
‘এটা রাজনীতি করার সময় না! সবকিছুতে রাজনীতি করবেন না’।
গতকালই বন্ধুদের এক আড্ডায় আইটি-কর্মী এক বন্ধুর সঙ্গে খানিক তক্কাতক্কি হয়ে গেল। বন্ধুর পেশাপরিচয়টা দিতেই হলো – কেননা পেশাগত দক্ষতার বাইরে বাকি প্রায় সমস্ত বিষয়ে

গতকালই বন্ধুদের এক আড্ডায় আইটি-কর্মী এক বন্ধুর সঙ্গে খানিক তক্কাতক্কি হয়ে গেল। বন্ধুর পেশাপরিচয়টা দিতেই হলো – কেননা পেশাগত দক্ষতার বাইরে বাকি প্রায় সমস্ত বিষয়ে

গত দেড় দশকে রাজ্যের স্বাস্থ্যব্যবস্থা হাল ঠিক কীরকম তা নিয়ে লিখতে বসে বেজায় ধন্দে পড়েছি। কী লিখব? কীসের ভিত্তিতে লিখব? দশ বছর বাদে বাদে যে

“ধরনা মঞ্চ” আজ সন্ধের পর উঠে গেল, বঙ্গজীবনে এর তুল্য দুঃসংবাদ, সাম্প্রতিককালে, খুব একটা আসেনি। রাজনৈতিক নেতানেত্রীদের ভাষণ নিয়ে বেশী কিছু বলার থাকে না, তাই

ছেলে/মেয়ে-র স্কুলে পিটিএম-এ (পেরেন্ট-টিচার মিটিং) গেছেন নিশ্চয়ই কখনও না কখনও। তাহলে ক্লাসরুমটা দেখে চেনা চেনা লাগবে।ছোট্ট ছোট্ট বেঞ্চ। টিচারের সঙ্গে আগের গার্জেন যদি বেশীক্ষণ কথা

পাড়ার ক্লাবের যেসব ছেলেপুলে কারণে-অকারণে উৎসবে-পার্বণে সতেজে বক্স বাজিয়ে মদ্যপান করে হুল্লোড় করে, তাদের প্রতি শহুরে উচ্চমধ্যবিত্ত/উচ্চবিত্তদের মধ্যে একধরনের উন্নাসিকতা ও অবজ্ঞার বোধ লক্ষ করা

ছবিখানা ফেসবুকে পেলাম। আর পাওয়ার সঙ্গে সঙ্গেই, জনসচেতনতামূলক কাজ হিসেবে, সুখবরটা আপনাদের সঙ্গে ভাগ করে নিলাম। খবরটা তো আনন্দের বটেই, কিন্তু তার চাইতেও যেটা ভালো

মহারাষ্ট্রের উপমুখ্যমন্ত্রী অজিত পাওয়ার মারা গেলেন। বিমান-দুর্ঘটনায় মৃত্যু। ব্যক্তিগত বিমানে সপার্ষদ সফর করছিলেন, অবতরণের ঠিক আগেই বিমান ভেঙে পড়ে। বয়স হয়েছিল মাত্র ছেষট্টি। তুখোড় রাজনীতিক,

২৬ জানুয়ারি, ২০২৬ লেখক সৌরভ মুখোপাধ্যায়ের একটি কথা খুবই মনে ধরল। একটি বইয়ের গ্রুপে, লেখালিখি প্রসঙ্গে উনি মন্তব্য করেছেন – প্রথমে নিজেকে জিজ্ঞেস করুন, আপনি

“আমার যেসব বলার আছে, তা বাক্সে বন্দী বাইরে চাপ চাপ রক্ত – মাঠের কোনে মৃত লাশ; পোস্টমর্টেম রিপোর্ট বলেছে মরার আগে খুব খিদে পেয়েছিল লাশটির…”

মফস্বলের এই গাঢ় শীতের সন্ধেগুলো জুড়ে যে আধো কুয়াশার চাদর নেমে আসে, তাকে বিষণ্ণতা নামেই ডাকা ভালো। সারাদিনের অনেকটা সময় জুড়ে অংশত মেঘলা আকাশ… আচমকা

পেন্নাম হই, গুরুদেব। পেন্নাম নয়, প্রণাম। একটা র-ফলা লাগবে। ও, ভেম হইয়া গিসিল। ভেম নয়, ভ্রম। ওখানেও র-ফলা লাগবে। পেত্যেক কথাতেই কি র-ফলা দিতে লাগব?

আহ্, অরূপবাবু নস্ট্যালজিক করে দিলেন। ঠিক এমনি করেই অভিমানী চিকিৎসক সন্দীপ ঘোষ স্বাস্থ্যভবনে গিয়ে পদত্যাগপত্র জমা করে এসেছিলেন। মানে, সংবাদমাধ্যমের ভাষায়, মুখ্যমন্ত্রীর কোর্টে বল জমা

গতকালই বন্ধুদের এক আড্ডায় আইটি-কর্মী এক বন্ধুর সঙ্গে খানিক তক্কাতক্কি হয়ে গেল। বন্ধুর পেশাপরিচয়টা দিতেই হলো – কেননা পেশাগত দক্ষতার বাইরে বাকি প্রায় সমস্ত বিষয়ে

গত দেড় দশকে রাজ্যের স্বাস্থ্যব্যবস্থা হাল ঠিক কীরকম তা নিয়ে লিখতে বসে বেজায় ধন্দে পড়েছি। কী লিখব? কীসের ভিত্তিতে লিখব? দশ বছর বাদে বাদে যে

“ধরনা মঞ্চ” আজ সন্ধের পর উঠে গেল, বঙ্গজীবনে এর তুল্য দুঃসংবাদ, সাম্প্রতিককালে, খুব একটা আসেনি। রাজনৈতিক নেতানেত্রীদের ভাষণ নিয়ে বেশী কিছু বলার থাকে না, তাই

ছেলে/মেয়ে-র স্কুলে পিটিএম-এ (পেরেন্ট-টিচার মিটিং) গেছেন নিশ্চয়ই কখনও না কখনও। তাহলে ক্লাসরুমটা দেখে চেনা চেনা লাগবে।ছোট্ট ছোট্ট বেঞ্চ। টিচারের সঙ্গে আগের গার্জেন যদি বেশীক্ষণ কথা

পাড়ার ক্লাবের যেসব ছেলেপুলে কারণে-অকারণে উৎসবে-পার্বণে সতেজে বক্স বাজিয়ে মদ্যপান করে হুল্লোড় করে, তাদের প্রতি শহুরে উচ্চমধ্যবিত্ত/উচ্চবিত্তদের মধ্যে একধরনের উন্নাসিকতা ও অবজ্ঞার বোধ লক্ষ করা

ছবিখানা ফেসবুকে পেলাম। আর পাওয়ার সঙ্গে সঙ্গেই, জনসচেতনতামূলক কাজ হিসেবে, সুখবরটা আপনাদের সঙ্গে ভাগ করে নিলাম। খবরটা তো আনন্দের বটেই, কিন্তু তার চাইতেও যেটা ভালো

মহারাষ্ট্রের উপমুখ্যমন্ত্রী অজিত পাওয়ার মারা গেলেন। বিমান-দুর্ঘটনায় মৃত্যু। ব্যক্তিগত বিমানে সপার্ষদ সফর করছিলেন, অবতরণের ঠিক আগেই বিমান ভেঙে পড়ে। বয়স হয়েছিল মাত্র ছেষট্টি। তুখোড় রাজনীতিক,

২৬ জানুয়ারি, ২০২৬ লেখক সৌরভ মুখোপাধ্যায়ের একটি কথা খুবই মনে ধরল। একটি বইয়ের গ্রুপে, লেখালিখি প্রসঙ্গে উনি মন্তব্য করেছেন – প্রথমে নিজেকে জিজ্ঞেস করুন, আপনি

“আমার যেসব বলার আছে, তা বাক্সে বন্দী বাইরে চাপ চাপ রক্ত – মাঠের কোনে মৃত লাশ; পোস্টমর্টেম রিপোর্ট বলেছে মরার আগে খুব খিদে পেয়েছিল লাশটির…”

মফস্বলের এই গাঢ় শীতের সন্ধেগুলো জুড়ে যে আধো কুয়াশার চাদর নেমে আসে, তাকে বিষণ্ণতা নামেই ডাকা ভালো। সারাদিনের অনেকটা সময় জুড়ে অংশত মেঘলা আকাশ… আচমকা

পেন্নাম হই, গুরুদেব। পেন্নাম নয়, প্রণাম। একটা র-ফলা লাগবে। ও, ভেম হইয়া গিসিল। ভেম নয়, ভ্রম। ওখানেও র-ফলা লাগবে। পেত্যেক কথাতেই কি র-ফলা দিতে লাগব?

আহ্, অরূপবাবু নস্ট্যালজিক করে দিলেন। ঠিক এমনি করেই অভিমানী চিকিৎসক সন্দীপ ঘোষ স্বাস্থ্যভবনে গিয়ে পদত্যাগপত্র জমা করে এসেছিলেন। মানে, সংবাদমাধ্যমের ভাষায়, মুখ্যমন্ত্রীর কোর্টে বল জমা







আমাদের লক্ষ্য সবার জন্য স্বাস্থ্য আর সবার জন্য চিকিৎসা পরিষেবা। আমাদের আশা, এই লক্ষ্যে ডাক্তার, স্বাস্থ্যকর্মী, রোগী ও আপামর মানুষ, স্বাস্থ্য ব্যবস্থার সমস্ত স্টেক হোল্ডারদের আলোচনা ও কর্মকাণ্ডের একটি মঞ্চ হয়ে উঠবে ডক্টরস ডায়ালগ।
Editorial Committee:
Dr. Punyabrata Gun
Dr. Jayanta Das
Dr. Chinmay Nath
Dr. Indranil Saha
Dr. Aindril Bhowmik
Executive Editor: Piyali Dey Biswas
Shramajibi Swasthya Udyog
HA 44, Salt Lake, Sector-3, Kolkata-700097
নীচে Justori র মাধ্যমে আমাদের সদস্য হন – নিজে বলুন আপনার প্রশ্ন, মতামত – সরাসরি উত্তর পান ডাক্তারের কাছ থেকে