তিলোত্তমার খুন আর ধর্ষনের পিছনে ইন্দ্রজিৎ আছে। যে আছে মেঘের আড়ালে। এখনো তার মুখ আমরা দেখতে পাইনি। কে বা কারা সেই ব্যক্তি। যাদের আড়াল করার জন্য রাজ্য সরকার থেকে কেন্দ্র সরকার সবাই তৎপর। যাকে বাঁচানোর জন্য সিবিআই এর মতো সংস্থা হাত পা গুটিয়ে বসে গেছে। চার্জশিট জমা দিচ্ছে না। কাদের বাঁচানোর জন্য?
আপনারা একবার একটু ভাবুন তো। সেদিন সকালে আর জি করে কারা হাজির ছিলো। কারা তৎপর ছিল প্রমাণ লোপাট করতে?
লিস্টটা একটু দেখে নিন। কলকাতার পুলিশ কমিশনার, ডিসি নর্থ, হেলথ সেক্রেটারি, ডিএমই, হাজার কয়েক পুলিশ, একাধিক বিধায়ক, পুরসভার কাউন্সিলর, গোয়েন্দা দপ্তরের লোকজন, পুরো উত্তর বঙ্গ লবি। তাদের কেউ এসেছে বর্ধমান থেকে, কেউ জলপাইগুড়ি থেকে, কেউবা মালদা থেকে।এটা পূর্ব পরিকল্পিত না হলে এই জনবিন্যাস কি সম্ভব?
একই খুনকে আত্মহত্যা বলে চালাতে পশ্চিমবঙ্গের সেরা অফিসাররা হাজির হয়েছে। প্রায় পুরো স্বরাষ্ট্র দপ্তর হাজির আর জি করে। কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্র মন্ত্রী এলেও এর ছিটেফোঁটা তৎপরতা দেখা যায়না।
প্রশ্ন থেকেই যায়। কে বা কারা সেই ইন্দ্রজিৎ। যাদের নির্দেশে তিলোত্তমা খুন হয়েছে। চোদ্দ তারিখ রাতে পুলিশ সরিয়ে দিয়ে কয়েকশ গুণ্ডা কাকে বাঁচাতে আর জি করে ভাঙচুর করেছে?
এবার যদি বলেন যে সব হয়েছে সঞ্জয় রাই কে বাঁচাতে, তাহলে বলবো হয় আপনি পাগল নাহলে আমি পাগল।
চারমাস কেটে যাবার পরেও ইন্দ্রজিৎ এখনো অধরা। সেই ইন্দ্রজিৎ এমনই ক্ষমতাবান যে তাকে বাঁচাতে পুরো লালবাজার নেমে পড়ে। ডিসি সেন্ট্রাল উর্দি পরে মিথ্যা প্রেস কনফারেন্সে করে। অভিক দে কে বলে ফিঙ্গার প্রিন্ট এক্সপার্ট।
সেই ইন্দ্রজিৎ এমন শক্তিমান যে দেশের প্রধানমন্ত্রী বা স্বরাষ্ট্র মন্ত্রী এই বিষয়ে মুখে একটি শব্দও উচ্চারণ করেনা।
যে আন্দোলন চলছে সেটা ন্যায়ের দাবিতে, মেঘের আড়ালে থাকা ইন্দ্রজিতকে দিনের আলোয় নিয়ে আসার জন্য।
যাদের কোনো স্বার্থ আছে তারাই ইন্দ্রজিৎকে আড়াল করবে। যাদের নেই তারা ইন্দ্রজিৎ এর স্বরূপ দিনের আলোয় আনতে জীবন বাজি রাখবে। যতদিন না ইন্দ্রজিৎ সবার সামনে আসছে ততদিন ন্যায় বিচার অধরা। এর মাঝে পুলিশ কি বললো, সিবিআই কি বললো, কে কটা জায়গায় জিতলো, কে সরকারে থাকলো, কে গেলো সবকিছু অবান্তর বিষয়।
ইন্দ্রজিৎ এর বিচার সঠিকভাবে অভয়ার ন্যায় বিচার। যতদিন না সেটা হচ্ছে ততদিন আমাদের আন্দোলন চলছে, চলবে।
তোমার আমার একই স্বর
জাস্টিস ফর আর জি কর।










