
অ্যানাটমির জ্ঞান এবং দেহের ওপরে কর্তৃত্ব – রাষ্ট্রের হত্যাকাণ্ড এবং কর্পোরেট পুঁজি
শুরুর কথা আমি এ লেখা যখন লিখছি তখন তথাকথিত “ধর্মোন্মাদ” একটি দেশ এবং যুদ্ধোন্মাদ সাম্রাজ্যবাদ আমেরিকা এবং এর বিশ্বস্ত দোসর ইজরায়েলের মধ্যে ১ মাসের বেশি

শুরুর কথা আমি এ লেখা যখন লিখছি তখন তথাকথিত “ধর্মোন্মাদ” একটি দেশ এবং যুদ্ধোন্মাদ সাম্রাজ্যবাদ আমেরিকা এবং এর বিশ্বস্ত দোসর ইজরায়েলের মধ্যে ১ মাসের বেশি

[এই জ্বলন্ত এবং গলন্ত সময়ে যখন সমাজের সব স্তরের মানুষ তাঁদের নিরাপত্তা, ভোটাধিকার এবং বে-নাগরিক হবার ভয় নিয়ে বর্তমানকে যাপন করতে বাধ্য হচ্ছেন, তখন এই

শুরুর কথা হ্যাঁ, আমরাই তো কথা বলবো “অভয়া”-কে নিয়ে। কারণ আমরা ডাক্তারি পেশার সাথে যুক্ত এক বিপুলসংখ্যক অংশ এবং জনসমাজেরও কয়েক লাখ মানুষ “অভয়া”র ধর্ষণ,

শুরুর কিছু কথা পৃথিবীর ইতিহাসে দেখা যায়, কোন সমাজের জনসমষ্টির স্বাস্থ্য সুররক্ষিত রাখা প্রতিটি সমাজকে বাঁচিয়ে রাখার পূর্বশর্ত। সেই আদিমকাল থেকে মানুষ নিজের বুদ্ধিমত্তা এবং

বুদ্ধদেব বসু প্রসঙ্গটি এভাবে উত্থাপন করেছিলেন – “ধর্ম নিয়ে বাদানুবাদ যেমন মহাভারতে একটি নিত্যকর্ম, রামায়ণে সে-রকম নয়। কেননা রামই সেখানে সর্বাধিপতি ও সর্বতোভাবে প্রতিদ্বন্দীহীন …

(যারা ইতিহাস এবং পুরনো কলকাতা নিয়ে আগ্রহী, বিশেষত তাদের জন্য এ লেখা। বাকীরাও রসাস্বাদন করতে পারবেন আশা রাখি। পড়ুন। আপনার মতামত দিন। ভুল ধরিয়ে দিন।)

(ডেইলি মেল সংবাদপত্রে ১৪ মার্চ ১৯৪০-এ প্রকাশিত খবর। ছবিতে বিনা বাধায় ধৃত উধম সিং-কে দেখা যাচ্ছে) (১৪ মার্চ, ১৯৪০-এ ডেইলি হেরাল্ড সংবাদপত্রের শিরোনাম) রবীন্দ্রনাথের চিঠি

(এ প্রবন্ধটি বেশ কয়েক বছর আগে আবহমান ওয়েবজিনে ভিন্ন চেহারায় প্রকাশিত হয়েছিল) ওয়াল্টার লিপম্যান তাঁর Public Opinion (1921) একটি নজর করার মতো মন্তুব্য করেছেন –

গতকালের নারীদের ক্রিকেটের বিশ্বকাপে ভারতের মেয়েদের স্তব্ধ করে দেওয়া জয় বহু হেডলাইনের জন্ম দিয়েছে “মেয়েদের রাতদখল” লিখে। “অভয়া” ধর্ষিতা, মৃতা এবং বিচারহীন থেকেও কী আবার

SIR আমাদের ঘাড়ের ওপরে এসে পড়েছে। SIR নিয়ে ক’দিন আগে বিহারের অভিজ্ঞতা আমাদের জানা আছে। এই সময়ে আরেকটু আগের ইতিহাস দেখে নিতে পারি। ২০১৯ সালের

১৫ আগস্ট, ২০২২-এ জাতির উদ্দেশ্যে ভাষণে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী ভারতবাসীকে “পঞ্চ প্রাণ”-এর ব্যাপারে স্মরণ করিয়ে দিয়েছেন – নাগরিক হিসেবে ভারতবাসীকে তাদের কর্তব্য পূর্ণ করতে হবে।

দু’জন শান্তির দূত ট্রাম্প (নোবেল পুরষ্কারের স্বঘোষিত দাবীদার) এবং গণহত্যাকারী সামরিক রাষ্ট্র ইজরায়েলের নেতেনিয়াহু গাজায় শান্তি চুক্তি ফেরাতে উদ্যোগী হয়েছেন। ইউরোপের তথা বিশ্বের বিভিন্ন রাষ্ট্রে

শুরুর কথা আমি এ লেখা যখন লিখছি তখন তথাকথিত “ধর্মোন্মাদ” একটি দেশ এবং যুদ্ধোন্মাদ সাম্রাজ্যবাদ আমেরিকা এবং এর বিশ্বস্ত দোসর ইজরায়েলের মধ্যে ১ মাসের বেশি

[এই জ্বলন্ত এবং গলন্ত সময়ে যখন সমাজের সব স্তরের মানুষ তাঁদের নিরাপত্তা, ভোটাধিকার এবং বে-নাগরিক হবার ভয় নিয়ে বর্তমানকে যাপন করতে বাধ্য হচ্ছেন, তখন এই

শুরুর কথা হ্যাঁ, আমরাই তো কথা বলবো “অভয়া”-কে নিয়ে। কারণ আমরা ডাক্তারি পেশার সাথে যুক্ত এক বিপুলসংখ্যক অংশ এবং জনসমাজেরও কয়েক লাখ মানুষ “অভয়া”র ধর্ষণ,

শুরুর কিছু কথা পৃথিবীর ইতিহাসে দেখা যায়, কোন সমাজের জনসমষ্টির স্বাস্থ্য সুররক্ষিত রাখা প্রতিটি সমাজকে বাঁচিয়ে রাখার পূর্বশর্ত। সেই আদিমকাল থেকে মানুষ নিজের বুদ্ধিমত্তা এবং

বুদ্ধদেব বসু প্রসঙ্গটি এভাবে উত্থাপন করেছিলেন – “ধর্ম নিয়ে বাদানুবাদ যেমন মহাভারতে একটি নিত্যকর্ম, রামায়ণে সে-রকম নয়। কেননা রামই সেখানে সর্বাধিপতি ও সর্বতোভাবে প্রতিদ্বন্দীহীন …

(যারা ইতিহাস এবং পুরনো কলকাতা নিয়ে আগ্রহী, বিশেষত তাদের জন্য এ লেখা। বাকীরাও রসাস্বাদন করতে পারবেন আশা রাখি। পড়ুন। আপনার মতামত দিন। ভুল ধরিয়ে দিন।)

(ডেইলি মেল সংবাদপত্রে ১৪ মার্চ ১৯৪০-এ প্রকাশিত খবর। ছবিতে বিনা বাধায় ধৃত উধম সিং-কে দেখা যাচ্ছে) (১৪ মার্চ, ১৯৪০-এ ডেইলি হেরাল্ড সংবাদপত্রের শিরোনাম) রবীন্দ্রনাথের চিঠি

(এ প্রবন্ধটি বেশ কয়েক বছর আগে আবহমান ওয়েবজিনে ভিন্ন চেহারায় প্রকাশিত হয়েছিল) ওয়াল্টার লিপম্যান তাঁর Public Opinion (1921) একটি নজর করার মতো মন্তুব্য করেছেন –

গতকালের নারীদের ক্রিকেটের বিশ্বকাপে ভারতের মেয়েদের স্তব্ধ করে দেওয়া জয় বহু হেডলাইনের জন্ম দিয়েছে “মেয়েদের রাতদখল” লিখে। “অভয়া” ধর্ষিতা, মৃতা এবং বিচারহীন থেকেও কী আবার

SIR আমাদের ঘাড়ের ওপরে এসে পড়েছে। SIR নিয়ে ক’দিন আগে বিহারের অভিজ্ঞতা আমাদের জানা আছে। এই সময়ে আরেকটু আগের ইতিহাস দেখে নিতে পারি। ২০১৯ সালের

১৫ আগস্ট, ২০২২-এ জাতির উদ্দেশ্যে ভাষণে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী ভারতবাসীকে “পঞ্চ প্রাণ”-এর ব্যাপারে স্মরণ করিয়ে দিয়েছেন – নাগরিক হিসেবে ভারতবাসীকে তাদের কর্তব্য পূর্ণ করতে হবে।

দু’জন শান্তির দূত ট্রাম্প (নোবেল পুরষ্কারের স্বঘোষিত দাবীদার) এবং গণহত্যাকারী সামরিক রাষ্ট্র ইজরায়েলের নেতেনিয়াহু গাজায় শান্তি চুক্তি ফেরাতে উদ্যোগী হয়েছেন। ইউরোপের তথা বিশ্বের বিভিন্ন রাষ্ট্রে







আমাদের লক্ষ্য সবার জন্য স্বাস্থ্য আর সবার জন্য চিকিৎসা পরিষেবা। আমাদের আশা, এই লক্ষ্যে ডাক্তার, স্বাস্থ্যকর্মী, রোগী ও আপামর মানুষ, স্বাস্থ্য ব্যবস্থার সমস্ত স্টেক হোল্ডারদের আলোচনা ও কর্মকাণ্ডের একটি মঞ্চ হয়ে উঠবে ডক্টরস ডায়ালগ।
Editorial Committee:
Dr. Punyabrata Gun
Dr. Jayanta Das
Dr. Chinmay Nath
Dr. Indranil Saha
Dr. Aindril Bhowmik
Executive Editor: Piyali Dey Biswas
Shramajibi Swasthya Udyog
HA 44, Salt Lake, Sector-3, Kolkata-700097
নীচে Justori র মাধ্যমে আমাদের সদস্য হন – নিজে বলুন আপনার প্রশ্ন, মতামত – সরাসরি উত্তর পান ডাক্তারের কাছ থেকে