Skip to content
Facebook Twitter Google-plus Youtube Microphone
  • Home
  • About Us
  • Contact Us
Menu
  • Home
  • About Us
  • Contact Us
Swasthyer Britte Archive
Search
Generic filters
  • আরোগ্যের সন্ধানে
  • ডক্টর অন কল
  • ছবিতে চিকিৎসা
  • মা ও শিশু
  • মন নিয়ে
  • ডক্টরস’ ডায়ালগ
  • ঘরোয়া চিকিৎসা
  • শরীর যখন সম্পদ
  • ডক্টর’স ডায়েরি
  • স্বাস্থ্য আন্দোলন
  • সরকারি কড়চা
  • বাংলার মুখ
  • বহির্বিশ্ব
  • তাহাদের কথা
  • অন্ধকারের উৎস হতে
  • সম্পাদকীয়
  • ইতিহাসের সরণি
Menu
  • আরোগ্যের সন্ধানে
  • ডক্টর অন কল
  • ছবিতে চিকিৎসা
  • মা ও শিশু
  • মন নিয়ে
  • ডক্টরস’ ডায়ালগ
  • ঘরোয়া চিকিৎসা
  • শরীর যখন সম্পদ
  • ডক্টর’স ডায়েরি
  • স্বাস্থ্য আন্দোলন
  • সরকারি কড়চা
  • বাংলার মুখ
  • বহির্বিশ্ব
  • তাহাদের কথা
  • অন্ধকারের উৎস হতে
  • সম্পাদকীয়
  • ইতিহাসের সরণি
  • আরোগ্যের সন্ধানে
  • ডক্টর অন কল
  • ছবিতে চিকিৎসা
  • মা ও শিশু
  • মন নিয়ে
  • ডক্টরস’ ডায়ালগ
  • ঘরোয়া চিকিৎসা
  • শরীর যখন সম্পদ
  • ডক্টর’স ডায়েরি
  • স্বাস্থ্য আন্দোলন
  • সরকারি কড়চা
  • বাংলার মুখ
  • বহির্বিশ্ব
  • তাহাদের কথা
  • অন্ধকারের উৎস হতে
  • সম্পাদকীয়
  • ইতিহাসের সরণি
Menu
  • আরোগ্যের সন্ধানে
  • ডক্টর অন কল
  • ছবিতে চিকিৎসা
  • মা ও শিশু
  • মন নিয়ে
  • ডক্টরস’ ডায়ালগ
  • ঘরোয়া চিকিৎসা
  • শরীর যখন সম্পদ
  • ডক্টর’স ডায়েরি
  • স্বাস্থ্য আন্দোলন
  • সরকারি কড়চা
  • বাংলার মুখ
  • বহির্বিশ্ব
  • তাহাদের কথা
  • অন্ধকারের উৎস হতে
  • সম্পাদকীয়
  • ইতিহাসের সরণি
Search
Generic filters

অ-ধর্মসঙ্কট

FB_IMG_1699707676161
Dr. Arunachal Datta Choudhury

Dr. Arunachal Datta Choudhury

Medicine specialist
My Other Posts
  • November 13, 2023
  • 7:03 am
  • No Comments

শ্রীমান যাজ্ঞবল্ক্য আচার্য তার কোম্পানি থেকে একটা স্ট্রিকচার খেয়েছে।

এ লাইনে বহুদর্শী সিনিয়ার বাবলুচন্দ্র বিশী, ধাপে ধাপে উঠে রিজিওনাল ম্যানেজার এখন। লাইনের অন্যরা তাঁকে আর বাবলুদা’ বলে না। ডাকে মিস্টার বিসি বিশী বলে। ফাজিলেরা বলে বিসিদা’।

হাসাহাসিও করে ওই বিসি কথাটা নিয়ে।

বাবলুচন্দ্র সদাশয় মানুষ। রাগ করেন না।

স্ট্রিকচার খাবার পর ওই তাঁর কাছেই গিয়েছিল জগু মানে আমাদের যাজ্ঞবল্ক্য। শুনেটুনে বাবলুদা’ বললেন, ‘সব্বোনাশ! করেছ কী হে ছোকরা! কোনওদিন কোম্পানির ভালো চেয়ে কিচ্ছুটি করতে যেও না। তলার লেভেলে আমাদের নিরীহদের দেখছ বটে, ওপরতলার লোকগুলো মানে ওই মালিকশুদ্দু সব জাত সাপ। এই কথাটা হাড়ে হাড়ে জেনে রেখো।’

জগু মস্ত ওষুধ কোম্পানির নিম্নবর্গের এমআর। পড়েছে ধর্মসঙ্কটে। না না, প্রচলিত অর্থে ধর্মসঙ্কট বলতে যা বোঝায় তা নয়। পড়েছে ধর্ম সংক্রান্ত সঙ্কটে। ব্যাপারটা খুলে বলি।

এমনিতে শ্রীমান যে খুব ধার্মিক বা ধর্মবৎসল… আদৌ তা নয়। বিশেষত ঘোর আমিষাশী এই ছোকরা পর্ক আর বিফে ভারি আসক্ত। দধিকর্মার দই চিঁড়েতেও আপত্তি নেই। পুজোয় হাঁ করে প্যান্ডেল দেখে, মহরমের তাজিয়া দেখে, ক্রিসমাসের ঝুলন খেলা দেখে। অথচ বিশ্বাসে প্রায় নাস্তিক।

ঈশ্বরের দেখা পায়নি অ্যাদ্দিন। এই চাকরিটা পাবার পরে অবশেষে ঈশ্বররূপী পে প্যাকেট আর ইনসেন্টিভের দেখা পেয়েছে সে। এরই ভরসায় তার প্রাইভেট ঈশ্বরী বুঁচি মানে বনলতাকে ঘরে আনবার বাসনা বেচারার। তার মধ্যেই এ কী ফ্যাঁকড়া!

ওষুধ কোম্পানি ডাক্তারদের গিফট দেয়। এই গোপন তথ্য আপামর জনগণ জানে। কেন দেয়, কখন দেয়, কীভাবে দেয়, কী কী দেয় সেই সব বিস্তারিত আলোচনার জায়গা এটা নয়। রোগী, তার বাড়ির লোক, বস্তুত আপামর জনগণ, সবাই কম বেশি সবাই জানে।

জগুকেও তার লিস্টে থাকা ডাক্তারদের ওজন বুঝে, কোম্পানির পাঠানো উপহার দিয়ে আসতে হয়। গিফটের ছদ্মবেশে ব্যক্তিগত চাওয়াও মেটাতে হয় কখনও। টেক স্যাভি ডাক্তারকে পেনড্রাইভ, পাওয়ারব্যাঙ্ক থেকে ল্যাপটপ, শৌখিন বৌ-ওয়ালা ডাক্তারকে দামি পর্দা-বেডশিট, লেডি ডাক্তারকে কসমেটিকস… থাক সেই অনন্ত লিস্টের কথা।

বরং এইবারের কথা বলি। কালীপুজোর গিফট পাঠিয়েছে কোম্পানি। দুই কিসিমের।

মাটির তৈরি মানে মিট্টিকা দিয়া দিতে হবে তেমন বড় নয় এমন ডাক্তারদের। আর ব্রোঞ্জ নাকি কাঁসার প্রদীপও এসেছে। সেটা দিতে হবে নামী প্র‍্যাকটিশনারদের। সেই হিসেবে লিস্টের ডাক্তারদের মধ্যে সবচেয়ে দামি ডাকতার মুহাম্মদ আনসারউদ্দিন মোল্লা। এমআরসিপি। ঘণ্টায় দশ বিশ হাজার টাকার ওষুধ লেখেন।

এই সব ডাক্তারদের আসল দাবীদাওয়া ট্যাকল করে উঁচু লেভেলের কেউ। শুধু এই প্রদীপ-টদীপ বিলি করতে হয় জগুকে। সেই করতে গিয়েই মস্ত ভুল করে ফেলেছে সে। আর সেই ভুলটিই কানে উঠেছে মালিক পক্ষের। যাজ্ঞবল্ক্য কালীপুজোর প্রদীপ দিয়ে এসেছে সেই আনসার ডাক্তারকে।

জগু ধম্মোকম্মো নিজে তো মানে না। মানলে জানত, এই দেশে কী কী বারণ। এই ২০২৩ সালেও। কড়া সনাতনী হলে আরবি নামের ছায়া মাড়ানো নিষেধ। পুজো-আচ্চায় মোচলমানের হাত লাগলে অশুদ্ধ। আবার সে রকম মুমিন হলে, পুজোর প্রসাদ খাওয়া যাবে না। নামাজের সময় ঢাকের বাদ্যি শুনলে দোজখ-বাস অনিবার্য।

এই ডাঃ আনসারউদ্দিন, গিফট দেবার পরে ব্যাপক ক্ষিপ্ত হয়ে খোদ কোম্পানির ম্যানেজমেন্টকে নালিশ করেছে, মুসলমান ডাক্তারকে কালীপুজোর গিফট দেবার এই অনাচারের কথা। যাজ্ঞবল্ক্য শো কজের চিঠি খেয়েছে কাজে কাজেই।

অভিযোগ তিনটে।

প্রথম দুটো চিঠিতে লেখা। তিন নম্বর অভিযোগ আর অনুযোগটা? একটু পরে বলছি।

একনম্বর অভিযোগ, সহজ ও সরল।
সে কেন ডাক্তারবাবাবুর ধর্মীয় অনুভূতিতে প্রদীপ সহযোগে আঘাত দিয়েছে? ঘোর অন্যায় সেটা!

দ্বিতীয় অভিযোগটা অর্থনৈতিক। কেন সে এত দামি উপহারটা কোনও সনাতনী ডাক্তারকে নরম করার কাজে ব্যবহার করেনি। তাহলে তো কোম্পানির প্রেসক্রিপশন বাড়ত। আর আনসারুদ্দিনও ক্ষেপে গিয়ে প্রেসক্রিপশন কমানোর হুমকি দিত না।

এবারে তিন নম্বর, মানে সেই ফোনটা।

তৃতীয় ধমকটা এল ফোনে। গুজরাট থেকে কোম্পানির মালিক বিপুলভাই মোদি নিজে ফোন করে বলল, যাজ্ঞবল্ক্য বিধর্মী ডাক্তারকে মিট করছে করুক। ব্যবসায় ওসব দেখলে চলে না। পয়সার গায়ে ধর্ম লেগে থাকে না। সে তো এদেশের সব চেয়ে বড় বিফ এক্সপোর্টার তার মাসতুতো ভাই। ধর্মে ইয়ে। সে গোরুর মাংস সেল করে। প্রশ্ন সেটা না। প্রশ্ন হল, জগু তার সঙ্গের ব্যাগে গঙ্গাজল ক্যারি করে তো?

প্রশ্নের উত্তরে তো তো করছিল জগু। কড়া নির্দেশ এল তারপরই।
সেই রকম চেম্বারে ঢোকার পরে বেরিয়ে সে যেন অবশ্যই গায়ত্রী জপ করতে করতে দু ফোঁটা গঙ্গাজল দিয়ে ব্যাগটা শুদ্ধ করে নেয়।

জগু নেটে দেখেছে কোন এক ডাক্তার নাকি দাতা হর্ষবর্ধন হয়ে বলেছেন তাঁর গিফট পাওয়া প্রদীপ তিনি দান করতে চান। ফার্স্ট কাম ফার্স্ট সার্ভ বেসিসে। স্পষ্টতই ধর্মীয় নিষেধের জন্য তিনি এই প্রদীপ নিজে ব্যবহার করবেন না। মাজারে বা অন্য ধর্মস্থানেও না।

হ্যাঁ, জগু জানে তিনি মাজারে যান। দরগায় যান। গেলে মোমবাতি জ্বালান। চিরাগও। যেহেতু তিনি সার্জেন, রোগীর পেট কেটে সেখানে রাখা আলাদিনের আশ্চর্য প্রদীপেও অরুচি নেই তাঁর। অরুচি নেই আজমীঢ় শরিফ থেকে আনা মিছরি দানাতেও। নিষেধ শুধু পুজোর প্রসাদে।

সেই রকম কোনও মাজারে বা দরগায় তিনি এই প্রদীপ মোমবাতি অনায়াসে জ্বালাতেই পারতেন। কিন্তু যেহেতু পুজোর নামে উচ্ছুগ্য করা সেটি তিনি কিছুতেই করবেন না।

জগু এত সব কঠিন হিসেব বোঝে না। চাকরিটা টেকানো তার অতি দরকার। নইলে অপেক্ষা করে থাকা বনলতা ক্রমে ছায়ালতা হয়ে যাবে। তাই সে এসেছে সার্কিটে বিসিদা’ নামে পরিচিত এই ধুরন্ধরের কাছে।

বিসিদা সমস্তটা শুনে বললেন, ‘দোষ করল কোম্পানির পারচেজ অফিসার আর এসে পড়ল তোর ঘাড়ে।’

‘পারচেজ অফিসার আবার কী দোষ করল, বিসিদা?’

‘আরে, পারচেজ অফিসার খেয়াল করবে না, গিফট পারচেজ মানে ডাক্তার পারচেজ করার মেটেরিয়াল কোথায়, কোন জিনিস, কী ভাবে করবে?’

এই বলে নেট খুলে দেখাল দাদা। ‘দ্যাখ, এই সাইটে পরিষ্কার লেখা মুসলিম ডাকতারকে কী গিফট দিবি কোত্থেকে আর অন্যদেরই বা কী দিবি।’

দেখল জগু।

কোম্পানি পলিসি চেঞ্জ, সে ভারি কঠিন ব্যাপার। বিসিদা একটা শর্টকাটও বাতলে দিল।

সেই মত জগু বরং এর পরে পাড়ার জগদম্বা বাসনালয়ে গিয়ে এই দামি প্রদীপ বদলে নিয়ে সস্তা চিনামাটির কাপপ্লেট কী আর কিছু নিয়ে নেবে। সেটাই দেবে।

দোকানের রতন কাকু এটুকু হেল্প কি করবে না? হাজার হলেও রতন কাকুই তো বুঁচির মামা!

★

PrevPreviousসর্বসম্মত সিদ্ধান্ত
Nextকালীপুজোর গল্প ★ তুবড়িNext
0 0 votes
Article Rating
Subscribe
Notify of
guest
guest
0 Comments
Inline Feedbacks
View all comments

সম্পর্কিত পোস্ট

ঝাড়খন্ডের ছাত্র আন্দোলনের সংহতিতে

August 23, 2026 No Comments

ঝাড়খণ্ডে ছাত্র আন্দোলন শেষ ১৬ দিন ধরে গোটা রাজ্যকে উত্তাল করেছে। আমরা এই ন্যায্য আন্দোলনের সংহতি তে রয়েছি প্রথম থেকেই। এই আন্দোলন যদিও প্রশ্নপত্র ফাঁসের

যাদবপুরে “বিদ্যার্থী”দের “গেরুয়া” তাণ্ডব এবং গণপ্রতিক্রিয়া

August 23, 2026 1 Comment

২১.০৮.২০২৬-এ প্রকাশিত দুটি প্রথমসারির সংবাদপত্রের প্রথমপৃষ্ঠার শিরোনাম আশা করি এতক্ষণে সবাই পড়েছেন, দেখেছেন এবং জেনে গেছেন. (আনন্দবাজার – ২১.০৮.২০২৬) (দ্য টেলিগ্রাফ – ২১.০৮.২০২৬) (দ্য ওয়াল

We deserve justice. কেউ আটকাতে পারবে না।

August 23, 2026 No Comments

২২ আগস্ট ২০২৬ “তুমি কি ভেবেছো চুনকাম করলেই ইতিহাস মুছে যায়?প্রতিটি ইঁটের পাঁজরে ক্ষোভের আগুন জ্বলে ওঠে অমাবস্যায়।” “We Want Justice” এই লেখা বাঙালীর মন,

অভয়া মঞ্চর যূথবদ্ধ অবস্থান আজ আক্রান্ত যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়ের পাশে

August 22, 2026 No Comments

এক ১৪ আগস্ট মধ্যরাতে তৎকালীন শাসকের প্রশ্রয়পুষ্ট গুণ্ডারা, যাদের সংবাদমাধ্যম মিষ্টি করে দুষ্কৃতী বলে,এই শহরের এক অন্যতম প্রাচীন ও ঐতিহ্যবাহী শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে ঢুকে যথেচ্ছ ভাঙচুর করেছিল

আন্তর্জাতিক নারী কৃষক বর্ষ ও ভারতীয় বৈষম্য

August 22, 2026 No Comments

২০২৬ সালটিকে ইউনাইটেড নেশনস জেনারেল এসেম্বলির তরফ থেকে “আন্তর্জাতিক মহিলা কৃষক বর্ষ” হিসেবে ঘোষণা করা হয়েছে। কৃষির সঙ্গে যুক্ত মহিলাদের প্রতি কৃতজ্ঞতা জানাতে, আমাদের খাদ্যের

সাম্প্রতিক পোস্ট

ঝাড়খন্ডের ছাত্র আন্দোলনের সংহতিতে

West Bengal Junior Doctors Front August 23, 2026

যাদবপুরে “বিদ্যার্থী”দের “গেরুয়া” তাণ্ডব এবং গণপ্রতিক্রিয়া

Dr. Jayanta Bhattacharya August 23, 2026

We deserve justice. কেউ আটকাতে পারবে না।

Abhaya Mancha August 23, 2026

অভয়া মঞ্চর যূথবদ্ধ অবস্থান আজ আক্রান্ত যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়ের পাশে

Vishag Gupta August 22, 2026

আন্তর্জাতিক নারী কৃষক বর্ষ ও ভারতীয় বৈষম্য

Somnath Mukhopadhyay August 22, 2026

An Initiative of Swasthyer Britto society

আমাদের লক্ষ্য সবার জন্য স্বাস্থ্য আর সবার জন্য চিকিৎসা পরিষেবা। আমাদের আশা, এই লক্ষ্যে ডাক্তার, স্বাস্থ্যকর্মী, রোগী ও আপামর মানুষ, স্বাস্থ্য ব্যবস্থার সমস্ত স্টেক হোল্ডারদের আলোচনা ও কর্মকাণ্ডের একটি মঞ্চ হয়ে উঠবে ডক্টরস ডায়ালগ।

Contact Us

Editorial Committee:
Dr. Punyabrata Gun
Dr. Jayanta Das
Dr. Chinmay Nath
Dr. Indranil Saha
Dr. Aindril Bhowmik
Executive Editor: Piyali Dey Biswas

Address: 

Shramajibi Swasthya Udyog
HA 44, Salt Lake, Sector-3, Kolkata-700097

Leave an audio message

নীচে Justori র মাধ্যমে আমাদের সদস্য হন  – নিজে বলুন আপনার প্রশ্ন, মতামত – সরাসরি উত্তর পান ডাক্তারের কাছ থেকে

Total Visitor

669535
Share on facebook
Share on google
Share on twitter
Share on linkedin

Copyright © 2019 by Doctors’ Dialogue

wpDiscuz

আমাদের লক্ষ্য সবার জন্য স্বাস্থ্য আর সবার জন্য চিকিৎসা পরিষেবা। আমাদের আশা, এই লক্ষ্যে ডাক্তার, স্বাস্থ্যকর্মী, রোগী ও আপামর মানুষ, স্বাস্থ্য ব্যবস্থার সমস্ত স্টেক হোল্ডারদের আলোচনা ও কর্মকাণ্ডের একটি মঞ্চ হয়ে উঠবে ডক্টরস ডায়ালগ।

[wppb-register]