Skip to content
Facebook Twitter Google-plus Youtube Microphone
  • Home
  • About Us
  • Contact Us
Menu
  • Home
  • About Us
  • Contact Us
Swasthyer Britte Archive
Search
Generic filters
  • আরোগ্যের সন্ধানে
  • ডক্টর অন কল
  • ছবিতে চিকিৎসা
  • মা ও শিশু
  • মন নিয়ে
  • ডক্টরস’ ডায়ালগ
  • ঘরোয়া চিকিৎসা
  • শরীর যখন সম্পদ
  • ডক্টর’স ডায়েরি
  • স্বাস্থ্য আন্দোলন
  • সরকারি কড়চা
  • বাংলার মুখ
  • বহির্বিশ্ব
  • তাহাদের কথা
  • অন্ধকারের উৎস হতে
  • সম্পাদকীয়
  • ইতিহাসের সরণি
Menu
  • আরোগ্যের সন্ধানে
  • ডক্টর অন কল
  • ছবিতে চিকিৎসা
  • মা ও শিশু
  • মন নিয়ে
  • ডক্টরস’ ডায়ালগ
  • ঘরোয়া চিকিৎসা
  • শরীর যখন সম্পদ
  • ডক্টর’স ডায়েরি
  • স্বাস্থ্য আন্দোলন
  • সরকারি কড়চা
  • বাংলার মুখ
  • বহির্বিশ্ব
  • তাহাদের কথা
  • অন্ধকারের উৎস হতে
  • সম্পাদকীয়
  • ইতিহাসের সরণি
  • আরোগ্যের সন্ধানে
  • ডক্টর অন কল
  • ছবিতে চিকিৎসা
  • মা ও শিশু
  • মন নিয়ে
  • ডক্টরস’ ডায়ালগ
  • ঘরোয়া চিকিৎসা
  • শরীর যখন সম্পদ
  • ডক্টর’স ডায়েরি
  • স্বাস্থ্য আন্দোলন
  • সরকারি কড়চা
  • বাংলার মুখ
  • বহির্বিশ্ব
  • তাহাদের কথা
  • অন্ধকারের উৎস হতে
  • সম্পাদকীয়
  • ইতিহাসের সরণি
Menu
  • আরোগ্যের সন্ধানে
  • ডক্টর অন কল
  • ছবিতে চিকিৎসা
  • মা ও শিশু
  • মন নিয়ে
  • ডক্টরস’ ডায়ালগ
  • ঘরোয়া চিকিৎসা
  • শরীর যখন সম্পদ
  • ডক্টর’স ডায়েরি
  • স্বাস্থ্য আন্দোলন
  • সরকারি কড়চা
  • বাংলার মুখ
  • বহির্বিশ্ব
  • তাহাদের কথা
  • অন্ধকারের উৎস হতে
  • সম্পাদকীয়
  • ইতিহাসের সরণি
Search
Generic filters

ভ‍্যাকেন্সি

IMG_20200804_181316
Dr. Dipankar Ghosh

Dr. Dipankar Ghosh

General Physician
My Other Posts
  • August 5, 2020
  • 8:59 am
  • No Comments

“বড্ড বেশী ফ‍্যাকাশে লাগছে – এই ঘোষালদা একটু কৌশিককে ডাকুন তো” বাইরে বর্ষার আকাশ ঘনঘোর। দূরে তালগাছের মাথায় মেঘ আটকে আছে। চারপাশে গাছগাছালি ভীড় করে রয়েছে। একটু দূরে ঋষিরাজের কোয়ার্টার। সাজানো গোছানো ঘরদুয়ার। এই বুনো জায়গায় ঋষি ওর বৌ মিতালি আর শিশু বাবাইকে নিয়ে থাকে। মাঠে জঙ্গলে দৌড়ে – বৃষ্টিতে ভিজে রোদ্দুরে পুড়ে বাবাই বড় হচ্ছে। আর পাশের কোয়ার্টারে থাকে কৌশিক। সদ‍্য ডাক্তার। ভাবুক – শিল্পী। দেশে পক্ষাঘাতগ্রস্ত মা আর বাবা থাকেন। ওদের গানে হাসিতে বাবাইয়ের চিৎকারে স্বাস্থ্য কেন্দ্র সরগরম হয়ে থাকে।

“কালো পায়খানা হয়েছে নাকি?”

বাড়ির লোক উত্তর দিলো “কাল থেকেই হচ্ছে – আজ কিরকম নেতিয়ে পড়েছে”

“হুম প্রেসার তো মাপাই যাচ্ছে না – মনে হচ্ছে রক্ত দিতে হবে – ওকে বড় হাসপাতালে নিয়ে গেলেই ভালো হয়।”

“ডাক্তারবাবু আমরা গরীব লোক একটু যদি দ‍্যাখেন – ”
ঋষি ভুরু কোঁচকায়। কৌশিক‌ও হাজির। “ঋষিদা কোল্ড সোয়েটিং হচ্ছে – এতো ইর্রিভার্সিব্ল শকে চলে যাচ্ছে!”

“একটু স‍্যালাইন ট‍্যালাইন চালান না – বমি পায়খানা – কয়েক বোতল স‍্যালাইন টানলেই ঠিক হয়ে যাবে” প্রধানের গলা শোনা গেল “ডাক্তারবাবু এটা আমার ভাইপো একটু দেখে দিন”

“কৌশিক রেফার করতে গেলে স্বাস্থ্য ভবনের পার্মিশান লাগবে – তাই না?”

প্রধান আবার মুখ খুললো “আমি এম‌এলের সঙ্গে কথা বলিয়ে দিচ্ছি, এই নিন” বলে ফোনটা এগিয়ে দিলো। কথা বলতে বলতে ঋষির ভুরু কুঁচকে উঠলো- দু একবার কী বলতে গিয়ে বাধা পেলো, তারপর ফোনটা ফেরৎ দিয়ে ঘোষালদাকে স‍্যালাইন রেডি করতে বললো। এটা একটা ছোট্ট স্বাস্থ্য কেন্দ্র- মোটামুটি কাজ চালানো গোছের ব‍্যবস্থা আছে।

সন্ধ্যা নামছে- ঋষি বললো “কৌশিক রে, ইনফিউশন পাম্প নেই যে একটু নর অ্যাড চালাতে পারলে লড়াই করা যেতো …”

কৌশিক অপেক্ষমান জনতাকে বললো “আপনাদের ব্লাড আসতে কত দেরী? হিমোগ্লোবিন তিন গ্রামের নীচে …. এখনো ভেতরে রক্তপাত হচ্ছে …”

ছেলেটার বাবা পাশে দাঁড়িয়ে আছে – ফ‍্যাশফ‍্যাশে গলায় বলে উঠলো “ডাক্তারবাবু শরীরটা বড্ড ঠান্ডা লাগছে – চোখ উল্টে দিয়েছে ..”

ডাক ছেড়ে কেঁদে উঠলো “বাবুরে এ তোর কী হোলো রে – এই শূয়োরের বাচ্চারা আমার জোয়ান ছেলেটাকে মেরে ফেললো রে -” তার কান্না স্বাস্থ্য কেন্দ্র ছাড়িয়ে পাশের ঘন গাছে আকাশে প্রতিধ্বনিত হতে থাকলো।

সাত‍্যকি মন্ডল একুশ বছর, অতিরিক্ত রক্তপাতে মৃত। পরিজনের চিৎকারে কান পাতা দায়। বাবার আর্ত কান্না – মায়ের ডুকরানো হাহুতাশ আর দুই নিস্তব্ধ নিশ্চল মূর্তিবৎ তরুণ ডাক্তার।

একজন ঋষির জামার কলার ধরে ঝাঁকাচ্ছে- ঋষির নাক দিয়ে রক্ত পড়ছে- রক্তে জামা ভেজা- “যদি তোর ছেলে তোর সামনে মরে যেত তাহলে বুঝতিস বাঞ্চোৎ সন্তান হারানোর কষ্ট কেমন লাগে!”

সবাই রক্তাক্ত ঋষিকে ধরে রেখেছে- চারজন মিলে- চেপে রেখেছে। ঋষির চোখ বিস্ফারিত- মুখে গ‍্যাঁজলা উঠছে। কয়েকজন ওর কোয়ার্টার ঘিরে কেরোসিন ছেটাচ্ছে- দেশলাই ধরালো- “দ‍্যাখ বাঞ্চোৎ চোখের সামনে সন্তান মরলে কেমন লাগে?”

আগুনে আগুনময় হয়ে গেলো- মেঘে ঢাকা বনভূমি আগুনের আভায় লাল হয়ে উঠলো। হে মেঘ একটু বৃষ্টি দাও- দু ফোঁটা জল ঢেলে দাও প্রজ্জ্বলিত আগুনে। ঋষির গায়ে অমিত শক্তি জন্মালো- সব হাত ছাড়িয়ে আগুনে প্রবেশ করলো- জ্বলন্ত আগুনের মতো একটা মানুষ দুহাতে চাবি ঘোরাচ্ছে- তমসো মা জ‍্যোতির্গময়- মৃত‍্যুং মা অমৃতং গময়- জীবন থেকে মৃত্যু পার হয়ে অমৃতলোকে যাও ঋষি- ওই কি আকাশে ওদের দেখা যাচ্ছে? কেউ একটা কান্নার শব্দ‌ও শোনে নি।

সকাল হয়ে গেল। পুলিশ এলো- খুঁজে পেতে অস্থিভস্ম কুড়িয়ে নিয়ে গেলো- পোস্টমর্টেম হবে।

পুলিশ সাহেব এসে বসলেন- “কৌশিকবাবু আর কষ্ট করে দাহ করতে হবে না, আগুন‌ই সৎকার করে দিয়েছে।”

আর কে এসেছে পাশে? কৌশিক জানে না- শুধু আগুন- আগুনে মিশে যাওয়া তিনটে শরীর।

পাশে রয়েছেন এম‌এলে সাহেব “এই মন্ডলদা বাড়ি থেকে খাবার এনেছো? ডাক্তারবাবু খেয়ে নিন- দুপুর হয়ে গেছে- মন্ডলদা ক্ষমা চেয়ে ডাক্তারদাকে নিজের হাতে খাইয়ে দিন বাঃ এই তো ব‍্যাস মিটে গেলো তো? পুলিশসাহেব দেখুন ডাক্তারবাবু খাচ্ছেন- এটাকে দুর্ঘটনা বলে লিখে দিন- এমা বোকা ছেলে খাওয়ার সময় কাঁদতে নেই- দেখুন মন্ডলদা আপনার জন্যে কচি পাঁঠার ঝোল এনেছে- রসগোল্লা এনেছে- লক্ষ্মী সোনা ডাক্তার খেয়ে নিন”
রাত বাড়ছে। সবাই ঘরে ফিরে গেছে- কৌশিক ছুটি চায়। সিলিংয়ের দিকে তাকিয়ে আছে – ঐ তো লেখা আছে ছুটির খবর।

সকাল বেলা স্বাস্থ্য ভবনের আধিকারিক ঘরে বসে টিভি দেখছিলেন। খবর স্ক্রোল করছে । পঞ্চান্ন গ্রামে ডাক্তারের আত্মহত্যা- আগের দিন রাত্রে ওনার সহকর্মী ডাক্তার ঋষিরাজে সপরিবারে একটি দুর্ঘটনায় অগ্নিদগ্ধ হয়ে মারা যান- মানসিক অবসাদে ডাক্তার কৌশিক ভট্টাচার্য মাঝরাতে গলায় দড়ি দিয়ে আত্মহত্যা করেন।

আধিকারিক ভুরু কুঁচকোলেন যাঃ শালা আরেকটা ভ‍্যাকেন্সি তৈরী হলো।

PrevPreviousনিস্পৃহ
Nextএক ইতালীয় দম্পতির গল্পNext
0 0 votes
Article Rating
Subscribe
Notify of
guest
guest
0 Comments
Inline Feedbacks
View all comments

সম্পর্কিত পোস্ট

মে দিবসের ইতিহাস

May 2, 2026 No Comments

যারা ম্যাক্সিম গোর্কির বিখ্যাত উপন্যাস ‘মাদার’ পড়েছেন তারা পাভেল এবং তার মা আনাকে চেনেন। পাভেলের বাবা মাইকেল ভলাসব ছিল কারখানার শ্রমিক। ভোর হতে না হতেই

একটা গান নিয়ে

May 2, 2026 1 Comment

একটা গান শুনলাম। অভয়া আন্দোলনের উপর। গানের মূল কথা হচ্ছে অভয়া আন্দোলনে বিভিন্ন স্তরের মানুষের অংশগ্রহণ ও অভয়ার মায়ের সমালোচনা। শুনলাম বামপন্থীরা এই গান তৈরী

নারী ও শ্রম: ছক ভাঙ্গা গল্প

May 1, 2026 No Comments

ঊনবিংশ  শতকের শুরুতে ইংল্যান্ডের সমাজতান্ত্রিক চিন্তাবিদ রবার্ট আওয়েন আট ঘণ্টা কাজ, আট ঘণ্টা বিশ্রাম এবং আট ঘণ্টা খুশি মত সময় কাটানোর দাবি তোলেন যা  শ্রমিক

কতটা কাজ করলে তবে কর্মী হওয়া যায়?

May 1, 2026 No Comments

গত শতকের তিনের দশকে জন মেনার্ড কেইনস বলেছিলেন, বিজ্ঞান ও প্রযুক্তির অগ্রগতি শিগগিরই এমন সুদিন এনে দেবে, যাতে মানুষকে সপ্তাহে পনের-ষোল ঘণ্টা কাজ করলেই চলবে।

ট্রেন থেকে স্বাধীন ভারতবর্ষ যেরকম দেখায়

May 1, 2026 No Comments

মাঝখানে উজ্জ্বল একফালি জমি, দুধারে ঢাল বেয়ে তরল অন্ধকার গড়িয়ে গিয়েছে, কিনারায় ছায়ার ফাঁকে ফাঁকে তালসুপারিহিজলতমাল যেখানে যেমন মানায় নিপুন হাতে গুঁজে দেয়া, আর্দ্রতার প্রশ্রয়

সাম্প্রতিক পোস্ট

মে দিবসের ইতিহাস

Dr. Aindril Bhowmik May 2, 2026

একটা গান নিয়ে

Kushal Debnath May 2, 2026

নারী ও শ্রম: ছক ভাঙ্গা গল্প

Gopa Mukherjee May 1, 2026

কতটা কাজ করলে তবে কর্মী হওয়া যায়?

Dr. Bishan Basu May 1, 2026

ট্রেন থেকে স্বাধীন ভারতবর্ষ যেরকম দেখায়

Debashish Goswami May 1, 2026

An Initiative of Swasthyer Britto society

আমাদের লক্ষ্য সবার জন্য স্বাস্থ্য আর সবার জন্য চিকিৎসা পরিষেবা। আমাদের আশা, এই লক্ষ্যে ডাক্তার, স্বাস্থ্যকর্মী, রোগী ও আপামর মানুষ, স্বাস্থ্য ব্যবস্থার সমস্ত স্টেক হোল্ডারদের আলোচনা ও কর্মকাণ্ডের একটি মঞ্চ হয়ে উঠবে ডক্টরস ডায়ালগ।

Contact Us

Editorial Committee:
Dr. Punyabrata Gun
Dr. Jayanta Das
Dr. Chinmay Nath
Dr. Indranil Saha
Dr. Aindril Bhowmik
Executive Editor: Piyali Dey Biswas

Address: 

Shramajibi Swasthya Udyog
HA 44, Salt Lake, Sector-3, Kolkata-700097

Leave an audio message

নীচে Justori র মাধ্যমে আমাদের সদস্য হন  – নিজে বলুন আপনার প্রশ্ন, মতামত – সরাসরি উত্তর পান ডাক্তারের কাছ থেকে

Total Visitor

620473
Share on facebook
Share on google
Share on twitter
Share on linkedin

Copyright © 2019 by Doctors’ Dialogue

wpDiscuz

আমাদের লক্ষ্য সবার জন্য স্বাস্থ্য আর সবার জন্য চিকিৎসা পরিষেবা। আমাদের আশা, এই লক্ষ্যে ডাক্তার, স্বাস্থ্যকর্মী, রোগী ও আপামর মানুষ, স্বাস্থ্য ব্যবস্থার সমস্ত স্টেক হোল্ডারদের আলোচনা ও কর্মকাণ্ডের একটি মঞ্চ হয়ে উঠবে ডক্টরস ডায়ালগ।

[wppb-register]