Skip to content
Facebook Twitter Google-plus Youtube Microphone
  • Home
  • About Us
  • Contact Us
Menu
  • Home
  • About Us
  • Contact Us
Swasthyer Britte Archive
Search
Generic filters
  • আরোগ্যের সন্ধানে
  • ডক্টর অন কল
  • ছবিতে চিকিৎসা
  • মা ও শিশু
  • মন নিয়ে
  • ডক্টরস’ ডায়ালগ
  • ঘরোয়া চিকিৎসা
  • শরীর যখন সম্পদ
  • ডক্টর’স ডায়েরি
  • স্বাস্থ্য আন্দোলন
  • সরকারি কড়চা
  • বাংলার মুখ
  • বহির্বিশ্ব
  • তাহাদের কথা
  • অন্ধকারের উৎস হতে
  • সম্পাদকীয়
  • ইতিহাসের সরণি
Menu
  • আরোগ্যের সন্ধানে
  • ডক্টর অন কল
  • ছবিতে চিকিৎসা
  • মা ও শিশু
  • মন নিয়ে
  • ডক্টরস’ ডায়ালগ
  • ঘরোয়া চিকিৎসা
  • শরীর যখন সম্পদ
  • ডক্টর’স ডায়েরি
  • স্বাস্থ্য আন্দোলন
  • সরকারি কড়চা
  • বাংলার মুখ
  • বহির্বিশ্ব
  • তাহাদের কথা
  • অন্ধকারের উৎস হতে
  • সম্পাদকীয়
  • ইতিহাসের সরণি
  • আরোগ্যের সন্ধানে
  • ডক্টর অন কল
  • ছবিতে চিকিৎসা
  • মা ও শিশু
  • মন নিয়ে
  • ডক্টরস’ ডায়ালগ
  • ঘরোয়া চিকিৎসা
  • শরীর যখন সম্পদ
  • ডক্টর’স ডায়েরি
  • স্বাস্থ্য আন্দোলন
  • সরকারি কড়চা
  • বাংলার মুখ
  • বহির্বিশ্ব
  • তাহাদের কথা
  • অন্ধকারের উৎস হতে
  • সম্পাদকীয়
  • ইতিহাসের সরণি
Menu
  • আরোগ্যের সন্ধানে
  • ডক্টর অন কল
  • ছবিতে চিকিৎসা
  • মা ও শিশু
  • মন নিয়ে
  • ডক্টরস’ ডায়ালগ
  • ঘরোয়া চিকিৎসা
  • শরীর যখন সম্পদ
  • ডক্টর’স ডায়েরি
  • স্বাস্থ্য আন্দোলন
  • সরকারি কড়চা
  • বাংলার মুখ
  • বহির্বিশ্ব
  • তাহাদের কথা
  • অন্ধকারের উৎস হতে
  • সম্পাদকীয়
  • ইতিহাসের সরণি
Search
Generic filters

দিনলিপি ২

IMG_20200418_000334
Dr. Parthapratim Gupta

Dr. Parthapratim Gupta

General physician. Clinical associate in a corporate hospital.
My Other Posts
  • September 8, 2020
  • 7:15 am
  • 11 Comments

রাত প্রায় দুটো বাজে। আই সি ইউ-র ওয়াশ বেসিনের সামনে দাঁড়িয়ে সাবান দিয়ে হাত ধোয়া চলছিল খুব যত্ন করে। এরপর পেপার ন্যাপকিনে হাত মুছে একপ্রস্থ স্যানিটাইজেশন।

রাতের আইসিইউ-তে কর্মব্যস্ততা একটুখানি কম। সিস্টাররা নিঃশব্দ পদচারণায় তাদের রুটিন কাজগুলো করে যাচ্ছেন। আইসিইউ-র ডাক্তাররা পেশেন্টের সারাদিনের চার্ট পরীক্ষা করে লিপিবদ্ধ করেছেন প্রয়োজনীয় নির্দেশাবলী। শুধু মাঝরাত্তিরে কোন এমার্জেন্সি ঢুকলে মৃদু হইচই শুরু হয়ে যায় ওয়ার্ডে।

সার্জিক্যাল এমার্জেন্সি মেডিকেল ইমার্জেন্সির তুলনায় সামান্য পৃথক। দ্রুততার সাথে রোগীর চিকিৎসা এবং পাশাপাশি তাকে অপারেশন থিয়েটারের জন্য প্রস্তুত করা দুটো কাজের দায়িত্বই বর্তায় ইনটেনসিভ কেয়ারের ডাক্তার এবং নার্সদের। যেমন আজ রাত বারোটায় ছুটে আসতে হয়েছে আমাকে একটি স্ট্রোক পেশেন্টের ইভ্যালুয়েশন এবং ম্যানেজমেন্টের জন্য। এই আমাদের মত সার্জিক্যাল স্পেশালিটির ডাক্তাররা আইসিউতে এসে পড়লেই মাঝরাত্তিরে দৌড়ঝাঁপ শুরু হয়ে যায় সবার।

ষাটের কোঠায় বয়স দেবাশিস বাবুর। অনেক রকম প্রয়োজনীয় ওষুধ খেতে হয় রোজ। কাজের জন্য আজ সারাদিন বাড়ির বাইরে কাটাতে হয়েছে তাকে। বাড়ি ফিরে দিব্যি ছিলেন। হঠাৎ অজ্ঞান হয়ে পড়ে যাওয়ায় তাকে হাসপাতালে নিয়ে এসেছেন বাড়ির লোক। সিটি স্ক্যানে দেখতে পাওয়া গেছে ব্রেনের মধ্যে ইন্টারনাল হেমারেজ। তাই মাঝরাতে বিছানা থেকে উঠে আসতে হয়েছে আমাকে।

অপারেশন লাগবে রোগীর। সকালেই কোভিড স্যাম্পল পাঠিয়ে আমরা ওনাকে থিয়েটারে নিয়ে নেব। কোভিড পজিটিভ ধরে নিয়েই যাবতীয় সাবধানতা অবলম্বন করে অপারেশন করতে হবে কাল সকালেই। কারণ রিপোর্ট আস্তে আস্তে কালকের রাত অথবা পরশু সকাল।

রোগীর যাবতীয় চিকিৎসা শুরু করে দিয়ে বাড়ির লোকেদের জানিয়ে দিলাম সে কথা। মেয়ে আর জামাই নিয়ে এসেছেন ভদ্রলোককে হাসপাতালে।
ছেলে থাকেন বিদেশে মায়ের সাথে। মোবাইল ফোনে সবার সাথেই কথা বললাম আমি। অপারেশনের প্রয়োজনীয়তার সাথে রোগীর বিপদের কথাও। রাত দুটোর সময়ে মেয়েকে তার বাবার ক্রিটিকাল শারীরিক অবস্থার কথা শোনাতে কারই বা ভালো লাগে?

কিন্তু সেটাই প্রটোকল। খারাপ লাগলেও পুঙ্খানুপুঙ্খ জানাতে হয় সবকিছু। এটা মরণ-বাঁচনের প্রশ্ন।

“তোমাদের মধ্যে কতজন পজিটিভ হয়েছে এখনো পর্যন্ত?” হাত ধোয়া শেষে জিজ্ঞাসা করলাম সিস্টারকে।

“স্যার আর হিসেব করছি না আমরা। কালকে অবধি যে নেগেটিভ ছিল আজকে সে পজিটিভ হয়ে যাচ্ছে। পজিটিভ লোকেরা আবার নেগেটিভ হয়ে জয়েন করছে। পজিটিভ আর নেগেটিভ এখন একটা বৃত্তের মতো হয়ে গেছে আমাদের হাসপাতালে। চাকা ঘুরে চলেছে। জীবনটা মনে হচ্ছে শুধুই পজিটিভ আর নেগেটিভের খেলা। আর কিছু নেই। তাই ঐসব নিয়ে আর বিশেষ ভাবছি না।”

আমার হাতে স্যানিটাইজার স্প্রে করতে করতে সিস্টারের দার্শনিক উপলব্ধি! মজাই লাগলো শুনে।

কোভিড পেশেন্টদের আইসিইউ আলাদা। কিন্তু আপাতত কোভিড নন যারা, কিন্তু যাদের জ্বর রয়েছে অথবা কোভিড পরীক্ষা হয়নি এখনো যাদের, তাদের জন্য করা হয়েছে মাঝামাঝি একটা ব্যবস্থা। তাদের আপাতত কোভিড ধরে নিয়েই সাবধানতা অবলম্বন করতে হচ্ছে আমাদের সবাইকে। বেডগুলিও রাখা হচ্ছে আলাদাভাবে।
কিন্তু সমস্যা হচ্ছে আউটডোর থেকে পেশেন্ট ভর্তি করার সময়। সার্জারির জন্য যেসব রোগী প্রস্তুত হচ্ছেন তাদের আমরা কোভিড টেস্ট করে নিচ্ছি ভর্তি হওয়ার আগেই। অদ্ভুতভাবে অনেক রোগী পজিটিভ হচ্ছেন। যাদের কোন উপসর্গই নেই।
যত দিন যাচ্ছে বাড়ছে এই সম্ভাবনাটা। উপসর্গহীন কোভিড রোগী।

আমাদের চারপাশে এখন টেস্ট করালে প্রচুর মানুষ পজিটিভ হবেন। যাদের কোনো উপসর্গ নেই।

এটাই হবার কথা। সবার শরীরেই কোভিডের ছোঁয়া লাগতে হবে। তবেই তো তৈরি হবে সামাজিক অনাক্রম্যতা(Herd immunity)।

এই পজিটিভ হওয়ার চক্করে পিছিয়ে যাচ্ছে আমাদের যাবতীয় অপারেশনগুলি। রোগীদের আবার নেগেটিভ হয়ে ফিরে আসতে হচ্ছে অপারেশন করাবার জন্য। ব্রেন টিউমার বা মেরুদন্ডের অপারেশনের দেরি হয়ে যাচ্ছে।

একজন ক্যান্সার রোগীর সাথে আউটডোরে কথা হচ্ছিল সেদিন। ভদ্রমহিলার ঘাড়ে আর হাতে তীব্র যন্ত্রণা। ওষুধ কাজ করছে না। স্ক্যানে দেখা যাচ্ছে ঘাড়ের মেরুদন্ডের (সারভাইকাল স্পাইন) মধ্যবর্তী ডিস্ক সরে গিয়ে নার্ভে চাপ দিচ্ছে। ওষুধ আর ফিজিওতে না কমলে অপারেশনই এর একমাত্র চিকিৎসা।

তাই আলোচনা হচ্ছিল রোগী এবং তার পরিবারের সঙ্গে। ভদ্রমহিলার সাতবার অপারেশন হয়েছে এর আগে। এই কোভিডের বাজারে আরেকবার টেবিলে উঠতে নারাজ স্বাভাবিকভাবেই।

অভয় দিতে গিয়ে আমার সিনিয়র এবার ব্রহ্মাস্ত্র প্রয়োগ করে বসলেন। আমায় দেখিয়ে বললেন “এই যে ডাক্তারবাবু আপনাকে পরীক্ষা করে আপনার প্রেসক্রিপশন লিখছেন, উনার ঠিক আপনার মতো রোগ হয়েছিল। উনার অপারেশন হয়ে গেছে, তাও আপনার মতো এক লেভেল নয় দু লেভেলে। উনি সুস্থ হয়ে এখন আপনার চিকিৎসা করছেন। তাহলেই ভাবুন কতটা সেফ এই অপারেশন।”

ভদ্রমহিলা অবাক। বলেই ফেললেন আমাকে,
“আপনার মতো সুস্থ মানুষের অপারেশন লেগেছে?
দেখে তো বোঝাই যায় না!”

“আপনাকে দেখেও তো বোঝা যায় না,আপনি ক্যান্সারের সাথে লড়াই করে জিতে এসেছেন।”
উত্তর দিলাম আমি।

“আর এই অপারেশনটা শুধু আমার নয়, শাহরুখ খানেরও হয়েছে। ওর মতোই আমার গলাতেও একটা কাটা দাগ রয়েছে। আমার দুটো ইমপ্লান্ট আর শাহরুখের একটা।”

এই বলে আমার গলার ডান দিকের কাটা দাগটা দেখিয়েও দিলাম। আর এটাও বললাম আমার পাশে বসা সিনিয়রই আমার সার্জারিটি করেছেন।
আর পাঠকদের চুপিচুপি বলে রাখি সিনিয়রেরও একটা ছোট অপারেশন তার কিছুদিন আগে আমি করে দিয়েছিলাম।

আসলে অভয় দিতে গেলে সব কথাই খুলে বলতে হয় রোগীকে। মায় নিজের অভিজ্ঞতার কথাও। সেটাই দস্তুর আমাদের পেশার।

ভদ্রমহিলার কপাল থেকে চিন্তার ভ্রুকুটি অনেকটাই কমে গেল এরপর। মুখে হাসি ফুটলো।

পজিটিভ আর নেগেটিভ হওয়ার সাথে সাথে এইসব পজিটিভ আর নেগেটিভ চিন্তার লড়াই চলতেই থাকে আমাদের সকলের জীবনে।

আমার এক পুরনো রোগী যেমন কাল ফোন করে জানালেন,”পার্থদা,যে ব্যাঙ্কে কাজ করি সেখানে সবার রুটিন করোনা টেস্ট হয়েছে। পজিটিভ হয়ে গেছি আমি। কি করবো?”

বুঝলাম ডায়বেটিক বলে ভয় পাচ্ছে। এ ছাড়া বৃদ্ধা মা আর ডায়াবেটিক স্ত্রীও রয়েছেন বাড়িতে।
প্রেসক্রিপশন পাঠিয়ে দিলাম মোবাইলে। বাকি সব সাবধানতা কি অবলম্বন করতে হবে সবকিছু বুঝিয়ে দিয়েই। আমার মাসতুতো ভাইও এভাবেই সুস্থ হয়ে উঠলো দুদিন আগে।

তাই ধীরে ধীরে পাড়া, গলি, মহল্লায় অনেকে পজিটিভ হবেন। চিকিৎসা বা বিনা চিকিৎসায় সুস্থ হয়ে উঠবেন। যতদিন যাবে একটু একটু করে দুর্বল হবে ভাইরাস।

লকডাউন একদম উঠে গেলে কেসের সংখ্যাও বাড়বে, বাড়বে উপসর্গহীন রোগের সংখ্যাও।
স্প্যানিশ ফ্লু এসেছিল ঘুরেফিরে তিনবার। এটাও হয়তো আসবে।

তবে সাবধানতাগুলি মেনে চললে ধীরে ধীরে কমে যাবে সংক্রমণ আর মৃত্যুর হার। মরশুমি ইনফ্লুয়েঞ্জার মতোই তখন পড়ে থাকবে করোনা। আরেকটা সাধারণ ভাইরাল রোগ হয়ে।
সেই দিনের আশাতেই বুক বেঁধে আছি।
ভালো থাকবেন সবাই।

PrevPreviousসুভাষ বিবেক আমার দিলদার
Nextগর্ভাবস্থায় হজমের সমস্যাNext
0 0 votes
Article Rating
Subscribe
Notify of
guest
guest
11 Comments
Oldest
Newest Most Voted
Inline Feedbacks
View all comments
Rochana Das
Rochana Das
5 years ago

Inspiring write up.

0
Reply
Soma Chakraborty
Soma Chakraborty
5 years ago

আপনার লেখা সবসময়ই আমাদের মনোবল বাড়ায়। আপনি এবং আপনারা ভালো থাকুন, সুস্থ থাকুন। আর এভাবেই আমাদের সাহস জোগাতে থাকুন।

0
Reply
Alok Chakrabarti
Alok Chakrabarti
5 years ago

অসাধারণ সুন্দর এক ইতিবাচক বার্তাবাহী শক্তিশালী লেখা। খুব ভালো লাগল।

0
Reply
Debjanee Gupta
Debjanee Gupta
5 years ago

খুব ভালো লাগলো ভাই।তোমার লেখা সব সময়েই আশা ব্যঞ্জক। এই মহামারীর বাতাবরণে মানসিক শক্তি টা খুব জরুরী , তুমি আমার থেকেও ভালো জানো। তোমার লেখা পড়ে সেটাই পাই।ভালো থেকো ভাই।খুব ভালো থেকো ,তোমরা সকলে।

0
Reply
Dr. SANTANU MANDAL
Dr. SANTANU MANDAL
5 years ago

অসম্ভব ভালো একটা লেখা। ভীষণ ভালো লাগল পড়ে।

0
Reply
বুলবুল মজুমদার .
বুলবুল মজুমদার .
5 years ago

সেই আশাতেই আছি .আপনারা ভালো থাকবেন .তবেই তো আমরাও ভালো থাকবো

0
Reply
Subir kumar Bhattacharya
Subir kumar Bhattacharya
Reply to  বুলবুল মজুমদার .
5 years ago

লেখাটা পড়ে মনের জোড়টা অনেকটাই বেড়ে গেলো। তোমরা নিজেরা লড়াই করে প্রত‍্যেকের সেবা করে যাচ্ছ , সাথে আমাদের মতো সাধারণ মানুষকে যেভাবে সাহস যুগিয়ে দিচ্ছ তার জন‍্য তোমাকে আমার কুর্নিশ। ভালো থেকো

0
Reply
ABANI PRAMANICK
ABANI PRAMANICK
5 years ago

আপনার দিনলিপি আমাদের যে কতটা মনের জোর বাড়ায় তা বলে বোঝাতে পারবো না।এই যে পড়লাম, তাতে একটু হলেও মনে হলো, না পারবো,পারবো কাটিয়ে উঠতে এই ভয়ংকর রোগটিকে।পড়ার আগে পর্যন্ত খবরাখবর শুনে মন থেকেই বোধহয় হেরে বসেছিলাম।আপনার লেখা আবার মনোবল পেলাম।আপনিও ভাল থাকুন।আপনাদের ভাল থাকাটা খুব প্রয়োজন আজ।

0
Reply
Jayeeta De
Jayeeta De
5 years ago

How nicely you have explained that the people who were negative the next day became positive…those who were positive joined their work in hospital again after becoming negative..the front line workers are working day and night with Covid 19 though knowing very well they are playing Life and Death…your writing always gives us Hope and shows Light after darkness…just like Sadness followed by Happiness nothing is permanent in this world …..?

0
Reply
শান্তা বিশ্বাস ঠাকুর
শান্তা বিশ্বাস ঠাকুর
5 years ago

অসাধারণ ??

0
Reply
শান্তা বিশ্বাস ঠাকুর
শান্তা বিশ্বাস ঠাকুর
5 years ago

অসাধারণ ??

0
Reply

সম্পর্কিত পোস্ট

ভবিষ্যতই বলবে, এটা masterstroke ছিল না beginning of the end!!

August 1, 2026 No Comments

সত‍্যিই অভাবনীয়। কিন্তু যদি ভেবে থাকেন এটা সরকারের বিরাট পরাজয়, খুব ভুল করবেন। দাবা খেলায় যেমন দরকারে কোনো বড় পিসও sacrifice করা হয়, ধরে নিন

হাসপাতালে নিরাপদ, ভয়হীন কাজের পরিবেশের জন্য সরকার দায়বদ্ধ হোক

August 1, 2026 No Comments

কর্মক্ষেত্রে নিরাপত্তা, ভয়হীন কাজের পরিবেশ অভয়া আন্দোলনের এক গুরুত্বপূর্ণ দাবি। বিগত বছরগুলোতে আমরা দেখেছি বারবার নিজেদের কর্মক্ষেত্রে, হাসপাতালে নিগৃহীত হতে হয়েছে চিকিৎসক – নার্স –

Surging Price

August 1, 2026 No Comments

এই আন্দোলন অনেক কিছু দিয়ে গেলো…….

July 31, 2026 No Comments

ইংল্যান্ডে থাকা আমাদের দেশের এক ছেলে, মুম্বাই থেকে তার বাবা- মা কে যন্তরমন্তরে পাঠিয়েছেন এই বলে, “বাবা, তুমি আমার হয়ে পুলিশের কাছে একটা ডান্ডা খেয়ে

প্রতিবাদের অধিকার হরণের প্রচেষ্টা বর্ধমান মেডিক্যাল কলেজে

July 31, 2026 No Comments

২৯ জুলাই, ২০২৬ ২৪ জুলাই ২০২৬ বর্ধমান মেডিক্যাল কলেজের অধ্যক্ষ একটি ‘উপদেশ’ জারি করেছেন (মেমো নম্বর BMC/2192) তাঁর নিজস্ব প্রশাসনিক আওতাভুক্ত কলেজ, ছাত্রাবাস, হাসপাতাল, হাসপাতালের

সাম্প্রতিক পোস্ট

ভবিষ্যতই বলবে, এটা masterstroke ছিল না beginning of the end!!

Dr. Amit Pan August 1, 2026

হাসপাতালে নিরাপদ, ভয়হীন কাজের পরিবেশের জন্য সরকার দায়বদ্ধ হোক

West Bengal Junior Doctors Front August 1, 2026

Surging Price

Dr. Sumit Banerjee August 1, 2026

এই আন্দোলন অনেক কিছু দিয়ে গেলো…….

Sukalyan Bhattacharya July 31, 2026

প্রতিবাদের অধিকার হরণের প্রচেষ্টা বর্ধমান মেডিক্যাল কলেজে

The Joint Platform of Doctors West Bengal July 31, 2026

An Initiative of Swasthyer Britto society

আমাদের লক্ষ্য সবার জন্য স্বাস্থ্য আর সবার জন্য চিকিৎসা পরিষেবা। আমাদের আশা, এই লক্ষ্যে ডাক্তার, স্বাস্থ্যকর্মী, রোগী ও আপামর মানুষ, স্বাস্থ্য ব্যবস্থার সমস্ত স্টেক হোল্ডারদের আলোচনা ও কর্মকাণ্ডের একটি মঞ্চ হয়ে উঠবে ডক্টরস ডায়ালগ।

Contact Us

Editorial Committee:
Dr. Punyabrata Gun
Dr. Jayanta Das
Dr. Chinmay Nath
Dr. Indranil Saha
Dr. Aindril Bhowmik
Executive Editor: Piyali Dey Biswas

Address: 

Shramajibi Swasthya Udyog
HA 44, Salt Lake, Sector-3, Kolkata-700097

Leave an audio message

নীচে Justori র মাধ্যমে আমাদের সদস্য হন  – নিজে বলুন আপনার প্রশ্ন, মতামত – সরাসরি উত্তর পান ডাক্তারের কাছ থেকে

Total Visitor

657089
Share on facebook
Share on google
Share on twitter
Share on linkedin

Copyright © 2019 by Doctors’ Dialogue

wpDiscuz

আমাদের লক্ষ্য সবার জন্য স্বাস্থ্য আর সবার জন্য চিকিৎসা পরিষেবা। আমাদের আশা, এই লক্ষ্যে ডাক্তার, স্বাস্থ্যকর্মী, রোগী ও আপামর মানুষ, স্বাস্থ্য ব্যবস্থার সমস্ত স্টেক হোল্ডারদের আলোচনা ও কর্মকাণ্ডের একটি মঞ্চ হয়ে উঠবে ডক্টরস ডায়ালগ।

[wppb-register]