Skip to content
Facebook Twitter Google-plus Youtube Microphone
  • Home
  • About Us
  • Contact Us
Menu
  • Home
  • About Us
  • Contact Us
Swasthyer Britte Archive
Search
Generic filters
  • আরোগ্যের সন্ধানে
  • ডক্টর অন কল
  • ছবিতে চিকিৎসা
  • মা ও শিশু
  • মন নিয়ে
  • ডক্টরস’ ডায়ালগ
  • ঘরোয়া চিকিৎসা
  • শরীর যখন সম্পদ
  • ডক্টর’স ডায়েরি
  • স্বাস্থ্য আন্দোলন
  • সরকারি কড়চা
  • বাংলার মুখ
  • বহির্বিশ্ব
  • তাহাদের কথা
  • অন্ধকারের উৎস হতে
  • সম্পাদকীয়
  • ইতিহাসের সরণি
Menu
  • আরোগ্যের সন্ধানে
  • ডক্টর অন কল
  • ছবিতে চিকিৎসা
  • মা ও শিশু
  • মন নিয়ে
  • ডক্টরস’ ডায়ালগ
  • ঘরোয়া চিকিৎসা
  • শরীর যখন সম্পদ
  • ডক্টর’স ডায়েরি
  • স্বাস্থ্য আন্দোলন
  • সরকারি কড়চা
  • বাংলার মুখ
  • বহির্বিশ্ব
  • তাহাদের কথা
  • অন্ধকারের উৎস হতে
  • সম্পাদকীয়
  • ইতিহাসের সরণি
  • আরোগ্যের সন্ধানে
  • ডক্টর অন কল
  • ছবিতে চিকিৎসা
  • মা ও শিশু
  • মন নিয়ে
  • ডক্টরস’ ডায়ালগ
  • ঘরোয়া চিকিৎসা
  • শরীর যখন সম্পদ
  • ডক্টর’স ডায়েরি
  • স্বাস্থ্য আন্দোলন
  • সরকারি কড়চা
  • বাংলার মুখ
  • বহির্বিশ্ব
  • তাহাদের কথা
  • অন্ধকারের উৎস হতে
  • সম্পাদকীয়
  • ইতিহাসের সরণি
Menu
  • আরোগ্যের সন্ধানে
  • ডক্টর অন কল
  • ছবিতে চিকিৎসা
  • মা ও শিশু
  • মন নিয়ে
  • ডক্টরস’ ডায়ালগ
  • ঘরোয়া চিকিৎসা
  • শরীর যখন সম্পদ
  • ডক্টর’স ডায়েরি
  • স্বাস্থ্য আন্দোলন
  • সরকারি কড়চা
  • বাংলার মুখ
  • বহির্বিশ্ব
  • তাহাদের কথা
  • অন্ধকারের উৎস হতে
  • সম্পাদকীয়
  • ইতিহাসের সরণি
Search
Generic filters

পারলে, তাদের পাশে দাঁড়ান। এটুকু কঠিন কিছু নয়।

IMG-20221212-WA0082
Dr. Bishan Basu

Dr. Bishan Basu

Cancer specialist
My Other Posts
  • December 13, 2022
  • 7:41 am
  • No Comments
রুডলফ ভির্শ-র (Rudolf Virchow) কথা পড়ছিলাম। চিকিৎসকের সামাজিক দায় বিষয়ে সোচ্চার সেই কিংবদন্তী জার্মান চিকিৎসক-গবেষক। মেধা ও উদ্ভাবনী চিন্তাশক্তির প্রদর্শনের সুবাদে মাত্র পঁচিশ বছর বয়সে বার্লিনের শব-ব্যবচ্ছেদাগারের অধিকর্তা হয়েছিলেন। সামাজিক দায়বদ্ধতা ইত্যাদির চাইতে, তখন, ভির্শ-র মনে শুধুই নিজের গবেষণা।
চিকিৎসাশাস্ত্রকে আরও বিজ্ঞানভিত্তিক করে ফেলতে পারার চ্যালেঞ্জ। এবং পাশাপাশি বিজ্ঞান যদি চিন্তাপদ্ধতি ও কার্যপ্রণালী বদলাতে না পারে, তাহলে তা তেমন কাজের নয়, এমন ভাবনাও।
নিজের ল্যাবরেটরিতে অণুবীক্ষণ যন্ত্রে মুখ গুঁজে ভির্শ যখন খুঁজে চলেছেন প্যাথলজির নিত্যনতুন আলো, বাইরে তখন জার্মানির মানুষ পথে নেমেছেন বাক-স্বাধীনতা, গণতন্ত্র ও সংবিধানের পুনঃপ্রতিষ্ঠার দাবিতে। ঠিক পরের বছরই মার্ক্স লিখবেন সেই অমর কথাগুলো – ইউরোপ ভূত দেখছে; কমিউনিজমের ভূত।
আর ভির্শ লিখছেন, বাইরে এতশত ঘটনার ঘনঘটার মধ্যে আমি শান্তভাবে নিজের গবেষণার কাজ চালিয়ে যাচ্ছি।
এমন সময়, জার্মানির উত্তর সাইলেসিয়া অঞ্চলে ভয়াবহ মড়ক লাগল। টাইফাস জ্বরের মড়ক। হাজারে হাজারে মানুষ মরতে থাকল। খবর পৌঁছে গেল বার্লিন অবধি। ভির্শ চাইলেন সামনাসামনি দেখে ব্যাপারটা বুঝতে। সরকারকে লিখলেন, তাঁকে যেন সুযোগ দেওয়া হয় সরেজমিনে দেখেশুনে সরকারের কাছে একটি বিজ্ঞানসম্মত রিপোর্ট জমা দেবার। সরকারও অখুশি নন, যদি ‘তদন্ত চলছে’-র আড়ালে চাপা পড়ে যায় মানুষের বিক্ষোভ, সে তো খুবই সুবিধেজনক ব্যাপার।
সাইলেসিয়া পৌঁছে ভির্শ স্তম্ভিত হয়ে গেলেন। বাড়িতে চিঠিতে লিখেছিলেন, মানুষের দুর্দশা অকল্পনীয়। একদিকে এমন উদাসীনতা, মেনে নেওয়ার অভ্যেস, পশুসুলভ আনুগত্য – দেখলে ভয় করে…
কেবলমাত্র একটি ছোট শহরেই, ভির্শ দেখলেন, হাজারতিনেক অনাথ শিশু। অনাহার, অপুষ্টি, মৃত্যু… হাহাকার…
সরকার আশা করেছিলেন, ‘বিজ্ঞানসম্মত রিপোর্ট’। যেমন, আরও বেশি সংখ্যায় ডাক্তার প্রয়োজন, আরও বেশি হাসপাতাল হলে ভালো হতো, এই জাতীয় কথাবার্তা।
ভির্শ দুষলেন সরকারকে। সরাসরি। খাদ্যসঙ্কটে উদাসীন থাকা, মড়কের আগেকার দুর্ভিক্ষের পরিস্থিতিতে নড়েচড়ে না বসা। আর দুষলেন চার্চ-কে, হাসপাতালগুলোর ভয়াবহ অব্যবস্থার জন্য।
লিখলেন, প্রুশিয়ান আমলাতন্ত্র আর ক্যাথলিক চার্চ দ্বারা পদদলিত মানুষের দুর্দশা যে কোন পর্যায়ে পৌঁছাতে পারে, তার প্রকৃষ্ট প্রমাণ এই মহামারী।
মহামারী দেখেশুনে দশ দিনের মাথায় রুডলফ ভির্শ যখন বার্লিনে ফিরে এলেন, তিনি এক বদলে যাওয়া মানুষ। চারপাশের ঘটনাবলী থেকে নিভৃতে বসে নিজস্ব গবেষণা চালিয়ে যাওয়া যেতেই পারে, কিন্তু ভির্শ যে বিজ্ঞানের পিয়াসী, যে প্রায়োগিক বিজ্ঞান মানুষের কার্যপ্রণালী বদলে দিতে পারে, তা যে সমাজবিচ্যুত হয়ে সম্ভব নয়, ভির্শ সে ব্যাপারে নিশ্চিত হয়ে উঠলেন।
যে নিশ্চয়তা, পরবর্তী কালে, ভির্শ-কে পৌঁছে দেবে এই অমোঘ বোধে – “Medicine is a social science… The physicians are the natural attorneys of the poor, and social problems fall to a large extent within their jurisdiction.”
তো অনেক বাবামায়েরই শখ দেখি, সন্তান ডাক্তার হলে ভালো হয়। আকাশ-বাতাসের কোচিং ক্যাম্পে লাখ লাখ টাকা দিয়ে ভর্তি করারও বেশ উদ্যোগ। কিন্তু, সঙ্গে রাজনৈতিক চেতনা, আমজনতার সমস্যা জনস্বাস্থ্য ইত্যাদি উদ্বেগ এসব থেকে সন্তান দূরে থাকুক, এমনটাই আশা।
কিন্তু সেই সন্তান যখন ডাক্তার হয়ে সমস্যায় পড়ে – সাধারণ মানুষের স্বাস্থ্যসমস্যা বা আর্থসামাজিক ব্যবস্থাজনিত সঙ্কট ইত্যাদি বড় বড় কথা ছেড়েই দিচ্ছি, নিতান্ত ব্যক্তিগত সমস্যার কথা বলছি – যেমন কর্পোরেট হাসপাতালে মাইনে মেরে দেওয়ার সমস্যা, চাকরির ন্যূনতম সুরক্ষা না থাকার সমস্যা, আবার সরকারি ক্ষেত্রে রাজনৈতিক দাদাগিরির সমস্যা, উর্দ্ধতন কর্তৃপক্ষের খামখেয়ালিপনার সমস্যা – তখন সমস্যাজনিত বিপদের চাইতেও বিস্ময়বোধ প্রধান হয়ে দাঁড়ায়। আর স্বাস্থ্যক্ষেত্রে শারীরিক আক্রমণের মুখোমুখি হলে তো… (আবার অন্য চিকিৎসক আক্রমণের মুখোমুখি হলে সোশ্যাল মিডিয়ায় হাহুতাশের বেশি কিছু করে উঠতে পারে না।)
তো আমজনতার অধিকার নিশ্চিত করাটা তো বটেই, নিজের অধিকার ঠিকঠাক বুঝে নেওয়াটাও একটা অভ্যেস। যা রাতারাতি গজায় না। নিজের কলেজে নিজের ভালোমন্দটুকু নিজেরাই বুঝে নেওয়া যাবে, স্বাধীন বোধ ও গণতান্ত্রিক চিন্তাধারা বিকাশের ক্ষেত্রে এ একেবারে প্রাথমিক পদক্ষেপ। সেই অধিকারে হাত পড়লেও যারা চুপ করে থাকে, তাদের পক্ষে বাকি জীবনেও অপরের প্রতি অন্যায়ের প্রতিবাদে সামিল হওয়া তো দূর, নিজের অধিকার লুণ্ঠিত হতে দেখেও একান্তে হাহুতাশের বেশি কিছু করে ওঠা সম্ভব হয় না।
আপনি কি চান, আপনার পরবর্তী প্রজন্ম অসুস্থ হলে ঠিক তেমন সব-কিছু-মেনে-নেওয়া চিকিৎসকদের শরণাপন্ন হতে বাধ্য হোক? এমনকি আপনিও নিজের শেষ জীবনে??
চাইলে, বেস্ট অফ লাক। না চাইলে…
নিজেদের মেডিকেল কলেজে নিজেদের ছাত্রসংসদ নিজেরা বেছে নিতে পারবে, স্রেফ এটুকুর দাবিতে মেডিকেল কলেজে অনশনে বসেছে – বসতে বাধ্য হয়েছে – একদল ছাত্রছাত্রী।
পারলে, তাদের পাশে দাঁড়ান। এটুকু কঠিন কিছু নয়।
PrevPreviousকলেজ-ক্যাম্পাসে শেষ কথা বলবে সেখানকার ছাত্রছাত্রীরাই।
Nextব্যথার পাহাড় পেরিয়ে-৫Next
0 0 votes
Article Rating
Subscribe
Notify of
guest
guest
0 Comments
Inline Feedbacks
View all comments

সম্পর্কিত পোস্ট

ঝর্ণা কলম

December 9, 2025 No Comments

ফাউন্টেন পেন বা ঝর্ণা কলম নিয়ে কথা উঠলে সবাই সাধারণত যেসব কলমের কথা বলেন সেগুলোর দাম নিদেনপক্ষে হাজারখানেক টাকা। আর যাকে বলে সিরিয়াস লেভেলের পেন,

জালিওয়ানালা বাগ – ভারতে ব্রিটিশ উপনিবেশের শেষের শুরু

December 9, 2025 No Comments

(ডেইলি মেল সংবাদপত্রে ১৪ মার্চ ১৯৪০-এ প্রকাশিত খবর। ছবিতে বিনা বাধায় ধৃত উধম সিং-কে দেখা যাচ্ছে) (১৪ মার্চ, ১৯৪০-এ ডেইলি হেরাল্ড সংবাদপত্রের শিরোনাম) রবীন্দ্রনাথের চিঠি

মনের রোগ সম্পর্কে কিছু ভুল ধারণা

December 9, 2025 No Comments

1. ওষুধ সারাজীবন খেতে হবে? -এটা নির্ভর করছে কতদিনের অসুখ, কতোটা severe অসুখ, বাড়িতে কতজনের অসুখটা আছে, relapse হলে রুগী কতো তাড়াতাড়ি চিকিৎসা পাবেন আর

‘Let all souls walk unshaken’

December 8, 2025 1 Comment

A global symposium in memory of ‘Dr Abhaya and all women and girls whose voices demand justice’, jointly organized by Global Solidarity Community and Abhaya

এনোমালি স্ক্যান কখন করা হয়?

December 8, 2025 No Comments

সাম্প্রতিক পোস্ট

ঝর্ণা কলম

Dr. Bishan Basu December 9, 2025

জালিওয়ানালা বাগ – ভারতে ব্রিটিশ উপনিবেশের শেষের শুরু

Dr. Jayanta Bhattacharya December 9, 2025

মনের রোগ সম্পর্কে কিছু ভুল ধারণা

Dr. Arunima Ghosh December 9, 2025

‘Let all souls walk unshaken’

Gopa Mukherjee December 8, 2025

এনোমালি স্ক্যান কখন করা হয়?

Dr. Kanchan Mukherjee December 8, 2025

An Initiative of Swasthyer Britto society

আমাদের লক্ষ্য সবার জন্য স্বাস্থ্য আর সবার জন্য চিকিৎসা পরিষেবা। আমাদের আশা, এই লক্ষ্যে ডাক্তার, স্বাস্থ্যকর্মী, রোগী ও আপামর মানুষ, স্বাস্থ্য ব্যবস্থার সমস্ত স্টেক হোল্ডারদের আলোচনা ও কর্মকাণ্ডের একটি মঞ্চ হয়ে উঠবে ডক্টরস ডায়ালগ।

Contact Us

Editorial Committee:
Dr. Punyabrata Gun
Dr. Jayanta Das
Dr. Chinmay Nath
Dr. Indranil Saha
Dr. Aindril Bhowmik
Executive Editor: Piyali Dey Biswas

Address: 

Shramajibi Swasthya Udyog
HA 44, Salt Lake, Sector-3, Kolkata-700097

Leave an audio message

নীচে Justori র মাধ্যমে আমাদের সদস্য হন  – নিজে বলুন আপনার প্রশ্ন, মতামত – সরাসরি উত্তর পান ডাক্তারের কাছ থেকে

Total Visitor

594910
Share on facebook
Share on google
Share on twitter
Share on linkedin

Copyright © 2019 by Doctors’ Dialogue

wpDiscuz

আমাদের লক্ষ্য সবার জন্য স্বাস্থ্য আর সবার জন্য চিকিৎসা পরিষেবা। আমাদের আশা, এই লক্ষ্যে ডাক্তার, স্বাস্থ্যকর্মী, রোগী ও আপামর মানুষ, স্বাস্থ্য ব্যবস্থার সমস্ত স্টেক হোল্ডারদের আলোচনা ও কর্মকাণ্ডের একটি মঞ্চ হয়ে উঠবে ডক্টরস ডায়ালগ।

[wppb-register]