Skip to content
Facebook Twitter Google-plus Youtube Microphone
  • Home
  • About Us
  • Contact Us
Menu
  • Home
  • About Us
  • Contact Us
Swasthyer Britte Archive
Search
Generic filters
  • আরোগ্যের সন্ধানে
  • ডক্টর অন কল
  • ছবিতে চিকিৎসা
  • মা ও শিশু
  • মন নিয়ে
  • ডক্টরস’ ডায়ালগ
  • ঘরোয়া চিকিৎসা
  • শরীর যখন সম্পদ
  • ডক্টর’স ডায়েরি
  • স্বাস্থ্য আন্দোলন
  • সরকারি কড়চা
  • বাংলার মুখ
  • বহির্বিশ্ব
  • তাহাদের কথা
  • অন্ধকারের উৎস হতে
  • সম্পাদকীয়
  • ইতিহাসের সরণি
Menu
  • আরোগ্যের সন্ধানে
  • ডক্টর অন কল
  • ছবিতে চিকিৎসা
  • মা ও শিশু
  • মন নিয়ে
  • ডক্টরস’ ডায়ালগ
  • ঘরোয়া চিকিৎসা
  • শরীর যখন সম্পদ
  • ডক্টর’স ডায়েরি
  • স্বাস্থ্য আন্দোলন
  • সরকারি কড়চা
  • বাংলার মুখ
  • বহির্বিশ্ব
  • তাহাদের কথা
  • অন্ধকারের উৎস হতে
  • সম্পাদকীয়
  • ইতিহাসের সরণি
  • আরোগ্যের সন্ধানে
  • ডক্টর অন কল
  • ছবিতে চিকিৎসা
  • মা ও শিশু
  • মন নিয়ে
  • ডক্টরস’ ডায়ালগ
  • ঘরোয়া চিকিৎসা
  • শরীর যখন সম্পদ
  • ডক্টর’স ডায়েরি
  • স্বাস্থ্য আন্দোলন
  • সরকারি কড়চা
  • বাংলার মুখ
  • বহির্বিশ্ব
  • তাহাদের কথা
  • অন্ধকারের উৎস হতে
  • সম্পাদকীয়
  • ইতিহাসের সরণি
Menu
  • আরোগ্যের সন্ধানে
  • ডক্টর অন কল
  • ছবিতে চিকিৎসা
  • মা ও শিশু
  • মন নিয়ে
  • ডক্টরস’ ডায়ালগ
  • ঘরোয়া চিকিৎসা
  • শরীর যখন সম্পদ
  • ডক্টর’স ডায়েরি
  • স্বাস্থ্য আন্দোলন
  • সরকারি কড়চা
  • বাংলার মুখ
  • বহির্বিশ্ব
  • তাহাদের কথা
  • অন্ধকারের উৎস হতে
  • সম্পাদকীয়
  • ইতিহাসের সরণি
Search
Generic filters

বন্ধু

ftiend
Dr. Aindril Bhowmik

Dr. Aindril Bhowmik

Medicine specialist
My Other Posts
  • April 26, 2026
  • 7:32 am
  • No Comments
বিচ্ছিরি গরমে ঘামতে ঘামতে রোগী দেখছিলাম। ছোট্ট একটা খুপরি। জানলা নেই। একপাশে শুধু রোগী ঢোকার দরজা। যা হাওয়া বাতাস আসে ওই দরজা দিয়েই আসে।
দেয়ালে একটা টেবিল পাখার মাথা লাগানো। সেটা গরমের সাথে পাল্লা দিতে পারছে না। তাও মন্দের ভালো আজ রোগী সংখ্যা কম। ভোটের মরসুম চলছে। কোনো এক মন্ত্রী আজ বিকেলে রোড শো করতে আসবেন। তার জন্য এখন থেকেই রাস্তাঘাট ফাঁকা। টোটো অটো বিশেষ চলছে না।
গলা শুকিয়ে ঝাঁঝা করছে। বোতলে হাফ লিটার জল ছিল। সেটা অনেকক্ষণ আগেই শেষ। তারপর অন্তত দেড় লিটার ঘাম হয়ে গেছে।
ডিহাইড্রেটেড অবস্থায় ঝিমাতে ঝিমাতে রোগী দেখছিলাম। মনঃসংযোগ করতে পারছিলাম না। একটা প্রশ্ন দুবার- তিনবার করছিলাম।
বাইরেও রোগীদের সাড়া শব্দ পাওয়া যাচ্ছিল না। তাঁরাও বেঞ্চে বসে ঝিমাচ্ছিলেন। হঠাৎ হৈ হট্টগোল আরম্ভ হলো।
একজন বয়স্ক মহিলাকে ধরে ধরে এক যুবক খুপরিতে ঢুকলো। ঢুকেই বলল, ডাক্তারবাবু, তাড়াতাড়ি দেখুন। একটু আগে মা অজ্ঞান হয়ে গেছিল।
মহিলার বয়স সত্তরের কাছাকাছি। জিজ্ঞেস করলাম, কী হয়েছে?
যুবক বলল, মাকে জিজ্ঞেস করে লাভ নেই। মায়ের কথা বন্ধ হয়ে গেছে।
আমি বললাম, কথা আবার কখন বন্ধ হলো?
অজ্ঞান হওয়ার পর থেকেই । জ্ঞান ফিরেছে, সবকিছু শুনছে, সবকিছু বুঝতে পারছে, কিন্তু কথা বলতে পারছে না। মনে হয় স্ট্রোক হয়েছে।
আমি বললাম, কিন্তু দেখে যে স্ট্রোক বলে মনে হচ্ছে না। হাত-পা সব নড়ছে। নিজেই হাঁটছেন। হয়েছিল কী?
যুবকটি বলল, কিছুই হয়নি। সকালেও দিব্যি ছিল। দুপুরে এক বন্ধুর সাথে ব্যাংকে গিয়েছিল। সেই বন্ধুই ফোন করে জানালেন মা খুব অসুস্থ। ব্যাংকে অজ্ঞান হয়ে গেছেন। গিয়ে দেখি এই অবস্থা। লোকজন জলের ছিটে টিটে দিয়ে জ্ঞান ফিরিয়েছে। কিন্তু কথা বলতে পারছে না।
ভদ্রমহিলাকে দেখে কিছুতেই স্ট্রোকের পেশেন্ট মনে হচ্ছে না। দিব্যি মনোযোগ দিয়ে আমাদের কথা শুনছেন। ঘাড় নাড়ছেন। শুধু কথা বলছেন না। মানে বলার চেষ্টাই করছেন না। এমন একটা মুখভঙ্গি করে রেখেছেন দেখে মনে হচ্ছে জগত সংসারের উপর তিনি তিতি বিরক্ত।
এসময়ে স্ট্রেট ব্যাটে খেলাই শ্রেয়। বললাম, ওনার কি কারুর সাথে ঝগড়া হয়েছে? মানে কথা কাটাকাটি? আপনার সাথে বা আর কারো সাথে?
যুবকটি বলল, আমার সাথে হয়নি। তবে ব্যাংকে মায়ের বন্ধুর সাথে একটু কথা কাটাকাটি হয়েছে। কী নিয়ে সেটা জানিনা।
আমি জিজ্ঞেস করলাম, কেমন বন্ধু? আত্মীয়স্বজন কেউ?
যুবকটি বলল, নানা আত্মীয়-স্বজন নয়। শুধু বন্ধু। আসলে আমি বিয়েথা করিনি। পুনেতে চাকরি করি। মা বাড়ি বিক্রি করে কাছেই একটা বৃদ্ধাশ্রমে থাকেন। বাড়ির জমিতে যে ফ্ল্যাট হয়েছে সেখানে আমাদের একটা ফ্ল্যাট নেওয়া আছে। বছরে তিন-চারবার এসে মায়ের সাথে সময় কাটিয়ে যাই। মায়ের ওই বন্ধু ভদ্রলোক আশুকাকু ওই বৃদ্ধাশ্রমেই থাকেন। ওনার সাত কূলে কেউ নেই। মার ছোটোবেলার স্কুলের বন্ধু। বৃদ্ধাশ্রমে যাওয়ার পর নতুন করে আবার যোগাযোগ হয়েছে। আজ ওনার সাথেই ব্যাংকে গেছিলেন। সেখানেই দুজনের কিছু একটা নিয়ে মনোমালিন্য হয়েছে। আশুকাকু এসেছেন। বাইরে আছেন। ডাকব?
হ্যাঁ হ্যাঁ নিশ্চয়ই । উনিই ভালো বলতে পারবেন কী হয়েছে।
যুবকটি গিয়ে আশুবাবুকে ডেকে আনল। ভদ্রলোক কাঁচুমাচু মুখ করে ঘরে ঢুকলেন। ওনার অপরাধী অপরাধী মুখ দেখেই আমার হাসি পেয়ে গেল। কিন্তু খুপরিজীবী ডাক্তারকে সবসময় গম্ভীর মুখে থাকতে হয়। গম্ভীর মুখে জিজ্ঞাস করলাম, কী হয়েছে? হঠাত আপনাদের দুজনের মধ্যে ঝগড়া হলো কেন?
বয়স্ক ভদ্রলোককে দেখা মাত্র ভদ্রমহিলা অন্যদিকে মুখ ফিরিয়ে নিয়েছেন। বিরক্তিতে তাঁর ভ্রু কুঁচকে গেছে। এই পরিস্থিতিতে হাসা উচিৎ নয়। তবু হেসে ফেললাম।
ভদ্রমহিলা রোষকষায়িত নয়নে আমার দিকে তাকালেন। সত্যযুগ হলে শিওর ভস্ম হয়ে যেতাম।
ভদ্রলোক বললেন, আমি এক্সট্রিমলি সরি অপর্ণা। যদিও আমি এখনও বুঝতে পারছি না আমার দোষটা কোথায়?
কী হয়েছে সেটা বলুন। ঝামেলা কী নিয়ে? কোনও অর্থ নৈতিক ব্যাপার?
ভদ্রলোক কেমন ইতস্তত করছেন। তারপর যুবকটিকে বললেন, বাবা, তাপস। তুমি একটু বাইরে গিয়ে দাঁড়াবে?
যুবকটি বলল, শিওর কাকু।
সে বেরোতেই ভদ্রলোক বলতে লাগলেন, আমি ব্যাংকে চাকরি করতাম। তাই অপর্ণা ব্যাংকের কাজে গেলে আমায় নিয়ে যায়। ও ছেলে এসেছে বলে সাতদিন আগে বাড়ি গেছে। আজ সকালে ফোন করে আমাকে ডাকল। ব্যাংকের কাজ মিটলে আমার খবর জানতে চাইল। বললাম, ভালোই আছি। কাল বৃদ্ধাশ্রমের ছাদে রাত দেড়টা অবধি পিকনিক করেছি। ভাত, ডাল, আলু ভাজা, পাতলা মাংসের ঝোল। তাই শুনে ও হঠাত রেগে গেল। তারপর একটু কথা কাটাকাটি হলো। তারপরই ও অসুস্থ হয়ে পড়ল।
ভদ্রমহিলা এতক্ষণে একটাও কথা বলেন নি। আমাকে অবাক করে তিনি হঠাত বলে উঠলেন, পুরো মিথ্যে।
আমি অবাক হয়ে বললাম, কী বলছেন?
পুরো মিথ্যে বলছে। স্কুল জীবনেও এমন মিথ্যাবাদী ছিল। এখনো আছে।
ভদ্রলোক কাঁচুমাচু মুখ করে বললেন, কী মিথ্যে বললাম আবার?
লুকাচ্ছিস কেন? ওইটা বল। পিকনিকে চারজন মহিলার সাথে বসে বিয়ার খেয়েছিস।
হ্যাঁ খেয়েছি। একটা বোতল। ভাগ করে তিনজনে খেয়েছি। তবে মহিলাদের সাথে বসে খাইনি। আর মহিলারাও কেউ খায়নি। আমরা তিনজন পুরুষ ছিলাম, আলাদা ঘরে খেয়ে এসেছি।
ভদ্রমহিলা বললেন, হ্যাঁ। তারপর মাতাল হয়ে চার বুড়ির সাথে রসালাপ করেছিস?
ভদ্রলোক হতাশ হয়ে বললেন, কী সব ভাষা বলছিস। তুই না সাহিত্যের ছাত্রী। তাছাড়া একবোতলের তিনভাগের একভাগ বিয়ার খেয়ে কেউ মাতাল হয় না।
ভদ্রমহিলা বললেন, তাপস পরশু পুনে ফিরবে। বৃদ্ধাশ্রমে ফিরি। তারপর দেখাচ্ছি, কত ধানে কত চাল।
তাপস উঁকি মেরে বলল, আমি কী আসতে পারি?
ভদ্রলোক যেন হাঁপ ছেড়ে বাঁচলেন। বললেন, হ্যাঁ, হ্যাঁ। নিশ্চয়ই। আস বাবা।
আমার ভদ্রলোকের দিকে তাকিয়ে বেমাক্কা হাসি পেল। আশুবাবুর কপালে দুঃখ আছে। তবু মনে হচ্ছে উনি পরশুদিনের জন্য অধীর আগ্রহে অপেক্ষা করে থাকবেন।
PrevPrevious“বাঙালির বাচ্চার রক্তের তেজ”
0 0 votes
Article Rating
Subscribe
Notify of
guest
guest
0 Comments
Inline Feedbacks
View all comments

সম্পর্কিত পোস্ট

“বাঙালির বাচ্চার রক্তের তেজ”

April 26, 2026 No Comments

২২শে এপ্রিল। আজকের দিনে মাত্র ঘণ্টা খানেক আগে বিকেল থেকে শুরু হওয়া রক্তক্ষয়ী যুদ্ধ শেষ হয়েছে। কর্ণেল ডলাস স্মিথ, ক্যাপ্টেন টেট এবং চট্টগ্রাম ডেপুটি ইন্সপেক্টর

প্যাঁচা কয় প্যাঁচানী খাসা তোর চ্যাঁচানি

April 25, 2026 No Comments

২০১৪ থেকে ২০২০ র মধ্যে তিনটি গণধর্ষণ মামলায় উত্তরপ্রদেশ শিরোনামে আসে। বাদাউন জেলার কাটরায় দুই কিশোরীর গণধর্ষণ ও হত্যা, ২০১৭ তে উন্নাও এ বিজেপি বিধায়ক

শুধু শরীরচর্চা করলেই চলবে না, পুষ্টি নিয়েও ভাবতে হবে

April 25, 2026 No Comments

সব্যসাচী চট্টোপাধ্যায় ও নটরাজ মালাকার  ৯ থেকে ২৩ এপ্রিল অনুষ্ঠিত হয়ে গেল পুষ্টি পক্ষ। শুধু তাই নয়, প্রতি মাসের শেষ শুক্রবার পালিত হয় পুষ্টি দিবস।

।। রাণীর স্বৈরাচার আর মানব না।।

April 25, 2026 No Comments

আমার মন কিন্তু অন্যদের মতই অস্থির হয়ে আছে এই নির্বাচনের ডামাডোলে। আমার এ গানটা কিছুকাল আগের হলেও এক্কেবারে সম সময়ের এবং স্পর্ধিত! শাসকের ক্ষমতাকে চ্যালেঞ্জ

অশিক্ষিত বিশেষণটা শুধুই পলিটিশিয়ানদের প্রতি প্রয়োগ করলে হবে?

April 24, 2026 No Comments

সতীনাথ ভাদুড়ি যে বড় লেখক সেটা আপনি জানেন। কিন্তু তিনি যে সাপ নিয়ে আস্ত একখানা উপন্যাস লিখেছেন – ঢোঁড়াইচরিতমানস নামে – জানতেন? সতীনাথ ভাদুড়ির নির্বাচিত

সাম্প্রতিক পোস্ট

বন্ধু

Dr. Aindril Bhowmik April 26, 2026

“বাঙালির বাচ্চার রক্তের তেজ”

Dr. Samudra Sengupta April 26, 2026

প্যাঁচা কয় প্যাঁচানী খাসা তোর চ্যাঁচানি

Gopa Mukherjee April 25, 2026

শুধু শরীরচর্চা করলেই চলবে না, পুষ্টি নিয়েও ভাবতে হবে

Sabyasachi Chattopadhyay April 25, 2026

।। রাণীর স্বৈরাচার আর মানব না।।

Pallab Kirtania April 25, 2026

An Initiative of Swasthyer Britto society

আমাদের লক্ষ্য সবার জন্য স্বাস্থ্য আর সবার জন্য চিকিৎসা পরিষেবা। আমাদের আশা, এই লক্ষ্যে ডাক্তার, স্বাস্থ্যকর্মী, রোগী ও আপামর মানুষ, স্বাস্থ্য ব্যবস্থার সমস্ত স্টেক হোল্ডারদের আলোচনা ও কর্মকাণ্ডের একটি মঞ্চ হয়ে উঠবে ডক্টরস ডায়ালগ।

Contact Us

Editorial Committee:
Dr. Punyabrata Gun
Dr. Jayanta Das
Dr. Chinmay Nath
Dr. Indranil Saha
Dr. Aindril Bhowmik
Executive Editor: Piyali Dey Biswas

Address: 

Shramajibi Swasthya Udyog
HA 44, Salt Lake, Sector-3, Kolkata-700097

Leave an audio message

নীচে Justori র মাধ্যমে আমাদের সদস্য হন  – নিজে বলুন আপনার প্রশ্ন, মতামত – সরাসরি উত্তর পান ডাক্তারের কাছ থেকে

Total Visitor

619411
Share on facebook
Share on google
Share on twitter
Share on linkedin

Copyright © 2019 by Doctors’ Dialogue

wpDiscuz

আমাদের লক্ষ্য সবার জন্য স্বাস্থ্য আর সবার জন্য চিকিৎসা পরিষেবা। আমাদের আশা, এই লক্ষ্যে ডাক্তার, স্বাস্থ্যকর্মী, রোগী ও আপামর মানুষ, স্বাস্থ্য ব্যবস্থার সমস্ত স্টেক হোল্ডারদের আলোচনা ও কর্মকাণ্ডের একটি মঞ্চ হয়ে উঠবে ডক্টরস ডায়ালগ।

[wppb-register]