
মসী ও অসি
মসী অসির চেয়ে বড়, ক্লান্তিকর সে মিথ্যা অসি যেমন লেখাতে চায়, কলম লেখে ঠিক তা, লেখক কথার প্রকৌশলী , ভাবনা ছড়ান অলিগলি, তার মানে সব

মসী অসির চেয়ে বড়, ক্লান্তিকর সে মিথ্যা অসি যেমন লেখাতে চায়, কলম লেখে ঠিক তা, লেখক কথার প্রকৌশলী , ভাবনা ছড়ান অলিগলি, তার মানে সব

চারখানা ওটিপি দেওয়ার পরে রাষ্ট্র কৃপা করে জানালেন, পরের নির্বাচনে তুমি ভোট দিতে পারো। নাগরিক কৃতাঞ্জলিপুটে অভিবাদনে বললো, অহো ভাগ্য আমার, জন্মের থেকে বিদেশে যাইনি

জেমিমার মা হওয়া সহজ না এদেশে। দুহাজার সাল গেছে ছেলে ভালোবেসে, পুত্রবতী ভব বলে আশিস পেয়েছে সব সতী, কন্যাবতী হও বলে বর কি শুনেছো? মেয়ে

খামোখা কী যে অত খুঁজে চলো কাগজে সামান্য ঘটনাটা কোন বোকা না বোঝে, আতিপাতি নথি ঘেঁটে গোটা ঊনসত্তর, সে কাগজ যেই তুমি জমা দেবে সত্বর,

পাঁচশোর থেকে শুরু সরকারি উৎকোচ এইবার দশহাজারে গেছে পৌঁছিয়ে, ভোটারের অ্যাকাউন্টে ভোটারের ট্যাক্স যায় নানা নাম নিয়ে, শাসকের ঘোষণাতে মনে হয় যেন দাতা কর্ণ বা

বড় অস্থির তুমি। এভাবে চললে পরে কদিন পেরোলে ঠিক দেশদ্রোহী হবে। শোনো, বলছি উপায় এই রোগ সারানোর, পেয়াদারা ধরে ফেলে কবে, ফেঁসে যাবে বেলহীন জেলের

বেহালা শুনতে পাও? করুণ মুর্ছনায় জনগণমন বুঝে বিষাদ-প্রসূতি না, যে সুর স্বার্থপর নিজেতে মগ্ন থাকে নগ্ন আত্মরতিতে সহমর্মিতা বিনা, সে সুর শুনতে পাও? আর্ত’র চিৎকার,

শেকড় কেটে ঘর ভাসিয়ে দেশকে ছেড়ে বেরোয় কে আর তবুও জীবন নিরুদ্দেশের লক্ষ্যে নেওয়ার মানুষ দেদার, জন্মভূমি জন্ম থেকেই ভিত করে দেয় চোরাবালি, ঘর বলে

তেমন ভালো লিখছে না কেউ এই কথাটা রোজই দেখি লিখেছে কেউ. সে এক সময় সাগর ছেঁচে মুক্তো মানিক, আনতো খুঁজে বিদ্রোহী আর প্রাতিষ্ঠানিক, এখন তা

সে আছে। সে মশাল নিভে গেছে সে ধারণার ভরে যারা সুখী ও বিষণ্ণমনা, দুজনেরই জ্ঞাতার্থে জানাই, সে রোজ বেড়ায় ঘুরে আনাচে-কানাচে, সময় বলেছে তাকে তোকে

সাঁইতিরিশজন। দুহাজার উনিশ থেকে পঁচিশ, আই আই টি গবেষক এতগুলো ছাত্রের হয়েছে মরণ, অসুখে নয়, পথ দুর্ঘটনায় নয়, ইদানিং ঘন ঘন ভাইরাল হওয়া জিম অথবা

যৌবন থেকে প্রৌঢ়ত্ব পেরিয়ে বার্ধক্যের দোরগোড়ায় দাঁড়িয়ে দেখছি আশেপাশে.. বুড়োবয়েস একেকজনের কাছে এক এক রকম ভাবে আসে। যে বৃদ্ধ দম্পতিকে বছরে তিনমাস ‘ আমেরিকা ঘুরতে’

মসী অসির চেয়ে বড়, ক্লান্তিকর সে মিথ্যা অসি যেমন লেখাতে চায়, কলম লেখে ঠিক তা, লেখক কথার প্রকৌশলী , ভাবনা ছড়ান অলিগলি, তার মানে সব

চারখানা ওটিপি দেওয়ার পরে রাষ্ট্র কৃপা করে জানালেন, পরের নির্বাচনে তুমি ভোট দিতে পারো। নাগরিক কৃতাঞ্জলিপুটে অভিবাদনে বললো, অহো ভাগ্য আমার, জন্মের থেকে বিদেশে যাইনি

জেমিমার মা হওয়া সহজ না এদেশে। দুহাজার সাল গেছে ছেলে ভালোবেসে, পুত্রবতী ভব বলে আশিস পেয়েছে সব সতী, কন্যাবতী হও বলে বর কি শুনেছো? মেয়ে

খামোখা কী যে অত খুঁজে চলো কাগজে সামান্য ঘটনাটা কোন বোকা না বোঝে, আতিপাতি নথি ঘেঁটে গোটা ঊনসত্তর, সে কাগজ যেই তুমি জমা দেবে সত্বর,

পাঁচশোর থেকে শুরু সরকারি উৎকোচ এইবার দশহাজারে গেছে পৌঁছিয়ে, ভোটারের অ্যাকাউন্টে ভোটারের ট্যাক্স যায় নানা নাম নিয়ে, শাসকের ঘোষণাতে মনে হয় যেন দাতা কর্ণ বা

বড় অস্থির তুমি। এভাবে চললে পরে কদিন পেরোলে ঠিক দেশদ্রোহী হবে। শোনো, বলছি উপায় এই রোগ সারানোর, পেয়াদারা ধরে ফেলে কবে, ফেঁসে যাবে বেলহীন জেলের

বেহালা শুনতে পাও? করুণ মুর্ছনায় জনগণমন বুঝে বিষাদ-প্রসূতি না, যে সুর স্বার্থপর নিজেতে মগ্ন থাকে নগ্ন আত্মরতিতে সহমর্মিতা বিনা, সে সুর শুনতে পাও? আর্ত’র চিৎকার,

শেকড় কেটে ঘর ভাসিয়ে দেশকে ছেড়ে বেরোয় কে আর তবুও জীবন নিরুদ্দেশের লক্ষ্যে নেওয়ার মানুষ দেদার, জন্মভূমি জন্ম থেকেই ভিত করে দেয় চোরাবালি, ঘর বলে

তেমন ভালো লিখছে না কেউ এই কথাটা রোজই দেখি লিখেছে কেউ. সে এক সময় সাগর ছেঁচে মুক্তো মানিক, আনতো খুঁজে বিদ্রোহী আর প্রাতিষ্ঠানিক, এখন তা

সে আছে। সে মশাল নিভে গেছে সে ধারণার ভরে যারা সুখী ও বিষণ্ণমনা, দুজনেরই জ্ঞাতার্থে জানাই, সে রোজ বেড়ায় ঘুরে আনাচে-কানাচে, সময় বলেছে তাকে তোকে

সাঁইতিরিশজন। দুহাজার উনিশ থেকে পঁচিশ, আই আই টি গবেষক এতগুলো ছাত্রের হয়েছে মরণ, অসুখে নয়, পথ দুর্ঘটনায় নয়, ইদানিং ঘন ঘন ভাইরাল হওয়া জিম অথবা

যৌবন থেকে প্রৌঢ়ত্ব পেরিয়ে বার্ধক্যের দোরগোড়ায় দাঁড়িয়ে দেখছি আশেপাশে.. বুড়োবয়েস একেকজনের কাছে এক এক রকম ভাবে আসে। যে বৃদ্ধ দম্পতিকে বছরে তিনমাস ‘ আমেরিকা ঘুরতে’







আমাদের লক্ষ্য সবার জন্য স্বাস্থ্য আর সবার জন্য চিকিৎসা পরিষেবা। আমাদের আশা, এই লক্ষ্যে ডাক্তার, স্বাস্থ্যকর্মী, রোগী ও আপামর মানুষ, স্বাস্থ্য ব্যবস্থার সমস্ত স্টেক হোল্ডারদের আলোচনা ও কর্মকাণ্ডের একটি মঞ্চ হয়ে উঠবে ডক্টরস ডায়ালগ।
Editorial Committee:
Dr. Punyabrata Gun
Dr. Jayanta Das
Dr. Chinmay Nath
Dr. Indranil Saha
Dr. Aindril Bhowmik
Executive Editor: Piyali Dey Biswas
Shramajibi Swasthya Udyog
HA 44, Salt Lake, Sector-3, Kolkata-700097
নীচে Justori র মাধ্যমে আমাদের সদস্য হন – নিজে বলুন আপনার প্রশ্ন, মতামত – সরাসরি উত্তর পান ডাক্তারের কাছ থেকে