Skip to content
Facebook Twitter Google-plus Youtube Microphone
  • Home
  • About Us
  • Contact Us
Menu
  • Home
  • About Us
  • Contact Us
Swasthyer Britte Archive
Search
Generic filters
  • আরোগ্যের সন্ধানে
  • ডক্টর অন কল
  • ছবিতে চিকিৎসা
  • মা ও শিশু
  • মন নিয়ে
  • ডক্টরস’ ডায়ালগ
  • ঘরোয়া চিকিৎসা
  • শরীর যখন সম্পদ
  • ডক্টর’স ডায়েরি
  • স্বাস্থ্য আন্দোলন
  • সরকারি কড়চা
  • বাংলার মুখ
  • বহির্বিশ্ব
  • তাহাদের কথা
  • অন্ধকারের উৎস হতে
  • সম্পাদকীয়
  • ইতিহাসের সরণি
Menu
  • আরোগ্যের সন্ধানে
  • ডক্টর অন কল
  • ছবিতে চিকিৎসা
  • মা ও শিশু
  • মন নিয়ে
  • ডক্টরস’ ডায়ালগ
  • ঘরোয়া চিকিৎসা
  • শরীর যখন সম্পদ
  • ডক্টর’স ডায়েরি
  • স্বাস্থ্য আন্দোলন
  • সরকারি কড়চা
  • বাংলার মুখ
  • বহির্বিশ্ব
  • তাহাদের কথা
  • অন্ধকারের উৎস হতে
  • সম্পাদকীয়
  • ইতিহাসের সরণি
  • আরোগ্যের সন্ধানে
  • ডক্টর অন কল
  • ছবিতে চিকিৎসা
  • মা ও শিশু
  • মন নিয়ে
  • ডক্টরস’ ডায়ালগ
  • ঘরোয়া চিকিৎসা
  • শরীর যখন সম্পদ
  • ডক্টর’স ডায়েরি
  • স্বাস্থ্য আন্দোলন
  • সরকারি কড়চা
  • বাংলার মুখ
  • বহির্বিশ্ব
  • তাহাদের কথা
  • অন্ধকারের উৎস হতে
  • সম্পাদকীয়
  • ইতিহাসের সরণি
Menu
  • আরোগ্যের সন্ধানে
  • ডক্টর অন কল
  • ছবিতে চিকিৎসা
  • মা ও শিশু
  • মন নিয়ে
  • ডক্টরস’ ডায়ালগ
  • ঘরোয়া চিকিৎসা
  • শরীর যখন সম্পদ
  • ডক্টর’স ডায়েরি
  • স্বাস্থ্য আন্দোলন
  • সরকারি কড়চা
  • বাংলার মুখ
  • বহির্বিশ্ব
  • তাহাদের কথা
  • অন্ধকারের উৎস হতে
  • সম্পাদকীয়
  • ইতিহাসের সরণি
Search
Generic filters

মিথ্রিডাটিয়মঃ সর্ব বিষ প্রতিষেধক – পর্ব ৩

IMG_20200730_212258
Sahasralochan Sharma

Sahasralochan Sharma

Mathematics teacher and writer
My Other Posts
  • August 1, 2020
  • 6:47 am
  • No Comments

চিকিৎসা বিজ্ঞানের এক প্রাচীন এবং চিত্তাকর্ষক শাখা হলো বিষবিদ্যা (টক্সিকোলজি)। বিষবিদ্যার ইতিহাস নিয়ে চিকিৎসক-গবেষকদের থেকেও সাধারণ মানুষের আগ্রহ যেন কিছুটা বেশিই। সাপের বিষ, মাকড়সার রস, আর্সেনিকাদি খনিজ বিষ, হেমলক জাতীয় ভেষজের সাথে দীর্ঘদিনের পরিচয় মানুষের। ইতিহাস বলছে, মিথ্রিডাটিসের সমসময়ে রোম, গ্রিস, এশিয়া মাইনর অঞ্চলে বিষ প্রয়োগে গুপ্ত হত্যা ছিল বহু রাজপরিবারের ইতিহাসের অঙ্গ। বিষ প্রয়োগে গুপ্তহত্যা মোটেও কোনো অস্বাভাবিক ঘটনা ছিল না সেই সময়ে। মানব সভ্যতার ইতিহাসে বিষ প্রয়োগে হত্যার এমন কিছু বর্ণনা লিপিবদ্ধ করা আছে, যার ক্লাইম্যাক্স নাটকেও হার মানায় (সক্রেটিস স্মর্তব্য)। কোনো সন্দেহ নেই যে সেই সমস্ত রোমহর্ষক মৃত্যুগুলোর সাথে একই পঙতি ঠাঁই পাবে ষষ্ঠ মিথ্রিডাটিসের মৃত্যুও। বিষ নিয়ে এমন বিষাক্ত রাজকীয় কর্মকান্ডের বর্ণনা ইতিহাসে আর দ্বিতীয়টা পাওয়া যাবে না বোধহয়।

মিথ্রিডাটিসের মৃত্যুর পর, সাময়িক ভাবে ইতিহাসের অন্তরালে চলে যায় এই সর্ব বিষ প্রতিষেধকের ঘটনাটা। মিথ্রিডাটিসের মৃত্যুর প্রায় ১০০ বছর পর রোমান মেডিক্যাল এনসাইক্লোপেডিয়ার রচয়িতা অলাস কর্নিলিয়স সেলসাস (খৃস্টপূর্ব ২৬-৫০ খৃস্টাব্দ) তাঁর বিখ্যাত ‘ডি মেডিসিনা’ গ্রন্থে ষষ্ঠ মিথ্রিডাটিস্‌ ব্যবহৃত এই সর্ব বিষহরার প্রসঙ্গ উত্থাপন করেন। এই গ্রন্থে এই সর্ব বিষহরার উপকরণের বিশদ বিবরণও পেশ করেন তিনি। সেই সময়ে, মিথ্রিডাটিয়স্‌ ব্যবহৃত সর্ব বিষহরার নাম হয়তো অনেকেই শুনেছিলেন, কিন্তু সেই বিষহরার উপাদান সম্পর্কে একেবারেই অন্ধকারে ছিলেন সবাই। সেলসাসের বইতে সর্ব বিষহরার সেই উপাদানের উল্লেখ দেখে এখন কৌতুহলী হয়ে পড়ছেন অনেকেই। সেলসাসের বই প্রকাশের পর থেকেই দ্রুত জনপ্রিয়তা তথা পরিচিতি লাভ করতে থাকে এই সর্ব বিষহরা। অচিরেই, মিথ্রিডাটিসের নাম থেকেই এই সর্ব বিষহরা মিথ্রিডাটিয়ম নামে পরিচিতি লাভ করে। কোনো কোনো গ্রন্থকার আবার এই সর্ব বিষহরাকে মিথ্রিডাটাম নামেও উল্লেখ করেছেন।

মিথ্রিডাটিয়মে মোট ৩৬টা উপাদান আছে বলে উল্লেখ করেছেন সেলসাস। এই ৩৬টা উপাদানই ভেষজ তথা উদ্ভিজ। কি সেই ৩৬ ভেষজ যা দিয়ে তৈরি হয়েছিল মিথ্রিডাটিয়ম? সেলসাস বর্ণিত সেই ৩৬ উপাদানের নাম নীচের ছকে বর্ণনা করা হলো। এই সমস্ত ভেষজের ধাত্র মাধ্যম হিসেবে ব্যবহার করা হতো মধু। মধুই হলো মিথ্রিডাটিয়মের এক মাত্র উপাদান যা ভেষজ নয়। মধু ছাড়াও, স্বাদ বাড়ানোর জন্য ভেরেন্ডা (ক্যাস্টর) তেল ব্যবহার করা হতো মিথ্রিডাটিয়মে। মধু ও ভেরেন্ডা তেলকে এই ৩৬ উপাদানের অন্তর্ভুক্ত করা হয় নি। মিথ্রিডাটিয়মের উপাদান হিসেবে এমন কিছু ভেষজের ব্যবহার দেখা যাচ্ছে, যা কেবলমাত্র মধ্যপ্রাচ্য বা ভূমধ্যসাগরীয় অঞ্চলেই পাওয়া যায়। ভারতে বা বাংলায় সেই সব গাছ জন্মায় না বলে, সেই সমস্ত ভেষজের বাংলা নাম পাওয়া যায় না বা বাংলা নাম সহজ লভ্য নয়। ফলে মিথ্রিডাটিয়মে ব্যবহৃত ভেষজের বাংলা নাম চয়নে কিছু বিভ্রান্তি রয়ে যাওয়া অস্বাভাবিক নয়। উৎসাহী পাঠক সঠিক তথ্য প্রদান করলে নির্ভুল তথ্য প্রদানে সক্ষম হই।

সেলসাস বর্ণিত মিথ্রিডাটিয়মের উপাদান সমূহ
ক্রম সেলসাস উল্লিখিত মূল নাম বাংলা নাম ওজন (গ্রাম)
01 Cinnamon দারচিনি/দারুচিনি 29
02 Ginger আদা 29
03 Saffron জাফরান 29
04 Rhubarb রেউচিনি 28
05 Nard নিস্যন্দী 25
06 Opobalsam গুগুল জাতীয় গাছের গঁদ 25
07 Shepherd’s purse কপি গোত্রীয় গাছ 25
08 Cretan carrot seed ক্রিট দ্বীপের বুনো গাজরের বীজ 24.66
09 Flower of round rush নলখাগড়া ফুল 24.66
10 Galbanum কুন্দুরু 24.66
11 Turpentine resin তার্পিন 24.66
12 Castoreum কলাই জাতীয় গাছ 24
13 Frankincense ধুনো (শাল গাছের রস) 24
14 Hypocistis Juice বিশেষ জাতের ছত্রাকের রস 24
15 Malabathrum leaves তেজপাতা জাতীয় গাছের পাতা 24
16 Myrrh রেজিন 24
17 Opopanax মধ্যপ্রাচ্যের হলুদ ফুলের গাছ বিশেষ 24
18 Storax শিলারস 21
19 Casia অমলতাস (সোনালু) 20.66
20 Darnel ঘাস বিশেষ 20.66
21 Long Pepper মরীচ বিশেষ 20.66
22 Saxifrage পাথরকুঁচি 20.66
23 Sweet flag ঘোরবচ বা শ্বেতবচ 20
24 Parsley পার্সলে 17
25 Poppy-tears আফিম 17
26 Dried rose leaves শুকনো গোলাপ পাতা 16
27 Gallic nard ইতালির সুগন্ধি পুষ্প বিশিষ্ট লতা 16
28 Gentine root চিরতা জাতীয় গাছের মূল 16
29 Anis পাথুনি বা সেলেরি শাক 12
30 Acacia Juice বাবলা জাতীয় গাছের আঠা 8
31 Cardamon এলাচ 8
32 Gum গঁদ 8
33 Hypericum চোলি ফুল্য (হিন্দি) 8
34 Illyrian iris বলকান অঞ্চলের আইরিস ফুল 8
35 Sagapenum হিং 8
36 Costamary চন্দ্রমল্লিকা জাতীয় ফুল 1.66

সেলসাসের বই প্রকাশের পর থেকেই মিথ্রিডাটিয়ম নিয়ে আগ্রহ বাড়তে থাকে আমজনতার। খৃস্টিয় প্রথম শতকে রোমান সাম্রাজ্যে ব্যাপক জনপ্রিয়তা লাভ করে মিথ্রিডাটিয়ম। অনেকেই ভাবতে থাকেন এই প্রতিষেধক সেবন করলে বুঝি সমস্ত রকমের অসুখ থেকেও নিস্তার পাওয়া যাবে। দীর্ঘ ও সুস্থ জীবনের আশায় রাজা প্রজা নির্বিশেষে এই মহৌষধ সেবনের আগ্রহ প্রকাশ করতে থাকেন। কিন্তু কে বানাবেন সেই মিথ্রিডাটিয়ম? ক্রেটুয়াসের মতো সেই কুশলী ওষুধ নির্মাতা কোথায়? তবু হাল ছাড়তে নারাজ অনেকেই। ফলে নতুন করে প্রস্তুত হতে লাগলো মিথ্রিডাটিয়ম। অনেকেই সেই প্রস্তুত প্রণালিতে বড়সড় পরিবর্তন আনলেন। বিষের তীব্রতা বাড়াতে অনেকেই আরো নতুন নতুন উপাদান যুক্ত করলেন। খৃস্টিয় প্রথম শতকেই মিথ্রিডাটিয়মের ৫৪ খানা উপাদানের কথা উল্লেখ করেছেন প্রখ্যাত রোমান ইতিহাসবিদ জ্যেষ্ঠ প্লিনি (২৩-৭৯ খৃঃ)। এই তথ্য থেকে এটা স্পষ্ট, ইতিহাসের একটা পর্যায়ে মিথ্রিডাটিয়ম প্রস্তুতিতে অত্যন্ত সক্রিয় ছিলেন বেশ কিছু মানুষ। তবে মিথ্রিডাটিয়ম প্রস্তুতিতে কেউ সফল হয়েছেন বলে শোনা যায় নি। কারণ, শুধু উপাদানের বর্ণনা থেকে তো আর কোনো ওষুধ বা রাসায়নিক পদার্থ তৈরি করা সম্ভব নয়। সেই সমস্ত ওষুধ বানাতে গেলে নির্দিষ্ট তাপ, চাপ, কতক্ষন ধরে তা ফোটাতে হবে, কোনটা গুঁড়ো করে ব্যবহার করতে হবে, কোনটা গোটা ব্যবহার করতে হবে, সেই সমস্ত তথ্যও তো জানা প্রয়োজন। সব দিক বিবেচনা করে, আধুনিক মিথ্রিডাটিয়ম বিশেষজ্ঞরা তাই স্পষ্ট জানিয়ে দিয়েছেন, মিথ্রিডাটিয়ম বানানো সম্ভব নয়। তাঁরা বলছেন “আমাদের হস্তগত দস্তাবেজ অনুসরন করে মিথ্রিডাটিয়ম (প্রস্তুতির) মূল প্রণালী পুনঃনির্মান করা সম্ভপর নয়”। তাছাড়া মিথ্রিডাটিয়মের উপাদানগুলোর পরিমাপ লক্ষ্য করলে দেখে যাবে, কোনোটা ২৯ গ্রাম নেওয়া হয়েছে, তো কোনোটা ২৬.৬৬ গ্রাম নেওয়া হয়েছে, আবার কোনোটা ১.৬৬ গ্রাম নেওয়া হয়েছে। আজ থেকে দু’হাজার বছর আগে, এতো সূক্ষ্ম পরিমাপ করা যে কি ভাবে সম্ভব হলো, তা অনুমান করা বেশ কষ্টকর। তাঁর ‘নেচারাল হিস্ট্রি’ গ্রন্থে ঠিক এই প্রশ্ন তুলেই জ্যেষ্ঠ প্লিনি লিখেছেন, “সত্য করে বলুন (তো) কোন দেবতা এই কিম্ভূতকিমাকার অনুপাত বাৎলেছেন? কোনো মানুষের মস্তিষ্কই (এই পরিমাপ নির্ধারণের জন্য) এতো তীক্ষ্ণ হতে পারে না। এটা পাতি (পরিমাপ) কলার জাহির আর বিজ্ঞানের দর্প”[9]।

উপাদানের সূক্ষ্ম পরিমাপ নিয়ে প্লিনির এই সমালোচনা অবশ্য আজ আর ততটা উপযোগী নয়। আধুনিক যন্ত্রের সাহায্যে অনেক সূক্ষ্মাতিসূক্ষ্ম ভরই আজ পরিমাপ করতে পারি আমরা। তাহলে আর অসুবিধা কোথায়? এটা সেটা মিক্স করে একটা চেষ্টা করতে ক্ষতি কি? হুবহু এক না হোক মিথ্রিডাটিয়মের কাছাকাছি এক সর্ব বিষ প্রতিষেধক তো প্রস্তুত করতেই পারি আমরা। কি, চেষ্টা করেবেন নাকি একবার?

গ্রন্থপঞ্জী –

1) Adrienne Mayor, ‘The Poison King: The Life and Legend of Mithridates, Rome’s Deadliest Enemy’

2) Appian (of Alexandria), ‘Roman History’.

3) Aulus Cornelius Celsus, ‘De Medicina’

4) Aulus Gellius, ‘Attic Nights’

5) Cassius Dio, ‘Roman History’.

6) Florus, ‘Epitome of Roman History’

7) Laurenve M. V. Totelin, ‘Mithradates antidote-a pharmacological ghost’

8) Marcus Junianus Justinus, ‘Epitome of the Philippic History of Pompeius Trogus’.

9) Pliny (the Elder), ‘Natural History’

10) Various online sites (for herbal names).

PrevPreviousকরোনার দিনগুলি ৫২ অ্যালবাম
Nextকরোনা মোকাবিলায় রায়গঞ্জে নাগরিক উদ্যোগNext
0 0 votes
Article Rating
Subscribe
Notify of
guest
guest
0 Comments
Inline Feedbacks
View all comments

সম্পর্কিত পোস্ট

১৩ এপ্রিল ২০২৬ সুপ্রিম কোর্টের রায় প্রসঙ্গে: সংগ্রামী গণমঞ্চ

April 19, 2026 No Comments

১৩ এপ্রিল ২০২৬ ভারতের ইতিহাসে একটি কালো দিন। সামাজিক অসাম্যের বিরুদ্ধে জেহাদ ঘোষণাকারী বাবা সাহেব আম্বেদকারের জন্মদিনের আগের দিন পশ্চিমবঙ্গের এক বিরাট অংশের মানুষ চরম

স্বৈরাচারী রাজ্য সরকারের গালে সপাটে থাপ্পড়

April 19, 2026 No Comments

১৭ এপ্রিল ২০২৬ রাজ্য সরকার এবং স্বাস্থ্য দপ্তর যে স্বৈরাচারী ও প্রতিহিংসাপরায়ণ নীতি অবলম্বন করে প্রতিবাদী জুনিয়র ডাক্তারদের কণ্ঠরোধ করতে চেয়েছিল, আজকের হাইকোর্টের রায় তাদের

হস্তি-সাম্রাজ্য (ভবিষ্যতের গল্প)

April 19, 2026 No Comments

কালচক্র যেহেতু সতত ঘুর্ণায়মান, ভবিষ্যতকালে যা যা ঘটবে সেই সব কাহিনি সর্বকালবেত্তাদের কাছে কিছুই অজ্ঞাত নয়। আর লেখকের কলম আর পাঠক যেহেতু সর্বকালবেত্তা, তাই কালাতীত

উন্নাও মামলা ২০১৭

April 18, 2026 No Comments

।।অভয়া বা নির্ভয়া হই।।

April 18, 2026 No Comments

হয়নি বলা কেউ বোঝেনি আমার ব্যথা বলতে বাকি প্রাতিষ্ঠানিক গোপন কথা !! গ্যাঁজলা ওঠা বিকৃত মুখ ঢাকলো কারা সেমিনার রুম বন্ধ করতে ব্যাকুল যারা !!

সাম্প্রতিক পোস্ট

১৩ এপ্রিল ২০২৬ সুপ্রিম কোর্টের রায় প্রসঙ্গে: সংগ্রামী গণমঞ্চ

Sangrami Gana Mancha April 19, 2026

স্বৈরাচারী রাজ্য সরকারের গালে সপাটে থাপ্পড়

West Bengal Junior Doctors Front April 19, 2026

হস্তি-সাম্রাজ্য (ভবিষ্যতের গল্প)

Dr. Arunachal Datta Choudhury April 19, 2026

উন্নাও মামলা ২০১৭

Abhaya Mancha April 18, 2026

।।অভয়া বা নির্ভয়া হই।।

Shila Chakraborty April 18, 2026

An Initiative of Swasthyer Britto society

আমাদের লক্ষ্য সবার জন্য স্বাস্থ্য আর সবার জন্য চিকিৎসা পরিষেবা। আমাদের আশা, এই লক্ষ্যে ডাক্তার, স্বাস্থ্যকর্মী, রোগী ও আপামর মানুষ, স্বাস্থ্য ব্যবস্থার সমস্ত স্টেক হোল্ডারদের আলোচনা ও কর্মকাণ্ডের একটি মঞ্চ হয়ে উঠবে ডক্টরস ডায়ালগ।

Contact Us

Editorial Committee:
Dr. Punyabrata Gun
Dr. Jayanta Das
Dr. Chinmay Nath
Dr. Indranil Saha
Dr. Aindril Bhowmik
Executive Editor: Piyali Dey Biswas

Address: 

Shramajibi Swasthya Udyog
HA 44, Salt Lake, Sector-3, Kolkata-700097

Leave an audio message

নীচে Justori র মাধ্যমে আমাদের সদস্য হন  – নিজে বলুন আপনার প্রশ্ন, মতামত – সরাসরি উত্তর পান ডাক্তারের কাছ থেকে

Total Visitor

618392
Share on facebook
Share on google
Share on twitter
Share on linkedin

Copyright © 2019 by Doctors’ Dialogue

wpDiscuz

আমাদের লক্ষ্য সবার জন্য স্বাস্থ্য আর সবার জন্য চিকিৎসা পরিষেবা। আমাদের আশা, এই লক্ষ্যে ডাক্তার, স্বাস্থ্যকর্মী, রোগী ও আপামর মানুষ, স্বাস্থ্য ব্যবস্থার সমস্ত স্টেক হোল্ডারদের আলোচনা ও কর্মকাণ্ডের একটি মঞ্চ হয়ে উঠবে ডক্টরস ডায়ালগ।

[wppb-register]