদী” শব্দটা আমাদের মনে শিকড় গেঁথে বসে আছে। তাই স্বাধীনতার পরে পরেই স্বাধীন ভারতের প্রধান ক্ষুদিরাম এর মূর্তি উন্মোচন করতে অস্বীকার করেন। উনি ভিন্নধারার রাজনীতিবিদ বলে নয় শুধু, উনি “পন্ডিত” মানুষ ছিলেন, জানতেন যে ক্ষুদিরাম জাতীয় মানুষরা শুধু বৃটিশ নয়, তাঁর পক্ষেও বিপদজনক। তাঁর ধারা ধরে আমাদের অনেকেই এখনো ক্ষুদিরামকে নিয়ে বলতে ইতস্ততঃ করেন। মানুষটা “টেরোরিস্ট” ছিল যে !

ক্ষুদিরাম ও তার সহযোগীরা ঠিক কি ছিলেন সেটা বুঝতে সম্পূর্ণ আলাদা দৃষ্টিকোণ এর আশ্রয় নিতে হচ্ছে। তথ্য এক) বিপ্লবীদের দমনের জন্য সবচেয়ে কুখ্যাত ব্রিটিশ আইন এর নাম “রাউলাট বিল”। বিলটার পোশাকি নাম খেয়াল করুন সুধী পাঠক, “দি এনারকিক্যাল এন্ড রেভলিউশনারী ক্রাইম এক্ট”। ব্রিটিশ সাম্রাজ্যবাদ লিখছে “রেভলিউশনারী”!! লিখতে বাধ্য হচ্ছে।

তথ্য দুই) স্যার চার্লস টেগার্ট তার বক্তৃতায় বলছেন, “বিপ্লবীদের কর্মতৎপরতায় সরকারি যন্ত্র অচল হওয়ার মতো বিপদের সম্মুখীন হয়েছিল” ( সূত্র: টেরোরিসম ইন ইন্ডিয়া, ১লা নভেম্বর, ১৯৩২, রয়েল এম্পায়ার সোসাইটি)

১৮ বছরের একটা বাঙালি ছেলে ভুল লোককে বোমা ছুঁড়ে যদি সরকারি যন্ত্র তথা রাষ্ট্র যন্ত্রের ভিত কাঁপিয়ে দিতে পারে তাহলে তাকে নিয়ে লেখাই যায় কি বলুন সুধী পাঠক। ১১ আগস্ট তাঁর আত্মবলিদান দিবস। তার কয়েকদিন পরেই যাদবপুরে যে কুৎসিত ঘটনা ঘটল সেটা নিয়ে লিখতে গিয়ে দুটো কথা উল্লেখ করতে হচ্ছে।

এক) নিজের দেশে মহান “বুর্জোয়া লিবারাল গণতন্ত্রী” সাজা বৃটিশরা এভাবেই ভারতের বুকে তাদের “ব্রুট” শাসন চালিয়ে এসেছিল। তাতে সাথে পেয়েছিল এই দেশেরই কিছু অনুচর কে। কিংসফোর্ড কে হত্যার চেষ্টায় জড়িত ক্ষুদিরাম ও প্রফুল্ল চাকির এই কাজ কে সমর্থন করে বাল গন্ধাধর তিলক তার মারাঠি পত্রিকা কেশরী তে লিখেছিলেন যদিও তিনি ভায়োলেন্স কে সমর্থন করেন না, তবুও “The rulers who always exercise unrestrained power must remember that there is always a limit to the patience of humanity”. And so, ‘violence’, however deplorable, became inevitable”

এই কারণে তিলক এর বিরুদ্ধে মামলা হয়। ভারতীয় জুরীরা তাকে নির্দোষ বলে ঘোষণা করলেও ইউরোপীয় জুরীদের রায়ে বার্মার মান্দালয় জেলে তাঁর ছয় বছরের কারাবাসের সাজা হয়।

দুই) সেই রায়ের খবর শুনে প্রতিক্রিয়া দিলেন কয়েক হাজার মাইল দূরে থাকা এক রাশিয়ান বিপ্লবী। জেনিভার এক ছোট্ট কুঠুরি থেকে সেকেন্ড হ্যান্ড ট্রেডল মেশিন থেকে পত্রিকায় ছাপা হ’ল সেই বিখ্যাত প্রবন্ধ “বিশ্ব রাজনীতির বিস্ফোরক মালমসলা”। কি অদ্ভুত যোগাযোগ। সেই লেখকও নিজের দেশ থেকে নির্বাসিত। নাম ভ্লাদিমির ইলিচ লেনিন। (সূত্র: প্রলেটারী। সংখ্যা তেত্রিশ)

লেনিন লিখছেন, “ব্রিটিশ খ্যাকশিয়ালরা ভারতীয় গণতন্ত্রী তিলক কে যে কুখ্যাত সাজা শুনিয়েছে” তার তীব্র সমালোচনা করে, বিপ্লবী তিলক এর অবমাননার প্রতিবাদে তথাকথিত সভ্য, নিজেদের দেশে উদারনৈতিক গণতন্ত্রের চর্চা করা ব্রিটিশ সাম্রাজ্যবাদের মুখোশ খুলে নিজের লেখনী তে উলঙ্গ করে দিলেন লেনিন লিখলেন, “In India lately, the native slaves of the “civilised” British capitalists have been a source of worry to their “masters”. There Is no end to the acts of violence and plunder which goes under the name of the British system of government in India.” (সূত্র: লেনিন: ইনফ্লেমেবল মেটেরিয়াল ইন ওয়ার্ল্ড পলিটিক্স)

“মহান” ব্রিটিশ ন্যায়বিচার কে ব্যঙ্গ করে লেনিন আরো লেখেন, “The infamous sentence pronounced by the British jackals on the Indian democrat Tilak—he was sentenced to a long term of exile, the question in the British House of Commons the other day revealing that the Indian jurors had declared for acquittal and that the verdict had been passed by the vote of the British jurors!—this revenge against a democrat by the lackeys of the money-bag evoked street demonstrations and a strike in Bombay.”

সেই লেনিনের মূর্ত্তি ভাঙার জন্য যাদবপুরে সমবেত জনতা আসলে লেনিনকে শুধু অপমান করে নি। তারা বিপিন পালকে অপমান করেছে, তারা তিলককে অপমান করেছে, তারা ক্ষুদিরামকে অপমান করেছে তারা ভারত তথ্য বিশ্বের সমস্ত জাতীয় মুক্তি সংগ্রামে জড়িত বিপ্লবীদের অপমান করেছে। লেনিন নিছক বিদেশি রাশিয়ান নেতা ছিলেন না। তিনি ছিলেন বিশ্ব জুড়ে সাম্রাজ্যবাদ, উপনিবেশবাদ বিরোধী সংগ্রামের মূর্ত প্রতীক। যারা স্বাধীনতার আগে ও পরে সাম্রাজ্যবাদী শক্তি, পুরোনো ও নয়া উপনিবেশবাদী শক্তির পায়ের জুতোর তলা চেটে গেলো, ভারতের জাতীয় মুক্তি সংগ্রামে যাদের অবদান শূন্য তারা লেনিনের মাহাত্ম্য কি ভাবে বুঝবে ? তাই তাদের আচরণে বিস্মিত বোধ করা বহুদিন ছেড়ে দিয়েছি। আজকাল এদের কান্ড কারখানায় ক্রোধ ও আর জাগে না। এই সমাজ অচেতন, ইতিহাস অচেতন চরম অশিক্ষিত জম্বি বাহিনীর জন্য কেবল করুণা হয়। এরা বাঙালি? এরা অমর শহীদ ক্ষুদিরাম এর দেশের লোক? এদের সহনাগরিক বলতে লজ্জা হয়, ঘেন্না হয়।

PrevPreviousনকশালবাড়ি আন্দোলন এবং হিংসা
Nextশুধু মৃত্যু-তারিখটা বাকি।Next
0 0 votes
Article Rating
Subscribe
Notify of
guest
guest
0 Comments
Inline Feedbacks
View all comments

সম্পর্কিত পোস্ট

শুধু মৃত্যু-তারিখটা বাকি।

August 21, 2026 No Comments

একটা জিনিস লক্ষ্য করেছেন? ফেসবুক আর “ফেসবুক” নেই — এখন ওটা একটা বিজ্ঞাপনী প্যামফলেট, যেখানে মাঝেমধ্যে মানুষ ভুল করে ঢুকে পড়ে। একটা সময় ছিল, সকালে

নকশালবাড়ি আন্দোলন এবং হিংসা

August 21, 2026 No Comments

তখন আমরা বেশ ছোট। বোধ হয় সেভেন-এইটে পড়ি। বাড়ির সামনে হরি সাহার মুদিখানার দোকান ছিল। সেখানে কিছু একটা কিনতে গিয়েছি। মনে আছে, কারও সঙ্গে আমার

মা মনসার পূজা

August 20, 2026 No Comments

**হ্যালো গাইজ** 🐃🐃🐃 আজ মা মনসার পূজা। যে ক’জন দেব-দেবীর সাথে আমার আত্মিক সম্পর্ক, যাদের আমি ভক্তি ভরে প্রত্যহ প্রণাম করি, মা মনসা তাঁদের একজন।

২২শে শ্রাবণ

August 20, 2026 No Comments

এক খিদিরপুরের ট্রামলাইন। প্রথম হেমন্তের ঝোড়ো বিকেল। পাতাঝরার বেলা এখন। প্যান্টের দু’পকেটে দু’হাত ঢুকিয়ে ছেলেটা হাঁটছে — এলোমেলো, উদ্দেশ্যহীন। পাশে ফোর্ট উইলিয়ামের সামনের রাস্তা দিয়ে

আমরা স্তম্ভিত, শোকসন্তপ্ত এবং ভয়ঙ্কর ক্রুদ্ধ

August 20, 2026 No Comments

১৮ আগস্ট, ২০২৬ বাঁকুড়ার ইন্দাসের বাসিন্দা শেখ আব্দুল হাফিজ সুদূর দিল্লীর যন্তর মন্তরে পৌঁছেছিল শিক্ষা দুর্নীতির বিরুদ্ধে প্রতিবাদ জোরদার করতে। গোটা দেশ তথা সরকার মেনে

সাম্প্রতিক পোস্ট

শুধু মৃত্যু-তারিখটা বাকি।

Dr. Arjun Dasgupta August 21, 2026

এদের সহনাগরিক বলতে লজ্জা হয়

Dr. Samudra Sengupta August 21, 2026

নকশালবাড়ি আন্দোলন এবং হিংসা

Kanchan Sarker August 21, 2026

মা মনসার পূজা

Dr. Aindril Bhowmik August 20, 2026

২২শে শ্রাবণ

Dr. Sukanya Bandopadhyay August 20, 2026

An Initiative of Swasthyer Britto society

আমাদের লক্ষ্য সবার জন্য স্বাস্থ্য আর সবার জন্য চিকিৎসা পরিষেবা। আমাদের আশা, এই লক্ষ্যে ডাক্তার, স্বাস্থ্যকর্মী, রোগী ও আপামর মানুষ, স্বাস্থ্য ব্যবস্থার সমস্ত স্টেক হোল্ডারদের আলোচনা ও কর্মকাণ্ডের একটি মঞ্চ হয়ে উঠবে ডক্টরস ডায়ালগ।

Contact Us

Editorial Committee:
Dr. Punyabrata Gun
Dr. Jayanta Das
Dr. Chinmay Nath
Dr. Indranil Saha
Dr. Aindril Bhowmik
Executive Editor: Piyali Dey Biswas

Address: 

Shramajibi Swasthya Udyog
HA 44, Salt Lake, Sector-3, Kolkata-700097

Leave an audio message

নীচে Justori র মাধ্যমে আমাদের সদস্য হন  – নিজে বলুন আপনার প্রশ্ন, মতামত – সরাসরি উত্তর পান ডাক্তারের কাছ থেকে

Total Visitor

668932
Share on facebook
Share on google
Share on twitter
Share on linkedin

Copyright © 2019 by Doctors’ Dialogue

wpDiscuz

আমাদের লক্ষ্য সবার জন্য স্বাস্থ্য আর সবার জন্য চিকিৎসা পরিষেবা। আমাদের আশা, এই লক্ষ্যে ডাক্তার, স্বাস্থ্যকর্মী, রোগী ও আপামর মানুষ, স্বাস্থ্য ব্যবস্থার সমস্ত স্টেক হোল্ডারদের আলোচনা ও কর্মকাণ্ডের একটি মঞ্চ হয়ে উঠবে ডক্টরস ডায়ালগ।

[wppb-register]