Skip to content
Facebook Twitter Google-plus Youtube Microphone
  • Home
  • About Us
  • Contact Us
Menu
  • Home
  • About Us
  • Contact Us
Swasthyer Britte Archive
Search
Generic filters
  • আরোগ্যের সন্ধানে
  • ডক্টর অন কল
  • ছবিতে চিকিৎসা
  • মা ও শিশু
  • মন নিয়ে
  • ডক্টরস’ ডায়ালগ
  • ঘরোয়া চিকিৎসা
  • শরীর যখন সম্পদ
  • ডক্টর’স ডায়েরি
  • স্বাস্থ্য আন্দোলন
  • সরকারি কড়চা
  • বাংলার মুখ
  • বহির্বিশ্ব
  • তাহাদের কথা
  • অন্ধকারের উৎস হতে
  • সম্পাদকীয়
  • ইতিহাসের সরণি
Menu
  • আরোগ্যের সন্ধানে
  • ডক্টর অন কল
  • ছবিতে চিকিৎসা
  • মা ও শিশু
  • মন নিয়ে
  • ডক্টরস’ ডায়ালগ
  • ঘরোয়া চিকিৎসা
  • শরীর যখন সম্পদ
  • ডক্টর’স ডায়েরি
  • স্বাস্থ্য আন্দোলন
  • সরকারি কড়চা
  • বাংলার মুখ
  • বহির্বিশ্ব
  • তাহাদের কথা
  • অন্ধকারের উৎস হতে
  • সম্পাদকীয়
  • ইতিহাসের সরণি
  • আরোগ্যের সন্ধানে
  • ডক্টর অন কল
  • ছবিতে চিকিৎসা
  • মা ও শিশু
  • মন নিয়ে
  • ডক্টরস’ ডায়ালগ
  • ঘরোয়া চিকিৎসা
  • শরীর যখন সম্পদ
  • ডক্টর’স ডায়েরি
  • স্বাস্থ্য আন্দোলন
  • সরকারি কড়চা
  • বাংলার মুখ
  • বহির্বিশ্ব
  • তাহাদের কথা
  • অন্ধকারের উৎস হতে
  • সম্পাদকীয়
  • ইতিহাসের সরণি
Menu
  • আরোগ্যের সন্ধানে
  • ডক্টর অন কল
  • ছবিতে চিকিৎসা
  • মা ও শিশু
  • মন নিয়ে
  • ডক্টরস’ ডায়ালগ
  • ঘরোয়া চিকিৎসা
  • শরীর যখন সম্পদ
  • ডক্টর’স ডায়েরি
  • স্বাস্থ্য আন্দোলন
  • সরকারি কড়চা
  • বাংলার মুখ
  • বহির্বিশ্ব
  • তাহাদের কথা
  • অন্ধকারের উৎস হতে
  • সম্পাদকীয়
  • ইতিহাসের সরণি
Search
Generic filters

এভাবে… ঠিক এভাবেই…

FB_IMG_1715769519188
Dr. Bishan Basu

Dr. Bishan Basu

Cancer specialist
My Other Posts
  • May 17, 2024
  • 8:35 am
  • No Comments

নিজের পারিবারিক জীবনের সমস্যা ইত্যাদির গল্প আমি সোশ্যাল মিডিয়ায় সেভাবে করি না। কিন্তু আজ একটু বলি।

আমার ছেলের যখন জন্ম, সেসময় আমি বাঁকুড়ায় কর্মরত। আগের মাসেই চাকরিতে জয়েন করেছি, সুতরাং ছুটি-ছাটা কিছুই পাওনা হয়নি। মার্চ মাসের এক বৃহস্পতিবার দুপুরে বাঁকুড়া থেকে ফিরে সেদিনই বউকে হাসপাতালে ভর্তি করা হয় – আমার বউ তখন সেই কর্পোরেট হাসপাতালেই চাকরি করে – পরেরদিন প্ল্যানড সিজার। ছেলের জন্ম শুক্রবার। পরের সপ্তাহে বউকে হাসপাতাল থেকে বাড়ি ফিরিয়ে এনে আয়ার ভরসায় বউ-ছেলেকে রেখে আবার চাকরি করতে যাই। ওই কয়েকটা দিনের ছুটি হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ ‘ম্যানেজ’ করে দিয়েছিলেন – নইলে আমার তৎকালীন বিভাগীয় প্রধান এটুকুও দিতে রাজি ছিলেন না। উপরন্তু, এই তো বাচ্চা হবে, এবারে বাচ্চা প্রায়ই অসুস্থ হবে আর তুমি ছুটি নেবে, তোমার তো চাকরি জয়েন করা উচিতই হয়নি ইত্যাদি ঋষিবাক্য তাঁর মুখে শুনতে হয়েছিল – বয়স কিছুটা বেশি, স্রেফ এই কারণে কারও শ্রদ্ধা প্রাপ্য হয়, একথায় আমি কখনোই বিশ্বাস করতাম না, এখনও করি না, আবার অকারণ গালিগালাজেরও মানে হয় না, কাজেই আমার সেই বিভাগীয় প্রধান নিয়ে আর কথা বাড়ালাম না।

আমার মা তখনও বিষ্ণুপুরে চাকরি করে। এদিকে বউয়ের বাবা-মা অনেক আগেই মারা গিয়েছেন, বউয়ের একমাত্র দিদি মার্কিনদেশে থাকে। কাজেই এককথায় আমাদের তখন সাপোর্ট নেটওয়ার্ক জিরো।

তো যা বলছিলাম, বউ তখন একটি বিখ্যাত কর্পোরেট হাসপাতালে চাকরি করে। বেশ কয়েকবছর যাবৎ সেখানে কাজ করার সুবাদে খানিকটা সিনিয়রই বলা যায়। এবং এতটুকু বাড়িয়ে না বলেই বলি – আমার বউ সত্যিই আমার চাইতে ভালো ডাক্তার, ঢের বেশি ভালো, রোগী দেখার সময় মনোযোগ, আন্তরিকতা, রোগীর শারীরিক সমস্যার পাশাপাশি বাকি সমস্যার কথা মাথায় রাখা, সবদিকেই সে আমার তুলনায় এগিয়ে – আর সেই সুবাদে রোগীর কাছ থেকে ভালোবাসা পাওয়া এবং ভালো ও নিষ্ঠাবান কর্মী হিসেবে কর্তৃপক্ষের সুনজরে থাকা, এই দুই দিক থেকেই আমার বউ আমার চাইতে ঢের এগিয়ে।

কিন্তু যেকথা বলছিলাম, বউয়ের সেই হাসপাতালে তখম মাতৃত্বকালীন ছুটি মাত্র তিন মাস – যদিও সরকারি নির্দেশিকা সাড়ে চার মাস, যা পরে বেড়ে ছয়মাস হয়েছে। সেই তিনমাসের পর বউ নিজের পাওনা ছুটি লিভ-উইদাউট-পে জুড়েটুড়ে ছুটিটা আরও মাসতিনেক বাড়াল। তারপর আয়ার ভরসায় বাচ্চাকে রেখে চাকরিতে ফিরল। কিন্তু চাকরি করতে গিয়ে বুঝল, বাচ্চাটার দেখভাল ঠিকঠাক হচ্ছে না, ওর ক্ষতি হয়ে যাচ্ছে। একবার তো বাচ্চাটা এমন গুরুতর নিউমোনিয়ায় আক্রান্ত হয়ে পড়ল যে রীতিমতো দুশ্চিন্তার পরিস্থিতি তৈরি হয়ে গিয়েছিল। তো আমার স্ত্রী ঠিক করল, চাকরি ছাড়তে হবে।

সেসময় আমাদের রাজ্য সরকারি চাকরিতে মাইনে সত্যিই কম। তার সঙ্গে বাঁকুড়া যাতায়াত, সেখানে কোয়ার্টার রান্নার মাসি ইত্যাদি প্রভৃতি মিলে অনেকখানি খরচ। দুজনে চাকরি করি বলে স্বচ্ছলতাটুকু বজায় আছে। এমতাবস্থায় বউ চাকরি ছাড়লে আর্থিক সমস্যা কিছু কম হবে না। কিন্তু চাকরিটা আমি ছাড়ব নাকি আমার স্ত্রী, এ নিয়ে আলোচনা করতে যেতেই সে বলল, সরকারি চাকরি ছাড়ার প্রশ্নই ওঠে না, এখন মাইনে কম হলেও পরে বাড়বে, প্লাস ওটা পাকা চাকরি, তাছাড়া বিভিন্ন সুযোগ-সুবিধাও আছে। অতএব, চাকরি ছাড়বে আমার স্ত্রী, এমনটাই নির্ধারিত হলো।

এতদিন সুনামের সঙ্গে চাকরি করার পর সেই চাকরি ছাড়ার কথা বলতে যেতে সেই হাসপাতালের কর্ণধার – লিঙ্গপরিচয়ে তিনিও নারী – খুব করে মানা করেছিলেন। বলেছিলেন – চাকরিটা ছেড়ো না, তোমাকে বলেই বলছি, মাইনে অনেকটা বাড়িয়ে দিচ্ছি, খরচা নিয়ে ভেবো না, ভালো ক্রেশে ছেলেকে রাখো।

কিন্তু আমরা তার আগেই বেশ কিছু ক্রেশে খোঁজখবর নিয়েছিলাম। হয় পছন্দ হয়নি, নয়ত সেখানে শনিবার রাখা যায় না (হাসপাতালে তো শনিবারও ওয়ার্কিং ডে), নইলে আরও কিছু ফ্যাচাং (যেমন একটি ক্রেশে সকাল ন’টার সময় বাচ্চা পৌঁছানোর সময় যা যা সঙ্গে দিয়ে দিতে হবে, তার আয়োজন করতে হলে সারাদিন একজনকে সে কাজ নিয়েই বসে থাকতে হবে)।

সেসময় বউ সেই হাসপাতাল-কর্ত্রীকে বলেছিল – ম্যাডাম, হাসপাতালে তো এতজন ওয়ার্কিং মেয়ে, এখানেই একটা ক্রেশ খুলুন না! আমরা টাকা দিয়েই বাচ্চা রাখব, কিন্তু এটুকু ব্যবস্থা হলে আমাদের কাউকেই চাকরি ছাড়তে হবে না। বরং, হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের প্রতি আমাদের একটা দায়বদ্ধতার মানসিকতা তৈরি হবে – আমাদের মনে হবে, হাসপাতাল যখন আমাদের কথা ভাবে, আমাদেরও সেভাবেই ভাবা উচিত।

কথাটা শুনে ভদ্রমহিলা মৃদু হেসেছিলেন। ওটুকুই। অথচ পড়েছিলাম, ন্যূনতম কতজন যেন মহিলা-কর্মী থাকলে সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানে ক্রেশ রাখা বাধ্যতামূলক। এবং ন্যূনতম যে সংখ্যা, তার কয়েকগুণ বেশি মহিলা-কর্মী সেই হাসপাতালে তখন চাকরি করতেন – অবশ্য একথা মনে করিয়ে কোনও লাভ নেই বলেই বলার চেষ্টা করা হয়নি।

বউকে চাকরিটা ছাড়তে হয়। পরের বেশ কয়েকটা বছর সে বাড়িতেই ছিল। ছেলের দেখাশোনা করত। দেখে মাঝেমধ্যে আমার খারাপ লাগত, কিন্তু আর কী-ই বা করার ছিল!

সেভাবে বাছবিচার না করলে ডাক্তারদের চাকরি পেতে অসুবিধে হয় না – তাই আমার স্ত্রী পরে অন্য চাকরিতে ঢোকে। কিন্তু বউয়ের অনেক বন্ধুই পাকাপাকিভাবে গৃহবধূ থুড়ি হোমমেকার হয়ে গিয়েছে। শুরুতে বাচ্চা ছোট, তারপর বাচ্চা ইশকুলে যায় পৌঁছে দিতে হয়, তারপর পড়াশোনার সময় পাশে বসতে হয়, তারপর…

ছেলেমেয়েদের জীবনে নাকি মায়ের ভূমিকা সবসময়ই অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ – বাচ্চাবয়সে স্তন্যপান, আরেকটু পরে স্নান-খাওয়া করানো, তারপর ইশকুল শুরু, যত উঁচু ক্লাস তত পড়াশোনা, সেসময় নাকি মায়েরা রাখালের মতো লেগে না থাকলেই মুশকিল! অবশেষে ছেলেমেয়ে কলেজে গেলে মায়েরা আচমকা অনুভব করেন – যাহ্! এবারে তাহলে কী করব? কী করলাম এই জীবনটা নিয়ে!!

এভাবে… ঠিক এভাবেই…

PrevPreviousএকটি ‘ক্যানডিড’ পোস্ট (অ-সভ্যও বটে)
Nextমানব সভ্যতা এগিয়েছে প্রতিটা স্বতঃসিদ্ধ বয়ানকে চ্যালেঞ্জ করেইNext
0 0 votes
Article Rating
Subscribe
Notify of
guest
guest
0 Comments
Inline Feedbacks
View all comments

সম্পর্কিত পোস্ট

তোমার ভেতর আমার উড়ান, রৌদ্রডানা

September 14, 2026 No Comments

সেই কলেজ জীবনের ঝোড়ো দিন, যখন আমি ‘দিমাগী নকশাল’, আদর্শের চোখে স্বপ্ন দেখি সাম্য সমাজ গড়ব, দেশ গড়ব। ভালোবাসা ভরেছিল বুকে। মানুষের প্রতি ভালোবাসা, আর্তের

আদর্শ বাল বিদ্যালয়/ স্কুল যখন জিতে যায়

September 14, 2026 No Comments

স্বাধীনতার আশি বছরে সরকারি স্কুলগুলোর ক্রমবর্ধমান সংকট নিয়ে আলোচনা অব্যাহত। সাম্প্রতিক সময়ে এই আলোচনা আরো গতি পেয়েছে সংসদে সরকার কর্তৃক প্রকাশিত দুটি তথ্যে।প্রথমটি হল ভারতে

বাঙালিকে শাসনের অধিকার এরা পায় কি করে?

September 13, 2026 No Comments

একটা ভোটে জিতে সরকার গড়ার পর হাতির পাখনা মেলার মতো অবস্থা হয়েছে শুভেন্দু অধিকারীর দল ও সরকারের। যেমন রাজ্যের শাসক দল, তেমন রাজ্যের সরকার। দুটোরই

শব্দে জব্দ

September 13, 2026 No Comments

বিজ্ঞান ও পরিবেশ আন্দোলন: পশ্চিমবঙ্গে সিপিআইএমের গণ সংগঠন ‘ বিজ্ঞান মঞ্চ ‘ ছাড়াও বেশ কিছু বিজ্ঞান সংগঠন উত্তরবঙ্গ থেকে দক্ষিণবঙ্গ বিজ্ঞান বিষয়ে মাঠে ময়দানে নেমে

শারদোৎসব… ইয়ে… সরি, সরি দুর্গাপুজো

September 13, 2026 No Comments

পৃথিবীতে আপাতত একটাই কাজ বাকি আছে। শারদোৎসব… ইয়ে… সরি, সরি দুর্গাপুজো। আমরা আবার প্রকাশনীর পক্ষ থেকে পুজোয় বুক স্টল করি। রাগ করবেন না প্লিজ৷ রোজ

সাম্প্রতিক পোস্ট

তোমার ভেতর আমার উড়ান, রৌদ্রডানা

Pallab Kirtania September 14, 2026

আদর্শ বাল বিদ্যালয়/ স্কুল যখন জিতে যায়

Suman Kalyan Moulick September 14, 2026

বাঙালিকে শাসনের অধিকার এরা পায় কি করে?

Parichay Gupta September 13, 2026

শব্দে জব্দ

Bappaditya Roy September 13, 2026

শারদোৎসব… ইয়ে… সরি, সরি দুর্গাপুজো

Dr. Aindril Bhowmik September 13, 2026

An Initiative of Swasthyer Britto society

আমাদের লক্ষ্য সবার জন্য স্বাস্থ্য আর সবার জন্য চিকিৎসা পরিষেবা। আমাদের আশা, এই লক্ষ্যে ডাক্তার, স্বাস্থ্যকর্মী, রোগী ও আপামর মানুষ, স্বাস্থ্য ব্যবস্থার সমস্ত স্টেক হোল্ডারদের আলোচনা ও কর্মকাণ্ডের একটি মঞ্চ হয়ে উঠবে ডক্টরস ডায়ালগ।

Contact Us

Editorial Committee:
Dr. Punyabrata Gun
Dr. Jayanta Das
Dr. Chinmay Nath
Dr. Indranil Saha
Dr. Aindril Bhowmik
Executive Editor: Piyali Dey Biswas

Address: 

Shramajibi Swasthya Udyog
HA 44, Salt Lake, Sector-3, Kolkata-700097

Leave an audio message

নীচে Justori র মাধ্যমে আমাদের সদস্য হন  – নিজে বলুন আপনার প্রশ্ন, মতামত – সরাসরি উত্তর পান ডাক্তারের কাছ থেকে

Total Visitor

675148
Share on facebook
Share on google
Share on twitter
Share on linkedin

Copyright © 2019 by Doctors’ Dialogue

wpDiscuz

আমাদের লক্ষ্য সবার জন্য স্বাস্থ্য আর সবার জন্য চিকিৎসা পরিষেবা। আমাদের আশা, এই লক্ষ্যে ডাক্তার, স্বাস্থ্যকর্মী, রোগী ও আপামর মানুষ, স্বাস্থ্য ব্যবস্থার সমস্ত স্টেক হোল্ডারদের আলোচনা ও কর্মকাণ্ডের একটি মঞ্চ হয়ে উঠবে ডক্টরস ডায়ালগ।

[wppb-register]