Skip to content
Facebook Twitter Google-plus Youtube Microphone
  • Home
  • About Us
  • Contact Us
Menu
  • Home
  • About Us
  • Contact Us
Swasthyer Britte Archive
Search
Generic filters
  • আরোগ্যের সন্ধানে
  • ডক্টর অন কল
  • ছবিতে চিকিৎসা
  • মা ও শিশু
  • মন নিয়ে
  • ডক্টরস’ ডায়ালগ
  • ঘরোয়া চিকিৎসা
  • শরীর যখন সম্পদ
  • ডক্টর’স ডায়েরি
  • স্বাস্থ্য আন্দোলন
  • সরকারি কড়চা
  • বাংলার মুখ
  • বহির্বিশ্ব
  • তাহাদের কথা
  • অন্ধকারের উৎস হতে
  • সম্পাদকীয়
  • ইতিহাসের সরণি
Menu
  • আরোগ্যের সন্ধানে
  • ডক্টর অন কল
  • ছবিতে চিকিৎসা
  • মা ও শিশু
  • মন নিয়ে
  • ডক্টরস’ ডায়ালগ
  • ঘরোয়া চিকিৎসা
  • শরীর যখন সম্পদ
  • ডক্টর’স ডায়েরি
  • স্বাস্থ্য আন্দোলন
  • সরকারি কড়চা
  • বাংলার মুখ
  • বহির্বিশ্ব
  • তাহাদের কথা
  • অন্ধকারের উৎস হতে
  • সম্পাদকীয়
  • ইতিহাসের সরণি
  • আরোগ্যের সন্ধানে
  • ডক্টর অন কল
  • ছবিতে চিকিৎসা
  • মা ও শিশু
  • মন নিয়ে
  • ডক্টরস’ ডায়ালগ
  • ঘরোয়া চিকিৎসা
  • শরীর যখন সম্পদ
  • ডক্টর’স ডায়েরি
  • স্বাস্থ্য আন্দোলন
  • সরকারি কড়চা
  • বাংলার মুখ
  • বহির্বিশ্ব
  • তাহাদের কথা
  • অন্ধকারের উৎস হতে
  • সম্পাদকীয়
  • ইতিহাসের সরণি
Menu
  • আরোগ্যের সন্ধানে
  • ডক্টর অন কল
  • ছবিতে চিকিৎসা
  • মা ও শিশু
  • মন নিয়ে
  • ডক্টরস’ ডায়ালগ
  • ঘরোয়া চিকিৎসা
  • শরীর যখন সম্পদ
  • ডক্টর’স ডায়েরি
  • স্বাস্থ্য আন্দোলন
  • সরকারি কড়চা
  • বাংলার মুখ
  • বহির্বিশ্ব
  • তাহাদের কথা
  • অন্ধকারের উৎস হতে
  • সম্পাদকীয়
  • ইতিহাসের সরণি
Search
Generic filters

মাটি

IMG_20220204_092706
Dr. Dipankar Ghosh

Dr. Dipankar Ghosh

General Physician
My Other Posts
  • February 4, 2022
  • 9:35 am

সুধীর চক্রবর্তীর মাটি পৃথিবীর টানে থেকে নেওয়া

গ্রামের বাড়ি মানে একটা বটগাছ। হাইরাইজ নয়। ছড়ানো ছেটানো-চারিদিকে ঝুরি নামিয়ে মাটি আঁকড়ে ধরা। মানুষগুলোও তাই- লতায়,পাতায়, শিকড়ে আকর্ষে সব মানুষকে জড়িয়ে ধরে বাঁচা। পুজোর সময়ে দেশ গ্রামে যাওয়া হয়। লাল মাটির দেশ। তাও সব বছর যাওয়া হয় না। উঁচু নিচু ঢেউ খেলানো লালমাটিয়া জমি, ক্ষীণতোয়া ঝর্ণা। হাতির উচ্চকিত ডাক-ঝরে পড়া পাতা- এই সব ঠেলে ঠেলে পেট্রোল পাম্প আর শালী নদীর ব্রীজ পার হয়ে শাল বনের পাশে আমাদের গ্রাম। দূরে শালের বন, সামনে গাজনের মেলা, যামিনী রায়ের বাড়ি, ঠাকুর দালান, শ্রীধর দালান-সব পেরিয়ে আমাদের বাড়ি। দেওয়ালে অশত্থ, হরিণের স্টাফড মাথা-একটা ফ্রেমে বাঁধানো সপরিবার মিনি দুর্গা প্রতিমা।

দীর্ঘ পথ পায়ে হেঁটে আমি চায়ের দোকানে ক্লান্ত হয়ে বসি। চা সঙ্গে সিগারেটে সুখটান।

“হাঁ গো, তুমি অম্মলদার ব‍্যাটা না?”

“হ‍্যাঁ গো কাকা”

সিগারেটটা নিয়ে বড়ো দোটানায় পড়ি। এতো হাইরাইজ শহর নয়। এখানে দশতলার বারান্দা আর কুঁড়ে ঘরের ফারাক নেই। সমান ভূমিতে দাঁড়িয়ে থাকা আত্মীয়। পথে যত জনের সঙ্গে দেখা, সবাই আমার পিতৃকুলের আত্মীয়।

ঘরে এসে তালা খুলে দিতেই আমাকে একটা পুরোনো গন্ধ গ্রাস করে নেয়। জুতোর তলায় জমে থাকা ধুলো, টিকটিকির পায়খানা আর মরা পোকামাকড় মাড়িয়ে ঢুকে ঘর সাফাই করে পেরেক বার করা, নড়বড়ে পুরোনো মেহগনি কাঠের চেয়ারে বসে হাঁফ ছাড়লাম।

“দরজা খোল‍্যাঁ ক‍্যানে? কে বট‍্যঁ গো ভেতরে?” বাইরে থেকে হাঁক শোনা যায়। তাকিয়ে দেখি ইসমাইল ফকির।

“তোমার খবর কী গো কাকা? চললে কোথায়?”

“ও অমলদার ব‍্যাটা? কত্তো দিন বাদে এল‍্যাঁ গো তুমি…”

কী আর করবো একটা অসহায় গোছের হাসি হেসে সামাল দিই।
“আমি আর কুথাকে যাবো গ‍্য? খোঁজে চলেছি”

পাশের বাড়ির কার্নিশে বাঁধা হাঁড়ির ভেতর থেকে পায়রাদের বকবকম শোনা যায়। হয়তো পদ্ম গোখরো ভাঙা পাঁচিলের ভেতর থেকে বেরিয়ে বুকে হেঁটে পার হয়ে যায় বাঁশ বন। উড়ন্ত কবুতরের ডানার ঝটফটানি হাততালির শব্দের মতো পুরোনো ইঁট সুরকির দেওয়ালে দেওয়ালে ধাক্কা খায়। ইসমাইল ফকির কিসের খোঁজে যাচ্ছে জানার আগেই ওর গান বেজে ওঠে। বুড়ো ফকির কোটরগত চোখ বন্ধ করে তারসপ্তকে গান ধরে। ওর তীক্ষ্ণ কন্ঠস্বর তারসপ্তকে বেজে ওঠে
“মানুষ মানুষ বলে সবাই
কে করে তার অন্বেষণ”

স্তব্ধ বসে থাকি। মানুষের জন্য অন্বেষণ এক অনন্ত সন্ধান।

ফকিরকাকা বলে “অমলদা-ভাবি-সব তো চল‍্যাঁ গেল.. ইবার তো আমাদের ডাক‌ও আসবেক গ‍্য”

আমি চুপ করে থাকি। কথাটা বাস্তব।

“উঠ গ‍্য শহরের ভাইপো, ব‍্যালা হলো। গরীব ফকিরের ঘরে চল‍্যঁ। আজ দুকুরে আমার ঠেঙে দুটো ভাত খাও ক‍্যানে?”

এই আমন্ত্রণে না বলার জায়গা নেই। এই ভালবাসাকে অপমান করার সাহস‌ও নেই।

দরমা আর মাটির বাড়ি। ওপরে তালপাতা আর টিনের চাল। একটুখানি নিকানো উঠোন-সেখানে নেবুগাছ।

“ফতিমা দ‍্যাখো ক‍্যানে- কাকে এনেছি”

ফতিমাকাকি বেরিয়ে আসে। “ওম্মা কবে এলি রে?এই অবেলায়… যা শিঘ্রি চান করে আয়… ওগো শুনছো বট‍্যেঁ ওকে পুকুরের রাস্তাট‍্যঁ দেখিয়ে দাও…”

ফকিরকাকা হাসে “রাস্তা কী দিঁখানো যায় গ‍্য? রাস্তা চিন‍্যে লিঁতে হয়”

কাকিমার ঘামস্নিগ্ধ মুখটা কুঞ্চিত হয় “ঢং দ‍্যাখো ক‍্যানে”

চান সেরে ফিরতেই ফতিমাকাকি ভাত দ‍্যায় কাণা উঁচু সানকিতে। “আগে জান্তম না। কী বা ঘরে থাকে বলো দিনি?” ফতিমাকাকি ভাঙা হাতপাখা নিয়ে বাতাস করে। নিজের ভেজা ভেজা আঁচল দিয়ে মুখ মুছিয়ে দেয়। দূরের মসজিদ থেকে আজানের ডাক আসে।আমি জিজ্ঞাসু চোখে ফকিরকাকার মুখের দিকে তাকালাম।

ফকিরকাকা ভাতের গরাস মুখেই গান ধরে।
“নামাজ আমার হৈলো না আদায়
নামাজ আমি পড়তে পারলাম না
দারুণ খান্নাতের লায়।(খান্নাত মানে অভাব)
এয়েষার নামাজের কালে
বিবি বলে চাল ফুরাইছে
ছেলে মেয়ের কান্দন শুনি
কান্দে পাগল দূরবীন শা’য়।”

“খেতে খেতে গান করছ‍্যঁ? আবার? কতোদিন বুল‍্যা করেছি… পাগল একটা” ফতিমাকাকির ভাঁজ পড়া মুখ থেকে গর্ব চুঁইয়ে পড়ে।

“এটা হঁল‍্যো ভাতছানা। পান্তা ভাত শুকনো কর‍্যেঁ নিংড়ে তাতে নুন লঙ্কা পেঁয়াজ মেখ‍্যাঁ…”

কাকিমা বলে “আজ আমি চ‍্যাং মাছ ধ‍্যরলম, উটো ডালে দিঁয়‍্যে”

দুপুরে সামনের উঠোনে নিমগাছের ছায়ায় বসে আছি। লেবুগাছে বুলবুলি দম্পতি কলর বলর করছে। চালের ওপর ঘাড় বেঁকিয়ে বসে মাঝে মাঝে ডাকছে। নিস্তব্ধ দুপুর। দূরে শ‍্যালো পাম্পের ভটভটানি। শালিকের ডাক। ফকিরকাকা পাশে বসে বিড়ি টানে।

“আচ্ছা কাকা আমি যে হঠাৎ করে এলাম… তুমি আমাকে খেতে ডাকলে… আমি…এভাবে এসে কি অসুবিধে করলাম? কাকিমা দেখলাম লঙ্কা পেঁয়াজ দিয়ে জলমুড়ি খাচ্ছে..”

“কিছুই ত‍্য করল‍্যম না ভাইপো… অতিথ মানুষ বচ্ছরে একবার আসে… হ‍্যাঁ একবার এল‍্যেঁ য‍্যানো মনে রাখে”

“আমার মনে থাকবে কাকা। দোকানে মোকানে খাই। এ্যাতো ভালবাসা তো ওখানে থাকে না। রোজ রোজ ডাল আলুভাজা ডিম… আজ….শহরে কেউ এ্যামন করে কাউকে বাড়িতে কেউ ডাকে না কেন?”

ফকিরকাকা গান ধরে  “গুরুবীজ পুঁতলে পাষাণে
অঙ্কুর হবে ক‍্যানে?অর্থ বুঝলে ভাইপো?”

আমি ঘাড় নাড়লাম।”না বুঝিনি”

“ভালো বীজ পুঁতলেই বৃক্ষ হবে ক‍্যানে? গোড়া যদি মাটি যদি না পায়? হবেক নাই গ‍্য বৃক্ষ।
শহরে মাটি নাই গ‍্য ভাইপো তাই বৃক্ষে প্রাণ নেই”

বুঝতে পারি সমস্ত বিবাদ বিসম্বাদের পরেও চাষী বাঁচিয়ে রেখেছে প্রাণ- তার মাটি। মাটিই তাদের প্রাণ।
‘ও পুকুরের মাছ
ও ধান,ও মুরগী ছানা
তাড়াতাড়ি বড়ো হ‌ও তোমরা
ও নারঙ্গ, ও ঝুলন্ত জাম্বুরা
তাড়াতাড়ি পেকে ওঠো।
এক জীবন ধরে ধিকিয়ে ধিকিয়ে জীবনযাপন
তার সময় ক‌ই।’ (শরৎকুমার মুখোপাধ্যায়)

মনে পড়ে নৃসিংহ মুরারি দে’র কবিতাংশ
‘আপনার বাড়িতে ফ্রিজ আছে।
আপনার বাড়িতে রঙিন টিভি আছে
এবং এন্তার ভিডিও ক‍্যাসেট আছে।
আপনার অনেক লকার আছে, ভল্ট আছে-
সাপের চামড়ার জুতো আছে।
……
……..
আচ্ছা বেশ তো
আপনি কোথায় আছেন আপনার বাড়িতে?’

PrevPreviousস্বেচ্ছা রক্তদান : কোন পথে?
Next৪ঠা ফেব্রুয়ারী বিশ্ব ক্যান্সার দিবস ও “Close the Care Gap” ক্যাম্পেইনNext

সম্পর্কিত পোস্ট

গত নভেম্বর থেকে কলকাতা হাইকোর্টে অভয়ার মামলা ৩৫ বার তালিকাভুক্ত হয়েছে!!

February 6, 2026 No Comments

“গত নভেম্বর থেকে কলকাতা হাইকোর্টে অভয়ার মামলা ৩৫ বার তালিকাভুক্ত হলেও আজ পর্যন্ত একবারও কার্যকর শুনানি হয়নি।” Justice Delayed is Justice Denied. প্রায় দেড় বছর

রূপসু এক্সপ্লোরেশন এবং অভয়া।। এভারেস্ট ও অভয়া শৃঙ্গ জয়ী দেবাশীষ বিশ্বাসের কাহিনী প্রকাশিত

February 6, 2026 1 Comment

ঘৃণা-বিদ্বেষের বিরুদ্ধে সোচ্চার হোন।।

February 6, 2026 No Comments

ফেব্রুয়ারী ৫, ২০২৬ গত ৩০ জানুয়ারী, শুক্রবার কলকাতার পার্ক স্ট্রিটের ৭৮ বছরের পুরনো ঐতিহ্যবাহী বার কাম রেস্টুরেন্ট অলি পাবের এক মুসলিম ওয়েটার মাটন স্টেকের জায়গায়

জন্মদিনের অঙ্গীকার ছিনিয়ে নেব ন্যায়বিচার!

February 5, 2026 No Comments

Justice Delayed is Justice Denied. ৯ ই আগস্ট ২০২৪ আর জি কর হাসপাতালে আমাদের সহকর্মী অভয়ার নৃশংস হত্যার পর আমরা রাজপথে নেমেছিলাম ন্যায়বিচারের দাবিতে। লক্ষ

সাময়িক সংস্থান ও সুরাহা? নাকি স্থায়ী ও সর্বজনীন সমৃদ্ধি?

February 5, 2026 No Comments

আর্থ – রাজনীতি, সমাজ – সংস্কৃতি, প্রকৃতি – পরিবেশ প্রভৃতির বিরাট পরিবর্তন এবং প্রযুক্তির উল্লম্ফনের সঙ্গে সঙ্গে আমাদের চারপাশের দুনিয়াটাও দ্রুত বদলে যাচ্ছে। চমক, আনন্দ,

সাম্প্রতিক পোস্ট

গত নভেম্বর থেকে কলকাতা হাইকোর্টে অভয়ার মামলা ৩৫ বার তালিকাভুক্ত হয়েছে!!

West Bengal Junior Doctors Front February 6, 2026

রূপসু এক্সপ্লোরেশন এবং অভয়া।। এভারেস্ট ও অভয়া শৃঙ্গ জয়ী দেবাশীষ বিশ্বাসের কাহিনী প্রকাশিত

Abhaya Mancha February 6, 2026

ঘৃণা-বিদ্বেষের বিরুদ্ধে সোচ্চার হোন।।

Abhaya Mancha February 6, 2026

জন্মদিনের অঙ্গীকার ছিনিয়ে নেব ন্যায়বিচার!

West Bengal Junior Doctors Front February 5, 2026

সাময়িক সংস্থান ও সুরাহা? নাকি স্থায়ী ও সর্বজনীন সমৃদ্ধি?

Bappaditya Roy February 5, 2026

An Initiative of Swasthyer Britto society

আমাদের লক্ষ্য সবার জন্য স্বাস্থ্য আর সবার জন্য চিকিৎসা পরিষেবা। আমাদের আশা, এই লক্ষ্যে ডাক্তার, স্বাস্থ্যকর্মী, রোগী ও আপামর মানুষ, স্বাস্থ্য ব্যবস্থার সমস্ত স্টেক হোল্ডারদের আলোচনা ও কর্মকাণ্ডের একটি মঞ্চ হয়ে উঠবে ডক্টরস ডায়ালগ।

Contact Us

Editorial Committee:
Dr. Punyabrata Gun
Dr. Jayanta Das
Dr. Chinmay Nath
Dr. Indranil Saha
Dr. Aindril Bhowmik
Executive Editor: Piyali Dey Biswas

Address: 

Shramajibi Swasthya Udyog
HA 44, Salt Lake, Sector-3, Kolkata-700097

Leave an audio message

নীচে Justori র মাধ্যমে আমাদের সদস্য হন  – নিজে বলুন আপনার প্রশ্ন, মতামত – সরাসরি উত্তর পান ডাক্তারের কাছ থেকে

Total Visitor

608683
Share on facebook
Share on google
Share on twitter
Share on linkedin

Copyright © 2019 by Doctors’ Dialogue

আমাদের লক্ষ্য সবার জন্য স্বাস্থ্য আর সবার জন্য চিকিৎসা পরিষেবা। আমাদের আশা, এই লক্ষ্যে ডাক্তার, স্বাস্থ্যকর্মী, রোগী ও আপামর মানুষ, স্বাস্থ্য ব্যবস্থার সমস্ত স্টেক হোল্ডারদের আলোচনা ও কর্মকাণ্ডের একটি মঞ্চ হয়ে উঠবে ডক্টরস ডায়ালগ।

[wppb-register]