
না জেনে স্টেরয়েডের খপ্পরে
ভুটান থেকে ফেরার পথে জলদাপাড়ায় একরাত্রি কাটিয়ে পরের দিন ভোর ভোর গন্ডার দেখতে বেরিয়ে পড়লাম। জিপ সাফারির টিকিটের লাইনে দাঁড়িয়ে রাঢ়ী ভাষায় কথোপকথন শুনছিলাম। মেদিনীপুর

ভুটান থেকে ফেরার পথে জলদাপাড়ায় একরাত্রি কাটিয়ে পরের দিন ভোর ভোর গন্ডার দেখতে বেরিয়ে পড়লাম। জিপ সাফারির টিকিটের লাইনে দাঁড়িয়ে রাঢ়ী ভাষায় কথোপকথন শুনছিলাম। মেদিনীপুর

হাতে একটা মোটা ফাইল নিয়ে চেম্বারে ঢুকলেন মধ্যচল্লিশের দম্পতি। ভদ্রমহিলা চেয়ার টেনে বসলেন। ভদ্রলোক শুন্য দৃষ্টিতে ফ্যালফ্যাল করে আমার দিকে অসহায়তার মৃদু হাসি দিলেন। -অনেক

গতবছরের ঘটনা। নাইরোবি থেকে মাসাইমারা পৌঁছে ওল্কেনেইমারা ক্যাম্পে প্রথম রাত কাটলো অদ্ভুত এক অভিজ্ঞতা দিয়ে। ক্যাম্পের পাশে খান দশেক হায়নার চিৎকারে শাওন দার একটুও ঘুম

মাস তিনেক আগের এক ঘটনা । সন্ধ্যের চেম্বার প্রায় শেষ। হন্তদন্ত হয়ে বিশাল বপু বছর পঞ্চাশের এক ভদ্রলোক চেম্বারে এসে ঢুকলেন। সাথে আসা সহধর্মিণী বেশ

মরিশাস ভ্রমনের চতুর্থ দিন এক কান্ড ঘটলো। যে বাড়িতে ছিলাম, তাঁরা নিতান্তই ধর্মপ্রাণ, অতিথিবৎসল। ভারতীয় না হয়েও তাঁরা প্রবল ভাবে ভারতীয় ভাবধারার পূজারী। ফলে মনে

বছর দুয়েক আগের ঘটনা। পাশের ব্লকের এক সিভিক ভলান্টিয়ার হপ্তা দুয়েকের জ্বর নিয়ে এক সন্ধ্যায় আমার চেম্বারে হাজির। সাথে এক পুলিশ বন্ধু। চোখে মুখে পুলিশোচিত

চাষের কাজ চলছে। তার উপর পয়লা বৈশাখের উদযাপন। চেম্বারে বিশেষ ভিড় নেই। সামান্য জ্বর জ্বালা ছাড়া মনে রাখার মত রোগীও বিশেষ নেই। এরই মাঝে মাঝবয়েসী

সন্ধ্যের চেম্বার তখন প্রায় শেষের পথে। হঠাৎই হন্তদন্ত হয়ে ঘরে ঢুকলেন নন্দী বাবু। দীপক বাবুর ছেলেটা হঠাৎই অজ্ঞান হয়ে গেছে।একটু দেখে দিতে হবে। চোখের ঈশারায়

আজকাল সব রোগ কেই বাঙালী “গ্যাস” হয়েছে বলে ধরে নেয়। প্রত্যেক রোগীরই একই বক্তব্য। পেটের ব্যথা মানেই গ্যাস হয়েছে। পিঠের টান মানেও গ্যাস জমেছে পিঠে।

দিন সাতেক আগের কথা। নভেম্বরের শীতের আমেজ ধীরে ধীরে গাঢ় হচ্ছে। বিকেলের চেম্বারে ঢোকার মুখেই পরিচিত এক যুবক প্রায় দৌড়ে এসে পথ আটকে বললেন, গাড়িতে

কোভিড পরবর্তী সময়ে ভাইরাসের জগত পরিবর্তিত হয়েছে লক্ষ্যনীয় ভাবে। প্রতিদিনের রোগীর ভিড়ে সে সত্য অনুভব করে চলেছি নিয়মিত। তবে এ বছরে মাম্পস ভাইরাসের দৌরাত্ম্য যেন

প্যাচপেচে গরমে রোগের জ্বালা শীতের থেকে তুলনামূলকভাবে বেশি। তার উপর বিভিন্ন পোকা মাকড়ের উৎপাতও এই সময় বাড়তে থাকে। ফলে এইসময় চিকিৎসাপ্রার্থী রোগীর ভিড়ে পোকামাকড়ের কামড়ের

ভুটান থেকে ফেরার পথে জলদাপাড়ায় একরাত্রি কাটিয়ে পরের দিন ভোর ভোর গন্ডার দেখতে বেরিয়ে পড়লাম। জিপ সাফারির টিকিটের লাইনে দাঁড়িয়ে রাঢ়ী ভাষায় কথোপকথন শুনছিলাম। মেদিনীপুর

হাতে একটা মোটা ফাইল নিয়ে চেম্বারে ঢুকলেন মধ্যচল্লিশের দম্পতি। ভদ্রমহিলা চেয়ার টেনে বসলেন। ভদ্রলোক শুন্য দৃষ্টিতে ফ্যালফ্যাল করে আমার দিকে অসহায়তার মৃদু হাসি দিলেন। -অনেক

গতবছরের ঘটনা। নাইরোবি থেকে মাসাইমারা পৌঁছে ওল্কেনেইমারা ক্যাম্পে প্রথম রাত কাটলো অদ্ভুত এক অভিজ্ঞতা দিয়ে। ক্যাম্পের পাশে খান দশেক হায়নার চিৎকারে শাওন দার একটুও ঘুম

মাস তিনেক আগের এক ঘটনা । সন্ধ্যের চেম্বার প্রায় শেষ। হন্তদন্ত হয়ে বিশাল বপু বছর পঞ্চাশের এক ভদ্রলোক চেম্বারে এসে ঢুকলেন। সাথে আসা সহধর্মিণী বেশ

মরিশাস ভ্রমনের চতুর্থ দিন এক কান্ড ঘটলো। যে বাড়িতে ছিলাম, তাঁরা নিতান্তই ধর্মপ্রাণ, অতিথিবৎসল। ভারতীয় না হয়েও তাঁরা প্রবল ভাবে ভারতীয় ভাবধারার পূজারী। ফলে মনে

বছর দুয়েক আগের ঘটনা। পাশের ব্লকের এক সিভিক ভলান্টিয়ার হপ্তা দুয়েকের জ্বর নিয়ে এক সন্ধ্যায় আমার চেম্বারে হাজির। সাথে এক পুলিশ বন্ধু। চোখে মুখে পুলিশোচিত

চাষের কাজ চলছে। তার উপর পয়লা বৈশাখের উদযাপন। চেম্বারে বিশেষ ভিড় নেই। সামান্য জ্বর জ্বালা ছাড়া মনে রাখার মত রোগীও বিশেষ নেই। এরই মাঝে মাঝবয়েসী

সন্ধ্যের চেম্বার তখন প্রায় শেষের পথে। হঠাৎই হন্তদন্ত হয়ে ঘরে ঢুকলেন নন্দী বাবু। দীপক বাবুর ছেলেটা হঠাৎই অজ্ঞান হয়ে গেছে।একটু দেখে দিতে হবে। চোখের ঈশারায়

আজকাল সব রোগ কেই বাঙালী “গ্যাস” হয়েছে বলে ধরে নেয়। প্রত্যেক রোগীরই একই বক্তব্য। পেটের ব্যথা মানেই গ্যাস হয়েছে। পিঠের টান মানেও গ্যাস জমেছে পিঠে।

দিন সাতেক আগের কথা। নভেম্বরের শীতের আমেজ ধীরে ধীরে গাঢ় হচ্ছে। বিকেলের চেম্বারে ঢোকার মুখেই পরিচিত এক যুবক প্রায় দৌড়ে এসে পথ আটকে বললেন, গাড়িতে

কোভিড পরবর্তী সময়ে ভাইরাসের জগত পরিবর্তিত হয়েছে লক্ষ্যনীয় ভাবে। প্রতিদিনের রোগীর ভিড়ে সে সত্য অনুভব করে চলেছি নিয়মিত। তবে এ বছরে মাম্পস ভাইরাসের দৌরাত্ম্য যেন

প্যাচপেচে গরমে রোগের জ্বালা শীতের থেকে তুলনামূলকভাবে বেশি। তার উপর বিভিন্ন পোকা মাকড়ের উৎপাতও এই সময় বাড়তে থাকে। ফলে এইসময় চিকিৎসাপ্রার্থী রোগীর ভিড়ে পোকামাকড়ের কামড়ের







আমাদের লক্ষ্য সবার জন্য স্বাস্থ্য আর সবার জন্য চিকিৎসা পরিষেবা। আমাদের আশা, এই লক্ষ্যে ডাক্তার, স্বাস্থ্যকর্মী, রোগী ও আপামর মানুষ, স্বাস্থ্য ব্যবস্থার সমস্ত স্টেক হোল্ডারদের আলোচনা ও কর্মকাণ্ডের একটি মঞ্চ হয়ে উঠবে ডক্টরস ডায়ালগ।
Editorial Committee:
Dr. Punyabrata Gun
Dr. Jayanta Das
Dr. Chinmay Nath
Dr. Indranil Saha
Dr. Aindril Bhowmik
Executive Editor: Piyali Dey Biswas
Shramajibi Swasthya Udyog
HA 44, Salt Lake, Sector-3, Kolkata-700097
নীচে Justori র মাধ্যমে আমাদের সদস্য হন – নিজে বলুন আপনার প্রশ্ন, মতামত – সরাসরি উত্তর পান ডাক্তারের কাছ থেকে