সিবিআই আপনাদের কাছে আমার একটি বিনীত অনুরোধ আছে। আপনারা দিল্লি প্রেস ক্লাবে একটি প্রেস কনফারেন্স করুন। সেখানে থেকে ঘোষণা করে দিন —NOBODY KILLED TILOTTAMA.
কোনো নাটক অনির্দিষ্ট কাল চলতে পারে না। একসময় যবনিকা ফেলতেই হয়।
যে তদন্ত চলছে তার মাথায় দুজন মহিলা আছেন। আজকে আন্তর্জাতিক নারী দিবস। তাই এদের মতো আলোকপ্রাপ্ত নারীদের কার্যকলাপ একটু দেখে নেয়া উচিত।
তিলোত্তমা খুন হলো। বাড়িতে জানানো হলো আত্মহত্যা। খুন হলো ডিপার্টমেন্টে। যেখানে কর্মরত অনেক নার্স ডাক্তার ও অন্যান্য কর্মচারী। খবরে জানা গেলো মৃত্যুর আগে শেষ চারজন সহকর্মীর সঙ্গে ডিনার করেছে। পরদিন ভোরে তিনজন ডাক্তার আর জি কর থেকে কুচকাওয়াজ করলো। মৃতদেহের চারপাশে টাইম মেশিন চেপে চলে এলো একপাল অবাঞ্ছিত মানুষ। ওখানে হাজির হলো পুলিশের সর্বোচ্চ থেকে সর্বনিম্ন অংশের পুলিশ। একদল লোক দ্রুত দেহ দাহ করে দিলো। স্বাধীনতার রাতে পুলিশ সরে গেলো। হামলা করলো একদল দুষ্কৃতী। এই সমস্ত মানুষ আর ঘটনাবলি কোনো না কোনো ভাবে খুনের ঘটনার সঙ্গে জড়িত। পর্দার আড়ালের সত্য বের করার জন্যই সিবিআই কে ভরসা করেছিল আদালত। আপামর মানুষ ভরসা করতে চেয়েছিল দুটি নারীর ওপর। সীমা পাহুজা এবং সম্পথ মিনা ম্যামের ওপর আস্থা রেখেছিল আপামর মানুষ। ওনারা তদন্ত কি করেছেন সেটা শিয়ালদা কোর্টের জাস্টিস দাসের রায়ে পরিষ্কার।
ধর্ষণ পুরুষ তন্ত্রের হাতেই হয়। এই পুরুষতন্ত্র ভাঙার কাজ নারী এবং সংবেদনশীল পুরুষের সম্মিলিত দায়িত্ব। এই দুই ম্যাডামের কার্যকলাপ যা দেখা যাচ্ছে তাতে মনে হচ্ছে এনারা পুরুষতন্ত্রের সেবাদাসীর চেয়ে বেশি কিছু নয়।
যে দেশে সর্বোচ্চ তদন্তকারী সংস্থার দুই আধিকারিক এরকম শিরদাঁড়া বিহীন অপদার্থ হয়, সেখানে নারী দিবসের সকল অনুষ্ঠান সার্কাস বলেই মনে হয়।
আজকে নারীদিবসে তিলোত্তমার পক্ষ থেকে এই দুইজনকে ধিক্কার জানাই। এবছর নারী দিবসের এটাই দাবি হোক, কোনো মহিলা নয়, তিলোত্তমা খুনের তদন্তের ভার কোনো সংবেদনশীল পুরুষের হাতে তুলে দেয়া হোক। যদি কোনোদিন ভারতীয় নারীরা নিজেদের মানুষ করতে পারে তখন না হয় তিলোত্তমাদের সুরক্ষার ভার, ন্যায় বিচারের ভার কোনো নারীর হাতে দেয়া যাবে। যতদিন না ভারতীয় নারীদের, আলোকপ্রাপ্ত নারীদের শিরদাঁড়া গজায় ততদিন নারীদের সুরক্ষার ভার সংবেদনশীল পুরুষদের হাতেই থাক। নারীদের হাতে যে ভারতীয় নারীরা সুরক্ষিত নয় সেটা সীমা পহুজা এবং সম্পথ মিনার কার্যকলাপে পরিষ্কার।











অসাধারণ 🙏