Skip to content
Facebook Twitter Google-plus Youtube Microphone
  • Home
  • About Us
  • Contact Us
Menu
  • Home
  • About Us
  • Contact Us
Swasthyer Britte Archive
Search
Generic filters
  • আরোগ্যের সন্ধানে
  • ডক্টর অন কল
  • ছবিতে চিকিৎসা
  • মা ও শিশু
  • মন নিয়ে
  • ডক্টরস’ ডায়ালগ
  • ঘরোয়া চিকিৎসা
  • শরীর যখন সম্পদ
  • ডক্টর’স ডায়েরি
  • স্বাস্থ্য আন্দোলন
  • সরকারি কড়চা
  • বাংলার মুখ
  • বহির্বিশ্ব
  • তাহাদের কথা
  • অন্ধকারের উৎস হতে
  • সম্পাদকীয়
  • ইতিহাসের সরণি
Menu
  • আরোগ্যের সন্ধানে
  • ডক্টর অন কল
  • ছবিতে চিকিৎসা
  • মা ও শিশু
  • মন নিয়ে
  • ডক্টরস’ ডায়ালগ
  • ঘরোয়া চিকিৎসা
  • শরীর যখন সম্পদ
  • ডক্টর’স ডায়েরি
  • স্বাস্থ্য আন্দোলন
  • সরকারি কড়চা
  • বাংলার মুখ
  • বহির্বিশ্ব
  • তাহাদের কথা
  • অন্ধকারের উৎস হতে
  • সম্পাদকীয়
  • ইতিহাসের সরণি
  • আরোগ্যের সন্ধানে
  • ডক্টর অন কল
  • ছবিতে চিকিৎসা
  • মা ও শিশু
  • মন নিয়ে
  • ডক্টরস’ ডায়ালগ
  • ঘরোয়া চিকিৎসা
  • শরীর যখন সম্পদ
  • ডক্টর’স ডায়েরি
  • স্বাস্থ্য আন্দোলন
  • সরকারি কড়চা
  • বাংলার মুখ
  • বহির্বিশ্ব
  • তাহাদের কথা
  • অন্ধকারের উৎস হতে
  • সম্পাদকীয়
  • ইতিহাসের সরণি
Menu
  • আরোগ্যের সন্ধানে
  • ডক্টর অন কল
  • ছবিতে চিকিৎসা
  • মা ও শিশু
  • মন নিয়ে
  • ডক্টরস’ ডায়ালগ
  • ঘরোয়া চিকিৎসা
  • শরীর যখন সম্পদ
  • ডক্টর’স ডায়েরি
  • স্বাস্থ্য আন্দোলন
  • সরকারি কড়চা
  • বাংলার মুখ
  • বহির্বিশ্ব
  • তাহাদের কথা
  • অন্ধকারের উৎস হতে
  • সম্পাদকীয়
  • ইতিহাসের সরণি
Search
Generic filters

সাহিত্যে মহামারী

WhatsApp Image 2020-08-13 at 16.18.50
Dr. Chinmay Nath

Dr. Chinmay Nath

Orthopedic Surgeon
My Other Posts
  • August 15, 2020
  • 8:52 am
  • No Comments

কথায় বলে, জনমানসের স্মৃতি খুব দুর্বল। বড়জোর দুটো প্রজন্ম। অথবা তার চেয়ে একটু বেশী। যা মানুষের ব্যক্তিগত অভিজ্ঞতায় অথবা শ্রুতির অভিজ্ঞতায় প্রাপ্ত। তার বেশী নয়। প্রাচীনকালে মানুষ শ্রুতিধর ছিল। মহাকাব্য, শ্লোক, কীর্তন প্রভৃতি শ্রুতির শিক্ষায় প্রজন্মের পর প্রজন্ম প্রবাহিত হত। কারণ লেখার সরঞ্জাম-অর্থ্যাৎ প্যপিরাস, পার্চমেন্ট, ভূর্জপত্র, তালপাতা ছিল সীমিত।

মানুষের শ্রুতির সে ক্ষমতা লোপ পেয়েছে বহুকাল। ১৯৭১ সালের বাংলাদেশ যুদ্ধের কাহিনী আবছা হলেও আজকের প্রজন্মের বেশীরভাগ লোক জানে। কারণ এই ঘটনার জাতীয় বা আন্তর্জাতিক প্রভাব ছিল সুদূরপ্রসারী। কিন্তু তার থেকে কিছু কম প্রভাবশালী ঘটনা, যা ওর কাছাকাছি সময়ে ঘটেছিল? যেমন ১৯৭০-এর বন্যা। আসাম বা ওড়িশায় ঘটে যাওয়া ভয়ঙ্কর জাতিদাঙ্গা। কতজনের মনে আছে এসব? এই ধরণের দুঃখজনক এবং খারাপ ঘটনা আমরা হয়ত মনে রাখতে চাই না। কিন্তু না চাইলেও এইসব দুঃসহ স্মৃতিরও প্রয়োজন আছে- এর থেকে শিক্ষা নিয়ে ভবিষ্যতে এই ধরণের ঘটনা প্রতিহত করার জন্য। ধান-ভানতে-শিবের গীত অনেক গাইলাম। এবার আসল প্রসঙ্গে আসি।

কোভিড যুদ্ধে দক্ষিণ কোরিয়া, তাইওয়ান, ভিয়েতনাম ইত্যাদি দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার ঈর্ষনীয় সাফল্যের একটা কারণ ওদের অতীতের থেকে শিক্ষা নেওয়ার সুযোগ এবং ক্ষমতা। ২০০৩ সালের সার্সের ভয়াবহ অভিজ্ঞতা এবং তার পরে ২০০৯ সালে সোয়াইন ফ্লু মহামারীর স্মৃতির প্রতিবর্ত ক্রিয়া ওইসব দেশের সরকারকে কোভিড-১৯ অতিমারী প্রতিহত করার ক্ষেত্রে দ্রুত ব্যবস্হা নিতে বাধ্য করেছে। ২০০৯ সালে সোয়াইন ফ্লু মহামারীর সময়ে সিঙ্গাপুরে কাজ করতে গিয়ে দেখেছিলাম সাধারণ মানুষ, সরকারী হাসপাতাল এবং বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ কিরকম সংবেদনশীল ও সিরিয়াস। জয়েন করার আগে এইচ-১এন-১ ভ্যাকসিন নিতে হয়েছিল। মাস্ক ছাড়া অর্থোপেডিক ওয়ার্ডেও ঢুকতে দিত না। এই যে সংবেদনশীলতা, সেটা এসেছে খারাপ অভিজ্ঞতা ও খারাপ স্মৃতি থেকে।

জনসাধারণ এবং সেই সঙ্গে সরকার- এদের স্মৃতি খুব দুর্বল। কিন্তু সাহিত্যিকদের? ‘সাহিত্য সমাজের দর্পণ’ বলা হয়ে থাকে। তা সেই দর্পণে কেমন পড়ে মহামারীর ছায়া?

চতুর্দশ শতাব্দীর মাঝামাঝি ভয়ঙ্কর প্লেগ মহামারীতে প্রায় উজাড় হয়ে গিয়েছিল ইউরোপ। ওই মহাদেশের জনসংখ্যার এক ষষ্ঠমাংশ মুছে গিয়েছিল পৃথিবী থেকে। ইউরোপীয় রেনেসাঁর পীঠস্থান ফ্লোরেন্স ও সন্নিহিত টাসকানি অঞ্চলে ‘কালোমৃত্যু’ নামে অভিহিত প্লেগের প্রভাব নিয়ে ১৩৫৩ সালে গিওভান্নি বোকাচ্চিও লিখেছিলেন কালজয়ী সাহিত্য- একশত গল্পের সংকলন ‘ডেকামেরন’। তুলনায় এই সেদিন, ১৯৪০ সালে আলবেয়ার কাম্যু, ফরাসী শাসিত আলজেরিয়ার তুরান শহরের প্লেগ মহামারী নিয়ে লিখলেন ‘দ্য প্লেগ’। এ ছাড়াও আছে ১৮৩৮ সালে নরওয়ের কবি হেনরিক ওয়ের্গেল্যান্ডের কলেরা মহামারী নিয়ে লেখা নাটক ‘ইন্ডিয়ান কলেরা’। তখন কলেরা ঔপনিবেশিক গাঙ্গেয় উত্তর ভারত থেকে অতিমারীর আকারে বার বার ছড়িয়ে পড়ত মধ্যপ্রাচ্য, ইরান হয়ে ইউরোপে। ১৯৮৫ সালে কলম্বিয়ার নোবেল জয়ী লেখক গ্যাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেজ-এর লেখা ‘লাভ ইন দ্য টাইম অফ কলেরা’ উপন্যাস তো অনেকে পড়েছেন।

ভারতবর্ষে বারবার কলেরা, গুটিবসন্ত, ম্যালেরিয়া মহামারী ও অতিমারীর আকারে ছড়িয়ে পড়ে অসংখ্য মৃত্যুর কারণ হয়েছে। ১৯১৮-২০ সালের স্প্যানিশ ফ্লু অতিমারীর ধাক্কায় এই দেশে প্রায় দেড় কোটি মানুষের প্রাণহানি হয়। কিন্তু এত ভয়াবহ ঘটনার সাহিত্যিক বিবরণ প্রায় নেই বললেই চলে।

রবীন্দ্রনাথের কবিতা ‘পুরাতন ভৃত্য’ (গুটিবসন্ত), মুন্সী প্রেমচন্দ-র ছোটোগল্প ইদগাহ (কলেরা), ‘দুধ কি দাম’ (প্লেগ) ইত্যাদি বিখ্যাত সাহিত্যকর্মে মহামারী এসেছে বটে, কিন্তু কেন্দ্রীয় পটভূমি হিসেবে নয়।

হিন্দী ভাষী কবি সূর্যকান্ত ত্রিপাঠী ‘নিরালা’-র ‘কুল্লি ভাট’ একমাত্র ‘স্প্যানিশ ফ্লু’ অতিমারীর প্রেক্ষাপটে লেখা কাহিনী। যা তাঁর অত্যন্ত দুঃখজনক ও দুর্ভাগ্যজনক ব্যক্তিগত অভিজ্ঞতায় জারিত। তাঁর স্ত্রী, সন্তান ও অনেক আত্মীয় স্বজন সেই মহামারীতে হারিয়ে যায়। নিরালা লিখেছিলেন, ‘দিল্লীর যমুনা নদী মৃতদেহের ভারে ফুলে উঠেছে।’

মাষ্টার ভগবান দাস বুবোনিক প্লেগ নিয়ে ১৯০২ সালে লেখেন ‘প্লেগ কি চুড়াইল’। পান্ডে বেচান শর্মার গল্প ‘বীভৎস’ তে স্প্যানিশ ফ্লু-র ছোঁয়া ছিল। ফণীশ্বর নাথ রেণু (হিন্দী) ১৯৪৪ সালে কলেরা নিয়ে লিখেছিলেন ‘পহলবান কি ঢোলক’।

শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ের শ্রীকান্ত উপন্যাসে কলেরা, প্লেগ, গুটি বসন্তের মহামারী বারবার এসেছে। এসেছে কোয়ারান্টিন- রেঙ্গুনের পটভূমিতে। কথাসাহিত্যিক বর্ণনা করেছেন মানুষের ক্রূরতা, নিষ্ঠুরতা, মহামারীর অভিঘাতে ভেঙ্গে যাওয়া কৃত্রিম ভালোবাসা। অন্যদিকে কোনো কোনো চরিত্রের অপরিসীম দায়িত্ববোধ এবং মানবসেবার কাহিনী।

মহামারীর বিষয়ক সাহিত্য সমাজের পঙ্কিলতার দিকে মানুষের দৃষ্টি নিবদ্ধ করে, আবার অনাগত বিপদ থেকে সতর্কও করে। এই অতিমারী একদিন চলে যাবে। কিন্ত এ আবার অন্যরূপে ফিরে আসতে পারে।

সেই কারণে বহুল প্রচারিত ও স্বনামধন্য সাহিত্যিকগণ, গদগদ প্রেমকাহিনী এবং প্রেমের কবিতা লেখার মাঝে মাঝে এই অতিমারী পরিস্থিতির বিবরণ যদি লিখে যান, তাহলে ভবিষ্যত প্রজন্মের মানুষ সতর্কিত এবং উপকৃত হয়।

ফিচারড ইমেজ পরিচয়ঃ মধ্যযুগীয় ইউরোপে প্লেগ মহামারীর কালে সামাজিক অরাজকতা ও আতঙ্কের পটভূমিতে চিত্রকর পিটার ব্রুগেল-এর ছবি ‘ দ্য ট্রাম্ফ অফ ডেথ’।

PrevPreviousপতাকার কত দাম?
Nextসত্য ডাক্তারের দু’চার কথাNext
0 0 votes
Article Rating
Subscribe
Notify of
guest
guest
0 Comments
Inline Feedbacks
View all comments

সম্পর্কিত পোস্ট

Ramkamal Sen and His Significant Book Aushadh Sar Sangraha (Compendium of Medicine) – A Faithful Chronicle of His Time

November 7, 2026 No Comments

Preliminary Words Aushadh Sar Sangraha (Compendium of Medicine) was published in 1819 (according to Bengali calendar it was 1226). The period was the very early

এই বাংলায় এসআইআর কি ঠিক ছিল?

November 7, 2026 No Comments

সম্ভবত এস আইআার করে তৃণমূলকে হারিয়ে দেওয়া হয়েছে মমতার এই দাবির বিরোধিতা করতে গিয়ে কেউ কেউ দেখলাম বলছেন, পশ্চিম বঙ্গের এসআইআর নাকি ঠিকঠাক হয়েছে। গোলমাল

কাঁচি চলুক কেমিক্যালস নয়

November 7, 2026 No Comments

কর্তৃপক্ষ কখনোই দায়ী নয়…

November 6, 2026 No Comments

India Today এর এক সংবাদে প্রকাশ ২০০৬ সালের জানুয়ারি থেকে ২০২৬ এর সেপ্টেম্বর মাস পর্যন্ত বিভিন্ন আই আই টিতে আত্মহত্যার মোট সংখ্যা হলো ১৭১, তার

অপপ্রচারের জবাবে

November 6, 2026 No Comments

৩ নভেম্বর ২০২৬ ফেসবুক লাইভে আলোচিত।

সাম্প্রতিক পোস্ট

Ramkamal Sen and His Significant Book Aushadh Sar Sangraha (Compendium of Medicine) – A Faithful Chronicle of His Time

Dr. Jayanta Bhattacharya November 7, 2026

এই বাংলায় এসআইআর কি ঠিক ছিল?

Pallab Kirtania November 7, 2026

কাঁচি চলুক কেমিক্যালস নয়

Dr. Kanchan Mukherjee November 7, 2026

কর্তৃপক্ষ কখনোই দায়ী নয়…

Dr. Amit Pan November 6, 2026

অপপ্রচারের জবাবে

Doctors' Dialogue November 6, 2026

An Initiative of Swasthyer Britto society

আমাদের লক্ষ্য সবার জন্য স্বাস্থ্য আর সবার জন্য চিকিৎসা পরিষেবা। আমাদের আশা, এই লক্ষ্যে ডাক্তার, স্বাস্থ্যকর্মী, রোগী ও আপামর মানুষ, স্বাস্থ্য ব্যবস্থার সমস্ত স্টেক হোল্ডারদের আলোচনা ও কর্মকাণ্ডের একটি মঞ্চ হয়ে উঠবে ডক্টরস ডায়ালগ।

Contact Us

Editorial Committee:
Dr. Punyabrata Gun
Dr. Jayanta Das
Dr. Chinmay Nath
Dr. Indranil Saha
Dr. Aindril Bhowmik
Executive Editor: Piyali Dey Biswas

Address: 

Shramajibi Swasthya Udyog
HA 44, Salt Lake, Sector-3, Kolkata-700097

Leave an audio message

নীচে Justori র মাধ্যমে আমাদের সদস্য হন  – নিজে বলুন আপনার প্রশ্ন, মতামত – সরাসরি উত্তর পান ডাক্তারের কাছ থেকে

Total Visitor

699435
Share on facebook
Share on google
Share on twitter
Share on linkedin

Copyright © 2019 by Doctors’ Dialogue

wpDiscuz

আমাদের লক্ষ্য সবার জন্য স্বাস্থ্য আর সবার জন্য চিকিৎসা পরিষেবা। আমাদের আশা, এই লক্ষ্যে ডাক্তার, স্বাস্থ্যকর্মী, রোগী ও আপামর মানুষ, স্বাস্থ্য ব্যবস্থার সমস্ত স্টেক হোল্ডারদের আলোচনা ও কর্মকাণ্ডের একটি মঞ্চ হয়ে উঠবে ডক্টরস ডায়ালগ।

[wppb-register]