Skip to content
Facebook Twitter Google-plus Youtube Microphone
  • Home
  • About Us
  • Contact Us
Menu
  • Home
  • About Us
  • Contact Us
Swasthyer Britte Archive
Search
Generic filters
  • আরোগ্যের সন্ধানে
  • ডক্টর অন কল
  • ছবিতে চিকিৎসা
  • মা ও শিশু
  • মন নিয়ে
  • ডক্টরস’ ডায়ালগ
  • ঘরোয়া চিকিৎসা
  • শরীর যখন সম্পদ
  • ডক্টর’স ডায়েরি
  • স্বাস্থ্য আন্দোলন
  • সরকারি কড়চা
  • বাংলার মুখ
  • বহির্বিশ্ব
  • তাহাদের কথা
  • অন্ধকারের উৎস হতে
  • সম্পাদকীয়
  • ইতিহাসের সরণি
Menu
  • আরোগ্যের সন্ধানে
  • ডক্টর অন কল
  • ছবিতে চিকিৎসা
  • মা ও শিশু
  • মন নিয়ে
  • ডক্টরস’ ডায়ালগ
  • ঘরোয়া চিকিৎসা
  • শরীর যখন সম্পদ
  • ডক্টর’স ডায়েরি
  • স্বাস্থ্য আন্দোলন
  • সরকারি কড়চা
  • বাংলার মুখ
  • বহির্বিশ্ব
  • তাহাদের কথা
  • অন্ধকারের উৎস হতে
  • সম্পাদকীয়
  • ইতিহাসের সরণি
  • আরোগ্যের সন্ধানে
  • ডক্টর অন কল
  • ছবিতে চিকিৎসা
  • মা ও শিশু
  • মন নিয়ে
  • ডক্টরস’ ডায়ালগ
  • ঘরোয়া চিকিৎসা
  • শরীর যখন সম্পদ
  • ডক্টর’স ডায়েরি
  • স্বাস্থ্য আন্দোলন
  • সরকারি কড়চা
  • বাংলার মুখ
  • বহির্বিশ্ব
  • তাহাদের কথা
  • অন্ধকারের উৎস হতে
  • সম্পাদকীয়
  • ইতিহাসের সরণি
Menu
  • আরোগ্যের সন্ধানে
  • ডক্টর অন কল
  • ছবিতে চিকিৎসা
  • মা ও শিশু
  • মন নিয়ে
  • ডক্টরস’ ডায়ালগ
  • ঘরোয়া চিকিৎসা
  • শরীর যখন সম্পদ
  • ডক্টর’স ডায়েরি
  • স্বাস্থ্য আন্দোলন
  • সরকারি কড়চা
  • বাংলার মুখ
  • বহির্বিশ্ব
  • তাহাদের কথা
  • অন্ধকারের উৎস হতে
  • সম্পাদকীয়
  • ইতিহাসের সরণি
Search
Generic filters

ডা. নন্দ ঘোষের চেম্বারঃ পর্ব ৩৫ পার্টি মিট

IMG_20210109_203033
Dr. Soumyakanti Panda

Dr. Soumyakanti Panda

Paediatrician
My Other Posts
  • January 10, 2021
  • 9:14 am
  • No Comments

সকাল থেকে মেজাজটা ওপরের ‘সা’তে বাজছিল ডা. ঘোষের। গত মাসে হার্টের রোগের বাচ্চাটার বাড়ির লোকেদের পই পই করে সব বুঝিয়েছিলেন। হৃৎপিণ্ড থেকে ফুসফুসের দিকে যাওয়ার রাস্তাটা বন্ধ। হার্টের নিচের ঘরের দেওয়ালে ফুটোও আছে। রক্তে অক্সিজেন ভালো ভাবে পৌঁছোচ্ছে না। হার্টের ওষুধ লিখে দিয়েছিলেন। অপারেশনের ডাক্তারবাবুর পরামর্শ নিতে বলেছিলেন। আজ একমাস বাদে ভ্যাক্সিন দেওয়ার সময় জানতে পারলেন এই একমাসে অপারেশনের ডাক্তার দেখানো তো দূরের কথা সব ওষুধপত্র বন্ধ করে বাচ্চাকে কাচের শিশি’র ফোঁটা খাওয়ানো চলছে! অথচ বাড়ির লোকেরা সকলেই উচ্চশিক্ষিত!

…….

ফুটপাথ দিয়ে দ্রুত হেঁটে আসছিলেন ডাক্তারবাবু। রাস্তায় আসতে আসতেও বাচ্চাটার কথাই ভাবছিলেন। বহুদিন হ’ল এসব বিকল্প পদ্ধতিতে বিশ্বাসীদের ভুল ভাঙানোর জন্য আর আগের মতো ঝাঁপিয়ে পড়েন না ডা. ঘোষ। তিনি ভালো করেই জানেন এঁদের ভুল ভাঙানো আর অন্ধ ধর্মবিশ্বাসীর ধর্মীয় কুসংস্কার তাড়ানো মোটামুটি একই ধাঁচের ব্যাপার। সময় আর যুক্তি দুইয়ের ভাগ্যেই শেষমেশ উলুবন!

রাজাবাজারের খালটার পাশ দিয়ে হাঁটতে হাঁটতে বাচ্চা মেয়েটার কথায় ভাবনায় ছেদ পড়লো। বাবার হাতের আঙুল ঝাঁকিয়ে আনন্দে চিৎকার করে উঠলো– বাবা, বাবা… দ্যাখো সমুদ্র!

– দূর পাগলি! এটা সমুদ্র নাকি?

– তবে কী? নদী?

– আমার মেয়েটা এখনো বোকা-ই থেকে গেলো।

বাবা মেয়ের গালটা টিপে দিয়ে কোলে তুলে নিয়ে বললেন– এটা সমুদ্রও নয়, নদীও নয়। সমুদ্র-নদীতে অনেএএক জল থাকে। এই এত্তোওও জল। এটাতো খাল। ওই ধর, নদীর ছোটো ভাই।

– ও

মেয়েটার উৎসাহে ভাঁটা পড়লো। ডাক্তারবাবু মুচকি হেসে আবার চলতে শুরু করলেন। খিঁচিয়ে থাকা মেজাজটা হাল্কা হয়েছে। সামনেই হাসপাতালের গেটটা দেখা যাচ্ছে…

…….

আজ বেশি পেশেন্ট নেই। তাড়াতাড়িই রাউন্ড হয়ে গেল। এবার পার্টি মিটে যেতে হবে। যদিও ‘পার্টি মিট’ কথাটা ডা. ঘোষের একেবারেই পছন্দ নয়। জিজ্ঞেস করলে তিনি বলেন, পেশেন্টের বাড়ির লোকের সাথে গল্পগাছা করতে যাচ্ছি। আজ তিনজন ছুটি হয়ে বাড়ি যাবে। দু’শ নব্বইয়ের বাচ্চাটা এভাবে সুস্থ হয়ে যাবে ভাবতে পারেন নি। যখন এসেছিল- হাতে পায়ে সাড় ছিল না, খিঁচুনির পর খিঁচুনি হয়ে নেতিয়ে পড়েছিল। চারদিন ভেন্টিলেশনে থেকে মৃত্যুর মুখ থেকে ফিরে আসে। আজ ষোলো দিন বাদে ছুটি হচ্ছে। বেশ পুটপুট করে তাকাচ্ছে। চুকচুক করে দুধও টেনে খাচ্ছে।

দু’শ ছিয়ানব্বইয়ের পেশেন্টের বাড়ির লোককে সবার শেষে ডেকেছেন ডাক্তারবাবু। বাচ্চাটা খারাপ আছে।

– শুনুন, বাচ্চার অবস্থা খুবই খারাপ। মাথায় বড়সড় ক্ষতি হয়েছে। এখনো খিঁচুনি থামছে না। বুকের অবস্থাও ভালো না।

– ও। আচ্ছা, দুধ-টুধ টানতে পারছে?

– না। সে প্রশ্নই নেই। পুরোপুরি স্যালাইনে আছে। কবে টেনে খেতে পারবে বা আদৌ পারবে কিনা বলা মুশকিল। বাচ্চাকে বাঁচানো যাবে কিনা নিশ্চিত করে বলা যাচ্ছে না।

– আপনারা একটু চেষ্টা করে দেখুন।

– সে আপনি না বললেও আমাদের দিক থেকে যতটা করা সম্ভব করবো কিন্তু সে চেষ্টা কতটা সফল হবে…

– না, মানে ডাক্তারবাবু… এমনিতে ভয়ের কিছু নেই তো?

মাঝে মাঝে এরকম প্রশ্ন শুনলে ডা. ঘোষ নিজের বোঝানো নিয়ে সংশয়াচ্ছন্ন হয়ে পড়েন। আসলে কাছের মানুষদের খারাপটা কেউ শুনতে চায় না। শুনলেও বুঝতে চায় না। বড্ড সাবধানে সত্যি কথাটা বলতে হয়। ডাক্তারের কাজটাই তাই- মিষ্টি কথা নয়, রূঢ় বাস্তবটা জানিয়ে দিতে হয়। নির্বিকার। ভাবলেশহীন মুখে। বাচ্চার এরকম অবস্থায় বাড়ির লোকের মনের ভেতর কী চলে সেটা ডাক্তারবাবু খুব ভালো করেই জানেন। তবু মুখে তার প্রকাশ রাখলে চলে না। আরও মিনিট দশেক বোঝানোর পর বাড়ির লোক বাচ্চার আশঙ্কাজনক অবস্থার আঁচ পেয়েছে বলে মনে হ’ল।

নিচের জন্ডিসের বাচ্চাটার বাড়ির লোক আবার কী জানি বলবে বলে এসেছে।

– ডাক্তারবাবু বাচ্চাকে বাড়ি নিয়ে গিয়ে কিছু অসুবিধে হবে না তো?

– দেখুন, এখন যেমন আছে তাতে অসুবিধে হওয়ার সম্ভাবনা কম। কিছু সমস্যা হ’লে ইমার্জেন্সি তো খোলা রইলই…

সব কাজ মিটে যাওয়ার পর স্যারকে আস্তে আস্তে জিজ্ঞেস করলাম– স্যার, জন্ডিসের বাচ্চাটা তো একদম ভালো আছে। তবু ওকে একটু টেনে রেখে বললেন কেন?

– বলি কি আর সাধে? সবই অভিজ্ঞতা। তোর যেদিন আমার মতো চুল পাকবে তুইও শিখে যাবি। অনেক গল্প আছে। একটা শোনাই- এরকমই এক বাচ্চা ছুটি হয়ে বাড়ি গেছিল। বাড়ি যাওয়ার পাঁচদিন বাদে শ্বাসনালীতে দুধ ঢুকে দুর্ভাগ্যজনকভাবে বাচ্চাটা মারা যায়। তারপর পাড়াশুদ্ধ লোক এসে… ওই যা হয়…

– শ্বাসনালীতে দুধ আটকে যাওয়া- এ তো যে কোনও সুস্থ স্বাভাবিক বাচ্চারাও যে কোনও সময় হ’তে পারে। তার জন্য…

– কে বোঝাবে ভাই? আমার এক স্যার বলতেন জানিস… বাচ্চা আপাতত ঠিক আছে। হাসপাতালে আর রাখার খুব একটা কারণ দেখছি না। তবে বাড়ি গিয়ে মাথায় তাল পড়বে কিনা আমি জানিনা।

– তাই তো…

– সময়টাই এমন রে… রোগী আর চিকিৎসকের পারস্পরিক বিশ্বাসের জায়গাটা এমন টাল খেয়েছে যে সন্দেহ আর ভয়-ই জিতে যাচ্ছে বারবার। তাতে কার কী লাভ হচ্ছে জানি না। আমার মনে হয় রোগীর ক্ষতি হচ্ছে সবচেয়ে বেশি। ডাক্তার ঝুঁকি নিতে ভয় পেলে সঠিকভাবে চিকিৎসা করা সম্ভব? অথচ, আইন-আদালতের গেরো আর পাড়ার গুন্ডাদের চোখ রাঙানির যুগে ঠিক সেটাই হচ্ছে। যাক গে, শোন… আলমারির ওপরের থাকে পাঁচটা জলভরা আছে। তোরা ভাগ করে নিস। আমি বেরোলাম। অনেক বেলা হ’ল…

PrevPreviousবিবর্তনের মতবাদ
Nextভাইরাসের নরক গুলজার- ৯ ।। বারো হাত কাঁকুড়ের তেরো হাত বিচি।।Next
0 0 votes
Article Rating
Subscribe
Notify of
guest
guest
0 Comments
Inline Feedbacks
View all comments

সম্পর্কিত পোস্ট

লগ্নভ্রষ্টা

September 22, 2026 No Comments

নিচের গল্পটা আমার লেখা, কিন্তু সুকন্যা বন্দ্যোপাধ্যায়ের নয়। যে বন্ধুরা আমার লেখা মাঝেমধ্যে হলেও পড়ে থাকেন, তাঁদের মধ্যে কেউ যদি বুঝতে পারেন কেন এটা সুকন্যা

গণেশ চতুর্থী: পেট পুজো না পেটকাটা?

September 22, 2026 No Comments

কিছুদিন আগে জন্মাষ্টমীর দিন কলকাতার বিভিন্ন নার্সিংহোমে একদিনে প্রায় দশ কুড়িটা করে সিজার হয়েছিল। সাধারণত প্রতিদিন যা হয় তার দুই থেকে তিনগুণ। আজ গণেশ চতুর্থী

দীর্ঘ আলাপচারিতা: এমসিডিএসএ, এবিজেডিএফ ও অভয়া আন্দোলন, শ্রমিক কৃষক মৈত্রী স্বাস্থ্য কেন্দ্র, শ্রমজীবী স্বাস্থ্য উদ্যোগ…

September 22, 2026 No Comments

একজন তরুণী রাজনৈতিক কর্মীকে পাঠানো জীবননাশের হুমকির নিন্দা করুন।

September 21, 2026 1 Comment

সমসাময়িক ভারতীয় রাজনীতিতে তরুণ কণ্ঠস্বর নেহা বোরা জওহরলাল নেহরু বিশ্ববিদ্যালয়ের (JNU) থিয়েটার অ্যান্ড পারফরম্যান্স স্টাডিজ বিভাগের পিএইচডি গবেষক এবং অল ইন্ডিয়া স্টুডেন্টস’ অ্যাসোসিয়েশন (AISA)-এর জাতীয়

একটা গল্প বলি।

September 21, 2026 No Comments

মামুনি কীভাবে আমাদের পরিবারকে একসাথে বেঁধে রেখেছিল, আগেই বলেছি। এর পেছনে একটা কারণ ছিল। ঠাকুমা মারা যাবার পর আমাদের পরিবারটা যেন হঠাৎ ভিত হারিয়ে ফেলল

সাম্প্রতিক পোস্ট

লগ্নভ্রষ্টা

Dr. Sukanya Bandopadhyay September 22, 2026

গণেশ চতুর্থী: পেট পুজো না পেটকাটা?

Dr. Indranil Saha September 22, 2026

দীর্ঘ আলাপচারিতা: এমসিডিএসএ, এবিজেডিএফ ও অভয়া আন্দোলন, শ্রমিক কৃষক মৈত্রী স্বাস্থ্য কেন্দ্র, শ্রমজীবী স্বাস্থ্য উদ্যোগ…

Dr. Punyabrata Gun September 22, 2026

একজন তরুণী রাজনৈতিক কর্মীকে পাঠানো জীবননাশের হুমকির নিন্দা করুন।

Kanchan Sarker September 21, 2026

একটা গল্প বলি।

Dr. Arjun Dasgupta September 21, 2026

An Initiative of Swasthyer Britto society

আমাদের লক্ষ্য সবার জন্য স্বাস্থ্য আর সবার জন্য চিকিৎসা পরিষেবা। আমাদের আশা, এই লক্ষ্যে ডাক্তার, স্বাস্থ্যকর্মী, রোগী ও আপামর মানুষ, স্বাস্থ্য ব্যবস্থার সমস্ত স্টেক হোল্ডারদের আলোচনা ও কর্মকাণ্ডের একটি মঞ্চ হয়ে উঠবে ডক্টরস ডায়ালগ।

Contact Us

Editorial Committee:
Dr. Punyabrata Gun
Dr. Jayanta Das
Dr. Chinmay Nath
Dr. Indranil Saha
Dr. Aindril Bhowmik
Executive Editor: Piyali Dey Biswas

Address: 

Shramajibi Swasthya Udyog
HA 44, Salt Lake, Sector-3, Kolkata-700097

Leave an audio message

নীচে Justori র মাধ্যমে আমাদের সদস্য হন  – নিজে বলুন আপনার প্রশ্ন, মতামত – সরাসরি উত্তর পান ডাক্তারের কাছ থেকে

Total Visitor

678384
Share on facebook
Share on google
Share on twitter
Share on linkedin

Copyright © 2019 by Doctors’ Dialogue

wpDiscuz

আমাদের লক্ষ্য সবার জন্য স্বাস্থ্য আর সবার জন্য চিকিৎসা পরিষেবা। আমাদের আশা, এই লক্ষ্যে ডাক্তার, স্বাস্থ্যকর্মী, রোগী ও আপামর মানুষ, স্বাস্থ্য ব্যবস্থার সমস্ত স্টেক হোল্ডারদের আলোচনা ও কর্মকাণ্ডের একটি মঞ্চ হয়ে উঠবে ডক্টরস ডায়ালগ।

[wppb-register]