Skip to content
Facebook Twitter Google-plus Youtube Microphone
  • Home
  • About Us
  • Contact Us
Menu
  • Home
  • About Us
  • Contact Us
Swasthyer Britte Archive
Search
Generic filters
  • আরোগ্যের সন্ধানে
  • ডক্টর অন কল
  • ছবিতে চিকিৎসা
  • মা ও শিশু
  • মন নিয়ে
  • ডক্টরস’ ডায়ালগ
  • ঘরোয়া চিকিৎসা
  • শরীর যখন সম্পদ
  • ডক্টর’স ডায়েরি
  • স্বাস্থ্য আন্দোলন
  • সরকারি কড়চা
  • বাংলার মুখ
  • বহির্বিশ্ব
  • তাহাদের কথা
  • অন্ধকারের উৎস হতে
  • সম্পাদকীয়
  • ইতিহাসের সরণি
Menu
  • আরোগ্যের সন্ধানে
  • ডক্টর অন কল
  • ছবিতে চিকিৎসা
  • মা ও শিশু
  • মন নিয়ে
  • ডক্টরস’ ডায়ালগ
  • ঘরোয়া চিকিৎসা
  • শরীর যখন সম্পদ
  • ডক্টর’স ডায়েরি
  • স্বাস্থ্য আন্দোলন
  • সরকারি কড়চা
  • বাংলার মুখ
  • বহির্বিশ্ব
  • তাহাদের কথা
  • অন্ধকারের উৎস হতে
  • সম্পাদকীয়
  • ইতিহাসের সরণি
  • আরোগ্যের সন্ধানে
  • ডক্টর অন কল
  • ছবিতে চিকিৎসা
  • মা ও শিশু
  • মন নিয়ে
  • ডক্টরস’ ডায়ালগ
  • ঘরোয়া চিকিৎসা
  • শরীর যখন সম্পদ
  • ডক্টর’স ডায়েরি
  • স্বাস্থ্য আন্দোলন
  • সরকারি কড়চা
  • বাংলার মুখ
  • বহির্বিশ্ব
  • তাহাদের কথা
  • অন্ধকারের উৎস হতে
  • সম্পাদকীয়
  • ইতিহাসের সরণি
Menu
  • আরোগ্যের সন্ধানে
  • ডক্টর অন কল
  • ছবিতে চিকিৎসা
  • মা ও শিশু
  • মন নিয়ে
  • ডক্টরস’ ডায়ালগ
  • ঘরোয়া চিকিৎসা
  • শরীর যখন সম্পদ
  • ডক্টর’স ডায়েরি
  • স্বাস্থ্য আন্দোলন
  • সরকারি কড়চা
  • বাংলার মুখ
  • বহির্বিশ্ব
  • তাহাদের কথা
  • অন্ধকারের উৎস হতে
  • সম্পাদকীয়
  • ইতিহাসের সরণি
Search
Generic filters

তোমাতে করিব বাস

Screenshot_2022-07-04-23-19-18-20_680d03679600f7af0b4c700c6b270fe7
Dr. Partha Bhattacharya

Dr. Partha Bhattacharya

Gynaecologist
My Other Posts
  • July 5, 2022
  • 7:05 am
  • No Comments

প্রথম পর্ব। ডিসেম্বর ২০২১।

ক্লিনিক থেকে বেরিয়ে ধীরেসুস্থে একটা ফিল্টার উইলস্ ধরাল মনোজিৎ। তারপরে মুচকি হেসে বলল, “ডায়াবেটিসের জন্য লেডি ডক্টর দেখালে, ঠিক আছে। কিন্তু বুড়ো বয়সে হাড় ভাঙলে আমি লেডি অর্থো কোথায় পাব বলতো – ওই সাবজেক্টটা মেয়ে ডাক্তাররা সচরাচর পড়ে না বলেই জানি।” নরম কটাক্ষে একবার তাকিয়ে মাথা নিচু করে নন্দিনী উত্তর দিল, “ভাঙুক, তখন দেখা যাবে। ফ্র্যাকচার ত আর হার্ট অ্যাটাক নয় যে অ্যাম্বুল্যান্স নিয়ে ছুটতে হবে। চলো, দরজা খোলো।”

“বাড়ি, না হাটারি? তাহলে লাউডন স্ট্রিট দিয়ে ঘুরব।” – রিমোট অন করে বাঁ হাত দিয়ে অল্টোর সামনের দরজা খুলে বিলিতি কায়দায় মাথা নিচু করে ডান হাত বাড়িয়ে ধরে প্রশ্ন করে মনোজিৎ। ভোজনরসিক সে, কলকাতার অভিজাত কয়েকটি রেস্তোরাঁয় তার নিত্য আনাগোনা ছিল লকডাউনের বিভীষিকা নেমে আসার আগে অবধি।

“নো স্যর, বাড়ি। পিকুর পরীক্ষার তিনদিন বাকি।” দরজা বন্ধ করে সিটবেল্ট বাঁধতে বাঁধতে প্রস্তাব নাকচ করে দিল নন্দিনী।

“ধুর, সে ত অনলাইন। ঢপের পরীক্ষা।” গাড়ি চালু করতে করতে ব্যাজার মুখে বলে মনোজিৎ। প্রায় দেড় বছর পরে প্রথম আজ তারা দুজনে বেরিয়েছে একটু অন্যরকম মুডে। যদিও মূল উদ্দেশ্য চিকিৎসককে দেখানো, তবু দমচাপা আতঙ্ক নেই, মৃত্যুর করাল ছায়া নেই। ইচ্ছা ছিল আজ একটু সেলিব্রেট করবে।

“হোক অনলাইন। তা বলে ক্লাস টেনের ছেলেকে ঢিলেমিতে সায় দেব? আমরা না থাকলে ত কম্পিউটার খুলে সিনেমা দেখবে, ঠাকুমাকে পাত্তাও দেবেনা। আজ হোক কাল, বোর্ডের পরীক্ষা ত অফলাইনেই হবে।”

“ওকে বাবা, চলো।” – মনোজিৎ গাড়ির চাকা গড়িয়ে দেয়। কতদিন কোনও রেস্তোরাঁয় বসে খায়নি তারা।

থিয়েটার রোড থেকে ক্যাথিড্রাল রোড হয়ে হরিশ মুখার্জিতে উঠে আলতো প্রশ্ন ভাসিয়ে নীরবতা ভাঙল মনোজিৎ – “কেমন লাগল নূতন ডাক্তারবাবুকে?”

– “বাবু আবার কি? ম্যাডাম বলো।”

– “ওই আর কি! ছোটবেলা থেকে যা বলে অভ্যেস।”

– “বেশ ভালো। কেমন সুন্দর বুঝিয়ে বললেন, কতটা সময় দিলেন। ওষুধ ত প্রায় একই রাখলেন, আর কথাগুলোও ত বললেন একেআর ঠিক যেমন বলতেন…” নন্দিনীর কথা যেন বুজে আসে। উউন্ডস্ক্রিনটাই কি হঠাৎ ঝাপসা হয়ে গেল? একটু থামে নিজেকে সামলাতে। তারপর বলে “তোমার কি মনে হল? এ ত আর এক দু দিনের ব্যপার নয়, যদ্দিন বাঁচবো ততদিনের মামলা। একদিকে ভালো, ম্যাডামের বয়সটা বেশ কম। উনি বুড়ো হওয়ার আগেই আমি গন্ হয়ে যাব।” হাসে নন্দিনী।

“অ্যায় আরম্ভ হল টিপিক্যাল মেয়েলি কথা। ওসব থাক। তবে আমি কিন্তু ওঁকে এরকমই এক্সপেক্ট করেছিলাম। আয়াম নট সারপ্রাইজড্।”

-“কেন?”

-“দাঁড়াও বলছি, এই জঙ্গলটা পার হয়ে নিই সাবধানে।” হরিশ মুখার্জি রোড আর এলগিন রোডের মোড়ে এসে বলে মনোজিৎ। দুপাশে খাবার দোকানগুলো বাড়তে বাড়তে ভবানীপুর ছাড়িয়ে কালীঘাটের দিকে এগোচ্ছে। সরু রাস্তায় তিন সারিতে দামী গাড়ির বলদর্পী পার্কিং। রাত তিনটে অবধি রাস্তার উপরেই যত্রতত্র স্টুল পেতে বসে কিংবা দাঁড়িয়ে অতি-সম্পন্ন ধনগর্বী খদ্দেরদের সপরিবারে খানাপিনা, বিচরণ। ওঁদের অবশ্য কোনও বিকার নেই, যত দায় এ রাস্তা দিয়ে চলা চালকদের। সামান্য টোকা লাগলেও দলবেঁধে হামলার ভয়। মিত্র ইনস্টিটিউশন ছাড়িয়ে ফাঁকা রাস্তায় এসে মনোজিৎ যেন ক্লাইম্যাক্সের শেষে রহস্য উন্মোচন করে – “তোমায় আগে বলিনি, এবং দেবলীনা ম্যামকেও ফোনে রিকোয়েস্ট করেছিলাম না বলতে, থ্যাঙ্কস, উনি আমার কথাটা রেখেছেন – উনি ডক্টর রায়েরই রেসিডেন্ট ছিলেন মেডিক্যাল কলেজে। ট্রিটমেন্ট অ্যাপ্রোচটা অনেকটাই এক হবে, ন্যাচারেলি।”

“একেআর-এর স্টুডেন্ট!” আবার বিহ্বল হয়ে পড়ে নন্দিনী – “ওঁকে পেলে কোথা থেকে? আর বলতেই বা বারণ করেছিলে কেন?”

“নন্দা, ভুলে যেওনা, আমি এককালে এমআরগিরি করতাম। এটুকু কানেকশন বার করা কি খুব কঠিন? আমিও ত চাই তোমার ট্রিটমেন্টটা একজন কমপিটেন্ট ডক্টর করুন। আর সেজন্যই ব্রহ্মপুর থেকে থিয়েটার রোড। তার চেয়ে বড় কথা – লেটারহেডে নিশ্চয় দেখেছ, শি ইজ আ গোল্ড মেডালিস্ট অ্যাট এম ডি।”

-” হুম, দেখলাম। বেশ তো, বারণ করেছিলে কেন?”

– “নাহলে তুমি আগে থেকে ইমোশনাল হয়ে পড়তে, পেশেন্ট হিসাবে জাজ করতে পারতে না।”

চুপ করে থাকে নন্দিনী। দু বছর হতে চলল তার ডায়াবিটিসের জন্য কোনও চিকিৎসককে দেখানো হয়নি। দু দফার করোনা মহামারী, লকডাউন, পরিবার উথাল-পাথাল করা একের পর এক লম্বা বিপর্যয়, অনিয়মিত খাওয়াদাওয়া আর ওষুধ – এসবের মাঝে হঠাৎই এক সকালে তার একান্ত নিজের একটি ক্ষতি হয়ে গেল। রক্তের চিনি, অতএব, বেড়েছে নিজের খুশিতে। এপ্রিলে, কোভিডের দ্বিতীয় দফার ঠিক আগে একবার রক্ত পরীক্ষা করিয়ে ফোনে ডাঃ অরুণকান্তি রায়ের পরামর্শ নিয়েছিল সে, সাথে মৃদু বকুনিও জুটেছিল। তারপরে ত শুধু অন্ধকারের ঢেউ। এ বছরে পূজার পর থেকেই মনোজিৎ লেগে আছে। ঘরে-বাইরে সব কিছু এখন শান্ত, এভাবে চলতে পারে না, এবারে কাউকে দেখাবে চল, রোগ ত বসে থাকবে না। শেষে আলাদা ঘরে শোয়ার হুমকি দিল এবং করেও দেখাল একদিন। অফিসের প্রচুর কাজ বাকি, ল্যাপটপ নিয়ে রাত জাগতে হবে – মা ও ছেলেকে এসব বুঝিয়ে একতলায় অতিথি-ঘরের ডিভানে গিয়ে শুয়ে পড়ল সে। একা একা নন্দিনী কোনওকালেই থাকতে পারে না। শ্বশুরমশায় চলে যাওয়ার পর থেকে ছেলে ঘুমোয় তার ঠাকুমার ঘরে। সেই রাতে দুটো-আড়াইটে পর্যন্ত আলো জ্বালিয়ে জেগে রইল সে। মাঝে মাঝে তন্দ্রাচ্ছন্ন হয়ে পড়ে। মুহূর্তের মধ্যে হুটার বাজাতে বাজাতে দশটা অ্যাম্বুল্যান্স হেডলাইট জ্বালিয়ে তেড়ে আসে তার দিকে। আপাদমস্তক সাদা পিপিই কিট আর মুখোশ পরা, মাথায় ফেসশিল্ড চাপানো কারা যেন অত আলোতেও ঘুরে বেড়ায় ঘরের ভিতরে। একবার যেন তার দমবন্ধ হয়ে গেল – পালস্ অক্সিমিটারে সে দেখছে তার স্যাচুরেশন নেমে গেছে তেতাল্লিশ শতাংশে। ঘরের এককোণে পলাশ নামের সেই ছেলেটা দাঁড়িয়ে একটা প্যাকেট হাতে। পান মশলা খাওয়া দাঁত বার করে হাসতে হাসতে সে বলছে – ‘কোনও চাপ লিওনা দিদি, ব্যাগ রেডি আছে, আজকাল আমার তিন মিনিটের বেশী লাগে না বডি প্যাক করতে। চায়ের জন্য কিছু দিতে বলে দিও স্যরকে।’ তিনটের সময় ঘর্মাক্ত অবস্থায় ছুট্টে নিচে নেমে স্বামীর ঘরে হাজির হল সে। মনোজিৎ অপেক্ষায় ছিল ল্যাপটপে ‘সাউণ্ড অব দ্য মিউজিক’ চালিয়ে, জানত ওর স্ত্রী পারবে না। সত্যিই হার মানতে বাধ্য হল নন্দিনী। স্বামীর বুকে ঝাঁপিয়ে বলল, ‘প্লিজ উপরে চলো, কথা দিচ্ছি ডাক্তার দেখাব। প্রমিস।’ পরদিন সকালে পিকুর ব্রেকফাস্টে দেরী হল, মনোজিৎয়ের অফিসে লেট মার্ক পড়ল।

চিকিৎসা আবার শুরু করাতে রাজী হল নন্দিনী, কিন্তু এক অদ্ভুত শর্তে। লেডি ডক্টর ছাড়া কোনও পুরুষ ডাক্তারবাবুকে সে দেখাবে না। যদিও জানত সেটা একটু মুশকিল – কারণ স্ত্রীরোগ বা শিশুরোগ বিষয়ে মহিলা বিশেষজ্ঞদের পাওয়া যতটা সোজা, মেডিসিন বা ডায়াবেটিসের জন্য অতটা নয়। তাছাড়া আপাতদৃষ্টিতে এও ত একধরণের উল্টো লিঙ্গবৈষম্য। অনেক মহিলা আছেন যাঁরা লেডি গাইনিকোলজিস্ট ছাড়া দেখানোর কথা ভাবতেই পারেন না – যদিও সেক্ষেত্রে ওটা ব্যক্তিগত পছন্দ বলে চলে যায়। নন্দিনী কিন্তু কোনওদিন আগে এভাবে ভাবেনি। মাদার্স অ্যাবোড নার্সিংহোমে ওর নরমাল ডেলিভারি করিয়েছিলেন ডাঃ সুশান্ত জানা আর ওঁর অ্যাসিস্ট্যান্ট ডাঃ অনিল গোমেজ। ওঁরা পুরুষ বলে কোনও আলাদা অনুভূতি ত তখন হয়নি। ডাক্তারের জাত-জেন্ডার দিয়ে কি তাঁর যোগ্যতার বা দায়বদ্ধতার বিচার হয়। কিন্তু দু হাজার একুশের পয়লা জুনের পরে কেমন সবকিছু বদলে গেল। মাঝে মাঝে অবসরে সে ভাবে, এরকম কারুর হয়? কিভাবে হয় ! তার ঘনিষ্ঠ বন্ধুদের সাথে এ বিষয়টা সে ঘুরিয়ে অনেক আলোচনা করেছে – কেউ কোনও উদাহরণ দিতে পারেনি। সবচেয়ে মজার কথা হল এ ব্যপারটা ওর স্বামী খুব ভালোভাবে জানে। প্রথমদিকে মনোজিৎ আওয়াজ দিলে নন্দিনী অস্বীকার করত। তারপরে বুঝল নিজেকে আর কিছুতেই আড়াল করতে পারছে না সে। একরাতে নিবিড় নিভৃিতিতে সে স্বীকার করল তার এই অদ্ভুত ব্যপারটা – একরাশ লজ্জা আর শঙ্কা নিয়ে। আশ্চর্য এই লোকটা – হা হা করে হাসে আর বলে, ‘আরে ধুর, আমি ত বরং আমার সুন্দরী বউকে নিয়ে একেবারে নিশ্চিন্ত হলাম। চারপাশে যা সব দেখছি।’ এগুলো তেরো-চোদ্দ বছর আগের কথা। তারপরে বহুদিন, বহুবার, নানান পরিসরে নন্দিনী তার স্বামীকে বাজিয়ে দেখেছে – সে লোক যাকে বলে বিন্দাস। কোনও ক্ষোভ নেই, সন্দেহ নেই, শরীরে-মনে ভালোবাসায়, যত্নে-দায়িত্ববোধে কোনও খামতি নেই। এও এক বিস্ময় – এরকম মানুষও হয় !

গাড়ি এতক্ষণে টালিগঞ্জ রেলব্রিজ ছাড়িয়ে সুইস পার্ক। এইবারে বাঁশদ্রোণীতে বাড়ির মোড় অবধি ভারী ট্রাফিকের এলাকা। পরপর সিগন্যাল, বাইক-অটোর রাজত্ব, ক্রমাগত ব্রেক-ক্লাচ করতে করতে চালানো। খালি হাইওয়ে না হলে এসব রাস্তায় মনোজিৎ একদম কথা বলতে চায় না, মনঃসংযোগে অসুবিধা হয়। বলে ‘আমি ত আর প্রফেশনাল ড্রাইভার নই রে বাবা, যে প্রতিদিন ছ-আট ঘন্টা গাড়ি চালাচ্ছি।’ স্বামীর মুখের দিকে কয়েকবার তাকিয়ে দেখে নন্দিনী। সামনের রাস্তায় আর তিনটে আয়নায় দৃষ্টি নিবদ্ধ। কোথাও যেন ভালোবাসা, ভরসা, কৃতজ্ঞতা আর বিহ্বলতা সব মিলেমিশে একাকার হয়ে যায় নন্দিনীর মনোজগতে। গিয়ারে রাখা মনোজিতের বাঁ হাতটা একবার ধরতে ইচ্ছা করে, কিন্তু সরিয়ে নেয়। এত কিছুর মধ্যেও লোকটা কিনা এমন একজন লেডি ডক্টরকে খুঁজে খুঁজে বার করেছে, যিনি স্বয়ং একেআরের ট্রেনি ছিলেন। বাসর ঘরে তার প্রমাতামহী, যাকে তারা ভাইবোনেরা সকলে লালমা বলে ডাকত, পুতিনজামাইকে দেখে নন্দিনীর গাল টিপে বলেছিলেন – ‘নন্দরাণী, এই লাহান জামাই অনেক ভাগ্য কইরা পাইলা। অর বুকের মইধ্যে সোহাগের সমুন্দুর। ডুব দিয়া তল পাবা না। এই বুড়ির কথা মিলাইয়া লইয়ো।’ সতেরো বছর আগের রাতে এক নবতিপর মানুষের ভবিষ্যদ্বাণী আজ সন্ধ্যায় নন্দিনীর মস্তিস্কের ধূসরকোষের সঞ্চয় থেকে বেরিয়ে আবেগকেন্দ্রের গহন কাজলা দিঘীতে ঢেউ তোলে। অনেক কষ্টে নিজেকে সংযত করে সে।

‘দেখো, সাবধানে চালিয়ো। আমার কেন জানি না খুব ঘুম পাচ্ছে’ বলে চোখ বুজে মাথাটা এলিয়ে দেয় নন্দিনী। আসলে ঘুম নয়, নীরবতার অবসরে আবার স্মৃতির অতলে তলিয়ে যায় সে।

এর পরে আগামী পর্বে।

PrevPreviousব্যঙ্গের নাম অগ্নিপথ (২)
Nextআবার জিরোতে হিরো!Next
0 0 votes
Article Rating
Subscribe
Notify of
guest
guest
0 Comments
Inline Feedbacks
View all comments

সম্পর্কিত পোস্ট

কার যেন এই মনের বেদন?

April 21, 2026 No Comments

সংসার চলবে কী করে, নাম কাটার ‘দায়’ও মেয়েদের কাঁধে

April 21, 2026 No Comments

এক একটা বিপদ আসে, আর এক একটা নতুন শব্দ ঢোকে গ্রামের মানুষের মুখের ভাষায়। ২০১৮-তে ‘নোটবন্দি।’ ২০২০-তে ‘লকডাউন।’ আর এ বারে, এই ২০২৬-এ মুখে মুখে

Parkinson’s Disease -এর চারটি প্রধান লক্ষণ

April 21, 2026 No Comments

১. ব্র্যাডিকাইনেসিয়া (Bradykinesia – চলাচলের ধীরগতি) নড়াচড়া শুরু করতে অসুবিধা মুখের অভিব্যক্তি কমে যায় ধীরে হাঁটা, হাত দোলানো কমে যায় ২. রেস্টিং ট্রেমর (Resting Tremor)

এ জয় আপনাদের, এ জয় অভয়ার, অভয়াদের

April 20, 2026 No Comments

এক বছরের শাস্তিমূলক পোস্টিং হিসাবে মেধাতালিকা অমান্য করে আমাকে পুরুলিয়া, দেবাদাকে মালদা পাঠানো হয়েছিলো, এগারো মাস পর কোর্টরুমে জয় এলো, গতকাল হাইকোর্ট, সরকারের প্রতিহিংসামূলক আচরণ

অনারটাই যদি না থাকলো তাহলে আর প্রফেশানটার বাকি কী থাকলো!!

April 20, 2026 No Comments

আমি মানুষটা খুব সামান্য হলেও আমার পরিচিতজনদের সকলে কিন্তু কিঞ্চিৎ সামান্য নন। এটা আমার জীবনের একটা সার্থকতা বলতে পারেন, সৌভাগ্যও বলতে পারেন। মেডিক্যাল কলেজে পড়াকালীন

সাম্প্রতিক পোস্ট

কার যেন এই মনের বেদন?

Pallab Kirtania April 21, 2026

সংসার চলবে কী করে, নাম কাটার ‘দায়’ও মেয়েদের কাঁধে

Swati Bhattacharjee April 21, 2026

Parkinson’s Disease -এর চারটি প্রধান লক্ষণ

Dr. Aditya Sarkar April 21, 2026

এ জয় আপনাদের, এ জয় অভয়ার, অভয়াদের

Dr. Asfakulla Naiya April 20, 2026

অনারটাই যদি না থাকলো তাহলে আর প্রফেশানটার বাকি কী থাকলো!!

Dr. Subhanshu Pal April 20, 2026

An Initiative of Swasthyer Britto society

আমাদের লক্ষ্য সবার জন্য স্বাস্থ্য আর সবার জন্য চিকিৎসা পরিষেবা। আমাদের আশা, এই লক্ষ্যে ডাক্তার, স্বাস্থ্যকর্মী, রোগী ও আপামর মানুষ, স্বাস্থ্য ব্যবস্থার সমস্ত স্টেক হোল্ডারদের আলোচনা ও কর্মকাণ্ডের একটি মঞ্চ হয়ে উঠবে ডক্টরস ডায়ালগ।

Contact Us

Editorial Committee:
Dr. Punyabrata Gun
Dr. Jayanta Das
Dr. Chinmay Nath
Dr. Indranil Saha
Dr. Aindril Bhowmik
Executive Editor: Piyali Dey Biswas

Address: 

Shramajibi Swasthya Udyog
HA 44, Salt Lake, Sector-3, Kolkata-700097

Leave an audio message

নীচে Justori র মাধ্যমে আমাদের সদস্য হন  – নিজে বলুন আপনার প্রশ্ন, মতামত – সরাসরি উত্তর পান ডাক্তারের কাছ থেকে

Total Visitor

618613
Share on facebook
Share on google
Share on twitter
Share on linkedin

Copyright © 2019 by Doctors’ Dialogue

wpDiscuz

আমাদের লক্ষ্য সবার জন্য স্বাস্থ্য আর সবার জন্য চিকিৎসা পরিষেবা। আমাদের আশা, এই লক্ষ্যে ডাক্তার, স্বাস্থ্যকর্মী, রোগী ও আপামর মানুষ, স্বাস্থ্য ব্যবস্থার সমস্ত স্টেক হোল্ডারদের আলোচনা ও কর্মকাণ্ডের একটি মঞ্চ হয়ে উঠবে ডক্টরস ডায়ালগ।

[wppb-register]