Skip to content
Facebook Twitter Google-plus Youtube Microphone
  • Home
  • About Us
  • Contact Us
Menu
  • Home
  • About Us
  • Contact Us
Swasthyer Britte Archive
Search
Generic filters
  • আরোগ্যের সন্ধানে
  • ডক্টর অন কল
  • ছবিতে চিকিৎসা
  • মা ও শিশু
  • মন নিয়ে
  • ডক্টরস’ ডায়ালগ
  • ঘরোয়া চিকিৎসা
  • শরীর যখন সম্পদ
  • ডক্টর’স ডায়েরি
  • স্বাস্থ্য আন্দোলন
  • সরকারি কড়চা
  • বাংলার মুখ
  • বহির্বিশ্ব
  • তাহাদের কথা
  • অন্ধকারের উৎস হতে
  • সম্পাদকীয়
  • ইতিহাসের সরণি
Menu
  • আরোগ্যের সন্ধানে
  • ডক্টর অন কল
  • ছবিতে চিকিৎসা
  • মা ও শিশু
  • মন নিয়ে
  • ডক্টরস’ ডায়ালগ
  • ঘরোয়া চিকিৎসা
  • শরীর যখন সম্পদ
  • ডক্টর’স ডায়েরি
  • স্বাস্থ্য আন্দোলন
  • সরকারি কড়চা
  • বাংলার মুখ
  • বহির্বিশ্ব
  • তাহাদের কথা
  • অন্ধকারের উৎস হতে
  • সম্পাদকীয়
  • ইতিহাসের সরণি
  • আরোগ্যের সন্ধানে
  • ডক্টর অন কল
  • ছবিতে চিকিৎসা
  • মা ও শিশু
  • মন নিয়ে
  • ডক্টরস’ ডায়ালগ
  • ঘরোয়া চিকিৎসা
  • শরীর যখন সম্পদ
  • ডক্টর’স ডায়েরি
  • স্বাস্থ্য আন্দোলন
  • সরকারি কড়চা
  • বাংলার মুখ
  • বহির্বিশ্ব
  • তাহাদের কথা
  • অন্ধকারের উৎস হতে
  • সম্পাদকীয়
  • ইতিহাসের সরণি
Menu
  • আরোগ্যের সন্ধানে
  • ডক্টর অন কল
  • ছবিতে চিকিৎসা
  • মা ও শিশু
  • মন নিয়ে
  • ডক্টরস’ ডায়ালগ
  • ঘরোয়া চিকিৎসা
  • শরীর যখন সম্পদ
  • ডক্টর’স ডায়েরি
  • স্বাস্থ্য আন্দোলন
  • সরকারি কড়চা
  • বাংলার মুখ
  • বহির্বিশ্ব
  • তাহাদের কথা
  • অন্ধকারের উৎস হতে
  • সম্পাদকীয়
  • ইতিহাসের সরণি
Search
Generic filters

হাসপাতালের জার্নাল: চিরকালীন গাধা

FB_IMG_1654307434072
Dr. Arunachal Datta Choudhury

Dr. Arunachal Datta Choudhury

Medicine specialist
My Other Posts
  • June 5, 2022
  • 7:39 am
  • No Comments
আজ একটু আগেই সে এল। চিন্তা করে অতীতের কত কথাই না ভেসে এল মনে। প্রথম সে এসেছিল খুব চেনা বন্ধুর হাত ধরে।
আশা দেবী তখন জলন্ধরে থাকত।
কোন ক্লাসে পড়ি তখন? ক্লাস নাইন কিম্বা টেন। ভারি মুগ্ধ হয়েছিলাম তার রূপে। মন্ত্রমুগ্ধও বলা যেতে পারে।
এরপরে এল চাকরির প্রথম দিকে। আমার কাছে ঠিক না। আমার বউএর কাছে। সেই মুহূর্তে আমি বাড়ি ছিলাম না। সে যখন কাজ সেরে চলে যাচ্ছে, তিনতলা কোয়ার্টার থেকে, সিঁড়ি বেয়ে নেমে যাবার সময় আমার সাথে দেখাও হয়েছিল তাঁর। আমি তখন সিঁড়ি বেয়ে উঠছি। মুখোমুখি সৌম্যকান্তি সে। এক ঝলক তাকিয়ে আমার দিকে মিষ্টি কনফিডেন্ট হাসি ছুঁড়ে নেমে গেল সে।
তার দু তিন বছরের মধ্যেই সে এল শঙ্করের চেম্বারে।সেখানে বসি তখন। কুড়ি টাকা ফি দিয়ে দেখাল। তার পর ঝাঁপি থেকে বার করল তার সেই মোহন আর সুচারু লোভের ফণা।
এমনই বহুবার। শেষ এল আজকে।
এক এক করে বলি। আমি আর প্রণব। গলায় গলায় ভাব। প্রণবই খবর এনেছিল তার। একেবারে ছাপার অক্ষরে। পঞ্জিকার শেষের দিকের পাতায় তার ঠিকানা লেখা।
প্রণবের পছন্দ ট্রানজিস্টার। আমার পছন্দ রোলেক্স ঘড়ি। স্রেফ একটা পাঁচপয়সার পোস্ট কার্ডে নিজের ঠিকানা আর পছন্দের জিনিসটার নাম লিখে ডাকবাক্সে ফেললেই, দিন কুড়ির মাথায় ভিপি ডাকে এসে হাজির হবে সেই সাতরাজার ধন এক মাণিক।
এসেও ছিল। প্রণব টাকা জোগাড় করতে পারেনি বলে ভিপি ছাড়ান হয়নি ওর। আমারটা পোস্টম্যানকে টাকা দিয়ে ছাড়িয়েছিল মা। প্রণব বিজয়ীর হাসি হেসেছিল যখন জেনেছিল নগদ কুড়িটাকা দিয়ে ছাড়ানো আমার ঘড়িটা ছিল নেহাতই একটা খেলনা ঘড়ি।
অফিস থেকে ফিরে এই সব জেনে আমার গরিব বাবা, না পেটায়নি। শুধু ম্লান হেসে জানিয়েছিল তার কোন বন্ধুও নাকি ওই জলন্ধর থেকেই ছারপোকা মারার মেশিন আনিয়েছিল। যন্ত্রের আয়োজন খুব সামান্য। একটু বালির মত জিনিস আর দুখানা কাঠি। সঙ্গে ডিরেকশন, ছারপোকাটাকে কাঠি দিয়ে হাঁ করিয়ে ওষুধটা তার মুখে ঢেলে দিতে হবে কয়েকদানা।
আজকের কথাটা বলব। কিন্তু সেই গল্পগুলো বলার আগে অন্য দেখা হবার গল্পগুলো বলে নিই। একটু দাঁড়ান।
ওই যে বললাম না, আমার গিন্নির কাছে এসেছিল। সে বারে সে এসেছিল সেলসম্যান সেজে। একগাদা মেডিক্যাল জার্নাল তিন বছর ধরে দেবে ডাকযোগে মাত্র একশ টাকায়। প্রথম কিস্তি দিয়ে যবে আগামি কাল। যথারীতি অ্যাডভান্স নিয়ে সেই যে সে গেল, আর আসেনি। না সে, না সেই জার্নাল।
সে তো বহুরূপী। আরও একবার কিছুদিন বাদেই এল আমার গিন্নির কাছে। তার নাম তখন অতনু দাশ। সল বলে একটা কোম্পানি। তখন ভারি নাম ডাক তার। অলডে বলে একটা অ্যান্টিঅ্যালার্জিক আরও কী কী সব যেন ওষুধ ছিল তাদের। ভারি আন্তরিক সেই অতনু নানারকম বুঝিয়ে কীসব শেয়ার বেচে গেল আমার গিন্নিকে। হাই রিটার্ন। তার পরেই কোম্পানি নিজেকেই বিক্রি করে দিল অন্য কারও কাছে। উঠেই গেল তারপর। সেই সময়ে অনেক ডাক্তার সেই লোভের ফাঁদে পড়ে টাকা খুইয়েছিল।
শঙ্করের চেম্বারে যেটা ঘটল সেটা বলি। নিছকই ওষুধের দোকানে আলমারির পেছনে বসার কনভেনশনাল খুপরি সেটি।
অবাঙালি দেহাতি দম্পতি এলেন। মামুলি কিছু রোগ। দেখা শেষ। তার পরে হঠাৎই বসবার জায়গাটিতে দুরূহতম কোণে চলে গেলেন দুজনে। পুরুষটি জেব থেকে বার করলেন, রাণী ভিক্টোরিয়ার মাথার ছাপ ওয়ালা ১৮শ কত সালের কিছু মুদ্রা। আর একেবারে শেষে প্রায় কেজি পাঁচেক ওজনের একটা কী যেন বলে তাকে জানিও না ছাই, অসংখ্য সোনালি মটরদানার দিয়ে গাঁথা সাতনড়ি হার।
কী ব্যাপার? না ওঁরা নাকি নির্মাণ শ্রমিকের কাজ করেন । সুদূর মুর্শিদাবাদে কোথায় হাইওয়ে তৈরি করতে গিয়ে এক মাটির ঢিবি নাকি পোড়ো ইটের স্তুপ খুঁড়ে এগুলো পেয়েছেন তাঁরা। আমি যদি চাই, এই হাজারটা মটরদানার একটা খুলে নিয়ে স্থানীয় স্যাকরাকে দিয়ে যাচাইও করে নিতে পারি। ওঁরা পুলিশ আর অন্যদের ভারি ভয় পান। তাই আমার হাতে নিতান্ত কম মূল্যে পাঁচ কেজি সোনার সেই অমূল্য সম্পদ অর্পণ করে আজই লালগোলা ধরে মুর্শিদাবাদে ফিরতে চান। সঙ্গে ফাউ হিসেবে পাবো সেই দুষ্প্রাপ্য মুদ্রাগুলি।
আমি কিন্তু তদ্দিনে সেয়ানা হয়ে গেছি। তাঁদের বললাম, – এত টাকা তো সঙ্গে নেই! বাড়ির লোকের সঙ্গে কথা বলে কালকে ব্যাঙ্ক থেকে টাকা তুলে দেব।
ফাঁদে পা দিইনি। তাঁরাও আর পরে আসেননি। কিন্তু আক্ষেপ হয়েছিল খুব। কেন সেটা পরে বলছি।
এ রকমেরই বহুবার। বারবার ঘটেছে। হয় মারাত্মক ভয় নয় দারুণ কোনও মনভোলানো লোভ। কিছু একটা এসে ঘায়েল করতে চেয়েছে আমাকে।
শেষবার ঘটল আজ। মোবাইলে মেসেজ এল রাত দশটায় ইলেকট্রিক বিল না দেবার জন্য আমার বাড়ির কারেন্ট কেটে দেওয়া হবে। তাঁদের দেওয়া নাম্বারে শশব্যস্ত হয়ে ফোন করলাম। তাঁরা আমার এটিএম কার্ডের নম্বর জানতে চাইলেন। দিলাম।
আসলে যা দিলাম সমাজ ও সংস্কৃতি বলে একটা বইয়ের আইএসবিএন নাম্বারের সঙ্গে আরও কিছু সংখ্যা লাগিয়ে মোট ষোলোটা ডিজিট।
তাঁরা মাত্র দশটাকা তাঁদের নির্দেশিত নম্বরে খুব তাড়াতাড়ি পাঠাতে বললেন। বারবার করে বললাম এই কার্ড থেকে তাঁদের দাবী মত টাকা দেওয়া যাবে না।
– কেনো, দেবা যাবেক না কেনো? উষ্মার সঙ্গে শুধোলেন অবাঙালি টানে কথা বলা তিনি।
সবিনয়ে বললাম, – আজ্ঞে আমার এটা সুইস ব্যাঙ্কের ক্রেডিট কার্ড। ডলারে বা মার্কে নইলে সুইস মুদ্রায় পেমেন্ট করা যেতে পারে।
তিনি খানিক খটাখট আওয়াজের পর ফোঁস করে দীর্ঘশ্বাস ছেড়ে বললেন, – যান মোশাই, আপনার লাইন চালু কোরে দিলাম।
বলে একটু ক্ষোভের সঙ্গেই বললেন, – আর হ্যাঁ, এর পর একটা ইন্ডিয়ান কার্ড চালু করে নিবেন।
এতদিন ফোন ব্লক, এটিএম ব্লকের হুমকি এসএমএস আসত।
এবার তাঁরা ফিল্ড এক্সটেন্ড করেছেন। ইলেকট্রিসিটিকে আওতায় এনে ফেলেছেন। এর পর থেকে ওই নাম্বারে বহুবার ফোন করেও সাড়া পাচ্ছি না। সম্ভবত আমাকে ব্লক করেছেন তাঁরা।
সে যাই হোক। আক্ষেপের কথাটা বলি।
কেন? আমাকেই কেন? আমাকেই কেন বেছে নেয় এই জালিয়াতেরা? এত এত খড়দাবাসী ডাক্তারের মধ্যে কেন মনে হল, আমিই সেই উদ্দিষ্ট গাধাটি? রাশি রাশি বঙ্গবাসীর মধ্যেই বা কেন আমিই, পরিষেবা বন্ধের হুমকি পাই। রাশি রাশি ফেসবুকবাসীর মধ্যে আমাকেই বা কেন চিরতৃষিত গাধা ঠাউরোয় লোকে? কেন অন্তরঙ্গ সম্বোধনে ডেকে কিছুদিন বাদে ব্লক করে?
PrevPreviousফিরে দেখা… রক্তদান ও তৎসহ..
Nextদার্জিলিঙের ডাইরি ২Next
0 0 votes
Article Rating
Subscribe
Notify of
guest
guest
0 Comments
Inline Feedbacks
View all comments

সম্পর্কিত পোস্ট

নেপালে রিলিফ যাত্রা

September 16, 2026 No Comments

সুন্দর আর অসুন্দর একসঙ্গে জড়িয়ে থাকে। নুয়াকোটে নির্দিষ্ট যে এলাকায় আমাদের যাওয়ার ছিল, সেখানে পৌঁছাতে পৌঁছাতেই রাত প্রায়‌ ১০ টা। মাথার উপর গাড় নীল আকাশ

“আজও প্রাসঙ্গিক”

September 16, 2026 No Comments

আজ আপনাদের মাঙ্গা বুকস এর গল্প শোনাবো। এই বই হল এক ধরণের “ছবিতে গল্প” এর বই চলতি কথায় আমরা যাকে “কমিকস” বা গ্রাফিক নভেল” বলি।

রেডিওথেরাপি শুরুর গল্প

September 16, 2026 No Comments

বায়ুহীন কাচের টিউবের মধ্যে দিয়ে তড়িৎপ্রবাহ পার করালে কী কী হতে পারে, সেসব নিয়ে গবেষণা করতে করতে খানিকটা অপ্রত্যাশিতভাবেই উইলহেম কনরাড রন্টজেন যে এক্স-রে আবিষ্কার

আজকের ডাক্তারী পঠন-পাঠন

September 15, 2026 No Comments

আমরা যখন মেডিক্যাল কলেজে ঢুকি, তখন আমরা গল্প শুনেছিলাম স্যারদের থেকে যে তাঁরা যখন ছাত্র ছিলেন, তখন তাঁরা মেডিক্যাল কলেজে পড়তে আসতেন পার্শ্ববর্তী অন্যান্য কলেজ

স্মৃতিভ্রষ্টতার সমস্যা এবং আমাদের পাড়ার ভটচাজদা

September 15, 2026 No Comments

১. স্মৃতিভ্রষ্টতা বা ডিমেনশিয়া রোগের কথাটা নতুন করে শোনা হলো ভটচাজ দার সূত্রে। আমার প্রতিবেশী মানুষ। আমাদের বাড়ি থেকে একটা গলি বাদ দিয়ে পাশের গলিতে

সাম্প্রতিক পোস্ট

নেপালে রিলিফ যাত্রা

Piyali Dey Biswas September 16, 2026

“আজও প্রাসঙ্গিক”

Dr. Samudra Sengupta September 16, 2026

রেডিওথেরাপি শুরুর গল্প

Dr. Bishan Basu September 16, 2026

আজকের ডাক্তারী পঠন-পাঠন

Dr. Subhanshu Pal September 15, 2026

স্মৃতিভ্রষ্টতার সমস্যা এবং আমাদের পাড়ার ভটচাজদা

Somnath Mukhopadhyay September 15, 2026

An Initiative of Swasthyer Britto society

আমাদের লক্ষ্য সবার জন্য স্বাস্থ্য আর সবার জন্য চিকিৎসা পরিষেবা। আমাদের আশা, এই লক্ষ্যে ডাক্তার, স্বাস্থ্যকর্মী, রোগী ও আপামর মানুষ, স্বাস্থ্য ব্যবস্থার সমস্ত স্টেক হোল্ডারদের আলোচনা ও কর্মকাণ্ডের একটি মঞ্চ হয়ে উঠবে ডক্টরস ডায়ালগ।

Contact Us

Editorial Committee:
Dr. Punyabrata Gun
Dr. Jayanta Das
Dr. Chinmay Nath
Dr. Indranil Saha
Dr. Aindril Bhowmik
Executive Editor: Piyali Dey Biswas

Address: 

Shramajibi Swasthya Udyog
HA 44, Salt Lake, Sector-3, Kolkata-700097

Leave an audio message

নীচে Justori র মাধ্যমে আমাদের সদস্য হন  – নিজে বলুন আপনার প্রশ্ন, মতামত – সরাসরি উত্তর পান ডাক্তারের কাছ থেকে

Total Visitor

676060
Share on facebook
Share on google
Share on twitter
Share on linkedin

Copyright © 2019 by Doctors’ Dialogue

wpDiscuz

আমাদের লক্ষ্য সবার জন্য স্বাস্থ্য আর সবার জন্য চিকিৎসা পরিষেবা। আমাদের আশা, এই লক্ষ্যে ডাক্তার, স্বাস্থ্যকর্মী, রোগী ও আপামর মানুষ, স্বাস্থ্য ব্যবস্থার সমস্ত স্টেক হোল্ডারদের আলোচনা ও কর্মকাণ্ডের একটি মঞ্চ হয়ে উঠবে ডক্টরস ডায়ালগ।

[wppb-register]