Skip to content
Facebook Twitter Google-plus Youtube Microphone
  • Home
  • About Us
  • Contact Us
Menu
  • Home
  • About Us
  • Contact Us
Swasthyer Britte Archive
Search
Generic filters
  • আরোগ্যের সন্ধানে
  • ডক্টর অন কল
  • ছবিতে চিকিৎসা
  • মা ও শিশু
  • মন নিয়ে
  • ডক্টরস’ ডায়ালগ
  • ঘরোয়া চিকিৎসা
  • শরীর যখন সম্পদ
  • ডক্টর’স ডায়েরি
  • স্বাস্থ্য আন্দোলন
  • সরকারি কড়চা
  • বাংলার মুখ
  • বহির্বিশ্ব
  • তাহাদের কথা
  • অন্ধকারের উৎস হতে
  • সম্পাদকীয়
  • ইতিহাসের সরণি
Menu
  • আরোগ্যের সন্ধানে
  • ডক্টর অন কল
  • ছবিতে চিকিৎসা
  • মা ও শিশু
  • মন নিয়ে
  • ডক্টরস’ ডায়ালগ
  • ঘরোয়া চিকিৎসা
  • শরীর যখন সম্পদ
  • ডক্টর’স ডায়েরি
  • স্বাস্থ্য আন্দোলন
  • সরকারি কড়চা
  • বাংলার মুখ
  • বহির্বিশ্ব
  • তাহাদের কথা
  • অন্ধকারের উৎস হতে
  • সম্পাদকীয়
  • ইতিহাসের সরণি
  • আরোগ্যের সন্ধানে
  • ডক্টর অন কল
  • ছবিতে চিকিৎসা
  • মা ও শিশু
  • মন নিয়ে
  • ডক্টরস’ ডায়ালগ
  • ঘরোয়া চিকিৎসা
  • শরীর যখন সম্পদ
  • ডক্টর’স ডায়েরি
  • স্বাস্থ্য আন্দোলন
  • সরকারি কড়চা
  • বাংলার মুখ
  • বহির্বিশ্ব
  • তাহাদের কথা
  • অন্ধকারের উৎস হতে
  • সম্পাদকীয়
  • ইতিহাসের সরণি
Menu
  • আরোগ্যের সন্ধানে
  • ডক্টর অন কল
  • ছবিতে চিকিৎসা
  • মা ও শিশু
  • মন নিয়ে
  • ডক্টরস’ ডায়ালগ
  • ঘরোয়া চিকিৎসা
  • শরীর যখন সম্পদ
  • ডক্টর’স ডায়েরি
  • স্বাস্থ্য আন্দোলন
  • সরকারি কড়চা
  • বাংলার মুখ
  • বহির্বিশ্ব
  • তাহাদের কথা
  • অন্ধকারের উৎস হতে
  • সম্পাদকীয়
  • ইতিহাসের সরণি
Search
Generic filters

কোভিভ নিয়ে ভয় ছড়ানোর দিনে ক্রিকেটের গল্প

Oplus_16908288
Dr. Samudra Sengupta

Dr. Samudra Sengupta

Health administrator
My Other Posts
  • June 7, 2025
  • 8:34 am
  • No Comments

প্লীজ, প্রিয় পাঠক, কোভিভ নিয়ে একটু একটু ভয় ছড়ানোর দিনে ক্রিকেটের গল্প শোনাচ্ছি বলে আনফ্রেন্ড আন ফলো করে দেবেন না কারণ গল্পটা আসলে গল্প নয়, সত্যি ঘটনা।

ইংল্যান্ডের হেডিংলিতে ইংল্যান্ড বনাম ওয়েস্ট ইন্ডিজ সিরিজের তৃতীয় টেস্টের তৃতীয় দিনের সকালে ইংল্যান্ডের ২৭০ রান টপকাতে প্রায় একাই লড়াই দিচ্ছিলেন ল্যারি গোমস। নবম উইকেটের পতনের সময় অন্যপ্রান্তে দাঁড়িয়ে তার স্কোর তখন ৯৬ নট আউট। ড্রেসিং রুমে তখনো ব্যাট করতে নামা বাকি কেবল ম্যালকম মার্শালের, যিনি বোলার হিসেবেই বিখ্যাত। ব্যাটসম্যান হিসেবে নন। তার ওপরে ওই টেস্টের প্রথম দিনেই ক্রিস ব্রডের একটা শট হাত দিয়ে আটকাতে গিয়ে বাঁ হাতের বুড়ো আঙুলে ডাবল ফ্র্যাকচার মার্শালের। ওটা “নন বোলিং আর্ম” হলেও ডাক্তাররা পরামর্শ দিয়েছিলেন ১০ দিন বিশ্রামে থাকার।

কাজেই হতাশ মনেই গোমস প্রায় হাঁটা শুরু করেছিলেন ড্রেসিং রুমের দিকে। সঙ্গে সেঞ্চুরি ফস্কে যাওয়ার আফসোস নিয়ে। ক্রিকেট একটা অদ্ভুত খেলা। একা একজন ব্যাট করতে পারে না। সঙ্গে পার্টনার লাগে। হঠাৎ মাঠ ভর্তি দর্শক আর ইংল্যান্ডের খেলোয়াড়দের মতো একই রকম অবাক চোখে গোমস দেখলেন, ড্রেসিং রুমের দোতলার সিঁড়ি বেয়ে তরতর করে নেমে আসছেন মার্শাল। বাম হাতটা প্লাস্টারে জড়ানো। আক্ষরিক অর্থে এক হাতে ব্যাট করে আট আটটা বল খেলেছিলেন মার্শাল। তার মধ্যে মেরে ছিলেন একপিস বাউন্ডারিও। গোমস পেয়েছিলেন একখানা অমূল্য সেঞ্চুরি পূর্ণ করতে।

পরে এক স্বাক্ষাৎকারে মার্শাল জানিয়েছিলেন যে তার বন্ধু গোমসের এমন হিরোইক একটা সেঞ্চুরি হাতছাড়া হয়ে যাবে পার্টনারের অভাব থেকে সেই ভাবনায় ক্যাপ্টেন লয়েডের নির্দেশ অমান্য করেই তার মাঠে নামা। ক্রিকেট খেলার ইতিহাসে অন্যতম হিরোইক ইনিংস হল মার্শালের সেই এক হাতে ব্যাট।

এবার আসুন কোভিডের কথায়। আমাদের সিএমএওএইচ অফিস থেকে অবসর নিয়েছিলেন শঙ্কর মাইতি। GDA। কালোকুলো চওড়া হাসিমুখ।
লোকে যাদের গ্রূপ ডি বলে ডাকে। অবসর নেওয়ার আগেই এসে গিয়েছিল করোনার উপদ্রব। ওনাকে, আমাদের সকলের প্রিয় শঙ্করদাকে বলেছিলাম, বয়েস হয়েছে, কো-মর্বিডিটি আছে। এমন সময়টা ডিউটিতে আসা বিপদজনক। জমা ছুটি আছে অনেক। ছুটি নিন। আর কাজে আসতে হবে না।

শঙ্কর দা শোনেন নি সে কথা। টানা শেষ দু’মাস একই রকম নিষ্ঠার সাথে কাজ করে গেলেন। চাকরি জীবনের শেষ দু’মাস। টিপিক্যাল মেদিনীপুর স্ট্যাইলে বলেছিলেন, ,”স্যার, আপনারা সবাই কাজে থাকছেন, আমি কেন ঘর পালিয়ে যাবো?” শংকরদার মতো অনেক জেনারেল ডিউটি এটেন্ডেন্ট আজ কোভিভ ওয়ার্ড এ ডিউটি করছেন, ঘর পালিয়ে যান নি। সেই সময় দেখেছিলাম তাঁদের কয়েকজনকে। রুগীর প্রাণ বাঁচানো একটা টিম ওয়ার্ক চিকিৎসক, যার নেতৃত্বে থাকেন। কিন্তু সফল অভিযানে প্রত্যেকেরই রোল আছে, গুরুত্বপূর্ণ রোল। এমনকি একজন GDA-এরও।

গোমসের সেঞ্চুরি হয়েছিল তার পার্টনারের সেই অকুতোভয় ছোট্ট ইনিংসের জন্য। ওয়েস্ট ইন্ডিজ ম্যাচটা শেষমেশ জিতে ছিল। করোনা নিয়ে লড়াই একদিন শেষ হয়েছে। আমরা স্বাস্থ্য দপ্তরের কর্মীরা জিতেছিলেন অনেক গুরুত্বপূর্ণ সাথীকে হারিয়ে। তাদের সবার অবদান মনে আছে। বিশেষ করে আমার পার্টনার শঙ্করদার সেই দুমাসের ছোট্ট ইনিংসটা সারা জীবন ভুলতে পারবো না। পার্টনারশিপ ছাড়া ক্রিকেট খেলা যায় না, টেস্ট জেতা যায় না, সেঞ্চুরি হয় না। জীবনের ছোট বড় কোনো যুদ্ধই জেতা যায় না।

শঙ্করদা কোনোকালেই ঠিক “জো হুজুর” টাইপের ছিলেন না। বিনয়ের সাথে তর্ক জুড়তেন প্রচুর। শেষ অবাধ্যতাটা মনে রাখবো না। লয়েড মনে রাখেননি। ম্যালকম মার্শালরা একটু অবাধ্য একগুঁয়ে জেদি হন। আর সে জন্যই ম্যাচ জেতানোর ক্ষমতা রাখতেন। আজ আপনি যখন এই লেখাটা পড়ছেন শঙ্করদার অনেক উত্তরাধিকারী কোভিভ ওয়ার্ডে অক্লান্ত ডিউটি করছেন পিপিই পরে ঘেমে নিয়ে অক্সিজেন সিলিন্ডার ঠেলছেন। সবার নামও জানিনা।

সেদিন সেঞ্চুরির পরে গোমস ব্যাট তুলেছিলেন তার পার্টনারকে কৃতজ্ঞতা জানাতে, তাঁর হিরোইজমকে শ্রদ্ধা জানাতে। ব্যাট আমরাও তুলেছি শঙ্করদা আপনার উদ্দেশ্যে। যুদ্ধটা জিতে ফেরার পর। ভালো থাকবেন। আমাদের, স্বাস্থ্য দপ্তরের প্রত্যেক GDA ওয়ার্ড বয়, ওয়ার্ড গার্ল – সবার একসাথে লড়াইকে মনে রাখবো। মার্শাল না থাকলে গোমস একা সেদিন সেঞ্চুরি করতে পারতেন না, ক্রিকেট একটা টিম গেম। আমাদের কোভিভ এর বিরুদ্ধে লড়াইটাও তাই, টিমগেম।

সুধী পাঠক কি ভাবছেন? করোনা কোভিড ফিরে আসছে? ভয় ভয় লাগছে? ভয় পাবেন না। ওই দেখুন। ৯৬ তে আটকে আছে শঙ্করদা। হেডিংলির ড্রেসিং রুম থেকে প্লাস্টার বাঁধা হাতে কালোকুলো চওড়া হাসিমুখে কে যেন তরতর করে সিঁড়ি বেয়ে নেমে আসছে। ম্যাচটা জিততে হবে তো! টি টোয়েন্টি ক্রিকেটের ফাটকা বাজি নয়, এ হল ভাইরাসের সংক্রমণ ক্ষমতার সাথে, মারণ ক্ষমতার সাথে চিকিৎসা বিজ্ঞানের আসল লড়াই। সর্বোচ্চমানের টেস্ট ক্রিকেটে জিততে হলে একজন লয়েডের একজন ল্যারি গোমোসের পাশাপাশি একজন ম্যালকম মার্শালও লাগে। ঠিক জুটে যাবে। নিশ্চিন্ত থাকুন প্রিয় পাঠক।

PrevPreviousঊর্মিমুখর: নবম পরিচ্ছেদ
Nextবিচারের বাণী নীরবে নিভৃতে কাঁদবে নাNext
2 1 vote
Article Rating
Subscribe
Notify of
guest
guest
0 Comments
Inline Feedbacks
View all comments

সম্পর্কিত পোস্ট

লড়াই চলছে চলবে

December 7, 2025 No Comments

৫ ডিসেম্বর, ২০২৫ গত ২৫ শে নভেম্বর থেকে বিষ্ণুপুরের যে দুই কিশোরী নিখোঁজ হয়ে গিয়েছিল, তাদের হদিশ পাওয়া গেছে। আজ বারুইপুর কোর্টে তাদের প্রডিউস করা

এক ঠাঁয়ে সব আছি মোরা

December 7, 2025 No Comments

ভোরের আলো সবে ফুটতে শুরু করেছে। চারদিকের অন্ধকার ক্রমশ ফিকে হয়ে আসায় বাড়ছে আলোর আভাস। পাখপাখালির দল গাছের পাতার আড়ালে থেকে কিচিরমিচির শব্দ করে জেগে

নুটুর সংসার

December 7, 2025 No Comments

নুটু ঢালি গোড়া বাঁধানো বকুল গাছটার নীচে বসে আছে। মহকুমা আদালত চত্ত্বর। চারিদিকে লোকজন ইতস্ততঃ ঘুর ঘুর করছে। বেশির ভাগই হত দরীদ্র মানুষ জন। মুখ

A Brief Update of Two Important Legal Developments:

December 6, 2025 No Comments

04.12.25 1) The appointment case of Dr Aniket Mahato: In the case concerning the appointment of Dr Aniket Mahato, the Calcutta High Court had clearly

মূলে ফেরো

December 6, 2025 No Comments

মূলে ফিরে এসো এইবারে। একবার একসাথে লড়ি ওখানে কাজ আছে মান নেই, এখানে উল্টো ঠিক, রোজগার খাড়া বড়ি থোড় থেকে থোড় খাড়া বড়ি, তবুও ফেরত

সাম্প্রতিক পোস্ট

লড়াই চলছে চলবে

Abhaya Mancha December 7, 2025

এক ঠাঁয়ে সব আছি মোরা

Somnath Mukhopadhyay December 7, 2025

নুটুর সংসার

Dr. Shyamal Kumar Mondal December 7, 2025

A Brief Update of Two Important Legal Developments:

West Bengal Junior Doctors Front December 6, 2025

মূলে ফেরো

Arya Tirtha December 6, 2025

An Initiative of Swasthyer Britto society

আমাদের লক্ষ্য সবার জন্য স্বাস্থ্য আর সবার জন্য চিকিৎসা পরিষেবা। আমাদের আশা, এই লক্ষ্যে ডাক্তার, স্বাস্থ্যকর্মী, রোগী ও আপামর মানুষ, স্বাস্থ্য ব্যবস্থার সমস্ত স্টেক হোল্ডারদের আলোচনা ও কর্মকাণ্ডের একটি মঞ্চ হয়ে উঠবে ডক্টরস ডায়ালগ।

Contact Us

Editorial Committee:
Dr. Punyabrata Gun
Dr. Jayanta Das
Dr. Chinmay Nath
Dr. Indranil Saha
Dr. Aindril Bhowmik
Executive Editor: Piyali Dey Biswas

Address: 

Shramajibi Swasthya Udyog
HA 44, Salt Lake, Sector-3, Kolkata-700097

Leave an audio message

নীচে Justori র মাধ্যমে আমাদের সদস্য হন  – নিজে বলুন আপনার প্রশ্ন, মতামত – সরাসরি উত্তর পান ডাক্তারের কাছ থেকে

Total Visitor

594533
Share on facebook
Share on google
Share on twitter
Share on linkedin

Copyright © 2019 by Doctors’ Dialogue

wpDiscuz

আমাদের লক্ষ্য সবার জন্য স্বাস্থ্য আর সবার জন্য চিকিৎসা পরিষেবা। আমাদের আশা, এই লক্ষ্যে ডাক্তার, স্বাস্থ্যকর্মী, রোগী ও আপামর মানুষ, স্বাস্থ্য ব্যবস্থার সমস্ত স্টেক হোল্ডারদের আলোচনা ও কর্মকাণ্ডের একটি মঞ্চ হয়ে উঠবে ডক্টরস ডায়ালগ।

[wppb-register]