Skip to content
Facebook Twitter Google-plus Youtube Microphone
  • Home
  • About Us
  • Contact Us
Menu
  • Home
  • About Us
  • Contact Us
Swasthyer Britte Archive
Search
Generic filters
  • আরোগ্যের সন্ধানে
  • ডক্টর অন কল
  • ছবিতে চিকিৎসা
  • মা ও শিশু
  • মন নিয়ে
  • ডক্টরস’ ডায়ালগ
  • ঘরোয়া চিকিৎসা
  • শরীর যখন সম্পদ
  • ডক্টর’স ডায়েরি
  • স্বাস্থ্য আন্দোলন
  • সরকারি কড়চা
  • বাংলার মুখ
  • বহির্বিশ্ব
  • তাহাদের কথা
  • অন্ধকারের উৎস হতে
  • সম্পাদকীয়
  • ইতিহাসের সরণি
Menu
  • আরোগ্যের সন্ধানে
  • ডক্টর অন কল
  • ছবিতে চিকিৎসা
  • মা ও শিশু
  • মন নিয়ে
  • ডক্টরস’ ডায়ালগ
  • ঘরোয়া চিকিৎসা
  • শরীর যখন সম্পদ
  • ডক্টর’স ডায়েরি
  • স্বাস্থ্য আন্দোলন
  • সরকারি কড়চা
  • বাংলার মুখ
  • বহির্বিশ্ব
  • তাহাদের কথা
  • অন্ধকারের উৎস হতে
  • সম্পাদকীয়
  • ইতিহাসের সরণি
  • আরোগ্যের সন্ধানে
  • ডক্টর অন কল
  • ছবিতে চিকিৎসা
  • মা ও শিশু
  • মন নিয়ে
  • ডক্টরস’ ডায়ালগ
  • ঘরোয়া চিকিৎসা
  • শরীর যখন সম্পদ
  • ডক্টর’স ডায়েরি
  • স্বাস্থ্য আন্দোলন
  • সরকারি কড়চা
  • বাংলার মুখ
  • বহির্বিশ্ব
  • তাহাদের কথা
  • অন্ধকারের উৎস হতে
  • সম্পাদকীয়
  • ইতিহাসের সরণি
Menu
  • আরোগ্যের সন্ধানে
  • ডক্টর অন কল
  • ছবিতে চিকিৎসা
  • মা ও শিশু
  • মন নিয়ে
  • ডক্টরস’ ডায়ালগ
  • ঘরোয়া চিকিৎসা
  • শরীর যখন সম্পদ
  • ডক্টর’স ডায়েরি
  • স্বাস্থ্য আন্দোলন
  • সরকারি কড়চা
  • বাংলার মুখ
  • বহির্বিশ্ব
  • তাহাদের কথা
  • অন্ধকারের উৎস হতে
  • সম্পাদকীয়
  • ইতিহাসের সরণি
Search
Generic filters

দ্বিতীয় ঢেউ এর দিনগুলি ৮

IMG_20210420_051434
Dr. Aindril Bhowmik

Dr. Aindril Bhowmik

Medicine specialist
My Other Posts
  • April 20, 2021
  • 5:16 am
  • No Comments

রোজা শুরু হতেই বমি আর পেটে ব্যথার রোগীরা হাজির হন।

পয়লা বৈশাখের আগের দিন দুপুরে চেম্বার করছিলাম। আজ ভোট প্রচারের শেষ দিন। ঠাঁ ঠাঁ রোদ্দুরে সব দলের লোকজনই ক্ষেপে উঠেছে। চেম্বারের সামনে দিয়ে ঘন ঘন মিছিল যাচ্ছে। একটা মিছিলে খেলাধুলা সংক্রান্ত গান নিয়ে ডিজে বাজছে। ডিজের আওয়াজে চেম্বারে টেবিলটাও কাঁপছে।

করোনার কল্যাণে চৈত্রের শেষ দিনেও রোগীর কোনো খামতি নেই। এক বাড়ি থেকে সাতজন এসেছেন, সকলেরই জ্বর। বয়স তাঁদের ১৪ থেকে ৭০ এর মধ্যে।

একজন বললেন, ‘এই ভালো ডাক্তারবাবু, একসাথে সবার হয়ে যাওয়া। এক এক করে হলে সমস্যা হতো।’

সবার বুকে স্টেথো বসিয়ে শুনলাম। একদম পরিষ্কার। একখানা মাত্র প্রেসক্রিপশন করে বললাম, ‘সবাই মিলে এই ওষুধ খান। কাল গ্রামীণ হাসপাতালে গিয়ে টেস্ট করান। পজেটিভ হলে রাত করে ফোন করবেন। কারো শ্বাসকষ্ট হলে জানাবেন।’

একজন বললেন, ‘একটা পালস অক্সিমিটার কিনে নিয়েছি।’

বললাম, ‘তাহলে তো আরো সুবিধা। কারো অক্সিজেন স্যাচুরেশন ৯৫% এর নিচে নামলেই জানাবেন। তখন হাসপাতালে ভর্তির ব্যাপারে চিন্তা ভাবনা করা যাবে।’

সাতজন একসাথে চলে যেতেই চেম্বারের সামনেটা ফাঁকা হয়ে গেল। তখনই একটা টোটো এসে দাঁড়ালো, ‘ডাক্তারবাবু, ইমারজেন্সি… ইমারজেন্সি…পেটে ব্যথা, বমি…’

শীর্ণ চেহারার এক মহিলা কোনরকমে স্বামীর কাঁধে ভর দিয়ে নামলেন। মাথার চুল শাড়ির আঁচল দু’ভাজ করে ঢাকা।

বললাম, ‘এই চেহারা নিয়ে রোজা রাখেন কেন?’

‘রোজা? রোজা কেন রাখবো?’

‘তাহলে এই অবস্থা হলো কী করে?’

‘নীল ষষ্ঠীর উপোষ করেছিলাম।’

‘নীল ষষ্ঠী?? কী নাম আপনার?’

‘কাবেরী রায়চৌধুরী।’

‘তাহলে চুল ওই ভাবে ঢেকে রেখেছেন কেন?’

মহিলা উত্তর দিলেন, ‘যা রোদ, মাথা না ঢাকলে আসব কী করে?’

ওনার স্বামীকে দুটো ইঞ্জেকশন আনতে পাঠালাম। ইঞ্জেকশন আনতে সময় লাগবে। ততক্ষণ উনি বসে থাকুন। আমার একজন রোগী দেখা হয়ে যাবে।

পরের রোগী একটি বছর পঁচিশের মেয়ে। ওর ডায়াবেটিস আছে। ওষুধ খাচ্ছিল। গর্ভে সন্তান এসেছে।

ওষুধ বন্ধ করে ইনসুলিন করে দিলাম। বললাম, ‘তোমার আর এই করোনার মধ্যে চেম্বারে আসার দরকার নেই। পনেরো দিন বাদে সুগার পরীক্ষা করে রাত দশটা নাগাদ ফোন করবে। ইনসুলিনের ডোজ বাড়া- কমা করতে হলে ফোনে বলে দেব।’

মেয়েটি ঘাড় নাড়লো। তারপর বলল, ‘আচ্ছা ডাক্তারবাবু, রোজা করলে সমস্যা নেইতো।’

বোঝো, কাদের নিয়ে সংসার করছি। আমাকে উত্তর দিতে হলো না। তার আগেই শীর্ণ ভদ্রমহিলা ধমকে উঠলেন, ‘এই অবস্থায় উপোষ করবি কিরে? উপোষ করলে তোর যা পুণ্য হবে, পেটের বাচ্চাটাকে না খাইয়ে রাখলে তার চেয়ে ঢের বেশি পাপ হবে।’

এই ধরনের সমস্যার সম্মুখীন আমি হামেশাই হই। সুগারের রোগীরা, প্রেশারের রোগীরা বারবার নিষেধ সত্ত্বেও রোজা রাখেন এবং অসুস্থ হয়ে আমার দারস্থ হন। আমি গালাগালি দিয়ে রাগ মেটাই। ওনারা বিনা প্রতিবাদে সব শোনেন। মাথা নেড়ে মেনেও নেন। এবং একটু সুস্থ হলে আবার রোজা রাখেন।

তবে এ ব্যাপারে হিন্দু ধর্মের বয়স্ক মহিলারাও কম যান না। তাঁরাও একাদশী বা যেকোনো ছুতোয় উপোষ করেন। নিজের শরীরের বারোটা বাজান।

ইংজেকশন দিয়ে এবং উপোষ না করার পরামর্শ দিয়ে শীর্ণ মহিলাকে বিদায় করলাম। একজন মাঝবয়সী মহিলা ঢুকলেন। বললাম, ‘আপনার আবার কী হলো?’

‘ডাক্তার সাব, ম্যায় বাংলা আচ্ছা সমঝতা নেহি হুঁ।’

আমি আমার মারাত্মক হিন্দিতে বললাম, ‘সেকি, আপ বাংলায় রহেতে হো আর বাংলা নেহি সমঝতে হো।’

ভদ্রমহিলা হিন্দিতে যা বললেন তার মর্মার্থ হলো উনি আগে কখনো বাংলায় আসেন নি। তাঁর ছোটো ছেলে, বউমা আর নাতি এখানেই থাকে। বউমার আরেকটি সন্তান হয়েছে। সেটিকে সামলানোর জন্য উনি দিন পনেরো আগে এখানে এসেছেন। হাঁটু ব্যথার জন্য আমাকে দেখাতে এসেছেন।

বললাম, ‘ইসকে লিয়ে আপ কোই দাওয়া লেতা হো?’

‘রামদেব বাবাকো এক দাবা চল রহী থী। পরন্তু উস দাবা লেকর প্যার মে সুজন হো গিয়া।’

সুজন? সেটা আবার কী বস্তু?

উনি হাত দিয়ে পা দেখালেন। ফুলে ঢোল। বুঝলাম সুজন বলতে উনি ভালো মানুষ বোঝাতে চাননি। পা ফোলা বোঝাতে চেয়েছেন।

বললাম, ‘এয়সা পাঁচমিশালি দাওয়া নেহি চলেগা।’

উনি হাঁ করে চেয়ে রইলেন। ‘পাঁচমিশালি দাওয়া ক্যায়া হোতা হ্যায়।’

‘পাঁচমিশালি নেহি সমঝতা হ্যায়। পাঁচমিশালি মানে জগাখিচুড়ি হ্যায়।’

উনি বললেন, ‘মেরা নাতি বাংলা সমঝতা হ্যায়। আপ ঠ্যারিয়ে।’

উনি একটি সাত-আট বছরের ছেলেকে নিয়ে চেম্বারে ঢুকলেন। বললাম, ‘এই ছেলে তুই বাংলা বুঝিস?’

ছেলেটি একদম পরিষ্কার উচ্চারণে বলল, ‘বাংলাই হিন্দির থেকে ভালো বুঝি। লিখতেও পারতাম। তবে এখন আর পারিনা।’

‘কেন, পারিস না কেন?’

‘অনেক দিন স্কুল বন্ধ তো। সব ভুলে গেছি।’

আরও কীসব বলছিল, শুনতে পেলাম না। ভোটের মিছিল আবার যাচ্ছে। ‘চলছে না, চলবে না। ভেঙে দাও, গুঁড়িয়ে দাও।’

PrevPreviousচাই মাস্ক, টিকা, পর্যাপ্ত কোভিড বেড, র‍্যাপিড এন্টিজেন টেস্ট এবং চিকিৎসাকর্মীদের বিনামূল্যে চিকিৎসা
Nextপ্রসঙ্গঃ শিশুদের কোভিডNext
0 0 votes
Article Rating
Subscribe
Notify of
guest
guest
0 Comments
Inline Feedbacks
View all comments

সম্পর্কিত পোস্ট

রুচিহীন, কুৎসিত, ব্যক্তি আক্রমণ তীব্রভাবে প্রত্যাখ্যান করা উচিত

April 30, 2026 No Comments

না! আমি কাউকে বেইমান বলাটা সমর্থন করি না। সন্তানহারা মাকে বলাটা তো নয়ই! এটা অপ্রার্থিত, এবং আদৌ গ্রহণযোগ্য নয়! তবে, রাজনীতির আখড়ায় প্রাচীনযুগ থেকেই এসব

অশ্লীল মিম নয় মৃত্যুহীনতা এই নির্বাচনের থিম

April 30, 2026 No Comments

পশ্চিমবঙ্গের নির্বাচনী ইতিহাসে বিশেষ করে ২০১১ থেকে তৃণমূল কংগ্রেস ক্ষমতায় আসার পর পঞ্চায়েত – পুরসভা থেকে বিধানসভা – লোকসভা প্রতিটি নির্বাচন ঘিরে শাসক দলের প্রশ্রয়ে

ভারতে হাম: একটি প্রতিরোধযোগ্য রোগ, তবু এত ঝুঁকি কেন?

April 30, 2026 No Comments

২৭ এপ্রিল ২০২৬ ফেসবুক লাইভে আলোচিত।

বিচারের আশায় সাধারণ আমি থেকে আমরা

April 29, 2026 No Comments

।।বহু ক্ষোভ বুকে জমা।।

April 29, 2026 No Comments

আমি তো চাইছি কালো মেঘে যাক দূর দিগন্ত ছেয়ে তপ্ত পৃথিবী নব রূপ পাক বর্ষায় ভিজে নেয়ে !! পথ শিশুরাও রাজপথে নেমে নিক অধিকার চেয়ে

সাম্প্রতিক পোস্ট

রুচিহীন, কুৎসিত, ব্যক্তি আক্রমণ তীব্রভাবে প্রত্যাখ্যান করা উচিত

Dr. Koushik Lahiri April 30, 2026

অশ্লীল মিম নয় মৃত্যুহীনতা এই নির্বাচনের থিম

Bappaditya Roy April 30, 2026

ভারতে হাম: একটি প্রতিরোধযোগ্য রোগ, তবু এত ঝুঁকি কেন?

Doctors' Dialogue April 30, 2026

বিচারের আশায় সাধারণ আমি থেকে আমরা

Abhaya Mancha April 29, 2026

।।বহু ক্ষোভ বুকে জমা।।

Shila Chakraborty April 29, 2026

An Initiative of Swasthyer Britto society

আমাদের লক্ষ্য সবার জন্য স্বাস্থ্য আর সবার জন্য চিকিৎসা পরিষেবা। আমাদের আশা, এই লক্ষ্যে ডাক্তার, স্বাস্থ্যকর্মী, রোগী ও আপামর মানুষ, স্বাস্থ্য ব্যবস্থার সমস্ত স্টেক হোল্ডারদের আলোচনা ও কর্মকাণ্ডের একটি মঞ্চ হয়ে উঠবে ডক্টরস ডায়ালগ।

Contact Us

Editorial Committee:
Dr. Punyabrata Gun
Dr. Jayanta Das
Dr. Chinmay Nath
Dr. Indranil Saha
Dr. Aindril Bhowmik
Executive Editor: Piyali Dey Biswas

Address: 

Shramajibi Swasthya Udyog
HA 44, Salt Lake, Sector-3, Kolkata-700097

Leave an audio message

নীচে Justori র মাধ্যমে আমাদের সদস্য হন  – নিজে বলুন আপনার প্রশ্ন, মতামত – সরাসরি উত্তর পান ডাক্তারের কাছ থেকে

Total Visitor

620113
Share on facebook
Share on google
Share on twitter
Share on linkedin

Copyright © 2019 by Doctors’ Dialogue

wpDiscuz

আমাদের লক্ষ্য সবার জন্য স্বাস্থ্য আর সবার জন্য চিকিৎসা পরিষেবা। আমাদের আশা, এই লক্ষ্যে ডাক্তার, স্বাস্থ্যকর্মী, রোগী ও আপামর মানুষ, স্বাস্থ্য ব্যবস্থার সমস্ত স্টেক হোল্ডারদের আলোচনা ও কর্মকাণ্ডের একটি মঞ্চ হয়ে উঠবে ডক্টরস ডায়ালগ।

[wppb-register]