আজ একখান কম্বাইন্ড ক্লাস হবে। ক্লাসটাকে ভূগোলের ক্লাস ভাবা যায়, যেহেতু রিলেটেড টু মরুভূমি। বাংলারও ভাবা যায়, কারণ মধুসূদন দত্ত কান্নাকাটি করে বলেছেন, “মরীচিকা মরুদেশে নাশে প্রাণ তৃষা ক্লেশে”। কিন্তু আসল ক্লাস হলো পদার্থবিদ্যার – আলোর খেলা….
মরুভূমিতে তৃষ্ণার্ত পথিক অনেক সময় দুর থেকে জলাশয় ভেবে কাছে গিয়ে দেখেন ভো ভা – এটাকে মরীচিকা বলে। উচ্চ তাপে নিম্ন স্তরের বায়ুর ঘনত্ব খুব কমে যাওয়ায় গাছ ইত্যাদির থেকে আপতিত আলো বায়ুমণ্ডলের বিভিন্ন স্তরের মধ্য দিয়ে প্রতিসরিত হতে হতে অভ্যন্তরীণ পূর্ণ প্রতিফলন হয়। সেই কারণেই মরীচিকা সৃষ্টি হয়। মেকানিজম যাইহোক, জীবনে চলার পথে মরীচিকা থেকে বাঁচা খুব গুরুত্বপূর্ণ। মরুভূমিতে জলের আশায় বহু পথ এভাবে ঘুরে ঘুরে দিগভ্রান্ত পথিকের প্রাণনাশ হয়।
তেমনি ধরুন, কোথাও একটা খুন – ধর্ষণ হয়েছে। সরকার খুনিকে শেল্টার দিচ্ছে, যে কারণেই হোক। রক্ষকই ভক্ষক হয়ে তথ্যপ্রমাণ লোপাট করছে। মরুভূমির থেকেও হস্টাইল পরিবেশ। এমন সময় কেউ আপনাকে আশা দিলো প্রকৃত বিচারের, আপনি মরুদ্যানের আশায় তার দিকে ছুটলেন। কিন্তু অনেক ঘুরে ঘুরে পেলেন মরীচিকা….. তাই মনে রাখবেন all that glitters is not gold…
নিচে দেখুন CBI – র লোগোটা আলো পড়ে চকচক করছে। তাই বলে ভাববেন না লোগোটা সোনার তৈরি… তাহলে কেউ ঠিক চুরি করে নিত।








