Skip to content
Facebook Twitter Google-plus Youtube Microphone
  • Home
  • About Us
  • Contact Us
Menu
  • Home
  • About Us
  • Contact Us
Swasthyer Britte Archive
Search
Generic filters
  • আরোগ্যের সন্ধানে
  • ডক্টর অন কল
  • ছবিতে চিকিৎসা
  • মা ও শিশু
  • মন নিয়ে
  • ডক্টরস’ ডায়ালগ
  • ঘরোয়া চিকিৎসা
  • শরীর যখন সম্পদ
  • ডক্টর’স ডায়েরি
  • স্বাস্থ্য আন্দোলন
  • সরকারি কড়চা
  • বাংলার মুখ
  • বহির্বিশ্ব
  • তাহাদের কথা
  • অন্ধকারের উৎস হতে
  • সম্পাদকীয়
  • ইতিহাসের সরণি
Menu
  • আরোগ্যের সন্ধানে
  • ডক্টর অন কল
  • ছবিতে চিকিৎসা
  • মা ও শিশু
  • মন নিয়ে
  • ডক্টরস’ ডায়ালগ
  • ঘরোয়া চিকিৎসা
  • শরীর যখন সম্পদ
  • ডক্টর’স ডায়েরি
  • স্বাস্থ্য আন্দোলন
  • সরকারি কড়চা
  • বাংলার মুখ
  • বহির্বিশ্ব
  • তাহাদের কথা
  • অন্ধকারের উৎস হতে
  • সম্পাদকীয়
  • ইতিহাসের সরণি
  • আরোগ্যের সন্ধানে
  • ডক্টর অন কল
  • ছবিতে চিকিৎসা
  • মা ও শিশু
  • মন নিয়ে
  • ডক্টরস’ ডায়ালগ
  • ঘরোয়া চিকিৎসা
  • শরীর যখন সম্পদ
  • ডক্টর’স ডায়েরি
  • স্বাস্থ্য আন্দোলন
  • সরকারি কড়চা
  • বাংলার মুখ
  • বহির্বিশ্ব
  • তাহাদের কথা
  • অন্ধকারের উৎস হতে
  • সম্পাদকীয়
  • ইতিহাসের সরণি
Menu
  • আরোগ্যের সন্ধানে
  • ডক্টর অন কল
  • ছবিতে চিকিৎসা
  • মা ও শিশু
  • মন নিয়ে
  • ডক্টরস’ ডায়ালগ
  • ঘরোয়া চিকিৎসা
  • শরীর যখন সম্পদ
  • ডক্টর’স ডায়েরি
  • স্বাস্থ্য আন্দোলন
  • সরকারি কড়চা
  • বাংলার মুখ
  • বহির্বিশ্ব
  • তাহাদের কথা
  • অন্ধকারের উৎস হতে
  • সম্পাদকীয়
  • ইতিহাসের সরণি
Search
Generic filters

অচেনা অন্ধকারে

Screenshot_2023-03-26-09-56-16-83_680d03679600f7af0b4c700c6b270fe7
Dr. Asish Kumar Kundu

Dr. Asish Kumar Kundu

Physical Medicine & Rehabilitation Specialist
My Other Posts
  • March 26, 2023
  • 9:58 am
  • One Comment

রুগী দেখার ফাঁকে চোখ পড়ল ভীড়ের মধ্যে দাঁড়িয়ে থাকা এক রূপসী মহিলা। বেশ বড়সড়ো এক ছেলে কোলে। সোজা তাকিয়ে আমার দিকে—আমার কাজকর্ম লক্ষ্য করছে মনে হয়।

তার পালা আসতে ভালো করে তাকিয়ে দেখলাম। চোখ পড়ার মতই। গ্রাম বাংলার সেই প্রতীকী বধূ, ডাগর চোখ। তেল দিয়ে টানটান করে বাঁধা চুলের জোয়ার, পাট ভাঙ্গা শাড়ীতে টান টান শরীর। সেই যে, ‘কোনো এক গাঁয়ের বধূর কথা তোমায় শোনাই শোনো’। একরাশ উজ্জ্বল হাসি নিয়ে মেয়েটি বললো ‘ডাক্তারবাবু আমার ছেলে’–।

যদিও হাসার কিছু ছিল না। মিষ্টি দেখতে বছর ছয়েকের ছেলেটির দু পা’ই পঙ্গু। সারা গায়ে পেচ্ছাপের গন্ধ। এক বছর আগে মেরুদন্ডের হাড় ভেঙ্গে যায়। রোগীর ভীড়ে বেশী কথা বলার সময় নেই। ভর্তি করে নিলাম।

*****

ছেলেটির নাম শরৎ। শরৎ কেন কে জানে? শরৎকালে জন্মেছিল? নাকি রোদ ঝলমলে শরতের আকাশ বলে? (নাকি শরতের আকাশ রোদ ঝলমলে বলে?) শরতের বাবা রিক্সা চালায়।

শরৎ আমার তত্ত্বাবধানে হাসপাতালে ভর্তি রইল সাত-আট মাস। আমি নতুন চাকরীতে ঢুকেছি। একটা বড় হাসপাতালের সহ-অধিকর্তা। আমার কাছে শরৎ তখন একটা প্রতিজ্ঞা। আমি রিহ্যাবিলিটেশন স্পেশালিষ্ট। শরতকে রিহ্যাবিলিটেড করতে হবে। তার পুনর্বাসনই তার চিকিৎসা। শরতের বাড়ী ছিল পশ্চিমবঙ্গের কোনো এক গ্রামে। কোন গ্রাম তাতে আর এখন কিছু যায় আসে না। সামান্য জমি। বাবা দিনমজুর। (সেই জমিতে শরতের বাবার তখন সামান্য চাষবাস)। বাড়ীতে লাউ, উচ্ছে, কুমড়ো। নিকনো উঠোন। সন্ধ্যের প্রদীপ। (সন্ধ্যা-প্রদীপ)। চোখে স্বপ্ন—আরো কিছু জমি। ধান চাষ। শরৎ খেলে বেড়ায়। ছ’বছর পূর্ণ হলে স্কুলে ভর্তি হবে।

বড় দাদাদের দেখে জাম গাছে চড়তে গিয়েছিল। বেশী নয় হাত চারেক উঠেই পড়ে গেলো। প্রথমে সবাই ভেবেছিল এইটুকু  পড়ে কিছু হয়নি, কিন্তু পা’দুটো অসাড় হয়ে গেলো। পেচ্ছাপ-পায়খানার হুঁশ থাকল না। কবিরাজ, মালিশ, তেল, সরকারী হাসপাতাল, ধারদেনা—সেই এক গপ্পো।

তরুণ বাবা—মা। চোখে স্বপ্ন, মনে তেজ। অতঃপর বাড়ী ঘর বেচে কলকাতায়। এসে গেল, ‘ডাকিনী যোগিনী’। বাবা রিক্সা চালায়। এদিক ওদিক ঘুরে শেষে আমাদের হাসপাতালে—পুনর্বাসনের আশায়।

শরৎ ভর্তি হলো। শতৎ আমার চ্যালেঞ্জ। ওর পুনর্বাসন আমার প্রতিজ্ঞা।

শরতের রোগটা একটু জটিল। মেরুদন্ডের একনম্বর লাম্বার ভাটিব্রা ভাঙ্গা। কোনো চিকিৎসাতেই দু’পায়ে বল আর ফিরবে না। সারাদিন ফোঁটা ফোঁটা পেচ্ছাপ। ফলত নিতম্বে ঘা এক বছর ধরে।

প্ল্যান মাফিক এগোলাম। প্রথমে ঘা সারানো। ক্যাথেটার পরানো যাতে ক্ষতস্থান পেচ্ছাপে না ভিজে যায়। মাসখানেক শরৎ ক্যাথেটার পরে থাকলো।

কিন্তু ক্যাথেটার তো বেশীদিন পরিয়ে রাখা যায় না। তাতে মূত্রাশয়ে বার বার সংক্রমণ হতে থাকে। মেরুদন্ডে চোটের পর যে পক্ষাঘাত হয় তার প্রথম জটিলতা পেচ্ছাপের সংক্রমণ। প্রথম বিশ্বযুদ্ধের পর যে সমস্ত সৈনিক মেরুদন্ডে চোট পেয়ে ঘরে ফিরেছিলেন, তাঁদের অধিকাংশই এক-দেড় বছরের মধ্যে মারা যান পেচ্ছাপের এবং মূত্রাশয়ের সংক্রমণে। দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের সময় আবিষ্কৃত হয় এক নতুন পদ্ধতি যাকে বলা হয় I.C.C. (Intermittent self catheterisation), রুগী নিজেই পরিষ্কার হাতে দিনে পাঁচ/ছ বার পেচ্ছাপের রাস্তায় নল (ক্যাথেটার) পরবেন। পেচ্ছাপ হয়ে গেলে নল বার করে সাবান দিয়ে ধুয়ে শুকোতে দেবে। সারা পৃথিবী জুড়েই মেরুদন্ডে চোট পাওয়া রুগীরা এই পদ্ধতি অবলম্বন করে সুস্থ আছেন।

কিন্তু ছ’বছরের শরৎ কি নিজে তা পারবে? চেষ্টাতো করতেই হবে। শরতের মা’কে নিয়ে পড়লাম। তাকে I.C.C. বোঝালাম। আর বললাম দিনে রাতে শরতকে চার পাঁচবার I.C.C. করিয়ে দিতে।

শুরু হলো লড়াই। দেখা গেল দু’বার I.C.C.-র মাঝেও শরতের নিজে থেকে কিছুটা পেচ্ছাপ হয়ে প্যান্ট ভিজে যাচ্ছে। অতএব জল কম খাওয়ানো আর কিছু দামী ওষুধ রোজ, যা হাসপাতালে পাওয়া যায় না। শরতের মা’য়ের দাঁত চেপে উত্তর—‘হ্যাঁ। আমরা ওষুধ কিনব। যে ভাবেই হোক।‘

শরতের পেচ্ছাপের সমস্যা মিটল।

পরের অধ্যায় দাঁড় করানো, হাঁটানো। দু’পায়ের জন্য দু’টো ক্যালিপার তৈরী করা হলো। ক্যালিপার হচ্ছে লোহার রড লাগানো জুতো—হাঁটুর ওপর পর্যন্ত রডগুলো তোলা। পায়ের বিভিন্ন অংশে চামড়ার বেল্ট পায়ের সাথে রডকে বেঁধে রাখে। কিছু দিনের মধ্যেই শরৎ ক্যালিপার পরে দু হাতে দু’টো ক্র্যাচ নিয়ে হাঁটতে শুরু করল। কি আনন্দ তার। সারাদিন ধরে টকটক করে হেঁটে বেড়াচ্ছে। উজ্জ্বল মুখ তার। কত কথা—এইবার সে স্কুলে ভর্তি হবে।

*****

সন্ধ্যেবেলা সল্টলেকে আমার আবাস থেকে ধীরে সুস্থে হেঁটে চলেছি ক্রেশ থেকে আমার ছেলেকে আনতে। ক্রেশের কাছে একটা মোড় ঘুরতেই দু’জন দৌড়ে এসে ঢিপ ঢিপ করে প্রণাম। তাকিয়ে দেখি শরতের বাবা—মা। এতদিন বাবাকে ভাল করে চোখেই পড়েনি। শরৎ জুড়ে তো শরতের মা। বাবার ছিপছিপে শান্ত বলিষ্ঠ চেহারা। শরতের মা বলল—‘যাও। ডাক্তারবাবুকে রিক্সায় পৌছে দিয়ে এসো’।

আপত্তি জানিয়ে আমার জিজ্ঞাসা—‘কোথায় থাকো তোমরা?’

আঙ্গুল তুলে দেখাল—ফাঁকা মাঠে কিছু ঝুপড়ি বাড়ী। তাকিয়ে দেখলাম। এই বিশাল (মাঠে) ক’দিন পরে গড়ে উঠবে সিটি সেন্টার।

আমার চ্যালেঞ্জ একটা বড় ধাক্কা খেল। শরতের পুনর্বাসনের কি হবে? আজ নয় কাল তারা এখান থেকে উচ্ছেদ হয়ে যাবে। ভেসে বেড়াবে। কোন এক বস্তীতে আশ্রয় পাবে। সেখানে কি শরতের I.C.C. করানো যাবে? পরিষ্কার হাত, পরিষ্কার ক্যাথেটার? ওষুধ জুটবে? স্কুলে পড়বে?

এই ধরনের ছিন্নমূল সংসারের সন্তানের কি পুনর্বাসন হয়? তাদের পুনর্বাসন কি তাহলে শুধু হাসপাতালের চৌহদ্দির মধ্যে? হাসপাতাল থেকে ছাড়া পেলে আবার যে কে সেই? আমার চ্যালেঞ্জ আমারই ধৃষ্টতা।

আরো এক মাস কেটে গেছে। ভাঙ্গা মন নিয়ে শরতের চিকিৎসা চালিয়ে গেলাম। শরতের ঝকমকে মুখ, আশাভরা চোখ—আমার হতাশা ওকে ছোঁয়নি। ও স্কুলে ভর্তি হবার স্বপ্ন দেখে চলেছে।

একদিন রাউন্ডে গিয়ে দেখি শরতের মা নেই। তার জায়গায় এক অশীতিপর বৃদ্ধা। শরতের ঠাকুমা। ভাবলাম একদিন ছুটি নিয়েছে। কে I.C.C. করাবে? একটু বিরক্ত হলাম। তবে মেনেও নিলাম।

দু-একদিন গেল। প্রতিদিনই দেখি সেই বৃদ্ধা। রাগ হয়ে গেল। বৃদ্ধা কানে কম শোনেন। তাঁকে I.C.C. করাবার পদ্ধতি বোঝাতেই পারলাম না। শরতকে জিজ্ঞাসা করলাম—‘মা কোথায়?’। শরৎ নিরুত্তর। ওকে বললাম তার বাবা যেন পরের দিনই আমার সাথে দেখা করে।

পরের দিন আমার চেম্বারে শরতের বাবা এল। মাথা নিচু করে দাঁড়িয়ে রইল। বসতে বললাম। কুন্ঠিত ভাবে বসল। একচোট গালাগালি দিলাম। বললাম—‘আমি এত চেষ্টা করছি। শরতের মা নেই কেন? তোমার মাকে দিয়ে কিছু হবে না।‘

খানিকক্ষণ চুপ করে থেকে নিচু গলায় শরতের বাবা যা বলল তার সারমর্ম হলো—শরতের মা চলে গেছে-অন্য পুরুষের সাথে।

চমকে উঠলাম। আছে আর নেই এর বিভাজনে থেমে নেই সামাজিক পরিবেশ—শহুরে বস্তীতে ঢুকে পড়েছে অসংস্কৃতির নোনাজল। পরিচিত মূল্যবোধ ভেঙ্গে চুরমার। নতুন কিছু গড়ে উঠেছে কি?

এই অন্ধকারে শরতের পুনর্বাসন?

শরৎ আমার জীবন থেকে হারিয়ে গেল। গল্পটা এখানেই শেষ হতে পারত, কিন্তু হল না। আমাদের দেশে চারিদিকে কত গল্প!

দশ বছর কেটে গেছে। সরকারী হাসপাতালের চাকরী ছেড়ে দিয়েছি অনেকদিন।

এক কম খরচের বেসরকারী হাসপাতালে রুগী দেখছি। হঠাৎ দেখি শরতের বাবা। আর হ্যাঁ সঙ্গে শরতের মা’ও। ভেঙ্গে যাওয়া সংসারে জোড়াতালি দিতে ফিরে এসেছে। শরতের বাবা এখন রিক্সা ছেড়ে গাড়ী চালায়। পোষাক—আষাকে উন্নতি হয়েছে।

স্কুলে পড়া শরতের হয়নি। ক্যালিপার ভেঙ্গে গেছে। সেই সরকারী হাসপাতালে ফিরে গিয়ে বিশেষ সুবিধে করতে পারেনি শরতের বাবা-মা। এতদিন পরে আমায় খুঁজে পেয়ে ওদের আশা।

আমি জানি না আমি কি করব। রাস্তার অচেনা গর্তগুলো আমি অনেকটা চিনেছি। বড় সাবধানে পা ফেলতে হবে।

PrevPreviousজমাট জ্যাম
Nextডাক্তারির কথকতা-৭ বেসিক লাইফ সাপোর্টNext
0 0 votes
Article Rating
Subscribe
Notify of
guest
guest
1 Comment
Oldest
Newest Most Voted
Inline Feedbacks
View all comments
Asok Kumar Kundu.
Asok Kumar Kundu.
3 years ago

আহ্। ভালো থেকো ডাক্তার বাবু, ডা.আশিস কুণ্ডু সুন্দর, স্তরের চেয়েও নির্মম। ভালবাসা জেনো সপরিবার।

0
Reply

সম্পর্কিত পোস্ট

প্রিয় রাষ্ট্রবাদী বন্ধুদের জন্য খোলা চিঠি

October 10, 2026 1 Comment

আজকের দিনটা আপনাদের মুখ পুস্তকের দেওয়ালগুলি ভরে যায় যে মানুষটির বিদ্রূপ, নিন্দায় তাঁকে নিয়ে আজকের এই চিঠি। গান্ধী কেমন লোক ছিলেন সে নিয়ে আপনাদের গুরুদেব

বিত্তটা মধ্য থাকলেও ক্ষতি নেই চিন্তাটা উচ্চ হোক

October 10, 2026 No Comments

ছবিটা এখন অক্সফোর্ডে বসে তুললাম। ২০২৬। এই দেশ ছেড়েছিলাম ২০১২তে। বউ, বাচ্চা,চারটে সুটকেস আর অল্প ব্যাংক ব্যালেন্স ছাড়া কী নিয়ে গেছিলাম এ দেশ থেকে। NHSএ

মানুষকে ধ্বংসের দিকে ঠেলে দিচ্ছে নয়া পুঁজিবাদ

October 10, 2026 No Comments

মুনাফা সর্বাধিক করার জন্য বিশ্বপুঁজি বিশ্বায়নের প্রক্রিয়ায় ধীরে ধীরে গত তিন দশকে মানুষের চিন্তার কাঠামো বদলে দিতে চেয়েছে । পরিবর্তিত চিন্তার আধারে উন্নয়নের সংজ্ঞা নির্ধারিত

অভয়া আন্দোলনকারী সমস্ত চিকিৎসক ও নাগরিকদের হেনস্থা করা মিথ্যা অভিযোগগুলি অবিলম্বে প্রত্যাহার করতে হবে

October 9, 2026 No Comments

৯ আগষ্ট ২০২৪ আর জি কর হাসপাতালে কর্তব্যরত চিকিৎসক ‘অভয়া’ র মৃতদেহ পাওয়া যায় হাসপাতালের তারই কর্ম স্থলে। তারপর সারা কলকাতা, রাজ্য, দেশ তোলপাড় করা

এবার আক্রান্ত বিকাশরঞ্জন ভট্টাচার্য

October 9, 2026 No Comments

৮ অক্টোবর ২০২৬ কয়েকদিন আগে প্রকাশ্য রাস্তায় আইনজীবী শামিম আহমেদ সহ একাধিক আইনজীবীর ওপর আক্রমণ হয়েছে। আজ ভোরে বিশিষ্ট আইনজীবী শ্রী বিকাশরঞ্জন ভট্টাচার্যর বাড়িতে আক্রমণ

সাম্প্রতিক পোস্ট

প্রিয় রাষ্ট্রবাদী বন্ধুদের জন্য খোলা চিঠি

Dr. Samudra Sengupta October 10, 2026

বিত্তটা মধ্য থাকলেও ক্ষতি নেই চিন্তাটা উচ্চ হোক

Dr. Indranil Saha October 10, 2026

মানুষকে ধ্বংসের দিকে ঠেলে দিচ্ছে নয়া পুঁজিবাদ

Sanjoy Mukherjee October 10, 2026

অভয়া আন্দোলনকারী সমস্ত চিকিৎসক ও নাগরিকদের হেনস্থা করা মিথ্যা অভিযোগগুলি অবিলম্বে প্রত্যাহার করতে হবে

Abhaya Mancha October 9, 2026

এবার আক্রান্ত বিকাশরঞ্জন ভট্টাচার্য

Abhaya Mancha October 9, 2026

An Initiative of Swasthyer Britto society

আমাদের লক্ষ্য সবার জন্য স্বাস্থ্য আর সবার জন্য চিকিৎসা পরিষেবা। আমাদের আশা, এই লক্ষ্যে ডাক্তার, স্বাস্থ্যকর্মী, রোগী ও আপামর মানুষ, স্বাস্থ্য ব্যবস্থার সমস্ত স্টেক হোল্ডারদের আলোচনা ও কর্মকাণ্ডের একটি মঞ্চ হয়ে উঠবে ডক্টরস ডায়ালগ।

Contact Us

Editorial Committee:
Dr. Punyabrata Gun
Dr. Jayanta Das
Dr. Chinmay Nath
Dr. Indranil Saha
Dr. Aindril Bhowmik
Executive Editor: Piyali Dey Biswas

Address: 

Shramajibi Swasthya Udyog
HA 44, Salt Lake, Sector-3, Kolkata-700097

Leave an audio message

নীচে Justori র মাধ্যমে আমাদের সদস্য হন  – নিজে বলুন আপনার প্রশ্ন, মতামত – সরাসরি উত্তর পান ডাক্তারের কাছ থেকে

Total Visitor

688687
Share on facebook
Share on google
Share on twitter
Share on linkedin

Copyright © 2019 by Doctors’ Dialogue

wpDiscuz

আমাদের লক্ষ্য সবার জন্য স্বাস্থ্য আর সবার জন্য চিকিৎসা পরিষেবা। আমাদের আশা, এই লক্ষ্যে ডাক্তার, স্বাস্থ্যকর্মী, রোগী ও আপামর মানুষ, স্বাস্থ্য ব্যবস্থার সমস্ত স্টেক হোল্ডারদের আলোচনা ও কর্মকাণ্ডের একটি মঞ্চ হয়ে উঠবে ডক্টরস ডায়ালগ।

[wppb-register]