আমাদের বলা হয়েছে পর্যাপ্ত চিকিৎসার ব্যবস্থা আছে। কিন্তু অন্যান্য জিনিসের প্রয়োজন, যেমন সবার প্রায় বাড়ি ভেঙে গেছে, বাড়ি বানাতে টাকার প্রয়োজন। আপাতত সরকারের তরফে খাওয়ার দাওয়ার দিচ্ছে, শেল্টার হোমে রাখা হয়েছে, কিন্তু কতদিন রাখবে জানে না। আপাতত সরকারের তরফ থেকে প্রতি ফ্যামিলি পিছু ৫০০০ টাকা দেবে বলে বলেছে। কিন্তু আর কি হবে ওরা নিজেরাও নিশ্চিত নয়। আর প্রত্যেকটা শেল্টার এনজিও দ্বারা পরিচালিত। বলা যায় পুরো দেশের সমস্ত যে রিলিফ সিস্টেম সেটা টোটালটাই এনজিও দ্বারা নিয়ন্ত্রিত এবং পরিচালিত।


আমরা বেশ কয়েকজনের ফোন নাম্বার নিয়ে এসেছি। ওনারা সরাসরি জানিয়েছেন যে আমাদের সাহায্য প্রয়োজন। মানুষ এতটাই পরিস্থিতির শিকার, আজকে আমি আর উজ্জ্বল বলে লালি গুরাসের একজন কর্মী ওই ক্যাম্পগুলোতে গেছিলাম। অন্যরাও লোকালদের সঙ্গে কথা বলছিল। ওই ক্যাম্পে আমরা আমাদের সাংবাদিক পরিচয় ঠিকানা এগুলো নিয়েই গেছিলাম। তো ওখানে দু তিন জনের সঙ্গে কথা হয়েছে তাদের মধ্যে একজন পরিষ্কারভাবেই বলল দেখুন আমাদের অবস্থা খুব খারাপ বুঝতে পারছেন তো? কিছুই নেই এখন আমাদের। এই সময়ে মানুষের সঙ্গে কথা বলার ধৈর্যটুকু থাকে না। আপনারা যদি কিছু দিতে পারেন তবেই আসবেন, এমনি এমনি আসবেন না।











