লালবাজারে লাল গোলাপ? সাংঘাতিক!
ও ইতিহাস, রাখিস মনে সালটা ঠিক,
যখন নতুন করে গান্ধী চেনে বর্তমানের সাংবাদিক..
আজ সবুজের লক্ষ্য সোজা, দেখবে না সে ডান বাঁদিক।
হাজার যুব-চিকিৎসক, আটকে দেওয়ার তৈরি ছক,
ব্যারিকেডে পথ জুড়ে।
হায় শাসকের মজনু রে,অত তোদের নেই রে ধক,
হক ছিনাতে ওই ভিড়ে আজ যে তরুণী আর যুবক,
ডিগ্রী তাদের এম বি বি এস,
পাশ করা’তে দম লাগে বেশ,
এমন করে রাত জাগা যার সেরেফ রোজের কাজ নিছক।
দুর্বিনীত নয় ওরা! নতুন যুগের জয়-ঘোড়া
খুব বিনয়ে চাইছে বিনীত্-সাক্ষাৎই,
এই পচা মাছ ঢাকার তিনি শাক নাকি,
কিন্তু ভিড়ের সামনে যেতে থরথরালো বুটজোড়া,
দেয় না গালি, ইঁট ছোঁড়ে না ,
এই প্রতিবাদ তাঁর অচেনা,
ভীষণ ভয়ে তাই তো এড়ান লাল গোলাপের ফুল-তোড়া
যেই সলিলে আজকে ডোবা, নিজের হাতেই ভুল খোঁড়া।
সাবাস নবীন সাবাস কাঁচা, এদিন দেখার জন্য বাঁচা,
সাবাস আমার সবুজ স্টেথোর দল,
তোদের হেতু মানব-শিকল,
লাখো লোকের ঢল,
তোদের জন্য মানুষ-জোয়ার ভেঙে ভয়ের খাঁচা।
দুষ্টু লোকে গুনছে প্রমাদ,
ঘুঘুর বাসা দেখছে যে ফাঁদ,
তোদের হাতেই বদল সেসব খোল নলিচার ধাঁচা,
অনেক হলো ভুল লোকেদের মাথায় তুলে নাচা।
এই সিনিয়র চাইছে তোদের আকাশটা হোক মাচা।











