Skip to content
Facebook Twitter Google-plus Youtube Microphone
  • Home
  • About Us
  • Contact Us
Menu
  • Home
  • About Us
  • Contact Us
Swasthyer Britte Archive
Search
Generic filters
  • আরোগ্যের সন্ধানে
  • ডক্টর অন কল
  • ছবিতে চিকিৎসা
  • মা ও শিশু
  • মন নিয়ে
  • ডক্টরস’ ডায়ালগ
  • ঘরোয়া চিকিৎসা
  • শরীর যখন সম্পদ
  • ডক্টর’স ডায়েরি
  • স্বাস্থ্য আন্দোলন
  • সরকারি কড়চা
  • বাংলার মুখ
  • বহির্বিশ্ব
  • তাহাদের কথা
  • অন্ধকারের উৎস হতে
  • সম্পাদকীয়
  • ইতিহাসের সরণি
Menu
  • আরোগ্যের সন্ধানে
  • ডক্টর অন কল
  • ছবিতে চিকিৎসা
  • মা ও শিশু
  • মন নিয়ে
  • ডক্টরস’ ডায়ালগ
  • ঘরোয়া চিকিৎসা
  • শরীর যখন সম্পদ
  • ডক্টর’স ডায়েরি
  • স্বাস্থ্য আন্দোলন
  • সরকারি কড়চা
  • বাংলার মুখ
  • বহির্বিশ্ব
  • তাহাদের কথা
  • অন্ধকারের উৎস হতে
  • সম্পাদকীয়
  • ইতিহাসের সরণি
  • আরোগ্যের সন্ধানে
  • ডক্টর অন কল
  • ছবিতে চিকিৎসা
  • মা ও শিশু
  • মন নিয়ে
  • ডক্টরস’ ডায়ালগ
  • ঘরোয়া চিকিৎসা
  • শরীর যখন সম্পদ
  • ডক্টর’স ডায়েরি
  • স্বাস্থ্য আন্দোলন
  • সরকারি কড়চা
  • বাংলার মুখ
  • বহির্বিশ্ব
  • তাহাদের কথা
  • অন্ধকারের উৎস হতে
  • সম্পাদকীয়
  • ইতিহাসের সরণি
Menu
  • আরোগ্যের সন্ধানে
  • ডক্টর অন কল
  • ছবিতে চিকিৎসা
  • মা ও শিশু
  • মন নিয়ে
  • ডক্টরস’ ডায়ালগ
  • ঘরোয়া চিকিৎসা
  • শরীর যখন সম্পদ
  • ডক্টর’স ডায়েরি
  • স্বাস্থ্য আন্দোলন
  • সরকারি কড়চা
  • বাংলার মুখ
  • বহির্বিশ্ব
  • তাহাদের কথা
  • অন্ধকারের উৎস হতে
  • সম্পাদকীয়
  • ইতিহাসের সরণি
Search
Generic filters

অপারেশন সিন্দুরঃ কার লাভ, কার ক্ষতি?

Oplus_16908288
Bappaditya Roy

Bappaditya Roy

Doctor and Essayist
My Other Posts
  • June 18, 2025
  • 7:50 am
  • No Comments

২২ এপ্রিল পহেলগাঁও ঘটনার একমাস পূর্তি উপলক্ষে রাজস্থানের বিকানেরে একটি সভায় প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী যখন তাঁর ‘শিরায় শিরায় সিঁন্দুর’ এর উপস্থিতির পাশাপাশি পাকিস্তানের মাটিতে জঙ্গিদের ঘাঁটি গুঁড়িয়ে দেওয়ার দাবি করছিলেন তখন সংবাদ আসছিল দক্ষিণ পূর্ব কাশ্মীরের কিশ্তওয়ারে জঙ্গিদের গুলিতে আবারও একজন সামরিক বাহিনীর জওয়ান মারা গেলেন। সংবাদ মাধ্যমে ত্রাল সহ বিভিন্ন জায়গায় জঙ্গিদের বিরুদ্ধে অপারেশনের খবর আসছিল। এর থেকে বোঝা যাচ্ছিল যে ‘সফল’ ‘অপারেশন সিঁন্দুর’ এর আগে ও পরেও জম্বু ও কাশ্মীরে অভ্যন্তরীণ জঙ্গি কার্যকলাপ ছিল ও রয়ে গেছে। পাহেলগাঁও এর নৃশংস হত্যাকাণ্ডের পর প্রায় দুমাস অতিক্রান্ত। অভিযোগ পাকিস্তান থেকে নাকি আততায়ীরা এসেছিল। বিভিন্ন কেন্দ্রীয় গোয়েন্দা সংস্থা রয়েছে। এছাড়াও আর্মি, রাষ্ট্রীয় রাইফেলস, সি.এ.পি.এফ.স, জম্বু – কাশ্মীর পুলিশ এবং তাদের বিভিন্ন গোয়েন্দা দফতর এবং কমান্ডো বাহিনী, যাদের সংখ্যা বিপুল, কেন্দ্রের এই চার স্তর নিরাপত্তা ব্যবস্থা সত্বেও পাকিস্তানী জঙ্গিরা কিভাবে পাকিস্তান সীমান্ত থেকে ১৫০ – ২০০ কিমি ভারতের অভ্যন্তরে ঢুকে, দিনের পর দিন রেকি করে, নির্দিষ্ট লক্ষ্যে নির্বিঘ্নে এরকম হত্যাকাণ্ড করে, হওয়ায় মিলিয়ে গেল আমাদের এখন অবধি অজানা। বর্তমান কেন্দ্র শাসিত কাশ্মীরের মুখ্যমন্ত্রী পর্যটকদের কাছে ক্ষমা চাইলেও এত বড় ব্যর্থতার পরেও কেন্দ্রিয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী কোন ত্রুটি স্বীকার করলেন না। কিন্তু ঘৃণ্য পহেলগাঁও হত্যাকাণ্ডের জেরে বিশ্ব সন্ত্রাসবাদের ধাত্রীভূমি সৌদি আরব সফররত প্রধানমন্ত্রী দেশে ফিরে কাশ্মীরে না গিয়ে বিহারের নির্বাচনী সভা সহ বিভিন্ন স্থানে এবং তাঁর সভাসদরা ১৫ দিন ধরে পাকিস্তানের বিরুদ্ধে নানারকম হম্বিতম্বি করার পর এবং সংবাদ মাধ্যমে জল, স্থল ও আকাশে বিস্তারিত যুদ্ধ প্রস্তুতি ও মহড়ার ছবি প্রচারের পর  ভারত ৭ মের মধ্যরাতে পাকিস্তানের ভূমিতে ‘অপারেশন সিঁন্দুর’ সংঘটিত করল।

ফরাসি ও ইজ্ররায়েলি মিসাইল ও ড্রোনের আঘাতে নয়টি জঙ্গিদের ডেরা ক্ষতিগ্রস্ত হল। কিন্তু বেশিরভাগ জঙ্গি ও নেতারা আগেই খবর পেয়ে ডেরা ছেড়ে চলে যাওয়ায় মৃত্যুর সংখ্যা কম। পাকিস্তান প্রস্তুত ছিল। চিনা ফাইটার জেট ও মিসাইল দিয়ে ভারতীয় বায়ুসেনাকে কাশ্মীরের আকাশে  প্রত্যাঘাত করল। তারা দাবি করল তিনটি রাফেল এবং একটি করে সুখোই, মিগ ও হেরন – ছটি ফ্রান্স, রাশিয়া ও ইজরায়েলে প্রস্তুত ব্যয়বহুল ভারতের যুদ্ধ বিমান ধ্বংস করে দিয়েছে। পরে সিঙ্গাপুরে অনুষ্ঠিত সাংগ্রিলা বৈঠকের সময় এক বিদেশি সাংবাদিককে দেওয়া ভারতের সেনা প্রধানের সাক্ষাৎকার থেকে জানা যায় ভারতের অন্তত একটি ফাইটার জেট ধ্বংস হয়েছিল। একটি রাফেল যুদ্ধ বিমানের দাম কম বেশি ২,৪০০ কোটি টাকা। ৮ মে রাতে পাকিস্তান জম্বু ও কাশ্মীর, পাঞ্জাব, হরিয়ানা, রাজস্থান ও গুজরাট এই পাঁচ রাজ্যের ১৫ টি ক্যান্টনমেন্ট শহরে মিসাইল ও ড্রোন আক্রমণ চালাল। এরপর ৮ মে সকালে ভারত পাকিস্তানের ১৫ টি ক্যান্টনমেন্ট শহরে মিসাইল ও ড্রোন আক্রমণ চালাল। ৯ মে রাত থেকে পাকিস্তান কাশ্মীরের কুপওয়ারা থেকে গুজরাতের ভুজ অবধি অসংখ্য চিনা ও তুর্কি ড্রোন ছুড়ে, তারসঙ্গে দূরপাল্লার কামানের গোলাবর্ষণ চালিয়ে ভারতের সীমান্ত গ্রাম ও শহরগুলির যথেষ্ট ক্ষয়ক্ষতি ঘটাল। এরপর ভারত ব্রহ্মস মিসাইল দিয়ে পাকিস্তানের ১১ টি বিমান ঘাঁটির রানওয়েতে গভীর ক্ষত সৃষ্টি করল। পাকিস্তান ঘোষণা করল ‘অপারেশন বুনিয়ান আল – মাসুস’। মিসাইল, ড্রোন ও দূরপাল্লার কামানের গোলা বর্ষণ বাড়িয়ে দিল। স্থল বাহিনী সীমান্তের কাছাকাছি চলে গেল। ১০ তারিখ হঠাৎ করে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প যুদ্ধ বিরতি ঘোষণা করলেন। তারপর  দুই সেনার ডি.জি.এম.ও. – র মধ্যে আলোচনা সাপেক্ষে পারমাণবিক শক্তিধর দুপক্ষই ১০ মে বিকেল থেকে সংঘর্ষ বিরতিতে চলে গেল।

আগের পাঁচটি ভারত – পাক যুদ্ধের বিপরীতে এই চারদিনের  যুদ্ধে ভারত প্রথম আক্রমণকারী ছিল, দুপক্ষই নিজেদের সীমান্তের মধ্যে থেকে অপরপক্ষকে আধুনিক ক্ষেপণাস্ত্র ও গোলা ছুঁড়ে আক্রমণ করে গেছে এবং দুপক্ষই নিজেদের বিজয়ী ঘোষণা করেছে। আগের প্রতিটি যুদ্ধে পাকিস্তান প্রথমে আক্রমণ করেছে, তারপর ভারতীয় সেনা তাদের প্রতিরোধ করে তাদের জমির অনেক ভিতরে ঢুকে গিয়ে তাদের পর্যুদস্ত ও আত্মসমর্পণ করতে বাধ্য করেছে এবং ফিরে এসেছে। আগের প্রতিটি যুদ্ধে পাকিস্তান আধুনিক মার্কিন অস্ত্রে এবং ভারত তুলনামূলক কম দামী কিন্তু পরীক্ষিত রুশ অস্ত্রে যুদ্ধ করেছে। এইবার ভারত মূলত পশ্চিমা আধুনিক অস্ত্রে এবং পাকিস্তান অপেক্ষাকৃত কম দামী চিনা অস্ত্রে যুদ্ধ করেছে। বিপক্ষের সীমানায় ঢুকে বায়ুসেনা বোমা বর্ষণ এবং ট্যাঙ্ক ও সাঁজোয়া গাড়ি নিয়ে স্থল বাহিনী বিপক্ষের জমিতে ঢুকে পড়ার বদলে এবার মানববিহীন যুদ্ধাস্ত্র দিয়ে দুপক্ষ নিজেদের সীমানার মধ্যে থেকে যুদ্ধ করেছে।

যুদ্ধের পর দুই প্রতিবেশী দেশের সাংসদ ও আমলারা অপর দেশের বিরুদ্ধে অভিযোগ জানাতে বিদেশ সফরে বেরলেন। সেখানে পাঠাবেন না বলেও পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় তার সাংসদ ভ্রাতুষ্পুত্র অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়কে পাঠালেন। দেখা গেল সক্রিয় দৌত্যের পরেও শিষ্টাচার বজায় রেখে আন্তর্জাতিক মহল ভারতকেই আক্রমণকারী দেশ হিসাবে দেখছে। সিন্ধুর জল বন্ধ করে দেওয়ার বিষয়টিও সমালোচিত হচ্ছে, যদিও ছয় উপনদী সহ সিন্ধুর সম্পূর্ণ জল আটকানোর পরিকাঠামো ভারতের আদৌ নেই। চিন, পাকিস্তান, আফগানিস্তান, বাংলাদেশ, শ্রীলঙ্কা, নেপাল, মায়ানমার, মালদ্বীপ প্রতিবেশী বলয়ে ভারত যখন চিনের কাছে প্রায় এক ঘরে, কানাডার মত সহযোগী দেশের সঙ্গে যখন সম্পর্ক তলানিতে পৌঁছেছে, সেই সময় তুরস্কর মত একটি গুরুত্বপূর্ণ দেশের সঙ্গে ভারত সম্পর্ক ছেদ করল। বিপদের বন্ধু রাশিয়া যখন মহা বিপদে তখন মহা শক্তিধর মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে সম্পর্কের অবনতি ঘটল। চিনের সঙ্গে পাকিস্তানের অভিন্ন হৃদয় বন্ধুত্ব ছিলই। মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে সম্পর্কের অবনতি ঘটেছিল, সেটির মেরামতি হল। অর্থকষ্টে ধুঁকতে থাকা পাকিস্তান আই.এম.এফ. এর বিপুল ঋণ পেয়ে গেল। রাষ্ট্রপুঞ্জের সন্ত্রাস দমন কমিটিতে পাকিস্তান ভাইস প্রেসিডেন্ট নির্বাচিত হল। মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের সেনা দিবসে পাকিস্তানের আসিম মুনির আমন্ত্রণ পেলেন। ট্রাম্প পরিবার তাদের ক্রিপ্টোকারেন্সি ব্যবসায়ে পাকিস্তানকে যুক্ত করল। পাকিস্তানের নুর খান বায়ু সেনা ঘাঁটিতে আগামীদিনে মার্কিন সেনা ও যুদ্ধ বিমান রাখার ব্যবস্থা হল। যুদ্ধ বিরতি ঘোষণার পর ট্রাম্প সাহেব এবার এতদিনকার দ্বিপাক্ষিক বিষয় কাশ্মীর সমস্যার সমাধানে মধ্যস্থতার বার্তা দিলেন। বহু বাগাড়ম্বর সত্ত্বেও অধিকৃত কাশ্মীরের এক ইঞ্চি জমিও পুনরুদ্ধার হল না।

পাকিস্তানে অর্থনৈতিকভাবে দেউলিয়া ও অভ্যন্তরীণ দ্বন্দ্বে দীর্ণ শাহাবাজ শরিফ সরকার দেশের সব সমস্যা আপাতত চাপা দিতে পারলেন সিন্ধুর জল আর সিঁন্দূরের আক্রমণ দেখিয়ে। মাঝে কিছুদিন অপরিপক্ব গণতান্ত্রিক পরীক্ষা নিরীক্ষার পর আবার পাকিস্তানের চালকের আসনে নিরঙ্কুশ মার্কিন, মিলিটারি ও মোল্লারা। পাকিস্তানের ক্ষমতার মূল কেন্দ্র হয়ে উঠলেন পাকিস্তানের স্রষ্টা ও প্রাক্তন গভর্নর জেনারেল মহম্মদ আলি জিন্না এবং  কট্টরপন্থী প্রাক্তন প্রেসিডেন্ট জেনারেল জিয়া উল হকের অন্ধ ভক্ত প্রবল ভারত ও হিন্দু বিদ্বেষী ফিল্ড মার্শাল আসিম মুনির। ভারতের ক্ষেত্রেও টানা তৃতীয় বারের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি গত নির্বাচনে আশানুরূপ সাফল্য না পাওয়ায় কিছুটা ম্রিয়মাণ ছিলেন। নিয়ন্ত্রিত সংবাদ মাধ্যমে বহুল প্রচারের ফলে অপারেশন সিঁন্দুরের শৌর্য বীর্যের দ্যুতি তাঁকে আবার স্বমহিমায় ফিরিয়ে নিয়ে গেল। পরিস্হিতি এমনই দাঁড়িয়েছে যে সারা দেশ জুড়ে এখন অপারেশন সিঁন্দুরের সাফল্য ছাড়া আর কোন কথা নেই। তালে তাল মেলাতে না পারলে দেশদ্রোহী দাগিয়ে দেওয়া হচ্ছে। দ্রব্য মূল্যের আকাশ ছোঁয়া দাম, মণিপুরের গৃহযুদ্ধ, বাংলাদেশে সংখ্যালঘু নিধন, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র থেকে আভিবাসী ভারতীয়দের বিতাড়ন, তিলোত্তমাদের বিচার না পাওয়া, যোগ্য শিক্ষকদের চাকরি হারানো, ধুলিয়ান – সামসেরগঞ্জের সাম্প্রদায়িক দাঙ্গা, ভাঙ্গড় ও মহেশতলার দাঙ্গা, বিভিন্ন রাজ্যে বন্যা সব ধামা চাপা পড়ে গেল। প্রধানমন্ত্রী যে নিউ নর্মালের ফরমান জারি করেছেন তাতে উগ্র জাতীয়তাবাদী ভাবমানসে পাকিস্তানের যেন কোন রেহাই নেই। সব ভুলে ভারতীয়দের এক বৃহৎ অংশ কৃত্রিম জয়ের আনন্দে মশগুল। এর উপর গদি মিডিয়ার আখ্যানে পাকিস্তান ভেঙ্গে বালুচিস্তান ও খাইবার পাখতুনওয়ালা নাকি স্বাধীন হয়েই গেছে এবং আজাদ কাশ্মীর ভারতের মধ্যে প্রায় এসেই পড়েছে। আবার পাকিস্তানেও সামরিক জয় উদযাপন চলেছে। আগে এরকমটি কখনও দেখা যায়নি। যেন আই.পি.এল. এর ফিক্সড ম্যাচ। অতীতের পাঁচ বারের যুদ্ধে কিন্তু পরিষ্কার ভারতের জয় নির্ধারিত হয়েছিল। ১৯৭১ এ এর সঙ্গে ভারত পাকিস্তানকে দ্বিখণ্ডিত করেছিল, পূর্ব পাকিস্তানে স্বাধীন বাংলাদেশের জন্ম হয়েছিল।

ভারতের সঙ্গে পাকিস্তানের তুলনা চলে না। পাকিস্তান ভারতের চাইতে অনেক ছোট, পশ্চাদপদ, দরিদ্র এবং মৌলবাদী স্বৈরশাসিত একটি দেশ। ভারতের সঙ্গে প্রতিযোগিতা হওয়া উচিত অপর পড়শি চিনের সঙ্গে। সেই বিষয়ে মাননীয় প্রধানমন্ত্রী নীরব। ১৯৬২ এর যুদ্ধে আকসাই চিন দখলের পর মোদীর সময়ে চিন লাদাখের গালোয়ান ও প্যাঙ্গং হ্রদ অঞ্চলে বেশ কিছুটা জমি দখল করে রেখেছে। সেগুলি পুনরুদ্ধারে তিনি ব্যর্থ। চিনের সঙ্গে বাণিজ্যেও ভারতের ঘাটতি অনেক। এছাড়াও ভারত চিনের অন্যতম বৃহৎ বাজার। কারুর সঙ্গেই সম্পর্কের অবনতি চাইব না। কিন্তু পাকিস্তানকে তুরস্ক ড্রোন দেওয়ায় যদি তুরস্ককে বিচ্ছেদ করি, সেক্ষেত্রে চিন পাকিস্তানকে ড্রোন  দেওয়ায় কোন প্রশ্ন উঠবে না কেন?

কিছুদিন আগে লাদাখে দুটি মূল্যবান ব্যাটল ট্যাঙ্ক ডুবে যাওয়া, তার আগে একটার পর একটা অরডন্যান্স ফ্যাক্টরি পুড়ে প্রচুর গোলা বারুদ নষ্ট হয়ে যাওয়া, ওয়েস্টার্ন নেভাল কমান্ডে আগুন লেগে কয়েকটি যুদ্ধ জাহাজের ক্ষতি মানুষ ভুলে গেছে। ভুলে যাবে ব্যাঙ্গালুরু পদপিষ্ট, আমদাবাদে প্লেন বিপর্যয়, উত্তরাখন্ডে তীর্থ যাত্রীদের হেলিকপ্টার ভেঙ্গে পড়া, পুনেতে ব্রিজ ভেঙ্গে পড়া একটার পর একটা সাংঘাতিক ঘটনা যেগুলি মুলত অব্যাবস্থার জন্য ঘটে গেলেও সেগুলিকে ভুলিয়ে দেওয়া হবে। থাকবে শুধু অর্থহীন আস্ফালন, আত্মপ্রচার, মিথ্যা ভাষণ, ফটো সেশন। দেশের এবং আন্তর্জাতিক সংকটময় পরিস্থিতিতে তিনি আবার বিদেশ সফরে বেরলেন। কানাডার জি৭ বৈঠকটি গুরুত্বপূর্ণ। কিন্তু সাইপ্রাস ও ক্রোয়েশিয়া কেন? জনগণের অর্থে এত বার ও এত দেশে ভারতের অন্য কোন প্রধানমন্ত্রী যান নি। অথচ এই সফরগুলির ফল শূন্য এবং ভারত ক্রমশ এক ঘরে হয়ে পড়ছে।

অপারেশন সিঁন্দুরের কথায় ফিরে যাওয়া যাক। ২০১৬ এর উরি সার্জিকাল স্ট্রাইক এবং ২০১৯ এর বালাকোট বোমাবর্ষণে পাকিস্তানের কোন ক্ষতি বা ভারতের কোন লাভ হয়েছিল কিনা সঠিক জানা যায় না, তবে শাসকদল যে নির্বাচনে খুবই লাভবান হয়েছিল সেটি জানা যায়। অপারেশন সিঁন্দুরের উদ্দেশ্য ও পরিণতি কি সেটাই?

১৪.০৬.২০২৫

PrevPreviousদাগ
Nextভাববেন না লোগোটা সোনার তৈরিNext
0 0 votes
Article Rating
Subscribe
Notify of
guest
guest
0 Comments
Inline Feedbacks
View all comments

সম্পর্কিত পোস্ট

“নতুন সরকার #১”

May 8, 2026 No Comments

UK বা গ্রেট ব্রিটেন, যে দেশটাকে সংসদীয় গণতন্ত্রের পীঠস্থান হিসেবে ধরা হয় সেই দেশে শ্যাডো ক্যাবিনেট বা ছায়া মন্ত্রিসভা গঠন বলে একটা প্রথা আছে। যারা

মানসিক রোগ চেনা যায় কি করে?

May 8, 2026 No Comments

আমরা রোগ বলতে সরল ভাবে বুঝি আমাদের দেহে কিছু উপসর্গ বা সিম্পটম ফুটে উঠল এবং তার একটা নির্দিষ্ট কারণ আছে। যেমন ধরা যাক টি বি

২০২৬ – নির্বাচনোত্তর কিছু ভাবনা

May 8, 2026 No Comments

এমন কিছু বেশি বছর আগের কথা নয়, পশ্চিমবঙ্গের বিধানসভা- লোকসভা-পঞ্চায়েত/পুরসভা নির্বাচনের ফলপ্রকাশের পরে বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের পক্ষ থেকে তাঁদের হার অথবা জিতের কারণ দর্শানোর জন্য

নিয়তি

May 7, 2026 No Comments

জিতলে যে ছেলেটাকে মারবে বলে তাক করে রেখেছিলে, জেতার পরে তাকে তুমি ছুঁতেও পারলে না। কারণ চোখের পলক ফেলার আগেই সে তোমার পতাকা তোমার আবির

অভয়ার বিচার কেবল শাসক বদলের ওপর নির্ভর করে না।

May 7, 2026 No Comments

“রাজছত্র ভেঙে পড়ে; রণডঙ্কা শব্দ নাহি তোলে; জয়স্তম্ভ মূঢ়সম অর্থ তার ভোলে; রক্তমাখা অস্ত্র হাতে যত রক্ত-আঁখি শিশুপাঠ্য কাহিনীতে থাকে মুখ ঢাকি” নিজেকে অপরাজেয় মনে

সাম্প্রতিক পোস্ট

“নতুন সরকার #১”

Dr. Samudra Sengupta May 8, 2026

মানসিক রোগ চেনা যায় কি করে?

Dr. Sumit Das May 8, 2026

২০২৬ – নির্বাচনোত্তর কিছু ভাবনা

Dr. Sukanya Bandopadhyay May 8, 2026

নিয়তি

Arya Tirtha May 7, 2026

অভয়ার বিচার কেবল শাসক বদলের ওপর নির্ভর করে না।

West Bengal Junior Doctors Front May 7, 2026

An Initiative of Swasthyer Britto society

আমাদের লক্ষ্য সবার জন্য স্বাস্থ্য আর সবার জন্য চিকিৎসা পরিষেবা। আমাদের আশা, এই লক্ষ্যে ডাক্তার, স্বাস্থ্যকর্মী, রোগী ও আপামর মানুষ, স্বাস্থ্য ব্যবস্থার সমস্ত স্টেক হোল্ডারদের আলোচনা ও কর্মকাণ্ডের একটি মঞ্চ হয়ে উঠবে ডক্টরস ডায়ালগ।

Contact Us

Editorial Committee:
Dr. Punyabrata Gun
Dr. Jayanta Das
Dr. Chinmay Nath
Dr. Indranil Saha
Dr. Aindril Bhowmik
Executive Editor: Piyali Dey Biswas

Address: 

Shramajibi Swasthya Udyog
HA 44, Salt Lake, Sector-3, Kolkata-700097

Leave an audio message

নীচে Justori র মাধ্যমে আমাদের সদস্য হন  – নিজে বলুন আপনার প্রশ্ন, মতামত – সরাসরি উত্তর পান ডাক্তারের কাছ থেকে

Total Visitor

621195
Share on facebook
Share on google
Share on twitter
Share on linkedin

Copyright © 2019 by Doctors’ Dialogue

wpDiscuz

আমাদের লক্ষ্য সবার জন্য স্বাস্থ্য আর সবার জন্য চিকিৎসা পরিষেবা। আমাদের আশা, এই লক্ষ্যে ডাক্তার, স্বাস্থ্যকর্মী, রোগী ও আপামর মানুষ, স্বাস্থ্য ব্যবস্থার সমস্ত স্টেক হোল্ডারদের আলোচনা ও কর্মকাণ্ডের একটি মঞ্চ হয়ে উঠবে ডক্টরস ডায়ালগ।

[wppb-register]