Skip to content
Facebook Twitter Google-plus Youtube Microphone
  • Home
  • About Us
  • Contact Us
Menu
  • Home
  • About Us
  • Contact Us
Swasthyer Britte Archive
Search
Generic filters
  • আরোগ্যের সন্ধানে
  • ডক্টর অন কল
  • ছবিতে চিকিৎসা
  • মা ও শিশু
  • মন নিয়ে
  • ডক্টরস’ ডায়ালগ
  • ঘরোয়া চিকিৎসা
  • শরীর যখন সম্পদ
  • ডক্টর’স ডায়েরি
  • স্বাস্থ্য আন্দোলন
  • সরকারি কড়চা
  • বাংলার মুখ
  • বহির্বিশ্ব
  • তাহাদের কথা
  • অন্ধকারের উৎস হতে
  • সম্পাদকীয়
  • ইতিহাসের সরণি
Menu
  • আরোগ্যের সন্ধানে
  • ডক্টর অন কল
  • ছবিতে চিকিৎসা
  • মা ও শিশু
  • মন নিয়ে
  • ডক্টরস’ ডায়ালগ
  • ঘরোয়া চিকিৎসা
  • শরীর যখন সম্পদ
  • ডক্টর’স ডায়েরি
  • স্বাস্থ্য আন্দোলন
  • সরকারি কড়চা
  • বাংলার মুখ
  • বহির্বিশ্ব
  • তাহাদের কথা
  • অন্ধকারের উৎস হতে
  • সম্পাদকীয়
  • ইতিহাসের সরণি
  • আরোগ্যের সন্ধানে
  • ডক্টর অন কল
  • ছবিতে চিকিৎসা
  • মা ও শিশু
  • মন নিয়ে
  • ডক্টরস’ ডায়ালগ
  • ঘরোয়া চিকিৎসা
  • শরীর যখন সম্পদ
  • ডক্টর’স ডায়েরি
  • স্বাস্থ্য আন্দোলন
  • সরকারি কড়চা
  • বাংলার মুখ
  • বহির্বিশ্ব
  • তাহাদের কথা
  • অন্ধকারের উৎস হতে
  • সম্পাদকীয়
  • ইতিহাসের সরণি
Menu
  • আরোগ্যের সন্ধানে
  • ডক্টর অন কল
  • ছবিতে চিকিৎসা
  • মা ও শিশু
  • মন নিয়ে
  • ডক্টরস’ ডায়ালগ
  • ঘরোয়া চিকিৎসা
  • শরীর যখন সম্পদ
  • ডক্টর’স ডায়েরি
  • স্বাস্থ্য আন্দোলন
  • সরকারি কড়চা
  • বাংলার মুখ
  • বহির্বিশ্ব
  • তাহাদের কথা
  • অন্ধকারের উৎস হতে
  • সম্পাদকীয়
  • ইতিহাসের সরণি
Search
Generic filters

মেডিক্যাল কলেজের ছাদে

Screenshot_2022-04-09-22-28-30-38_680d03679600f7af0b4c700c6b270fe7
Dr. Aniruddha Deb

Dr. Aniruddha Deb

Psychiatrist, Writer
My Other Posts
  • April 10, 2022
  • 9:36 am
  • No Comments

মেডিক্যাল কলেজ ভাঙা হবে। কানাঘুষোও শোনা যাচ্ছে গোটা এম.সি.এইচ. বিল্ডিং–টাই ভেঙে নতুন মডার্ন বাড়ি তৈরি হবে, কুড়ি তলা। ছাত্র–ডাক্তার মহলে অসন্তোষ। কিন্তু কি হবে তা তো আর কেউ জানে না, তাই কেউ কিছু বলছে না। এস. এফ. আই. মেম্বাররা, একটা সবজান্তা ভাব নিয়ে ঘুরে বেড়াচ্ছে : আমরা সব জানি। কী হয়েছে? পুরোনো জিনিস ভাঙা তো হবেই, না হলে নতুন আসবে কোত্থেকে? অঙ্কন একদিন বলল, “এম. সি. এইচ. ভাঙবেই। কেউ আটকাতে পারবে না। এক থেকে দেড় মাসের মধ্যেই কাজ শুরু হবে, দেখে নিস।” ওকে বললাম, “তা তো বলবিই। তোদের ওই ওঁচা পার্টি হেরিটেজ মানে জানে না। তোদের যেমন কোনও হেরিটেজ নেই, তেমনি তোরা হেরিটেজকে সম্মান করতে জানিস না। যা মনে হবে তা–ই ভেঙে দাও গুঁড়িয়ে দাও করবি। আর যদি দেখিস জনমত উল্টোদিকে যাচ্ছে, সঙ্গে সঙ্গে আগুন লাগিয়ে ভস্মীভূত করে দিবি… ওরে, চললি কোথায়, ভস্মীভূত মানেটা জেনে যা…”

অঙ্কনের বাঙলা শেখার কোনও আগ্রহ নেই, চলে গেল। সেদিন সন্ধ্যাবেলা অজিতের সঙ্গে গেছি ওয়ার্ড রাউণ্ডে। সেই বিশাল সিঁড়ি দিয়ে উঠতে গিয়ে মন খারাপ লাগছে। যদিও জানি এই সবটাই আজকের দিনের নিরিখে জায়গার প্রচণ্ড অপচয় – এক একটা ফ্লোরে আজকের হিসেবে আড়াইটে থেকে তিনটে ফ্লোর হবে, ছাদই তিরিশ ফুটের ওপরে উঁচু।

একতলা দোতলা শেষ করে গেছি রুফটপ ওয়ার্ডে। স্থানাভাবের জন্য ছাদের ওপরে কোনওরকমে ইঁটের দেওয়াল, অ্যাসবেসটসের ছাদ। ফলস–সিলিং এত নিচু যে হাত দিয়ে ছোঁয়া যায়। গরমকালে এখানে রোগি সারার বদলে আরো অসুস্থ হয়ে পড়ে না কেন, কে জানে। অজিতকে বললাম, “এই রকম ওয়ার্ডে মানুষ থাকতে পারে? নতুন হলে ভালোই হবে, বল?”

অজিত পেশেন্ট ফাইলে কী লিখতে লিখতে আড়চোখে চেয়ে বলল, “হঠাৎ? এস.এফ.আই–য়ে নাম লিখলি নাকি?”

বললাম ওকে, অঙ্কন কী বলেছে।

অজিতের হাত থেকে কলমটা প্রায় পড়ে গেল। “তাহলে সত্যিই ভাঙছে? তা না হলে অঙ্কন এ কথা বলল কেন?”

আমারও তাই মনে হচ্ছিল। তাই সারা সন্ধ্যা কাজে মন দিতে পারছিলাম না।

রুফটপ ওয়ার্ডে কাজ শেষ হওয়া মানে দিনের কাজ শেষ। সাধারণত রাস্তা পেরিয়ে কুমার্স ক্যান্টিনে গিয়ে চা খাওয়া হয় একটা। আজ আর ভালো লাগছে না। অজিত আর আমি বেরোতে গিয়ে হঠাৎ অজিতের কী মনে হল, বলল, “দাড়ি, মেডিক্যাল কলেজের তিনকোনা ছাদটার ওপরে উঠেছিস কখনও?”

কখনও উঠিনি। বললাম, “চ, এই দিক দিয়ে আয়।”

দুজনে গিয়ে দাঁড়ালাম মেডিক্যাল কলেজ বিল্ডিং–এর তিনকোনা ছাদের ওপরে। যদিও তিনতলা বাড়ি, কিন্তু প্রায় ছ’সাত তলার ওপরে দাঁড়িয়ে আছি। নিচে ছোটো ছোটো মানুষ। ওই যে অঙ্কন, ওই যে অংশুমান যাচ্ছে। সঞ্জয় এদিক দিয়ে যাচ্ছে কেন? রথিন–সর্বাণীর কাজ শেষ – দু’জনে সিনেমা চলল বোধহয়।

একটু অপেক্ষা করে মনে হল, আরে, আজ–বাদে–কাল এই বাড়িটা থাকবে কি না, জানাই নেই, আজ আমরা তার সবচেয়ে উঁচু পয়েন্টে দাঁড়িয়ে আছি, এই কথাটা লোকজনকে না জানালে কি চলবে? ব্যস, যেমনি ভাবা, তেমনি কাজ, ওখান থেকে দাঁড়িয়েই আমি আর অজিত হাঁক পাড়তে লেগেছি : “অ্যাই সুমন্ত্র। ওরে হতভাগা বিশু! এসপি, আসবি নাকি? নভ্‌রতন, কুমার্স ক্যান্টিন যাচ্ছিস? না? কলেজ সুইটস? আমাদের জন্য দু প্লেট রসমালাই অর্ডার কর। আসছি।”

লোকেও তাদের চলার পথে দাঁড়িয়ে আমাদের পাগলামি দেখে হাসাহাসি করছে, কেউ কেউ আমাদের নানারকম জ্ঞানও দিচ্ছে। হঠাৎ ওখান দিয়ে যাচ্ছে ফ্যাটি–দা (ফ্যাটি–দাকে প্রথম দেখে বলেছিলাম, “ওর নাম ফ্যাটি যারা দিয়েছে তাদের কোনও কাণ্ডজ্ঞান নেই।” তাই শুনে ফ্যাটি–দার কে এক বন্ধু বলেছিল, “তুই তো সেই সময়ে দেখিসনি, তাই বলছিস।” যাই হোক, বলার বিষয় যেটা সেটা হল যে ফ্যাটি–দা রোগা না হলেও নামের সঙ্গে কোনও মিলই নেই)।

ফ্যাটি–দা আমাদের ওইরকম ভাবে দাঁড়িয়ে থাকতে দেখে খানিকক্ষণ চুপ করে কোমরে হাত দিয়ে ওপরে তাকিয়ে রইল। তারপর হেঁটে চলে গেল হস্টেলের দিকে।

পরে যখন যথেষ্ট মন ভালো হয়েছে, কুমার্স–এ চা খেয়ে হস্টেলে ফিরেছি, সিঁড়ি দিয়ে উঠে ঘরের দরজা খুলতে যাব, ফ্যাটি–দা এসে ধরেছে।

“বলি ব্যাপারটা কী? সাহস খুব? ওই ভাঙা বাড়ি, তার মাথায় চড়েছ। সবসুদ্ধু যদি পড়ত, কী হত?”

দরজা খোলা স্থগিত রেখে বললাম, “কী আর হত, দাদা, ভেতরে থাকলে যা হত তার থেকে হয়ত ভালই হত। আর বিপদ তো তোমাদের বেশি হত। ভেঙে পড়লে তোমাদের মাথায় পড়ত, আমাদের মাথায় তো আর পড়ত না, বাড়ি তো আমাদের পায়ের তলায়।”

ফ্যাটি–দা খানিকক্ষণ কটমট করে তাকিয়ে চলে গেল।

খানিক পরেই নির্মল এসেছে আমার ঘরে। “কীরে? ফ্যাটি–দাকে কি বলেছিলি?”

আমি ঘাবড়ে গেলাম। “কেন? রেগে গেছে নাকি?”

“না না, রাগবে কেন? আমার সঙ্গে দেখা হতে বলে গেল, দাড়িকে বেশ বোকা–সোকা ভাবতাম, দেখলাম ওর যথেষ্ট বুদ্ধি আছে।”

PrevPreviousপ্রমিথিউসের মা
NextঢেকুরNext
0 0 votes
Article Rating
Subscribe
Notify of
guest
guest
0 Comments
Inline Feedbacks
View all comments

সম্পর্কিত পোস্ট

ধর্মীয় স্লোগান দিলে ফি-ছাড়! অসহিষ্ণুতা ও বৈষম্যমূলক আচরণ প্রদর্শনের প্রতিবাদ জেপিডি-র।

April 16, 2026 No Comments

১৩ই এপ্রিল, ২০২৬ ​সম্প্রতি কলকাতার এক প্রবীণ হৃদরোগ বিশেষজ্ঞ (Cardiologist) সামাজিক মাধ্যমে ঘোষণা করেছেন যে, নির্দিষ্ট ধর্মীয় স্লোগান দিলে তিনি ফি-তে ছাড় দেবেন। ‘জয়েন্ট প্ল্যাটফর্ম

পথের সন্ধানে

April 16, 2026 No Comments

ভারতের ইতিহাসে কালো দিনের তালিকায় আর একটি দিন যুক্ত হল – ১৩ এপ্রিল, যেদিন সুপ্রিম কোর্টের বিচারপতি জোরের সঙ্গে জানিয়ে দিলেন ট্রাইব্যুনালের রায় ঘোষিত হবার

ইমোশনাল ব্ল্যাকমেইল

April 16, 2026 No Comments

সব ধরনের নিয়ন্ত্রণ চিৎকার করে আসে না। কিছু নিয়ন্ত্রণ আসে ভালোবাসা, দায়িত্ব, অপরাধবোধ আর ভয়–এর মোড়কে। 💔🌫️ Emotional Blackmail হলো এমন এক ধরনের মানসিক প্রভাব

কলেজ নির্বাচনের স্মৃতি

April 15, 2026 No Comments

সালটা ২০১১, আমরা মেডিক্যাল কলেজে তখন সদ্য পা দিয়েছি। গল্পটা শুরু হয়েছিল তারও আগে, রেজাল্ট বেরোনোর পরপরই। বিভিন্ন দাদা দিদিরা বাড়ি বয়ে একদম ভর্তির সমস্ত

এসো হে বৈশাখ…এসো বাংলায়

April 15, 2026 No Comments

সাম্প্রতিক পোস্ট

ধর্মীয় স্লোগান দিলে ফি-ছাড়! অসহিষ্ণুতা ও বৈষম্যমূলক আচরণ প্রদর্শনের প্রতিবাদ জেপিডি-র।

The Joint Platform of Doctors West Bengal April 16, 2026

পথের সন্ধানে

Gopa Mukherjee April 16, 2026

ইমোশনাল ব্ল্যাকমেইল

Dr. Aditya Sarkar April 16, 2026

কলেজ নির্বাচনের স্মৃতি

Dr. Subhanshu Pal April 15, 2026

এসো হে বৈশাখ…এসো বাংলায়

Abhaya Mancha April 15, 2026

An Initiative of Swasthyer Britto society

আমাদের লক্ষ্য সবার জন্য স্বাস্থ্য আর সবার জন্য চিকিৎসা পরিষেবা। আমাদের আশা, এই লক্ষ্যে ডাক্তার, স্বাস্থ্যকর্মী, রোগী ও আপামর মানুষ, স্বাস্থ্য ব্যবস্থার সমস্ত স্টেক হোল্ডারদের আলোচনা ও কর্মকাণ্ডের একটি মঞ্চ হয়ে উঠবে ডক্টরস ডায়ালগ।

Contact Us

Editorial Committee:
Dr. Punyabrata Gun
Dr. Jayanta Das
Dr. Chinmay Nath
Dr. Indranil Saha
Dr. Aindril Bhowmik
Executive Editor: Piyali Dey Biswas

Address: 

Shramajibi Swasthya Udyog
HA 44, Salt Lake, Sector-3, Kolkata-700097

Leave an audio message

নীচে Justori র মাধ্যমে আমাদের সদস্য হন  – নিজে বলুন আপনার প্রশ্ন, মতামত – সরাসরি উত্তর পান ডাক্তারের কাছ থেকে

Total Visitor

617879
Share on facebook
Share on google
Share on twitter
Share on linkedin

Copyright © 2019 by Doctors’ Dialogue

wpDiscuz

আমাদের লক্ষ্য সবার জন্য স্বাস্থ্য আর সবার জন্য চিকিৎসা পরিষেবা। আমাদের আশা, এই লক্ষ্যে ডাক্তার, স্বাস্থ্যকর্মী, রোগী ও আপামর মানুষ, স্বাস্থ্য ব্যবস্থার সমস্ত স্টেক হোল্ডারদের আলোচনা ও কর্মকাণ্ডের একটি মঞ্চ হয়ে উঠবে ডক্টরস ডায়ালগ।

[wppb-register]