Skip to content
Facebook Twitter Google-plus Youtube Microphone
  • Home
  • About Us
  • Contact Us
Menu
  • Home
  • About Us
  • Contact Us
Swasthyer Britte Archive
Search
Generic filters
  • আরোগ্যের সন্ধানে
  • ডক্টর অন কল
  • ছবিতে চিকিৎসা
  • মা ও শিশু
  • মন নিয়ে
  • ডক্টরস’ ডায়ালগ
  • ঘরোয়া চিকিৎসা
  • শরীর যখন সম্পদ
  • ডক্টর’স ডায়েরি
  • স্বাস্থ্য আন্দোলন
  • সরকারি কড়চা
  • বাংলার মুখ
  • বহির্বিশ্ব
  • তাহাদের কথা
  • অন্ধকারের উৎস হতে
  • সম্পাদকীয়
  • ইতিহাসের সরণি
Menu
  • আরোগ্যের সন্ধানে
  • ডক্টর অন কল
  • ছবিতে চিকিৎসা
  • মা ও শিশু
  • মন নিয়ে
  • ডক্টরস’ ডায়ালগ
  • ঘরোয়া চিকিৎসা
  • শরীর যখন সম্পদ
  • ডক্টর’স ডায়েরি
  • স্বাস্থ্য আন্দোলন
  • সরকারি কড়চা
  • বাংলার মুখ
  • বহির্বিশ্ব
  • তাহাদের কথা
  • অন্ধকারের উৎস হতে
  • সম্পাদকীয়
  • ইতিহাসের সরণি
  • আরোগ্যের সন্ধানে
  • ডক্টর অন কল
  • ছবিতে চিকিৎসা
  • মা ও শিশু
  • মন নিয়ে
  • ডক্টরস’ ডায়ালগ
  • ঘরোয়া চিকিৎসা
  • শরীর যখন সম্পদ
  • ডক্টর’স ডায়েরি
  • স্বাস্থ্য আন্দোলন
  • সরকারি কড়চা
  • বাংলার মুখ
  • বহির্বিশ্ব
  • তাহাদের কথা
  • অন্ধকারের উৎস হতে
  • সম্পাদকীয়
  • ইতিহাসের সরণি
Menu
  • আরোগ্যের সন্ধানে
  • ডক্টর অন কল
  • ছবিতে চিকিৎসা
  • মা ও শিশু
  • মন নিয়ে
  • ডক্টরস’ ডায়ালগ
  • ঘরোয়া চিকিৎসা
  • শরীর যখন সম্পদ
  • ডক্টর’স ডায়েরি
  • স্বাস্থ্য আন্দোলন
  • সরকারি কড়চা
  • বাংলার মুখ
  • বহির্বিশ্ব
  • তাহাদের কথা
  • অন্ধকারের উৎস হতে
  • সম্পাদকীয়
  • ইতিহাসের সরণি
Search
Generic filters

অ্যান্টিবায়োটিক এবং একটি সম্ভাব্য বিশ্বযুদ্ধের গল্প (চতুর্থ ও শেষ পর্ব)

319042603_1122557791769279_5663560519380053097_n
Dr. Soumyakanti Panda

Dr. Soumyakanti Panda

Paediatrician
My Other Posts
  • December 20, 2022
  • 9:01 am
  • No Comments
অ্যান্টিবায়োটিক-প্রতিরোধ যে কোনও মূল্যে রুখতেই হবে। শুধু নির্দিষ্ট কিছু গাইডলাইন বানিয়ে যে সেটা রোধ করা যাবে না, এটা দিনের আলোর মতো পরিষ্কার। অ্যান্টিবায়োটিক ব্যবহারের নিয়ম পড়ে থাকবে ঘরের এক কোণে। ওসব কেউ খুব একটা পড়েও দেখবে না। নিয়ম নিয়মের জায়গায় থাকবে আর যথেচ্ছাচার চলবে সমানে। কয়েকটা জিনিস মেনে চললে হয়তো ধ্বংসের গতি একটু হলেও রোধ করা যায়।
১.
পাশ করা চিকিৎসকের প্রেসক্রিপশন ছাড়া অ্যান্টিবায়োটিক বিক্রি বন্ধ করতে হবে। সেটা শুধু নিয়ম হয়ে পড়ে থাকলে হবে না। যেমন, এখন আর হাটে-বাজারে টিবির ওষুধ পাওয়া যায় না। সব ধরনের অ্যান্টিবায়োটিকের ক্ষেত্রেই সেটা করা দরকার। প্রতিটি প্যাকেটের গায়ে একটি নির্দিষ্ট কোড থাকা দরকার। যাতে যে কোনও সময় সংশ্লিষ্ট ওষুধটি কোথায় যাচ্ছে সেটা খুঁজে বের করা যায়।
২.
অ্যান্টিবায়োটিকের পাতা কেটে একটি-দুটি করে ওষুধ বিক্রি বন্ধ হওয়া প্রয়োজন। ভেবে দেখুন, আপনার একদিন জ্বর হ’ল। আপনি পাড়ার অমুক দাদার পরামর্শে দুটি অ্যান্টিবায়োটিক ট্যাবলেট খেয়ে নিলেন। তারপর জ্বর কমে গেল। ওষুধের কোর্স সম্পূর্ণ হল না। এগুলো বিষধর সাপকে একটু করে খুঁচিয়ে দেওয়ার মত ব্যাপার।
৩.
পাশ করা ডাক্তারদেরও বছর তিনেক ছাড়া ছাড়া বাধ্যতামূলকভাবে কিছু প্রশিক্ষণ দেওয়া প্রয়োজন। বইয়ের সাথে সব সম্পর্ক চুকিয়ে পুরোদস্তুর প্র্যাকটিসে নামলে অনেক কিছু ভুলে যাওয়াই স্বাভাবিক। অ্যান্টিবায়োটিক ব্যবহারের ক্ষেত্রে তার প্রভাব পড়তে বাধ্য।
৪.
বাইরের দেশের অ্যান্টিবায়োটিক ব্যবহারের নিয়ম দিয়ে এদেশে চিকিৎসা হবে না। শুধু দেশ নয়, ছোট ছোট জায়গা এমনকি একটি নির্দিষ্ট হাসপাতালের ভিত্তিতেও অ্যান্টিবায়োটিক-প্রতিরোধের ধরণ বদলে যায়। সম্ভব হ’লে প্রতিটি হাসপাতালে অ্যান্টিবায়োটিক-প্রতিরোধের ধরণের ভিত্তিতে আলাদা আলাদা গাইডলাইন তৈরি হওয়া প্রয়োজন।
৫.
সব জায়গায় গাইডলাইন মেনে চলা হচ্ছে কিনা তার উপরে কড়া নজরদারি দরকার। কোনও একটি নির্দিষ্ট রোগে কোনটি প্রথম সারির অ্যান্টিবায়োটিক এবং কোনগুলি ক্রমান্বয়ে শেষের দিকের অ্যান্টিবায়োটিক তার সুনির্দিষ্ট রূপরেখা থাকা দরকার। যে কোনও ডাক্তার (সে তিনি পদমর্যাদার দিক দিয়ে যতই উপরে হোন না কেন) সেই গাইডলাইন মেনে চলতে বাধ্য থাকবেন। কোনও ক্ষেত্রে গাইডলাইন ভেঙে অ্যান্টিবায়োটিক দিতে চাইলে তার নির্দিষ্ট কারণ লিখে রাখতে হবে। সত্যিই বারবার গাইডলাইন ভাঙার প্রয়োজন হ’লে দরকার মতো গাইডলাইন সংশোধন করতে হবে।
৬.
একসাথে অনেক রোগে কাজ করে বা বিশেষ কিছু রোগের মহৌষধ; এমন অ্যান্টিবায়োটিক ব্যবহারের ক্ষেত্রে একাধিক চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়ার ব্যবস্থা করা গেলে ভালো। অথচ, পাড়ার উমুক-তমুক দাদাও বাড়িতে বসে মেরোপেনেম কিংবা লিনেজোলিড শুরু করে দেন। সেটা যে কোনও উপায়ে বন্ধ হওয়া দরকার।
৭.
বেসরকারি হাসপাতালগুলোকেও নিয়মের আওতায় আনা দরকার। হয়তো একটু কঠিন কিন্তু অসম্ভব নয়। অকারণে মশা মারতে কামান দাগা হচ্ছে কিনা সেটা দেখা দরকার। বেসরকারি হাসপাতালে নিজেদের গাইডলাইন না থাকলে তাঁরা নিকটবর্তী সরকারি হাসপাতালের গাইডলাইন মানবেন।
৮.
সব ধরনের টিকাকরণ করানো উচিত। (আর্থিক সমস্যা না থাকলে) সরকারি টিকাগুলো ছাড়াও প্রয়োজনীয় বাড়তি টিকা দেওয়া উচিত। রোগ হওয়ার আগেই আটকানো গেলে ভালো।
৯.
হাসপাতালে নিয়মিত পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতা বজায় রাখা দরকার। নিজেদের হাত পরিষ্কার রাখলে অনেকটা সংক্রমণ ঠেকানো যায়। করোনা অতিমারীর সময় মুখে মাস্ক থাকার ফলে যত্রতত্র থুতু, পানের পিক ফেলা অনেকটা কমেছিল। আমরা আবার সাফল্যের সাথে পানের পিকে রাস্তা রাঙানো শুরু করেছি।
১০.
স্বাস্থ্য-ব্যবস্থার বৃহদাংশ সরকারি ছাতার তলায় এলে প্র‍্যাক্টিসের প্রতিযোগিতা কমবে। ‘রোগী-ধরা’ আর ‘ডাক্তার-কেনা’র খেলাটা কিছুটা কমলে অ্যান্টিবায়োটিক অপব্যবহারও কমতে বাধ্য।
১১.
মাছ, মুরগী বা গবাদী পশু চাষের জায়গায় অ্যান্টিবায়োটিক অপব্যবহারের দিকে নজরদারি দরকার।
১২.
ফাজ থেরাপি, প্রিডেটর বা ঘাতক-ব্যাক্টিরিয়া প্রয়োগ ইত্যাদি কিছু আধুনিক আবিষ্কার খানিক আশার আলো দেখাচ্ছে। হয়তো এগুলোর দ্বারা ভবিষ্যতে অ্যান্টিবায়োটিক ব্যবহার অনেকটা কমিয়ে ফেলা যাবে।
****
রোগজর্জর পৃথিবীতে অ্যান্টিবায়োটিক অজান্তেই অমৃতের মতো ঝরে পড়েছিল। যে পরিমাণ মানুষের জীবন সে বাঁচিয়েছে, তার হিসেব করতে গেলে সংখ্যাই শেষ হয়ে যাবে সম্ভবত। মূলত আমাদের অবিমৃষ্যকারিতায় সে অমৃতের উত্তরাধিকার আমরা হারাতে বসেছি। জীবাণুর দল আজকাল অ্যান্টিবায়োটিককে ভয় পায় না। নিজেদের বাঁচানোর স্বার্থেই অ্যান্টিবায়োটিককে বাঁচানো দরকার। এই লড়াইটা সবার। এবং, এ লড়াই জিততেই হবে।
ছবিঃ গুগল
PrevPreviousশীত পোষাকে কত না স্মৃতি
Nextগণতন্ত্র রক্ষার লড়াইয়ে সংগঠিত হোন।Next
0 0 votes
Article Rating
Subscribe
Notify of
guest
guest
0 Comments
Inline Feedbacks
View all comments

সম্পর্কিত পোস্ট

কার যেন এই মনের বেদন?

April 21, 2026 No Comments

সংসার চলবে কী করে, নাম কাটার ‘দায়’ও মেয়েদের কাঁধে

April 21, 2026 No Comments

এক একটা বিপদ আসে, আর এক একটা নতুন শব্দ ঢোকে গ্রামের মানুষের মুখের ভাষায়। ২০১৮-তে ‘নোটবন্দি।’ ২০২০-তে ‘লকডাউন।’ আর এ বারে, এই ২০২৬-এ মুখে মুখে

Parkinson’s Disease -এর চারটি প্রধান লক্ষণ

April 21, 2026 No Comments

১. ব্র্যাডিকাইনেসিয়া (Bradykinesia – চলাচলের ধীরগতি) নড়াচড়া শুরু করতে অসুবিধা মুখের অভিব্যক্তি কমে যায় ধীরে হাঁটা, হাত দোলানো কমে যায় ২. রেস্টিং ট্রেমর (Resting Tremor)

এ জয় আপনাদের, এ জয় অভয়ার, অভয়াদের

April 20, 2026 No Comments

এক বছরের শাস্তিমূলক পোস্টিং হিসাবে মেধাতালিকা অমান্য করে আমাকে পুরুলিয়া, দেবাদাকে মালদা পাঠানো হয়েছিলো, এগারো মাস পর কোর্টরুমে জয় এলো, গতকাল হাইকোর্ট, সরকারের প্রতিহিংসামূলক আচরণ

অনারটাই যদি না থাকলো তাহলে আর প্রফেশানটার বাকি কী থাকলো!!

April 20, 2026 No Comments

আমি মানুষটা খুব সামান্য হলেও আমার পরিচিতজনদের সকলে কিন্তু কিঞ্চিৎ সামান্য নন। এটা আমার জীবনের একটা সার্থকতা বলতে পারেন, সৌভাগ্যও বলতে পারেন। মেডিক্যাল কলেজে পড়াকালীন

সাম্প্রতিক পোস্ট

কার যেন এই মনের বেদন?

Pallab Kirtania April 21, 2026

সংসার চলবে কী করে, নাম কাটার ‘দায়’ও মেয়েদের কাঁধে

Swati Bhattacharjee April 21, 2026

Parkinson’s Disease -এর চারটি প্রধান লক্ষণ

Dr. Aditya Sarkar April 21, 2026

এ জয় আপনাদের, এ জয় অভয়ার, অভয়াদের

Dr. Asfakulla Naiya April 20, 2026

অনারটাই যদি না থাকলো তাহলে আর প্রফেশানটার বাকি কী থাকলো!!

Dr. Subhanshu Pal April 20, 2026

An Initiative of Swasthyer Britto society

আমাদের লক্ষ্য সবার জন্য স্বাস্থ্য আর সবার জন্য চিকিৎসা পরিষেবা। আমাদের আশা, এই লক্ষ্যে ডাক্তার, স্বাস্থ্যকর্মী, রোগী ও আপামর মানুষ, স্বাস্থ্য ব্যবস্থার সমস্ত স্টেক হোল্ডারদের আলোচনা ও কর্মকাণ্ডের একটি মঞ্চ হয়ে উঠবে ডক্টরস ডায়ালগ।

Contact Us

Editorial Committee:
Dr. Punyabrata Gun
Dr. Jayanta Das
Dr. Chinmay Nath
Dr. Indranil Saha
Dr. Aindril Bhowmik
Executive Editor: Piyali Dey Biswas

Address: 

Shramajibi Swasthya Udyog
HA 44, Salt Lake, Sector-3, Kolkata-700097

Leave an audio message

নীচে Justori র মাধ্যমে আমাদের সদস্য হন  – নিজে বলুন আপনার প্রশ্ন, মতামত – সরাসরি উত্তর পান ডাক্তারের কাছ থেকে

Total Visitor

618650
Share on facebook
Share on google
Share on twitter
Share on linkedin

Copyright © 2019 by Doctors’ Dialogue

wpDiscuz

আমাদের লক্ষ্য সবার জন্য স্বাস্থ্য আর সবার জন্য চিকিৎসা পরিষেবা। আমাদের আশা, এই লক্ষ্যে ডাক্তার, স্বাস্থ্যকর্মী, রোগী ও আপামর মানুষ, স্বাস্থ্য ব্যবস্থার সমস্ত স্টেক হোল্ডারদের আলোচনা ও কর্মকাণ্ডের একটি মঞ্চ হয়ে উঠবে ডক্টরস ডায়ালগ।

[wppb-register]