
বইকুণ্ঠের জার্নালঃ ক্যাসিয়াস ক্লে ও সিস্টার নিবেদিতা
অর্বাচীন দু’টি নিরীহ প্রশ্ন করি। ক্যাসিয়াস ক্লে আর সিস্টার নিবেদিতার মধ্যে মিল কোথায়? কোথায়ই বা মিলে গেছেন আমাদের মধুকবি আর অম্বরীশ দাস? প্রথমে ক্যাসিয়াস ক্লের

অর্বাচীন দু’টি নিরীহ প্রশ্ন করি। ক্যাসিয়াস ক্লে আর সিস্টার নিবেদিতার মধ্যে মিল কোথায়? কোথায়ই বা মিলে গেছেন আমাদের মধুকবি আর অম্বরীশ দাস? প্রথমে ক্যাসিয়াস ক্লের

আমাদের পরিবারে বড়দের প্রতি বশ্যতাবোধ একটু বাড়াবাড়ি রকমের ইয়ে ছিল। অবশ্য তা আমাদের প্রজন্ম অবধি। তার পরে ব্যপারটা ওই ব্যাঙাচির লেজের মতই অবলুপ্ত হয়েছে। সে

বাঙালি পুরুষ যে কারণে বহুদিন আগেই ধুতি ছেড়ে প্যান্ট শার্ট ধরেছে, একই কারণে বাঙালি মেয়েও বাধ্য হয়ে শাড়ি ছেড়ে অন্য পোষাকে গেছে। আমার ছাত্রাবস্থায় দু

★ কানাইদা ছিল হাওড়া হাসপাতাল ইমারজেন্সির জিডিএ। জেনারেল ডিউটি অ্যাসিসটেন্ট। গ্রুপ ডি। এক জায়গায় কাজ করলে সখ্য একটা জন্মায়ই। কিন্তু কানাইদার সঙ্গে আমার প্রণয় তার

কিঞ্চিত গাম্বাট বলে যে কোনও প্রেমের গল্পই আমার সত্যি বলে মনে হয় মনে পড়ে যায় নিজের জীবনে দেখা সত্যি সত্যি প্রেমগুলি বাবার ক্যান্সার ধরা পড়ার

(সম্পাদকের অনুমতি ব্যতিরেকে, পাঠিকাদের প্রাণ খোলা গালাগালি খাবার ঝুঁকি নিয়েই কল্পিত গবেষণাটি নিবেদিত ) _________________________________________ মেয়েদের সুন্দরী দেখাতে গেলে সাজতে হয় এতো প্রায় একটা সংস্কারই।

খুব সম্প্রতি, আমার একটা লেখায়, (সে লেখাটা অবশ্য সম্পাদকের নির্দেশে ফেসবুকে দেওয়া যায়নি) আমি অব-সামাজিক বলে একটা শব্দ ব্যবহার করেছি। অসামাজিক নয় অথচ সঠিক অর্থে

অনেকেরই ধারণা আমি ডাক্তার। হ্যাঁ,ডাক্তার ছিলাম, কিন্তু এখন নই। আপনারা অনেকেই সেটা জানেনও। এই মাত্র এক বাধ্যতামূলক ডাক্তারি সেরে ফিরলাম। আমার কাছের এক আত্মীয়র হঠাৎ

মশাইরা, আপনারা ফুড বুটিক আর ফুড জয়েন্টের তফাত বোঝেন কি? আর কাকেই বা বলে মাল্টি ইয়ে রেস্তোরাঁ? আজ সন্ধ্যেবেলা বাড়ি ফিরে এই ব্যাপারে গুগল স্যারের

স্বাস্থ্য খুঁজতে হাঁটছে ওরা, রুগ্ন আতুর প্রজা। ঘুমোয় যত ওমরা উজির, রাজার দু চোখ বোজা। চেঁচায় পথশ্রান্ত প্রজা, সবারই চাই ঘোড়া। রাজা বলেন, দেবই যা

যুদ্ধক্ষেত্র হইতে পত্র (সম্পাদকের অনুমতি ছাড়াই) ★ পরম আদরণীয় প্রিয় যত মূর্খ দেশবাসী, তোমাদের বাঁচাইতে আমি আজ বাঙ্কারে এখন। পর সমাচার এই, আজ অবধি বাঁচিয়াই

মন ভালো নেই, ভালো রাখা সম্ভব না… এই ভাবে যদি ঝরে যায় চেনা পাতা। ক্যালেন্ডারের তারিখ উড়ছে রোজ… কেউ নেই যাকে ভাবব পরিত্রাতা। প্রোটোকল মেনে

অর্বাচীন দু’টি নিরীহ প্রশ্ন করি। ক্যাসিয়াস ক্লে আর সিস্টার নিবেদিতার মধ্যে মিল কোথায়? কোথায়ই বা মিলে গেছেন আমাদের মধুকবি আর অম্বরীশ দাস? প্রথমে ক্যাসিয়াস ক্লের

আমাদের পরিবারে বড়দের প্রতি বশ্যতাবোধ একটু বাড়াবাড়ি রকমের ইয়ে ছিল। অবশ্য তা আমাদের প্রজন্ম অবধি। তার পরে ব্যপারটা ওই ব্যাঙাচির লেজের মতই অবলুপ্ত হয়েছে। সে

বাঙালি পুরুষ যে কারণে বহুদিন আগেই ধুতি ছেড়ে প্যান্ট শার্ট ধরেছে, একই কারণে বাঙালি মেয়েও বাধ্য হয়ে শাড়ি ছেড়ে অন্য পোষাকে গেছে। আমার ছাত্রাবস্থায় দু

★ কানাইদা ছিল হাওড়া হাসপাতাল ইমারজেন্সির জিডিএ। জেনারেল ডিউটি অ্যাসিসটেন্ট। গ্রুপ ডি। এক জায়গায় কাজ করলে সখ্য একটা জন্মায়ই। কিন্তু কানাইদার সঙ্গে আমার প্রণয় তার

কিঞ্চিত গাম্বাট বলে যে কোনও প্রেমের গল্পই আমার সত্যি বলে মনে হয় মনে পড়ে যায় নিজের জীবনে দেখা সত্যি সত্যি প্রেমগুলি বাবার ক্যান্সার ধরা পড়ার

(সম্পাদকের অনুমতি ব্যতিরেকে, পাঠিকাদের প্রাণ খোলা গালাগালি খাবার ঝুঁকি নিয়েই কল্পিত গবেষণাটি নিবেদিত ) _________________________________________ মেয়েদের সুন্দরী দেখাতে গেলে সাজতে হয় এতো প্রায় একটা সংস্কারই।

খুব সম্প্রতি, আমার একটা লেখায়, (সে লেখাটা অবশ্য সম্পাদকের নির্দেশে ফেসবুকে দেওয়া যায়নি) আমি অব-সামাজিক বলে একটা শব্দ ব্যবহার করেছি। অসামাজিক নয় অথচ সঠিক অর্থে

অনেকেরই ধারণা আমি ডাক্তার। হ্যাঁ,ডাক্তার ছিলাম, কিন্তু এখন নই। আপনারা অনেকেই সেটা জানেনও। এই মাত্র এক বাধ্যতামূলক ডাক্তারি সেরে ফিরলাম। আমার কাছের এক আত্মীয়র হঠাৎ

মশাইরা, আপনারা ফুড বুটিক আর ফুড জয়েন্টের তফাত বোঝেন কি? আর কাকেই বা বলে মাল্টি ইয়ে রেস্তোরাঁ? আজ সন্ধ্যেবেলা বাড়ি ফিরে এই ব্যাপারে গুগল স্যারের

স্বাস্থ্য খুঁজতে হাঁটছে ওরা, রুগ্ন আতুর প্রজা। ঘুমোয় যত ওমরা উজির, রাজার দু চোখ বোজা। চেঁচায় পথশ্রান্ত প্রজা, সবারই চাই ঘোড়া। রাজা বলেন, দেবই যা

যুদ্ধক্ষেত্র হইতে পত্র (সম্পাদকের অনুমতি ছাড়াই) ★ পরম আদরণীয় প্রিয় যত মূর্খ দেশবাসী, তোমাদের বাঁচাইতে আমি আজ বাঙ্কারে এখন। পর সমাচার এই, আজ অবধি বাঁচিয়াই

মন ভালো নেই, ভালো রাখা সম্ভব না… এই ভাবে যদি ঝরে যায় চেনা পাতা। ক্যালেন্ডারের তারিখ উড়ছে রোজ… কেউ নেই যাকে ভাবব পরিত্রাতা। প্রোটোকল মেনে







আমাদের লক্ষ্য সবার জন্য স্বাস্থ্য আর সবার জন্য চিকিৎসা পরিষেবা। আমাদের আশা, এই লক্ষ্যে ডাক্তার, স্বাস্থ্যকর্মী, রোগী ও আপামর মানুষ, স্বাস্থ্য ব্যবস্থার সমস্ত স্টেক হোল্ডারদের আলোচনা ও কর্মকাণ্ডের একটি মঞ্চ হয়ে উঠবে ডক্টরস ডায়ালগ।
Editorial Committee:
Dr. Punyabrata Gun
Dr. Jayanta Das
Dr. Chinmay Nath
Dr. Indranil Saha
Dr. Aindril Bhowmik
Executive Editor: Piyali Dey Biswas
Shramajibi Swasthya Udyog
HA 44, Salt Lake, Sector-3, Kolkata-700097
নীচে Justori র মাধ্যমে আমাদের সদস্য হন – নিজে বলুন আপনার প্রশ্ন, মতামত – সরাসরি উত্তর পান ডাক্তারের কাছ থেকে