ক’দিন ধরে কাগজপত্রে লিখছে অনশনকারীদের ইউরিনে কিটোন বডি পাওয়া যাচ্ছে। ব্যাপারটা ঠিক বোঝানোর চেষ্টা করি।
আমাদের শরীরে সব সময় কিছু কিছু অঙ্গ কাজ করছে।হার্ট, ফুসফুস, কিডনি, ব্রেইন আরও অনেক কিছু। আমাদের শরীরের একটা নির্দিষ্ট তাপমাত্রা আছে। সেটা বজায় রাখতে হচ্ছে। এই সব কিছুর জন্য এনার্জি লাগে। এই এনার্জি সাপ্লাই করে কার্বোহাইড্রেট বা খাবার বা গ্লুকোজ। আমাদের শরীরে কিছু কিছু অতি প্রয়োজনীয় নেগেটিভ বা পজি়টিভ আধার যুক্ত পরমাণু থাকে যেমন সোডিয়াম, পটাশিয়াম ইত্যাদি এগুলো নানা রকম খাবারের ভেতরে থাকে।
আমরা যে খাবারটা খাই অর্থাৎ কার্বোহাইড্রেট, সেটা ভেঙেচুরে গ্লুকোজ হয়। রক্ত এই গ্লুকোজ নিয়ে কোষের মধ্যে পৌঁছে দেয় (একটু শর্টকাট করলাম) আবার একই সঙ্গে রক্ত ফুসফুস থেকে অক্সিজেন নিয়ে কোষের ভেতরে পৌঁছে দেয়। অক্সিজেন গ্লুকোজ কে পুড়িয়ে এনার্জি, জল এবং কার্বন ডাই অক্সাইড তৈরি করে।এই এনার্জি দিয়ে শরীরের যন্ত্রপাতি চালু থাকে।
যদি কেউ খাবার না খায়? মানে সত্যি সত্যি খাবার না খায় তাহলে কী হবে?
তখন শরীরের চর্বি পুড়িয়ে শক্তি তৈরি হবে। চর্বি মানে ফ্যাটি অ্যাসিড। এটা পুড়ে কিটোন বডি তৈরি হয়। শরীরে এটা বেশী বেড়ে গেলে সমস্ত রক্তটা অ্যাসিডিক হয়ে যাবে। এবং এই অবস্থায় রোগীকে বাঁচানো যায় না।
অর্থাৎ ঐ অনশনে বসে থাকা বাচ্চারা বিপন্ন হতে চলেছে।
কী জন্য?
স্বাস্থ্য ব্যবস্থার দুর্নীতি দূর করার জন্য। আমার আপনার জন্য।
শাসক তখন উৎসবে, নৃত্য গীত ঢাক ঢোল ইত্যাদি নিয়ে ব্যস্ত।











