Skip to content
Facebook Twitter Google-plus Youtube Microphone
  • Home
  • About Us
  • Contact Us
Menu
  • Home
  • About Us
  • Contact Us
Swasthyer Britte Archive
Search
Generic filters
  • আরোগ্যের সন্ধানে
  • ডক্টর অন কল
  • ছবিতে চিকিৎসা
  • মা ও শিশু
  • মন নিয়ে
  • ডক্টরস’ ডায়ালগ
  • ঘরোয়া চিকিৎসা
  • শরীর যখন সম্পদ
  • ডক্টর’স ডায়েরি
  • স্বাস্থ্য আন্দোলন
  • সরকারি কড়চা
  • বাংলার মুখ
  • বহির্বিশ্ব
  • তাহাদের কথা
  • অন্ধকারের উৎস হতে
  • সম্পাদকীয়
  • ইতিহাসের সরণি
Menu
  • আরোগ্যের সন্ধানে
  • ডক্টর অন কল
  • ছবিতে চিকিৎসা
  • মা ও শিশু
  • মন নিয়ে
  • ডক্টরস’ ডায়ালগ
  • ঘরোয়া চিকিৎসা
  • শরীর যখন সম্পদ
  • ডক্টর’স ডায়েরি
  • স্বাস্থ্য আন্দোলন
  • সরকারি কড়চা
  • বাংলার মুখ
  • বহির্বিশ্ব
  • তাহাদের কথা
  • অন্ধকারের উৎস হতে
  • সম্পাদকীয়
  • ইতিহাসের সরণি
  • আরোগ্যের সন্ধানে
  • ডক্টর অন কল
  • ছবিতে চিকিৎসা
  • মা ও শিশু
  • মন নিয়ে
  • ডক্টরস’ ডায়ালগ
  • ঘরোয়া চিকিৎসা
  • শরীর যখন সম্পদ
  • ডক্টর’স ডায়েরি
  • স্বাস্থ্য আন্দোলন
  • সরকারি কড়চা
  • বাংলার মুখ
  • বহির্বিশ্ব
  • তাহাদের কথা
  • অন্ধকারের উৎস হতে
  • সম্পাদকীয়
  • ইতিহাসের সরণি
Menu
  • আরোগ্যের সন্ধানে
  • ডক্টর অন কল
  • ছবিতে চিকিৎসা
  • মা ও শিশু
  • মন নিয়ে
  • ডক্টরস’ ডায়ালগ
  • ঘরোয়া চিকিৎসা
  • শরীর যখন সম্পদ
  • ডক্টর’স ডায়েরি
  • স্বাস্থ্য আন্দোলন
  • সরকারি কড়চা
  • বাংলার মুখ
  • বহির্বিশ্ব
  • তাহাদের কথা
  • অন্ধকারের উৎস হতে
  • সম্পাদকীয়
  • ইতিহাসের সরণি
Search
Generic filters

ডা. নন্দ ঘোষের চেম্বারঃ বাজারের থলিতে ইমিউনিটি

IMG-20200131-WA0031
Dr. Soumyakanti Panda

Dr. Soumyakanti Panda

Paediatrician
My Other Posts
  • February 7, 2020
  • 9:28 am
  • 3 Comments

ডা. ঘোষ প্রেসক্রিপশনে গোটা গোটা করে লিখলেন, “নো মেডিসিন নিডেড। টেক প্লেনটি অফ ফ্রুটস অ্যান্ড ভেজিটেবলস্। রুটিন কেয়ার।”

মিস্টার মিত্রের মুখ দেখেই বোঝা যাচ্ছিলো তিনি ঠিক খুশি নন।

– কিন্তু ডক্টর, ও তো বেশ দুর্বল হয়ে পড়েছে। অন্তত ইমিউনিটি বাড়ানোর কিছু ওষুধ দিন।

– আপনার কেন মনে হচ্ছে ওর ইমিউনিটি কমে গেছে?

– এই মাসখানেক আগেই হাঁচি-কাশি হচ্ছিলো। এ মাসে আবার.. ওর নিশ্চয়ই ইমিউনিটি দুর্বল হয়ে পড়েছে। আপনি তো আবার *রলিক্স-*মপ্ল্যান দিতেও বারণ করেন। এভাবে চললে তো..

– বেশ। তাহলে আপনাকে ইমিউনিটির গল্পটা ছোট্ট করে বলি। তারপর, আপনার কথা আমি মেনে নেবো।

আমরাও সবাই কান খাড়া করে ফেললাম। স্যারের এই গল্পগুলোর জন্য আমরাও মুখিয়ে থাকি। অল্প চিনি আর আদা দেওয়া লিকার চায়ে চুমুক দিয়ে স্যার বলতে শুরু করলেন- মোদ্দা কথাটা হ’ল প্রতিরোধ। যখনই শরীর বাইরের কোনও ক্ষতিকর জিনিসের খোঁজ পায় তখনই ইমিউন সিস্টেম বা অনাক্রম্যতা সক্রিয় হয়ে ওঠে আর ক্ষতিকর জিনিসটাকে ধ্বংস করে ফেলতে চায়। আবার মাঝে মাঝে ক্ষতিকর জিনিস চিনতে ভুলও হয়ে যায়। তখন নিজের শরীরের সাথে ‘ছায়াযুদ্ধ’ শুরু করে অনাক্রম্য তন্ত্র। সে আরেক কান্ড!! তখন আবার জোর করে ইমিউনিটির কান টেনে ধরতে হয়। ইমিউনিটির পুরো ব্যাপারটা বড্ড গোলমেলে। বড্ড জটিল আর কঠিন।

– সব তো মাথার ওপর দিয়ে যাচ্ছে। আরেকটু সোজা করে বলুন।

– তাহলে উদাহরণ দিয়ে বোঝাই। এই যেমন ধরুন চামড়ার আবরণ। এটা বাইরের জীবাণুকে শরীরের ভেতরেই আসা আটকায়। আবার ধরুন, পাকস্থলীর অ্যাসিড। সেও কিন্তু, পেটের জীবাণুদের মেরে ফেলে। ঠিক সেজন্যই গ্যাসের ওষুধের নাম করে প্রেসক্রিপশন ছাড়াই অসংখ্য অ্যাসিড কমানোর ওষুধ খেয়ে গেলে আপনার ইমিউনিটির বারোটা বাজতে পারে। তাহলে, কী বুঝলেন? অ্যাসিড মানেই আঁতকে ওঠার কিছু নেই। খাদ্য হজম করা থেকে রোগ প্রতিরোধে এর অনেক ভূমিকা আছে। অবশ্য, যে কোনও কিছুরই বাড়াবাড়ি হলে মুশকিল।

– ও, তাই নাকি? তাহলে চোঁয়া ঢেকুর উঠলে *নট্যাক খাবো না বলছেন?

– খাবেন। নিশ্চয়ই খাবেন। তবে খাওয়ার দরকার আছে কিনা সেটা ডাক্তারের পরামর্শ নিয়ে খাবেন। যাক গে, যে কথা বলছিলাম.. রক্তরসের বিভিন্ন প্রোটিন, অ্যান্টিবডি, রক্তকোষ এসব বিভিন্ন জিনিস ইমিউনিটি গড়ে তুলতে কাজে লাগে। বেশ কিছু ইমিউনিটি আমরা মায়ের শরীর থেকে জন্মসূত্রে পাই। আবার রোগের পর কিংবা টিকাকরণের মাধ্যমে বেশ কিছু ইমিউনিটি শরীরে আসে। বেশ কিছু ইমিউনিটির ‘স্মৃতিশক্তি’ খুব প্রখর। তারা ঠিক জীবাণুদের মনে রেখে দেয়। ভবিষ্যতে কখনও সেই জীবাণু ইমিউনিটির দুর্গের কাছাকাছি এলেই পুরো এক কোপে ঘ্যাচাং ফু!!

– না, মানে ডক্টর.. তাহলে ইমিউনিটি কমে যাওয়ার ব্যাপারটা কী?

– এটা মূলত দু’রকম। একটা জন্মগত অনাক্রম্যতার অভাব। আরেকটা জন্মের পর বিভিন্ন কারণে হয়। পরেরটাই বেশি হয়। এইচ.আই.ভি সংক্রমণ, মারাত্মক হাম বা ক্যান্সারসহ অন্যান্য খারাপ রোগ, অপুষ্টি, পেচ্ছাব দিয়ে প্রোটিন বেরিয়ে যাওয়ার রোগ, বাজে ভাবে পুড়ে যাওয়া, স্টেরয়েড জাতীয় বিভিন্ন ওষুধ ইত্যাদি শরীরের ইমিউনিটি কমিয়ে দিতে পারে।

– তাহলে কীভাবে বুঝবো ইমিউনিটি কমে যাচ্ছে?

– বছরে চার বারের বেশি নতুন ইনফেকশন, দুবারের বেশি সাইনাসের ইনফেকশন বা নিউমোনিয়া, দু’মাস অ্যান্টিবায়োটিক খেয়েও সংক্রমণ না কমা, বারবার চামড়ার গভীরে, অভ্যন্তরীণ অঙ্গের মধ্যে ইনফেকশন, এক বছরের বেশি বয়সে মুখে ছত্রাকঘটিত ঘা, বারবার শিরায় ইঞ্জেকশন দেওয়ার প্রয়োজন হওয়া, মাথার ইনফেকশন, বাড়িতে রক্ত সম্পর্কের কারো ইমিউনিটির রোগ থাকা, সঠিক পুষ্টি ও বৃদ্ধি ব্যাহত হওয়া ইত্যাদি, দেখলে সতর্ক হতে হবে। অবশ্য পুষ্টি ও বৃদ্ধি ঠিক হচ্ছে কিনা সেটা চিকিৎসকই ঠিক করবেন। নইলে পৃথিবীতে ৯৯% বাবা-মায়েরই মনে হয়, ‘বাচ্চার ওজন বাড়ছে না, বাচ্চা কিচ্ছু খাচ্ছে না!!’

– ও আচ্ছা। না, আমাদের তিয়াসের এরকম কোনও সমস্যা নেই।

– সেজন্যই তো বলছি, সামান্য হাঁচি-কাশির জন্য তিয়াসের ইমিউনিটি কমে গেছে বলে ভাবার কোনও কারণ নেই। আর যদি কারও ইমিউনিটি কমে গেছে বলে আমরা সন্দেহ করি তখন রক্তের অ্যান্টিবডি, বিশেষ উৎসেচক সহ বেশ কিছু পরীক্ষা, চামড়ার পরীক্ষা, এইচ.আই.ভি. সেরোলজি, বুকের ছবি, ইত্যাদি পরীক্ষা করতে হতে পারে।

– যাক বাবা, আপনি যখন বলছেন ইমিউনিটির সমস্যা নেই, আমরা নিশ্চিন্ত। আচ্ছা, একটা কথা বলবো স্যার?

– তাহলে যে ইমিউনিটি বাড়ানোর এত ওষুধ, জড়িবুটি, পুরিয়া বিক্রি হয় সেগুলোর কোনও দাম নেই?

– না। এভাবে ইমিউনিটি বাড়ে বলে কোনও প্রমাণ নেই। বাজারে এরকম অনেক অবৈজ্ঞানিক ওষুধ পাওয়া যায় যাদের সাথে গুড়জলের কোনও তফাত নেই। যাদের সত্যিই ইমিউনিটির রোগ আছে তাদের শিরার মধ্যে অ্যান্টিবডি দেওয়া, স্টেম সেল ট্রান্সপ্ল্যান্টেশন, প্রয়োজনীয় অ্যান্টিবায়োটিক বা ছত্রাকনাশক ওষুধ প্রয়োগ ইত্যাদির মাধ্যমে চিকিৎসা করা হয়। এছাড়া বিশেষ কোনও রোগের ক্ষেত্রে সংশ্লিষ্ট রোগটির জন্য প্রয়োজনীয় চিকিৎসা লাগবে।

– আসলে স্যার, আমার কলিগদের বাচ্চারা সবাই রোজ ইমিউনিটি বাড়ানোর ওষুধ খায়। তাই আমিও ভাবলাম..

– রোজ সুষম আহার, ঘুম, পরিমিত ব্যায়াম, পরিচ্ছন্নতা, সম্পূর্ণ টিকাকরণ.. এই ব্যাপারগুলোর দিকে নজর রাখুন। ইমিউনিটি এমনিতেই বজায় থাকবে।

– আপনার কাছে না এলে জানতেই পারতাম না। শুধু শুধু ইমিউনিটি বাড়ানোর ওষুধ খাইয়ে যেতাম..

ডা. ঘোষ চুপ করে সিলিংয়ের দিকে অর্থপূর্ণ দৃষ্টিতে তাকিয়ে থাকেন…

 

PrevPreviousকরোনা ভাইরাস সংক্রমণ প্রতিরোধ করুন।
Nextডাক্তার যখন গোয়েন্দাNext
0 0 votes
Article Rating
Subscribe
Notify of
guest
guest
3 Comments
Oldest
Newest Most Voted
Inline Feedbacks
View all comments
ARKA BAIRAGYA
ARKA BAIRAGYA
6 years ago

Darun!

0
Reply
আশিস্ গোপাল মজুমদার
আশিস্ গোপাল মজুমদার
6 years ago

বাজার করার সময় কী কী কেনা দরকার তার একটা তালিকা দিন । আজকাল মাছের বদলে ব্রয়লার মুরগির আদর ঘরে ঘরে । ছেলে-মেয়েরা শাকপাতা , লাউ-কুমড়ো , মূলো , গাজর , পেঁপে , শিম, সজনে-ডাঁটা ইত্যাদি খেতেই চায়না ……। অত: কিম !

0
Reply
Sajal Kumar Sur
Sajal Kumar Sur
6 years ago

আমার অভিমত বাচ্ছা দের খাবার Platable হতে হবে, না হলে ওরা খেতে চায় না, মেনুতে সব্জি রাখতে হবে না হলে, ছোট থেকে অভ্যাস হবে না.

0
Reply

সম্পর্কিত পোস্ট

এই আন্দোলন অনেক কিছু দিয়ে গেলো…….

July 31, 2026 No Comments

ইংল্যান্ডে থাকা আমাদের দেশের এক ছেলে, মুম্বাই থেকে তার বাবা- মা কে যন্তরমন্তরে পাঠিয়েছেন এই বলে, “বাবা, তুমি আমার হয়ে পুলিশের কাছে একটা ডান্ডা খেয়ে

প্রতিবাদের অধিকার হরণের প্রচেষ্টা বর্ধমান মেডিক্যাল কলেজে

July 31, 2026 No Comments

২৯ জুলাই, ২০২৬ ২৪ জুলাই ২০২৬ বর্ধমান মেডিক্যাল কলেজের অধ্যক্ষ একটি ‘উপদেশ’ জারি করেছেন (মেমো নম্বর BMC/2192) তাঁর নিজস্ব প্রশাসনিক আওতাভুক্ত কলেজ, ছাত্রাবাস, হাসপাতাল, হাসপাতালের

আ জা দি

July 31, 2026 No Comments

আ -য়ে আক্রমণ, আ-য়ে আগ্নেয়াস্ত্র, আ -তে আর্তনাদ, আতংক, আশঙ্কা, আততায়ী, সবই বড় ভয়ানক আ। অমন আ’দের মুখে আগুন জ্বেলে, আকাশের মতো অন্য আ’দের চাই,

প্রতিরোধের অগ্নিশিখায় জ্বালবো নতুন আলো …..

July 30, 2026 9 Comments

সাত সকালে ইউ টিউবে ভেসে আসা ছবিটা দেখে রীতিমতো আতঙ্কিত হয়েছিলাম। আপনাদের‌ও নিশ্চয়ই চোখে পড়েছে অমন চমকদার দৃশ্যখানি – সারসার মহিলার দেহ শোয়ানো রয়েছে চিতার

তুমিও হেঁটে দেখো কলকাতা

July 30, 2026 No Comments

গত ২৪শে জুলাই শহর কলকাতায় এক রূপকথার জন্ম হল। পড়ন্ত সূর্যের মায়াবি আলোয় লাখো মানুষের মিছিলে জ্বলে উঠল হাজার আশার ঝাড়বাতি। এই রূপকথার নির্মাণ যারা

সাম্প্রতিক পোস্ট

এই আন্দোলন অনেক কিছু দিয়ে গেলো…….

Sukalyan Bhattacharya July 31, 2026

প্রতিবাদের অধিকার হরণের প্রচেষ্টা বর্ধমান মেডিক্যাল কলেজে

The Joint Platform of Doctors West Bengal July 31, 2026

আ জা দি

Arya Tirtha July 31, 2026

প্রতিরোধের অগ্নিশিখায় জ্বালবো নতুন আলো …..

Somnath Mukhopadhyay July 30, 2026

তুমিও হেঁটে দেখো কলকাতা

Gopa Mukherjee July 30, 2026

An Initiative of Swasthyer Britto society

আমাদের লক্ষ্য সবার জন্য স্বাস্থ্য আর সবার জন্য চিকিৎসা পরিষেবা। আমাদের আশা, এই লক্ষ্যে ডাক্তার, স্বাস্থ্যকর্মী, রোগী ও আপামর মানুষ, স্বাস্থ্য ব্যবস্থার সমস্ত স্টেক হোল্ডারদের আলোচনা ও কর্মকাণ্ডের একটি মঞ্চ হয়ে উঠবে ডক্টরস ডায়ালগ।

Contact Us

Editorial Committee:
Dr. Punyabrata Gun
Dr. Jayanta Das
Dr. Chinmay Nath
Dr. Indranil Saha
Dr. Aindril Bhowmik
Executive Editor: Piyali Dey Biswas

Address: 

Shramajibi Swasthya Udyog
HA 44, Salt Lake, Sector-3, Kolkata-700097

Leave an audio message

নীচে Justori র মাধ্যমে আমাদের সদস্য হন  – নিজে বলুন আপনার প্রশ্ন, মতামত – সরাসরি উত্তর পান ডাক্তারের কাছ থেকে

Total Visitor

656837
Share on facebook
Share on google
Share on twitter
Share on linkedin

Copyright © 2019 by Doctors’ Dialogue

wpDiscuz

আমাদের লক্ষ্য সবার জন্য স্বাস্থ্য আর সবার জন্য চিকিৎসা পরিষেবা। আমাদের আশা, এই লক্ষ্যে ডাক্তার, স্বাস্থ্যকর্মী, রোগী ও আপামর মানুষ, স্বাস্থ্য ব্যবস্থার সমস্ত স্টেক হোল্ডারদের আলোচনা ও কর্মকাণ্ডের একটি মঞ্চ হয়ে উঠবে ডক্টরস ডায়ালগ।

[wppb-register]