Skip to content
Facebook Twitter Google-plus Youtube Microphone
  • Home
  • About Us
  • Contact Us
Menu
  • Home
  • About Us
  • Contact Us
Swasthyer Britte Archive
Search
Generic filters
  • আরোগ্যের সন্ধানে
  • ডক্টর অন কল
  • ছবিতে চিকিৎসা
  • মা ও শিশু
  • মন নিয়ে
  • ডক্টরস’ ডায়ালগ
  • ঘরোয়া চিকিৎসা
  • শরীর যখন সম্পদ
  • ডক্টর’স ডায়েরি
  • স্বাস্থ্য আন্দোলন
  • সরকারি কড়চা
  • বাংলার মুখ
  • বহির্বিশ্ব
  • তাহাদের কথা
  • অন্ধকারের উৎস হতে
  • সম্পাদকীয়
  • ইতিহাসের সরণি
Menu
  • আরোগ্যের সন্ধানে
  • ডক্টর অন কল
  • ছবিতে চিকিৎসা
  • মা ও শিশু
  • মন নিয়ে
  • ডক্টরস’ ডায়ালগ
  • ঘরোয়া চিকিৎসা
  • শরীর যখন সম্পদ
  • ডক্টর’স ডায়েরি
  • স্বাস্থ্য আন্দোলন
  • সরকারি কড়চা
  • বাংলার মুখ
  • বহির্বিশ্ব
  • তাহাদের কথা
  • অন্ধকারের উৎস হতে
  • সম্পাদকীয়
  • ইতিহাসের সরণি
  • আরোগ্যের সন্ধানে
  • ডক্টর অন কল
  • ছবিতে চিকিৎসা
  • মা ও শিশু
  • মন নিয়ে
  • ডক্টরস’ ডায়ালগ
  • ঘরোয়া চিকিৎসা
  • শরীর যখন সম্পদ
  • ডক্টর’স ডায়েরি
  • স্বাস্থ্য আন্দোলন
  • সরকারি কড়চা
  • বাংলার মুখ
  • বহির্বিশ্ব
  • তাহাদের কথা
  • অন্ধকারের উৎস হতে
  • সম্পাদকীয়
  • ইতিহাসের সরণি
Menu
  • আরোগ্যের সন্ধানে
  • ডক্টর অন কল
  • ছবিতে চিকিৎসা
  • মা ও শিশু
  • মন নিয়ে
  • ডক্টরস’ ডায়ালগ
  • ঘরোয়া চিকিৎসা
  • শরীর যখন সম্পদ
  • ডক্টর’স ডায়েরি
  • স্বাস্থ্য আন্দোলন
  • সরকারি কড়চা
  • বাংলার মুখ
  • বহির্বিশ্ব
  • তাহাদের কথা
  • অন্ধকারের উৎস হতে
  • সম্পাদকীয়
  • ইতিহাসের সরণি
Search
Generic filters

লিকুইড বায়োপসি : ক্যান্সার গবেষণার এক নতুন দিগন্ত।

IMG-20191210-WA0023
Dr. Anirban Datta

Dr. Anirban Datta

Pathologist
My Other Posts
  • December 16, 2019
  • 2:26 am
  • One Comment
ইদানীং কালে নতুন আলোচ্য বিষয় হিসেবে লিকুইড বায়োপসি ব্যাপার টি উঠে এসেছে ক্যান্সারের মৌলিক গবেষণায়। ক্যান্সারের ইনভেস্টিগেশনের প্রচলিত পদ্ধতিতে ইমেজিংর পাশাপাশি চিরাচরিত ফাইন নিডল অ্যাসপিরেশন এবং হিস্টোপ্যাথলজি বা বায়োপসি বহুল প্রচলিত এবং ভারতের মতো দেশে ক্যান্সারের বিস্তারিত ধরন, কেমোথেরাপি র সেনসেটিভিটি র ব্যাপারে জানার জন্য নির্ভরযোগ্য পদ্ধতি। কিন্তু চিরাচরিত বায়োপসি মানেই সেটি একটি ইনভেসিভ পদ্ধতি। যেখানে টিউমার সার্জারি অবশ্য প্রয়োজনীয়। শুধু তাই নয় একদম প্রথম স্টেজ টিউমার সবসময় ক্লিনিক্যালি ধরা পড়ে না। তাই সেইসব ক্ষেত্রে বায়োপসি র ভূমিকা ও থাকে না। চিরাচরিত বায়োপসি তাই স্ক্রিনিং পদ্ধতি হিসেবে ব্যবহার করা যায় না।
লিকুইড বায়োপসি নিয়ে বলার আগে পুরোনো ইতিহাস ঘুরে আসা যাক। উনিশ শতকের মধ্যভাগে প্রথম রক্তে কোন অঙ্গে তৈরী হচ্ছে এমন টিউমারের কোষ শনাক্তকরণ করা সম্ভব হয়। এর নাম দেওয়া হয় সার্কুলেটিং টিউমার সেল। বস্তুত এই সার্কুলেটিং টিউমার সেল গুলো রক্তে এসে মেশে কোন বিশেষ টিউমার থেকে। এর সংখ্যা খুব কম হয়। প্রতি এক লাখ থেকে দশ লাখ লিউকোসাইটের মধ্যে একটি সার্কুলেটিং টিউমার সেল পাওয়া যায়। এই সার্কুলেটিং টিউমার সেল হলো ডিসট্যান্ট মেটাস্ট্যাসিস র কারণ। এরপর দীর্ঘদিন সার্কুলেটিং টিউমার সেল সংক্রান্ত গবেষণা মন্থর গতিতে এগোলেও এর গুরুত্ব নতুন করে একবিংশ শতাব্দীতে এসে বোঝা সম্ভব হয়েছে। শুধু সার্কুলেটিং টিউমার সেল ই নয় তার সাথে মৃত কোষ থেকে নির্গত ডিএনএ বা সার্কুলেটিং টিউমার ডিএনএ, এবং এক্সোজোম এই তিন ধরণের জিনিস কে রক্তে খুঁজে বের করা, সেল মেমব্রেনে বিভিন্ন  অ্যান্টিজেন র এক্সপ্রেশন দেখা এবং সার্বিকভাবে রক্তে এদের মাত্রা নির্ধারন করার যে পদ্ধতি তাই লিকুইড বায়োপসি নামে পরিচিত। লিকুইড বায়োপসি র সুবিধে গুলি হলো:
১. এটি কোন ইনভেসিভ পদ্ধতি নয়।
২. ক্যান্সার ক্লিনিক্যালি শনাক্তকরণের বহু আগেই সার্কুলেটিং টিউমার সেল দ্বারা ক্যান্সার শনাক্তকরণ সম্ভব।
৩.শনাক্তকরণ করার পর সেই সার্কুলেটিং টিউমার সেল র অ্যান্টিজেন এক্সপ্রেশন এবং কেমোথেরাপির রেসপন্স র সম্পর্কে ধারনা করা।
৪. চিকিৎসা র পর একটা টিউমার কতটা রেসপন্স করলো সেটাও বোঝা সম্ভব লিকুইড বায়োপসি  মাধ্যমে।
সার্কুলেটিং টিউমার সেল:
সার্কুলেটিং টিউমার সেল শনাক্তকরণ এখন সার্বিকভাবে স্বীকৃত পদ্ধতি। এই পদ্ধতি তে রক্ত থেকে টিউমার সেল কে প্রথমে আলাদা করা হয়। এই আলাদা করার পদ্ধতি গুলো হলো-
১. মেমব্রেন ফিলট্রেশন: সোজা কথায় আনুপাতিক হারে ছোট এবং বড় ছিদ্রের মাধ্যমে ছোট রক্ত কণিকা থেকে অপেক্ষাকৃত বড় টিউমার সেল কে ছেঁকে ফেলে আলাদা করে ফেলা।
২. লিউকোসাইট ডিপ্লিশন: রক্তে থাকা শ্বেত কণিকা গুলো কে নষ্ট করে ফেলার পর অবশিষ্ট টিউমার কোষ গুলিকে আলাদা করে ফেলা।
এ ছাড়াও নির্দিষ্ট অ্যান্টিজেনের মাধ্যমে বিশেষ টিউমার কোষ কে শনাক্তকরণ এবং ন্যানো টেকনোলজি র প্রয়োগ ও করা যায়। সার্বিকভাবে একটু শক্ত হলে পাঠক চাইলেই বুঝতে পারবেন পুরো পদ্ধতি র ব্যাপারে।
এত কথা আলোচনা করার এটাই কারণ যে টিউমারের ধরন, অ্যান্টিজেন এক্সপ্রেশন সমস্ত কিছুর জন্য এতদিন টিস্যু কেটে হিস্টোপ্যাথলজি এবং ইমিউনোহিস্টোকেমিস্ট্রি র সাহায্য নিয়ে করার প্রয়োজন হতো সেটা শুধু মাত্র আর পাঁচ টা সাধারণ পরীক্ষার মতো রোগীর শরীর থেকে রক্ত টেনেই করা সম্ভব।
শুধু তাই নয়। সার্জারির পর কেমোথেরাপি বা রেডিওথেরাপি দেওয়া হয়। তার সাফল্য কতটা এলো তা আর বোঝার উপায় থাকে না। কারণ মূল টিউমার টি ইতিমধ্যে কেটে ফেলা হয়েছে। ফলে পরবর্তী কালে টিউমারের ফিরে আসার সম্ভাবনা বোঝার একমাত্র উপায় বর্তমানে সার্কুলেটিং টিউমার সেল শনাক্তকরণ।
সার্বিকভাবে এই পদ্ধতির সমস্যা হল লো স্পেসিফিসিটি। অর্থাৎ রক্তে সার্কুলেটিং টিউমার সেল না পেলেই বলা যায় না টিউমার নেই বা পরবর্তী ফিরে আসার সম্ভাবনা ক্ষীণ।
সার্কুলেটিং ডিএনএ: আগের যে জায়গাতে সমস্যা র শুরু তার সমাধান পরবর্তী কালে মিললো সার্কুলেটিং ডিএনএ শনাক্তকরণের মাধ্যমে। যেকোন মৃত কোষ থেকে বেরিয়ে আসা ডিএনএ এসে রক্তে মেশে। সাধারণ কোষ থেকেও সার্কুলেটিং ডিএনএ রক্তে মেশে যার পরিমাণ ১০ ন্যানোগ্রাম থেকে ১০০ ন্যানোগ্রাম প্রতি মিলি লিটার। সেই ডিএনএ শনাক্তকরণ র সেনসেটিভিটি অনেক বেশী। অর্থাৎ অতি সামান্য পরিমাণ সার্কুলেটিং ডিএনএ ও সফল ভাবে শনাক্তকরণ করা সম্ভব। সার্কুলেটিং ডিএনএ খুব ছোট ছোট ডিএনএ র টুকরা যার দৈর্ঘ্য ১৮০ থেকে ২০০ বেস পেয়ার।
সার্কুলেটিং ডিএনএ র মাত্রা রক্তে বাড়ে কোষের  মৃত্যু বাড়লে। অর্থাৎ যেকোন অবস্থা যাতে কোষের মৃত্যু বাড়ে তাতেই সার্কুলেটিং ডিএনএ বাড়ে।  টিউমার ছাড়াও ইনফেকশন, ট্রমা, অত্যধিক পরিশ্রমে এর মাত্রা বাড়বে। সুতরাং সার্কুলেটিং ডিএনএ র মাত্রা নির্ধারণের সাথে সাথে ডিএনএ সিকোয়েন্স করাও জরুরী। এই ডিএনএ সিকোয়েন্স  এ এখন যুগান্তকারী নেক্সট জেনারেশন সিকোয়েন্স একটা বিশাল বিপ্লব ঘটিয়ে দিয়েছে। যার ফলে যেকোন টিউমারের মিউটেশন কেমোথেরাপি র রেসপন্স সমস্ত কিছু এই একটা টেস্ট দিয়েই বোঝা সম্ভব।
এছাড়া এপিজেনেটিক সিকোয়েন্স আরো অন্যান্য অধিক জটিল বিষয় আর আলোচনাতে গেলাম না।
গোটা বিষয়টি যতটা সহজভাবে বলা যায় বললাম।
এই পদ্ধতি আগামী দিনে কার্যকরী হলে তথাকথিত হিস্টোপ্যাথলজি এবং মাইক্রোস্কোপে দেখে ক্যান্সার নির্ণয় ইতিহাস হয়ে যাবে এবং সেই দিন আর বেশী দিন নেই যখন একটা সিরিঞ্জে করে রক্ত টেনেই সমস্ত ক্যান্সার ইনভেস্টিগেশন সম্পূর্ণ হবে।

PrevPreviousমদন মুখার্জী স্মৃতি জনস্বাস্থ্য কেন্দ্রের কুড়ি বছর
Nextধর্ষণঃ পুরুষতান্ত্রিক সমাজের নারীকে অবদমনের ইচ্ছাNext
0 0 votes
Article Rating
Subscribe
Notify of
guest
guest
1 Comment
Oldest
Newest Most Voted
Inline Feedbacks
View all comments
Kanchan Mukherjee
Kanchan Mukherjee
4 years ago

Very informative write up. Short and succinct.

0
Reply

সম্পর্কিত পোস্ট

ফ্যাসিবাদী স্বৈরতন্ত্র কায়েম করার সরকারি প্রচেষ্টাকে সংগ্রামী গণমঞ্চ তীব্র ধিক্কার জানাচ্ছে

July 29, 2026 No Comments

২৭ জুলাই, ২০২৬ ধর্মেন্দ্র প্রধানের ইস্তফা এবং দুর্নীতিমুক্ত শিক্ষাব্যবস্থা গড়ে তোলার দাবিতে দিল্লির যন্তর মন্তরে দীর্ঘ দিন ধরে চলা আন্দোলনের সংহতিতে গত ২৪ জুলাই বামপন্থী

আমিষ বনাম নিরামিষ: আসল প্রশ্ন কোনটা?

July 29, 2026 No Comments

সহরচনাকারঃ পারমিতা দাশ পশ্চিমবঙ্গের রাজনৈতিক পালাবদলের সঙ্গে সঙ্গে সরকারি বিদ্যালয়ের  মিড ডে মিলের মেনুর বদল নিয়ে জোরদার বিতর্ক শুরু হয়েছে। নতুন সরকার মিড  ডে মিলের জন্যে বরাদ্দ

স্বৈরাচারের এক অনন্য নিদর্শন বর্ধমান মেডিক্যাল কলেজ কর্তৃপক্ষের

July 29, 2026 No Comments

সারা দেশ বর্তমানে পরীক্ষার প্রশ্নপত্র ফাঁসের ঘটনা নিয়ে উত্তাল। ক্ষোভের আঁচ রাজধানীর সীমানা পেরিয়ে গোটা ভারতবর্ষে ছড়িয়ে পড়েছে, কারণ এই সমস্যা আমাদের প্রত্যেকের। ভবিষ্যৎ প্রজন্মকে

কলমি শাক

July 28, 2026 No Comments

হরিপদ বারুই ছাতনাতলা জেনেরাল হাসপাতালের জেনেরাল ডিউটি মেডিক্যাল অফিসার, যাকে সরকারিভাবে সংক্ষেপে এবং বেসরকারিভাবে কিছুটা ইয়ের সঙ্গে বলা হয় জিডিএমও। হাসপাতালের সদ্য ল্যাজ নাড়তে শেখা

টিকটিকি

July 28, 2026 No Comments

এই শোন, তোরা দেখিসনি কিছু…ঠিক কিনা বল? ঠিক, ঠিকই! যারা গেছে যাক, মারা গেলে যাক, যাবি না ওখানে ঠিক ঠিকই। মুখ খুললেই দেশ-বিদ্বেষ, করব নিকেশ।

সাম্প্রতিক পোস্ট

ফ্যাসিবাদী স্বৈরতন্ত্র কায়েম করার সরকারি প্রচেষ্টাকে সংগ্রামী গণমঞ্চ তীব্র ধিক্কার জানাচ্ছে

Sangrami Gana Mancha July 29, 2026

আমিষ বনাম নিরামিষ: আসল প্রশ্ন কোনটা?

Debashish Goswami July 29, 2026

স্বৈরাচারের এক অনন্য নিদর্শন বর্ধমান মেডিক্যাল কলেজ কর্তৃপক্ষের

West Bengal Junior Doctors Front July 29, 2026

কলমি শাক

Dr. Partha Bhattacharya July 28, 2026

টিকটিকি

Dr. Arunachal Datta Choudhury July 28, 2026

An Initiative of Swasthyer Britto society

আমাদের লক্ষ্য সবার জন্য স্বাস্থ্য আর সবার জন্য চিকিৎসা পরিষেবা। আমাদের আশা, এই লক্ষ্যে ডাক্তার, স্বাস্থ্যকর্মী, রোগী ও আপামর মানুষ, স্বাস্থ্য ব্যবস্থার সমস্ত স্টেক হোল্ডারদের আলোচনা ও কর্মকাণ্ডের একটি মঞ্চ হয়ে উঠবে ডক্টরস ডায়ালগ।

Contact Us

Editorial Committee:
Dr. Punyabrata Gun
Dr. Jayanta Das
Dr. Chinmay Nath
Dr. Indranil Saha
Dr. Aindril Bhowmik
Executive Editor: Piyali Dey Biswas

Address: 

Shramajibi Swasthya Udyog
HA 44, Salt Lake, Sector-3, Kolkata-700097

Leave an audio message

নীচে Justori র মাধ্যমে আমাদের সদস্য হন  – নিজে বলুন আপনার প্রশ্ন, মতামত – সরাসরি উত্তর পান ডাক্তারের কাছ থেকে

Total Visitor

656059
Share on facebook
Share on google
Share on twitter
Share on linkedin

Copyright © 2019 by Doctors’ Dialogue

wpDiscuz

আমাদের লক্ষ্য সবার জন্য স্বাস্থ্য আর সবার জন্য চিকিৎসা পরিষেবা। আমাদের আশা, এই লক্ষ্যে ডাক্তার, স্বাস্থ্যকর্মী, রোগী ও আপামর মানুষ, স্বাস্থ্য ব্যবস্থার সমস্ত স্টেক হোল্ডারদের আলোচনা ও কর্মকাণ্ডের একটি মঞ্চ হয়ে উঠবে ডক্টরস ডায়ালগ।

[wppb-register]