Skip to content
Facebook Twitter Google-plus Youtube Microphone
  • Home
  • About Us
  • Contact Us
Menu
  • Home
  • About Us
  • Contact Us
Swasthyer Britte Archive
Search
Generic filters
  • আরোগ্যের সন্ধানে
  • ডক্টর অন কল
  • ছবিতে চিকিৎসা
  • মা ও শিশু
  • মন নিয়ে
  • ডক্টরস’ ডায়ালগ
  • ঘরোয়া চিকিৎসা
  • শরীর যখন সম্পদ
  • ডক্টর’স ডায়েরি
  • স্বাস্থ্য আন্দোলন
  • সরকারি কড়চা
  • বাংলার মুখ
  • বহির্বিশ্ব
  • তাহাদের কথা
  • অন্ধকারের উৎস হতে
  • সম্পাদকীয়
  • ইতিহাসের সরণি
Menu
  • আরোগ্যের সন্ধানে
  • ডক্টর অন কল
  • ছবিতে চিকিৎসা
  • মা ও শিশু
  • মন নিয়ে
  • ডক্টরস’ ডায়ালগ
  • ঘরোয়া চিকিৎসা
  • শরীর যখন সম্পদ
  • ডক্টর’স ডায়েরি
  • স্বাস্থ্য আন্দোলন
  • সরকারি কড়চা
  • বাংলার মুখ
  • বহির্বিশ্ব
  • তাহাদের কথা
  • অন্ধকারের উৎস হতে
  • সম্পাদকীয়
  • ইতিহাসের সরণি
  • আরোগ্যের সন্ধানে
  • ডক্টর অন কল
  • ছবিতে চিকিৎসা
  • মা ও শিশু
  • মন নিয়ে
  • ডক্টরস’ ডায়ালগ
  • ঘরোয়া চিকিৎসা
  • শরীর যখন সম্পদ
  • ডক্টর’স ডায়েরি
  • স্বাস্থ্য আন্দোলন
  • সরকারি কড়চা
  • বাংলার মুখ
  • বহির্বিশ্ব
  • তাহাদের কথা
  • অন্ধকারের উৎস হতে
  • সম্পাদকীয়
  • ইতিহাসের সরণি
Menu
  • আরোগ্যের সন্ধানে
  • ডক্টর অন কল
  • ছবিতে চিকিৎসা
  • মা ও শিশু
  • মন নিয়ে
  • ডক্টরস’ ডায়ালগ
  • ঘরোয়া চিকিৎসা
  • শরীর যখন সম্পদ
  • ডক্টর’স ডায়েরি
  • স্বাস্থ্য আন্দোলন
  • সরকারি কড়চা
  • বাংলার মুখ
  • বহির্বিশ্ব
  • তাহাদের কথা
  • অন্ধকারের উৎস হতে
  • সম্পাদকীয়
  • ইতিহাসের সরণি
Search
Generic filters

স্মৃতি কি সততই সুখের?

IMG_20200823_004332
Dr. Anirban Jana

Dr. Anirban Jana

Surgeon
My Other Posts
  • August 23, 2020
  • 8:38 am
  • 5 Comments

স্মৃতি কি সততই সুখের? না মনে হয়। এমন কিছু স্মৃতি থাকে যেগুলো পারলে সব ডাক্তারবাবুই নিজের স্মৃতির পাতা থেকে ডিলিট করে দিতে চাইবেন।

আমার শহরের এক শ্রদ্ধেয় গায়নাকোলজিস্ট তাঁর ভাইঝির ডেলিভারি করাতে গিয়েছিলেন নিজের হাতে। মেয়েটির অ্যামনিয়োটিক ফ্লুইড এম্বোলিজম হয়েছিল। মাতৃগর্ভে শিশুকে ঘিরে এই রস থাকে। ডেলিভারির সময় মায়ের রক্তে ছড়িয়ে পড়েছিল এই রস। প্রায় একলাখ ডেলিভারি পিছু একটা ক্ষেত্রে এরকম ঘটনা ঘটে। কিছু করার ছিল না ডাক্তারবাবুর। ভাইঝি মারা গিয়েছিল। কিন্তু পরিবারের বাকি সবাই আজও ভাবে সেই গায়নাকোলজিস্ট ইচ্ছে করে মেয়েটিকে মেরে ফেলেছেন। আজও প্রতিদিন তাঁর হাত দিয়ে নতুন শিশু জন্মানোর মাঝে স্মৃতি একটু করে মৃত্যু যন্ত্রণা দিয়ে যায় তাঁকে। উনি বলেছিলেন যে এর থেকে আদালত যদি কাঁটাছেড়া করে জানিয়ে দিতো নিয়তির কাছে ডাক্তারও অসহায় তাহলে হয়তো তাঁকে আত্মীয়পরিজনদের চোখে এইরকম দোষী হয়ে বাঁচতে হতো না। তিনি ডাক্তারদের দোষত্রুটির বিচার বা কনজিউমার প্রটেকশন অ্যাক্টের পক্ষে।

অবশ্য অধিকাংশ ডাক্তারদের সাথে বসলে কনজিউমার প্রটেকশন অ্যাক্টের বিপক্ষে বলার মতো অনেক তথ্য উঠে আসবে। আবার ট্রেনে বাসে চড়লে এবং সেখানকার চলন্ত আলোচনায় অংশ নিলে মনে হয় ডাক্তারগুলো একেকটা কসাই। সব ব্যাটাকে শূলে চড়ানো উচিত। কিছু কিছু গল্প এমন শিহরণ জাগানো যে মনে হয় রজনীকান্তকে নায়ক করে সাউথের কোনো সিনেমা। তবু গল্পগুলো চলে। যেমন কিডনি বিক্রির গল্প।

অ্যাপেন্ডিক্স অপারেশনের নাম করে কিডনিটাই কেটে নিয়েছে। বহরমপুরের এক রোগী এসেছিল হাসপাতালে। সঙ্গে আমার এক চেনা উকিল সাহেব। ওখানকার এক নার্সিংহোমে রোগী বছর কয়েক আগে অপারেশন করায়। আবার পেটে ব্যথা হওয়ায় আলট্রাসোনোগ্রাফি করে জানা যায় তার ডানদিকের কিডনি নেই। কেলেঙ্কারির একশেষ। উকিল সাহেব বৃষ্টিধারার মতো অনেকগুলো ধারা ঝরঝর করে আমার সামনে ঢেলে দেন। তাকে অনেক কষ্টে বোঝাতে পারি যে রোগীর জন্ম থেকেই একটা কিডনি নেই আর সেই ডাক্তার মোটেই অ্যাপেন্ডিক্সের ওই ছোট কাটা দিয়ে কিডনি চুরি করার মতো পরিশ্রমের কাজ করবেন না। “আপনি কি আমার পাশের বাড়ির কোনো জিনিস চুরি করতে গিয়ে আমার বাড়ির সিঁধ কাটবেন?” তুলনাটা মনঃপূত হওয়ায় বেচারা ডাক্তার বেঁচে গিয়েছিল। তবে কিডনি চুরির জাল যে সারাদেশে ছড়িয়ে পড়েছে- সেই বক্তব্যের প্রতিবাদ করার সাহস পাইনি। উকিলদের সাথে কে কবে তর্কে পেরে উঠেছে? আমি মিনমিন করে যোগ করেছিলাম “হার্ট, লিভার, স্প্লিন, ব্রেন সবই চুরি যায়। তবে হার্ট বা হৃদয় চুরি যাওয়া বেশ কিছু ঘটনার সাক্ষী আছি আমি।” রবি ঠাকুরও তো ইঙ্গিতে বলে গেছেন -“প্রেমের ফাঁদ পাতা ভুবনে,/কে কোথা ধরা পড়ে, কে জানে।” হৃদয় চুরি খুব উচ্চমানের চুরি, রসিক মানুষেরা বলে। ফলে, কিডনি চুরিও বাদ যায় কেন?

আর মাঝেমধ্যেই যে ডাক্তারদের নিয়ে গল্পের গরুটা গাছের মগডালে উঠে লেজ নাড়ায় তার প্রমাণ তো আমরা নোটবন্দীর সময় পেয়ে গেছি। এক সিনিয়র গায়নাকোলজিস্টের হার্ট-অ্যাটাক হলো, একজন সার্জেনের বাড়ির দেওয়াল খুঁড়ে বিজয় মাল্যকে টেক্কা দেওয়ার মতো সম্পত্তি পাওয়া গেলো, শহরের বেশ কয়েকজন নামকরা ডাক্তারকে কোমরে দড়ি বেঁধে ইনকাম ট্যাক্স অফিসাররা ধরে নিয়ে গেলো। “আমার বন্ধুর বন্ধু নিজের চোখে দেখেছে” বলার মতো উইটনেসও প্রচুর মিললো। একদিন এক বৃদ্ধা বেশ আন্তরিকতার সাথে আমার মাথায় পিঠে হাত বুলিয়ে বলেছিল “জেলে বেশি মারধোর করেনি তো?” তার সহানুভূতিতে আমি ভীষণভাবে বিচলিত হয়ে পড়েছিলাম। কিংকর্তব্যবিমুঢ়ের মতো কঠিন বাংলা শব্দের উৎপত্তি এভাবেই হয়েছিল বোধহয়।

এখন যেমন প্রায়শই ফোনে লোকে জিজ্ঞাসা করে আমার করোনা হয়েছে কিনা। “না” বললে অনেকেই বিশ্বাস করে উঠতে চায়না। আমার থেকে অনেক বিশ্বাসযোগ্য কারো মুখ থেকে তিনি আমার করোনার খবর জেনেছেন। ইদানিং কাউকে হতাশ না করে জবাব দিই – “এখন ভালো আছি।”

ডাক্তারদের নিয়ে আইন আদালত বিষয়ক আলোচনা বড্ড একপেশে হয়ে যাবে। সেটা কিছুটা অন্যায়ও বটে। আমি একজন চিকিৎসক, সেহেতু ডাক্তারদের দোষত্রুটির সাফাই দেওয়ার অনেক অস্ত্র আমার হাতে আছে। হয়তো চিকিৎসার কারণে ক্ষতিগ্রস্ত মানুষটার যন্ত্রণা সেইভাবে বলতে পারবোনা। সন্তানহারা মা, সঙ্গী হারানো জীবন , মাথায় ছাতা ধরে রাখা গুরুজন হারানো মানুষের দিকগুলো না-বলা থেকে যাবে। তাঁরা তো আদালতের দ্বারস্থ হবেনই। আমি ব্যক্তিগতভাবে চাই সেটা হোক।

আইন নিজের হাতে তুলে নিয়ে ডাক্তার নিগ্রহ বা স্বাস্থ্যকেন্দ্রের জিনিসপত্র ভাঙচুর করা মোটেই কাজের কথা নয়। এইসব বন্ধ করার জন্য কড়া কিছু আইন আছে। অবশ্য আইন না মানাই বেশিরভাগ ক্ষেত্রে আইন। আমাদের দেশটা তো “শিব ঠাকুরের আপন দেশ” – আইনকানুন সর্বনেশে হবেই।

একজন সিনিয়র ডাক্তার বলছিলেন যে সমস্ত ভালো ডাক্তারের বিরুদ্ধেই কিছুনা কিছু “কেস” চলছে। যে যতো বড়ো ডাক্তার, তার কেসের সংখ্যা ততো বেশি। কেসের চমকও থার্ডপেজে দেওয়ার মতো মুচমুচে। কয়েকমাস আগে এক প্রণম্য এবং বয়োজ্যেষ্ঠ চিকিৎসকের বিরুদ্ধে শ্লীলতাহানির অভিযোগ উঠেছিল। তাঁর ছাত্রছাত্রী এবং সহকর্মীরা জানেন কতটা অবাস্তব সেই অভিযোগ। তবু তাঁকে জেল খাটতে হয়েছিল।

একটা গলব্লাডার অপারেশনের সময় লক্ষ্য করি ফান্ডাস অর্থাৎ মাথার দিকটা বেশ শক্ত। সন্দেহ হয় ক্যান্সার হতে পারে। গলব্লাডারের সাথে লিভারের কিছুটা অংশ বাদ দিয়ে পরীক্ষা করতে পাঠাই। রিপোর্ট আসে ক্যান্সার। আমি মুম্বাইয়ের ক্যান্সারের হাসপাতালে রোগীকে রেফার করি। তারা স্লাইড আবার দেখে মতামত দেয় ক্যান্সার নয়। কোনো কারণে তারা আবার পেট খুলে লিভার থেকে টিস্যু নিয়ে পরীক্ষা করে। সেটাতেও ক্যান্সারের কোনো লক্ষণ নেই। খুব ভালো কথা। রোগীর বাড়ির লোক প্যাথলজিস্টের বিরুদ্ধে কেস করে এবং আমাকেও পার্টি করে।

একদিন গভীর রাতে অচেনা একটা নাম্বার থেকে ফোন আসে। যে প্যাথলজিস্ট বায়োপসি করেছিলেন, তাঁর ফোন। পরিচয় দিতে বুঝতে পারলাম যে তিনি একজন সিনিয়র প্যাথলজিস্ট। তিনি সেই গভীররাতে মাইক্রোস্কোপের তলায় সেই স্লাইডটা আবারও দেখছেন। “খুব আর্লি স্টেজে ক্যান্সারটা রয়েছে। আমাকে যদি একবার মুম্বাইয়ের ওই প্যাথলজিস্টের সাথে বসানো যায়…” তাঁর গলায় আকুতি ঝরে পড়ে। বৃদ্ধকে বোঝাতে পারলাম না যে বিচারকদের মধ্যে কোনো চিকিৎসক থাকেনা। কোনো চিকিৎসক-বিচারক ছাড়া তাঁর আর্তিতে কেউ কান দেবেনা।

“তুমি বোধহয় লিভারের কিছুটা অংশ বাদ দিয়েছিলে, তাই সে আজ বেঁচে থেকে আমার বিরুদ্ধে মামলা করতে পারছে। তোমার উচিত ছিল একটু বায়োপসি নিয়ে ছেড়ে দেওয়া।”

তাই তো করা উচিত। বইয়েতেও তো তাই লেখা আছে। অপারেশন চলাকালীন যদি মনে হয় খারাপ কিছু, তাহলে একটু টিস্যু নিয়ে আর না এগোনো। বা ডাক্তারি ভাষায় ক্যালোট’স ট্রায়াঙ্গেল খারাপ থাকলে পার্শিয়াল কোলেসিস্টেকটমি করা। কিন্তু সেক্ষেত্রে মূল্যবান সময়গুলো হারিয়ে যায়।

ঠেকে শেখা – সে ভুল হোক আর ঠিক হোক। আর বোধহয় কোনোদিন ভুল করে ঠিক কাজ করতে মন চাইবে না।

PrevPreviousফ্রেডরিক গ্রান্ট বান্টিঙ : কর্ম ও জীবন- পর্ব ১৭
Nextঅঙ্গ দানে সঙ্গ দিনNext
0 0 votes
Article Rating
Subscribe
Notify of
guest
guest
5 Comments
Oldest
Newest Most Voted
Inline Feedbacks
View all comments
Dr. Debjani Bhowmick (Chakraborty)
Dr. Debjani Bhowmick (Chakraborty)
6 years ago

খুব ভালো লেখা৷ আমাদের কত অসচেতনতা আছে, সেটা বুঝি এই লেখা থেকে৷ ধন্যবাদ ও শ্রদ্ধা ড.অনির্বাণ জানাকে৷

0
Reply
Riyanka Haque
Riyanka Haque
6 years ago

আপনার লেখনী আমাকে অনেক নতুন শিক্ষা দেয় । আপনার জীবনের অভিজ্ঞতা গল্পের মাধ্যমে তুলে ধরার জন্য ধন্যবাদ Sir? ??

0
Reply
স্বাতী চক্রবর্ত্তী
স্বাতী চক্রবর্ত্তী
6 years ago

খুব ভালো লেখা । আমরা সত্যি ঘটনা না জেনে অনেক সময় ডাক্তার বাবু দের ভূল বুঝি কিন্তু এটাও ঠিক যে সব ডাক্তার বাবু রা কিন্তু আপনার মতো নয়, আপনার মতো মানসিকতা সম্পন্ন মানুষ খুব কমই হয় ।

0
Reply
Koushik saha
Koushik saha
6 years ago

কোনো ডাক্তার কি চায় যে তার রোগীর ক্ষতি হোক।
আর এই করোনা র বাজারে সব কিছুর দাম তিনগুণ বাড়লেও প্রায় কোনও প্রাইভেট ডাক্তারের ফি বাড়েনি

0
Reply
মানস মুকুল ঘোষ
মানস মুকুল ঘোষ
6 years ago

মন ছুঁয়ে গেল লেখাটা। কিছু নার্সিং হোম এর জন্য আজ অনেক ডাক্তারের সম্মান হানি হয়।
কিন্তু সব মানুষ সমান নয়। আজও ডাক্তারদের next to God ভাবে বহু লোক।
ভালো থাকিস।

0
Reply

সম্পর্কিত পোস্ট

তোমার ভেতর আমার উড়ান, রৌদ্রডানা

September 14, 2026 No Comments

সেই কলেজ জীবনের ঝোড়ো দিন, যখন আমি ‘দিমাগী নকশাল’, আদর্শের চোখে স্বপ্ন দেখি সাম্য সমাজ গড়ব, দেশ গড়ব। ভালোবাসা ভরেছিল বুকে। মানুষের প্রতি ভালোবাসা, আর্তের

আদর্শ বাল বিদ্যালয়/ স্কুল যখন জিতে যায়

September 14, 2026 No Comments

স্বাধীনতার আশি বছরে সরকারি স্কুলগুলোর ক্রমবর্ধমান সংকট নিয়ে আলোচনা অব্যাহত। সাম্প্রতিক সময়ে এই আলোচনা আরো গতি পেয়েছে সংসদে সরকার কর্তৃক প্রকাশিত দুটি তথ্যে।প্রথমটি হল ভারতে

বাঙালিকে শাসনের অধিকার এরা পায় কি করে?

September 13, 2026 No Comments

একটা ভোটে জিতে সরকার গড়ার পর হাতির পাখনা মেলার মতো অবস্থা হয়েছে শুভেন্দু অধিকারীর দল ও সরকারের। যেমন রাজ্যের শাসক দল, তেমন রাজ্যের সরকার। দুটোরই

শব্দে জব্দ

September 13, 2026 No Comments

বিজ্ঞান ও পরিবেশ আন্দোলন: পশ্চিমবঙ্গে সিপিআইএমের গণ সংগঠন ‘ বিজ্ঞান মঞ্চ ‘ ছাড়াও বেশ কিছু বিজ্ঞান সংগঠন উত্তরবঙ্গ থেকে দক্ষিণবঙ্গ বিজ্ঞান বিষয়ে মাঠে ময়দানে নেমে

শারদোৎসব… ইয়ে… সরি, সরি দুর্গাপুজো

September 13, 2026 No Comments

পৃথিবীতে আপাতত একটাই কাজ বাকি আছে। শারদোৎসব… ইয়ে… সরি, সরি দুর্গাপুজো। আমরা আবার প্রকাশনীর পক্ষ থেকে পুজোয় বুক স্টল করি। রাগ করবেন না প্লিজ৷ রোজ

সাম্প্রতিক পোস্ট

তোমার ভেতর আমার উড়ান, রৌদ্রডানা

Pallab Kirtania September 14, 2026

আদর্শ বাল বিদ্যালয়/ স্কুল যখন জিতে যায়

Suman Kalyan Moulick September 14, 2026

বাঙালিকে শাসনের অধিকার এরা পায় কি করে?

Parichay Gupta September 13, 2026

শব্দে জব্দ

Bappaditya Roy September 13, 2026

শারদোৎসব… ইয়ে… সরি, সরি দুর্গাপুজো

Dr. Aindril Bhowmik September 13, 2026

An Initiative of Swasthyer Britto society

আমাদের লক্ষ্য সবার জন্য স্বাস্থ্য আর সবার জন্য চিকিৎসা পরিষেবা। আমাদের আশা, এই লক্ষ্যে ডাক্তার, স্বাস্থ্যকর্মী, রোগী ও আপামর মানুষ, স্বাস্থ্য ব্যবস্থার সমস্ত স্টেক হোল্ডারদের আলোচনা ও কর্মকাণ্ডের একটি মঞ্চ হয়ে উঠবে ডক্টরস ডায়ালগ।

Contact Us

Editorial Committee:
Dr. Punyabrata Gun
Dr. Jayanta Das
Dr. Chinmay Nath
Dr. Indranil Saha
Dr. Aindril Bhowmik
Executive Editor: Piyali Dey Biswas

Address: 

Shramajibi Swasthya Udyog
HA 44, Salt Lake, Sector-3, Kolkata-700097

Leave an audio message

নীচে Justori র মাধ্যমে আমাদের সদস্য হন  – নিজে বলুন আপনার প্রশ্ন, মতামত – সরাসরি উত্তর পান ডাক্তারের কাছ থেকে

Total Visitor

675259
Share on facebook
Share on google
Share on twitter
Share on linkedin

Copyright © 2019 by Doctors’ Dialogue

wpDiscuz

আমাদের লক্ষ্য সবার জন্য স্বাস্থ্য আর সবার জন্য চিকিৎসা পরিষেবা। আমাদের আশা, এই লক্ষ্যে ডাক্তার, স্বাস্থ্যকর্মী, রোগী ও আপামর মানুষ, স্বাস্থ্য ব্যবস্থার সমস্ত স্টেক হোল্ডারদের আলোচনা ও কর্মকাণ্ডের একটি মঞ্চ হয়ে উঠবে ডক্টরস ডায়ালগ।

[wppb-register]