আপনাদের খুন ধর্ষনের তদন্তের দৌড় সেই সঞ্জয় রাই পর্যন্ত এটা আমাদের বেশ মালুম হয়েছে। আপনারা একটি খুনের তদন্ত শুধু করছিলেন না। খুনের আবহে বেরিয়ে এসেছিল এক প্রাতিষ্ঠানিক দুর্নীতির চেহারা। যার জাল ছড়িয়ে আছে পশ্চিমবঙ্গের আরও অনেক মেডিকেল কলেজে। মহামান্য আদালত এই বিষয়ের ব্যাপকতা বুঝতে পেরে রাজ্যের ছাব্বিশটি মেডিকেল কলেজ আপনাদের তদন্তের আওতায় ঢুকিয়ে দেন।
সম্প্রতি শুনলাম অর্থনৈতিক দুর্নীতির তদন্তের চার্জশিট আপনারা তৈরি করে ফেলেছেন। রাজ্য সরকার অনুমতি দেয়নি বলে আপনারা আদালতে জমা দিতে পারছেন না।
দেখুন মশাই আমরা ঘাসে মুখ দিয়ে চলি না। তৃণভোজী প্রাণীও আমরা নই যে যা বলবেন বিশ্বাস করে নেবো। আর জি কর বাদে বাকি পঁচিশটি মেডিকেল কলেজে আপনারা পদার্পণ করেন নি। যেখানে তদন্ত করার কথা সেই জায়গাগুলোতে একবারও না গিয়ে কি তদন্ত করেছেন সেটা আমাদের কাছে জলের মতো পরিষ্কার। আপনাদের চার্জশিট এখনো পেস হয়নি।আপনারা যা করছেন তাতে এটা পরিষ্কার খুন ধর্ষনের ঘটনায় একা সঞ্জয় রাইকে সামনে এনে হাত ধুতে ব্যস্ত হয়ে পড়েছেন। ঠিক তেমনি অর্থনৈতিক কেলেঙ্কারির তদন্তে আপনারা আশীষ পান্ডে বা দুয়েকটা চুনোপুটি সাপ্লায়ার কে অপরাধী বলে হাত ধুয়ে ফেলবেন। এটা আমাদের অনুমান। এই অনুমান ভুল হলে আনন্দিত হবো। আপনাদের যা ট্র্যাক রেকর্ড তাতে এর বেশি আশা করতেও ভয় করছে। আপনারা যদি সঠিক তদন্ত করে রিপোর্ট পেশ করেন তাহলে তো মানুষের রাজনৈতিক ক্ষমতা, ঘুষ, সেটিং এই বিষয়গুলো থেকে বিশ্বাস চলে যাবে। মানুষ তো ভেবে বসবে যে সিবিআই রাজনৈতিক প্রভাব এড়িয়ে নিরপেক্ষ কাজ করে। এটা যদি একবার প্রমাণ করে ফেলেন তাহলে ভেবে দেখেছেন চোর জোচ্চোর চিটিংবাজদের মনের অবস্থা কি হবে?
(চলবে)











