Skip to content
Facebook Twitter Google-plus Youtube Microphone
  • Home
  • About Us
  • Contact Us
Menu
  • Home
  • About Us
  • Contact Us
Swasthyer Britte Archive
Search
Generic filters
  • আরোগ্যের সন্ধানে
  • ডক্টর অন কল
  • ছবিতে চিকিৎসা
  • মা ও শিশু
  • মন নিয়ে
  • ডক্টরস’ ডায়ালগ
  • ঘরোয়া চিকিৎসা
  • শরীর যখন সম্পদ
  • ডক্টর’স ডায়েরি
  • স্বাস্থ্য আন্দোলন
  • সরকারি কড়চা
  • বাংলার মুখ
  • বহির্বিশ্ব
  • তাহাদের কথা
  • অন্ধকারের উৎস হতে
  • সম্পাদকীয়
  • ইতিহাসের সরণি
Menu
  • আরোগ্যের সন্ধানে
  • ডক্টর অন কল
  • ছবিতে চিকিৎসা
  • মা ও শিশু
  • মন নিয়ে
  • ডক্টরস’ ডায়ালগ
  • ঘরোয়া চিকিৎসা
  • শরীর যখন সম্পদ
  • ডক্টর’স ডায়েরি
  • স্বাস্থ্য আন্দোলন
  • সরকারি কড়চা
  • বাংলার মুখ
  • বহির্বিশ্ব
  • তাহাদের কথা
  • অন্ধকারের উৎস হতে
  • সম্পাদকীয়
  • ইতিহাসের সরণি
  • আরোগ্যের সন্ধানে
  • ডক্টর অন কল
  • ছবিতে চিকিৎসা
  • মা ও শিশু
  • মন নিয়ে
  • ডক্টরস’ ডায়ালগ
  • ঘরোয়া চিকিৎসা
  • শরীর যখন সম্পদ
  • ডক্টর’স ডায়েরি
  • স্বাস্থ্য আন্দোলন
  • সরকারি কড়চা
  • বাংলার মুখ
  • বহির্বিশ্ব
  • তাহাদের কথা
  • অন্ধকারের উৎস হতে
  • সম্পাদকীয়
  • ইতিহাসের সরণি
Menu
  • আরোগ্যের সন্ধানে
  • ডক্টর অন কল
  • ছবিতে চিকিৎসা
  • মা ও শিশু
  • মন নিয়ে
  • ডক্টরস’ ডায়ালগ
  • ঘরোয়া চিকিৎসা
  • শরীর যখন সম্পদ
  • ডক্টর’স ডায়েরি
  • স্বাস্থ্য আন্দোলন
  • সরকারি কড়চা
  • বাংলার মুখ
  • বহির্বিশ্ব
  • তাহাদের কথা
  • অন্ধকারের উৎস হতে
  • সম্পাদকীয়
  • ইতিহাসের সরণি
Search
Generic filters

নিঃসঙ্গ বার্ধক্যের অপেক্ষায়

292287522_3227290420931647_3329361374095639250_n
Dr. Bishan Basu

Dr. Bishan Basu

Cancer specialist
My Other Posts
  • July 7, 2022
  • 7:51 am
  • No Comments

২০১৭ সালে নিউ ইয়র্ক টাইমস-এ প্রকাশিত একটি প্রতিবেদন পড়ছিলাম। জাপানে বৃদ্ধদের নিঃসঙ্গ মৃত্যুর ঘটনা নিয়ে। জাপানে পরিবার ব্যাপারটা অতি গুরুত্বপূর্ণ, কিন্তু পশ্চিমা ঢেউ এসে পরিস্থিতি বদলেছে। অতএব জাপানে বৃদ্ধদের একাকিত্ব ও নিঃসঙ্গ মৃত্যু বিরল নয়। প্রতিবেদন অনুসারে, সেদেশে প্রতি সপ্তাহে এমন মৃত্যুর সংখ্যা গড়ে প্রায় চার হাজার।

উল্লেখিত প্রতিবেদন টোকিওর উপকণ্ঠে অতিকায় এক হাউজিং কমপ্লেক্সের জীবন নিয়ে। আক্ষরিক অর্থেই অতিকায় হাউজিং। কয়েক হাজার ফ্ল্যাট সেখানে। ১৯৬০-এর দশকে, দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের পর, জাপানের অর্থনীতি যখন তরতর করে এগোচ্ছিল, তখন তৈরি হয় এমন হাউজিং। একাধিক। আর্থিকভাবে উচ্চবিত্ত কিংবা উচ্চ-মধ্যবিত্তরাই থাকতে পারতেন শুধু। ভাড়ার অন্তত সাড়ে পাঁচগুণ মাইনে না পেলে ফ্ল্যাটের আবেদনই করা যেত না। উজ্জ্বল ও বিত্তবান তরুণ-তরুণীদের প্রজন্ম, যারা ভাঙাচোরা এক দেশকে পৌঁছে দেবে অর্থনৈতিক সাফল্যের শিখরে, তাঁদের জন্যই এমন আবাসন। প্রতি ফ্ল্যাটে ফ্রিজ-টিভি-ওয়াশিং মেশিন, রান্নাঘর প্রথাগত জাপানি বাড়ির মতো পেছনে না থেকে ফ্ল্যাটের মাঝখানে, সেখানে ঝকঝকে স্টেনলেস স্টিলের সিঙ্ক – সে এক ঝলমলে জীবন। যথাসময়ে আবাসনের চকচকে বাসিন্দাদের জীবনে সন্তান-সন্ততি আসে – মাঠ সুইমিং পুল ভরে ওঠে ফুটফুটে বাচ্চাদের হাসি-আনন্দ-দুষ্টুমিতে। প্রাণোচ্ছল ও রঙীন এক জীবনের ছবি। শুধু যদি ছবিটা এরকমই থেকে যেত!

সময়ের সঙ্গে সঙ্গে ‘আর্থিক বৃদ্ধি’ শ্লথগতি হয়। আর যেহেতু সবকিছু ছেড়ে অর্থনৈতিক উন্নতি আর পশ্চিমানুসারী জীবনযাপনকেই সাফল্যের চূড়ান্ত মাপকাঠি ধরা হয়েছিল, সেই বৃদ্ধির হার হ্রাস পেতে থাকলে আর কিছুই হাতে থাকে না। সাফল্যের পিছনে বন্ধুহীন দৌড় যখন ব্যর্থ হয়, পড়ে থাকে শুধু একাকিত্ব, থাকে শুধু নিঃসঙ্গতা…

আবাসনের ঘরে মরে পড়ে থাকেন নিঃসঙ্গ বৃদ্ধ বা বৃদ্ধা। মরাপচা দুর্গন্ধ নিকটবর্তী ফ্ল্যাটে না পৌঁছানো অব্দি কেউই খবর পায় না। অনেকসময় তো তাহলেও পায় না। একটি ঘটনায় যেমন, মৃতদেহ আবিষ্কার হয় যখন, তখন তা আর দেহ নেই, কঙ্কাল মাত্র। রান্নাঘরে বেসিনের সামনে মুখ থুবড়ে পড়ে থাকা এক কঙ্কাল, আর তার সঙ্গে মিলেমিশে থাকা কিছু পোকামাকড়। জানা যায়, মানুষটা মারা গিয়েছেন প্রায় বছরতিনেক আগেই। ব্যাঙ্কের আমানত থেকে বিভিন্ন বিল মেটানো হতো অটো-পে পদ্ধতিতে। সেই আমানত শূন্য হয়ে বিল বকেয়া না হলে, কে জানে, কবে কেউ খবর পেত মানুষটার! আরও আশ্চর্য, কয়েক দশক সেই আবাসনের বাসিন্দা হওয়া সত্ত্বেও কেউই চিনতেন না তাঁকে।

যাঁরা বেঁচে আছেন – বেঁচে থেকে মৃত্যুর অপেক্ষায় দিন গুণছেন – বা, নিঃসঙ্গ মৃত্যুর আতঙ্কে ভুগছেন – তাঁদের বেঁচে থাকাটাও অকল্পনীয়। যেমন, নব্বইয়ের কোঠায় পৌঁছে যাওয়া এক ভদ্রমহিলা আরেক ফ্ল্যাটের বাসিন্দাকে দায়িত্ব দিয়েছেন শুধু তাঁর ফ্ল্যাটের জানালাটুকুর দিকে লক্ষ রাখার। কেননা, তিনি রোজ রাত্তিরে জানালার পর্দা টেনে দেন আর সকালে উঠেই সেই পর্দা সরিয়ে দেন – যদি কোনও সকালে দেখা যায় যে পর্দা টানা রয়েছে, তার অর্থ…। নিয়মিত নিঃসঙ্গ মৃত্যুর ঘটনায় উৎকণ্ঠিত হয়ে কয়েকজন মিলে অসুস্থ ও আশঙ্কাজনক অবস্থার বৃদ্ধ-বৃদ্ধারা বেঁচে আছেন কিনা তার খেয়াল রাখেন। না, ভালো আছেন কিনা, তার খেয়াল রাখা নয় – স্রেফ বাসিন্দা বেঁচে আছেন নাকি মরে গেছেন, তাঁদের কাজ সেটুকু জানা। ফ্ল্যাটের দরজা দিয়ে মল-মূত্র-জমে থাকা আবর্জনার দুর্গন্ধ এলে তাঁরা স্বস্তিবোধ করেন, কেননা এসবই প্রাণের চিহ্ন। অন্তত মরা পচার দুর্গন্ধ তো নয়…

পড়তে পড়তেই কেমন একটা আতঙ্ক বোধ করছিলাম। আমাদের শহরের আবাসনগুলোর ভবিষ্যতও কি এইরকম নয়? অন্তত আমরা যদি এখনই সচেতন না হই, তাহলে? সাফল্য ও স্বাচ্ছন্দ্যের মাপকাঠিগুলো এতখানিই পশ্চিমের তারে বাঁধা হয়ে গিয়েছে, আমাদের সাবেকি সামাজিক জীবন আপাতত শুধুই স্মৃতি আর নস্ট্যালজিয়া। উদয়াস্ত অর্থোপার্জনের পেছনে দৌড়ানোর শেষে মদ-মোচ্ছবে উইকএন্ড আনওয়াইন্ডিং হতে পারে, হাতে হাত রাখার বন্ধু মেলা দুষ্কর। একমুখী উন্নতির স্বপ্নে বড় হওয়া পরবর্তী প্রজন্ম ইঁদুর-দৌড়ে সামিল – কতটুকু সুযোগ বাকিদের খবর রাখার!! রাখতে চাইলেও কতটুকু সম্ভব, যখন উচ্চশিক্ষান্তে কাজের সুযোগ এই রাজ্যে অমিল, ক্রমশ দেশেও?

আমাদের বার্ধক্য ক্রমশ অতি সঙ্কটময়। আমাদের বলতে সবারই। সমাজের বিপুল অংশের মানুষের ন্যূনতম সামাজিক সুরক্ষার বন্দোবস্ত নেই। যাঁরা শারীরিক শ্রম দিয়ে আয় করেন, বার্ধক্যে তাঁরা কী করবেন? তাঁদের চাইতে আরেকটু ভালো অবস্থায় যাঁরা, অর্থাৎ যাঁদের ব্যাঙ্ক কিছু আমানত রয়েছে, ক্রমহ্রসমান সুদ ও ক্রমবর্ধমান মূল্যের বাজারে তাঁরাই বা কেমন রয়েছেন? বা থাকবেন? আর মধ্যবিত্ত? এমনকি উচ্চ-মধ্যবিত্ত? অর্থ নয়, কীর্তি নয়, স্বচ্ছলতা নয় – অতি বার্ধক্যে মানুষ চান একটু সান্নিধ্য। তা জুটছে কি? জুটবে কি? বয়স্ক মানুষ উৎপাদক নন, গুছিয়ে কেনাকাটা করার মতো উপভোক্তাও নন। কাজেই সরকার বা বাজার কেউই তাঁদের কথা ভাববেন না। ভবিষ্যৎ বার্ধক্যের কথা মনে রাখলে ভাবতে হবে নিজেদেরই। বৃহত্তর স্বার্থে না হোক, অন্তত নিজেদের স্বার্থেই। সাফল্যের লোভে দৌড়ে চলার মাঝে একটু থমকে দাঁড়াতে পারলে – ভবিষ্যত বলতে শুধুই আরও ভালো গাড়ি আরও বড় বাড়ি আরও এক্সোটিক হলিডে ডেস্টিনেশন নয়, ভবিষ্যৎ বলতে বুড়ো হওয়া, ভবিষ্যৎ বলতে নির্ভরশীল হওয়া, এটুকু বুঝতে পারলে – ‘আয় আরও বেঁধে বেঁধে থাকি’ কথাটিকে কোনও মহৎ আদর্শ হিসেবে নয়, স্রেফ নিজের ও নিজেদের ভালো থাকার জন্যই অত্যন্ত জরুরি ভাবনা হিসেবে দেখা যেতে পারে। ভাববেন কি?

PrevPreviousকোভিড নামচা
Nextউবুন্টুNext
0 0 votes
Article Rating
Subscribe
Notify of
guest
guest
0 Comments
Inline Feedbacks
View all comments

সম্পর্কিত পোস্ট

বাদাবনে বাঘে–মানুষে সংঘাত: প্রশমনের সন্ধানে

August 2, 2026 No Comments

প্রতিবেদকের সামান্য কথাঃ পড়াশুনার সময় পড়াশুনা করা হল না। অনিশ্চিত জীবন ছেড়ে অনেক বিলম্বে কর্মজীবনে প্রবেশ। চাকরির সুবাদে জেলা থেকে জেলান্তর। উত্তর, দক্ষিণ ও রাঢ়

একটি বিদ্যামন্দির তথা স্কুলের রাজনৈতিক চিঠি

August 2, 2026 No Comments

(এই চিঠিটি দেওয়া হয়েছে ৩০ জুলাই ২০২৬-এ) রায়গঞ্জের নামী স্কুল সারদা বিদ্যা মন্দির (বাংলা মিডিয়াম) স্কুলের তরফে এই চিঠিটি দেওয়া হয়েছে – “বিদ্যালয়ের আচার্য-আচার্যা, প্রাক্তন

দুই পাগলের গপ্পো – দ্বিতীয় পর্ব

August 2, 2026 No Comments

আজ যে পাগলের কথা বলবো তিনি সত্যিই এক আজব পাগল। জন্মসূত্রে ভারতীয় নন, তবে তাঁর কাণ্ডকারখানা এই ভারতের মাটিকে ঘিরে। ইনি হলেন ক্যারন রন্সলে (

ভবিষ্যতই বলবে, এটা masterstroke ছিল না beginning of the end!!

August 1, 2026 No Comments

সত‍্যিই অভাবনীয়। কিন্তু যদি ভেবে থাকেন এটা সরকারের বিরাট পরাজয়, খুব ভুল করবেন। দাবা খেলায় যেমন দরকারে কোনো বড় পিসও sacrifice করা হয়, ধরে নিন

হাসপাতালে নিরাপদ, ভয়হীন কাজের পরিবেশের জন্য সরকার দায়বদ্ধ হোক

August 1, 2026 No Comments

কর্মক্ষেত্রে নিরাপত্তা, ভয়হীন কাজের পরিবেশ অভয়া আন্দোলনের এক গুরুত্বপূর্ণ দাবি। বিগত বছরগুলোতে আমরা দেখেছি বারবার নিজেদের কর্মক্ষেত্রে, হাসপাতালে নিগৃহীত হতে হয়েছে চিকিৎসক – নার্স –

সাম্প্রতিক পোস্ট

বাদাবনে বাঘে–মানুষে সংঘাত: প্রশমনের সন্ধানে

Bappaditya Roy August 2, 2026

একটি বিদ্যামন্দির তথা স্কুলের রাজনৈতিক চিঠি

Dr. Jayanta Bhattacharya August 2, 2026

দুই পাগলের গপ্পো – দ্বিতীয় পর্ব

Somnath Mukhopadhyay August 2, 2026

ভবিষ্যতই বলবে, এটা masterstroke ছিল না beginning of the end!!

Dr. Amit Pan August 1, 2026

হাসপাতালে নিরাপদ, ভয়হীন কাজের পরিবেশের জন্য সরকার দায়বদ্ধ হোক

West Bengal Junior Doctors Front August 1, 2026

An Initiative of Swasthyer Britto society

আমাদের লক্ষ্য সবার জন্য স্বাস্থ্য আর সবার জন্য চিকিৎসা পরিষেবা। আমাদের আশা, এই লক্ষ্যে ডাক্তার, স্বাস্থ্যকর্মী, রোগী ও আপামর মানুষ, স্বাস্থ্য ব্যবস্থার সমস্ত স্টেক হোল্ডারদের আলোচনা ও কর্মকাণ্ডের একটি মঞ্চ হয়ে উঠবে ডক্টরস ডায়ালগ।

Contact Us

Editorial Committee:
Dr. Punyabrata Gun
Dr. Jayanta Das
Dr. Chinmay Nath
Dr. Indranil Saha
Dr. Aindril Bhowmik
Executive Editor: Piyali Dey Biswas

Address: 

Shramajibi Swasthya Udyog
HA 44, Salt Lake, Sector-3, Kolkata-700097

Leave an audio message

নীচে Justori র মাধ্যমে আমাদের সদস্য হন  – নিজে বলুন আপনার প্রশ্ন, মতামত – সরাসরি উত্তর পান ডাক্তারের কাছ থেকে

Total Visitor

657431
Share on facebook
Share on google
Share on twitter
Share on linkedin

Copyright © 2019 by Doctors’ Dialogue

wpDiscuz

আমাদের লক্ষ্য সবার জন্য স্বাস্থ্য আর সবার জন্য চিকিৎসা পরিষেবা। আমাদের আশা, এই লক্ষ্যে ডাক্তার, স্বাস্থ্যকর্মী, রোগী ও আপামর মানুষ, স্বাস্থ্য ব্যবস্থার সমস্ত স্টেক হোল্ডারদের আলোচনা ও কর্মকাণ্ডের একটি মঞ্চ হয়ে উঠবে ডক্টরস ডায়ালগ।

[wppb-register]