
অলীক পাহাড়ি উপকথা
মুখে মাস্ক ছিল আর চোখে মাস্কারা কোথাও কি মিশেছিল ক্ষীণ আশকারা! পাহাড়ের নিভে আসা বিকেল বেলায় তাকে দেখলেই বেশ চিনে নেওয়া যায়। রাঙা এক ফুলকলি

মুখে মাস্ক ছিল আর চোখে মাস্কারা কোথাও কি মিশেছিল ক্ষীণ আশকারা! পাহাড়ের নিভে আসা বিকেল বেলায় তাকে দেখলেই বেশ চিনে নেওয়া যায়। রাঙা এক ফুলকলি

একটা অন্যরকম সমস্যার কথা বলি। না সমাধানের কথা খুঁজছি না। সত্যি বলতে সমাধান খুঁজলেও পাব না। একটু আগের থেকে শুরু করি। আজ থেকে প্রায় সাতচল্লিশ

ও নিধিরাম, চললি কোথায়? শুধোয় সারা পাড়া। – যুদ্ধে যাচ্ছি, ক্রান্তিবেলায় ঢাল তলোয়ার ছাড়া। ও নিধিরাম, ভুললি কি সব প্রহার-প্রকরণই? – সে সব অতীত, এখন

বিশ্বাস করে ঠকেছি অনেক, তবু বিশ্বাস করি একদিন এই ভয় কেটে যাবে, কম্পন থরহরি। রাত বারোটায় বারোটা বাজবে। সামাজিক যোগাযোগ সবটা বন্ধ। এসেছে অন্ধ ফতোয়া…

হ্রেষায় যখন বিশ্ব কাঁপায় মৃত্যুরাজার ঘোড়া, করোনাময় এই আবহে কেমন আছিস তোরা? অন্যেরা মুখ মাস্কে ঢেকে বলছে… বিপদ ছুঁই নে। তুই ডাক্তার। বিপদ কিছু থাকলে

তুমি আমার ছেঁড়া জামার একটা অটুট বোতাম ঈর্ষা হচ্ছে, আমিও যদি তোমার মত হতাম। শতচ্ছিন্ন, শীত ঢাকে না, চেষ্টা তবু জারি। যে টুক সাধ্য, ঢাকবে

মেডিক্যাল রিপ্রেজেন্টেটিভদের নিয়ে এক বই-এর নাম বেচুবাবু। সেই বই-এর সংবাদ শেয়ার করার সময়েই জানিয়েছিলাম এই ব্যাপারে আমিও কিছু জানাতে চাই। একটু আগের থেকে শুরু করি।

সময়ের সঙ্গে হারিয়ে যায় শৈশব, কৈশোর, প্রথম প্রেম আরও কত কিছু। হারিয়ে গেছে পাছা পেড়ে শাড়ি, বেল বটম ড্রেন পাইপ আর ট্যুইস্ট নাচের ‘জীবনে কী

আধুনিক সময়, অপরিগ্রহ আর তৃতীয় বিশ্বের চিকিৎসক সমাজ সম্বন্ধে কিছু এলোমেলো কথা। আজ আউটডোরে বসে একটা অন্যরকম অভিজ্ঞতা হল। অনেকদিন বাদে। আমার পাশের চেয়ারে বসেছিল

মুখে মাস্ক ছিল আর চোখে মাস্কারা কোথাও কি মিশেছিল ক্ষীণ আশকারা! পাহাড়ের নিভে আসা বিকেল বেলায় তাকে দেখলেই বেশ চিনে নেওয়া যায়। রাঙা এক ফুলকলি

একটা অন্যরকম সমস্যার কথা বলি। না সমাধানের কথা খুঁজছি না। সত্যি বলতে সমাধান খুঁজলেও পাব না। একটু আগের থেকে শুরু করি। আজ থেকে প্রায় সাতচল্লিশ

ও নিধিরাম, চললি কোথায়? শুধোয় সারা পাড়া। – যুদ্ধে যাচ্ছি, ক্রান্তিবেলায় ঢাল তলোয়ার ছাড়া। ও নিধিরাম, ভুললি কি সব প্রহার-প্রকরণই? – সে সব অতীত, এখন

বিশ্বাস করে ঠকেছি অনেক, তবু বিশ্বাস করি একদিন এই ভয় কেটে যাবে, কম্পন থরহরি। রাত বারোটায় বারোটা বাজবে। সামাজিক যোগাযোগ সবটা বন্ধ। এসেছে অন্ধ ফতোয়া…

হ্রেষায় যখন বিশ্ব কাঁপায় মৃত্যুরাজার ঘোড়া, করোনাময় এই আবহে কেমন আছিস তোরা? অন্যেরা মুখ মাস্কে ঢেকে বলছে… বিপদ ছুঁই নে। তুই ডাক্তার। বিপদ কিছু থাকলে

তুমি আমার ছেঁড়া জামার একটা অটুট বোতাম ঈর্ষা হচ্ছে, আমিও যদি তোমার মত হতাম। শতচ্ছিন্ন, শীত ঢাকে না, চেষ্টা তবু জারি। যে টুক সাধ্য, ঢাকবে

মেডিক্যাল রিপ্রেজেন্টেটিভদের নিয়ে এক বই-এর নাম বেচুবাবু। সেই বই-এর সংবাদ শেয়ার করার সময়েই জানিয়েছিলাম এই ব্যাপারে আমিও কিছু জানাতে চাই। একটু আগের থেকে শুরু করি।

সময়ের সঙ্গে হারিয়ে যায় শৈশব, কৈশোর, প্রথম প্রেম আরও কত কিছু। হারিয়ে গেছে পাছা পেড়ে শাড়ি, বেল বটম ড্রেন পাইপ আর ট্যুইস্ট নাচের ‘জীবনে কী

আধুনিক সময়, অপরিগ্রহ আর তৃতীয় বিশ্বের চিকিৎসক সমাজ সম্বন্ধে কিছু এলোমেলো কথা। আজ আউটডোরে বসে একটা অন্যরকম অভিজ্ঞতা হল। অনেকদিন বাদে। আমার পাশের চেয়ারে বসেছিল







আমাদের লক্ষ্য সবার জন্য স্বাস্থ্য আর সবার জন্য চিকিৎসা পরিষেবা। আমাদের আশা, এই লক্ষ্যে ডাক্তার, স্বাস্থ্যকর্মী, রোগী ও আপামর মানুষ, স্বাস্থ্য ব্যবস্থার সমস্ত স্টেক হোল্ডারদের আলোচনা ও কর্মকাণ্ডের একটি মঞ্চ হয়ে উঠবে ডক্টরস ডায়ালগ।
Editorial Committee:
Dr. Punyabrata Gun
Dr. Jayanta Das
Dr. Chinmay Nath
Dr. Indranil Saha
Dr. Aindril Bhowmik
Executive Editor: Piyali Dey Biswas
Shramajibi Swasthya Udyog
HA 44, Salt Lake, Sector-3, Kolkata-700097
নীচে Justori র মাধ্যমে আমাদের সদস্য হন – নিজে বলুন আপনার প্রশ্ন, মতামত – সরাসরি উত্তর পান ডাক্তারের কাছ থেকে