
বাঙালের হাইকোর্ট দর্শন- প্রথম পর্ব
বাঙালকে হাইকোর্ট দেখানো একটা প্রাচীন বাক্যবন্ধ। প্রাচীন বললাম বটে, কিন্তু সেই অর্থে সুপ্রাচীন কিন্তু নয়। এর শুরু কলকাতায় হাইকোর্ট ছিল? কে জানে। অরুণাচল খুব ছোটোবেলা

বাঙালকে হাইকোর্ট দেখানো একটা প্রাচীন বাক্যবন্ধ। প্রাচীন বললাম বটে, কিন্তু সেই অর্থে সুপ্রাচীন কিন্তু নয়। এর শুরু কলকাতায় হাইকোর্ট ছিল? কে জানে। অরুণাচল খুব ছোটোবেলা

আমি বলেন্দ্রনাথ ঘোষ। এই ঘোষবাড়ির সব চে বড় ছেলে। আমাকে ডাকনাম ধরে, বল্টু বলে ডাকার আর কেউই বাকি নেই। মা বাবা কাকা জ্যাঠা কেউ না।

ডাক্তার হরিপদ দত্ত সম্প্রতি কর্মহীন হয়ে পড়েছে। একেবারেই কোনও কাজ নেই তার। ব্যাপার কিছুই না। মাত্র ছেচল্লিশ বছর বয়সে তার নশ্বর দেহ পঞ্চভূতে বিলীন হয়ে

নাটুকে কিন্তু না-টুকে নয়। বিশুদ্ধ টুকে লেখা। কার থেকে টুকেছি বলব না। ★ রূপুর বর চলে গেল আজ। রূপু বাপের বাড়িতে রইল। নাটক কি শেষ

নাঃ, আবারও হল, মানে ঘটল ব্যাপারটা। মাথা নীচু করে অরুণাচলকে স্বীকার করতে হল। বলতেও হল, আগে যা বহুবার বলতে হয়েছে। একই ভাষায় বারবার।- আর হবে

কেউ কেউ স্বয়ং দেয়, আবার কারও বা সন্তানেরা। ফেসবুকের দেওয়ালে অনেকেই দেয় নিজেদের বা মা-বাবার বিয়ের ছবি। অরুণাচল নিজে কোনও দিন দেয়নি নিজের বিয়ের ছবি।

আজ প্রতিপদের ভাইফোঁটা। অথচ বহুল প্রচলিত কিন্তু ভ্রাতৃদ্বিতীয়াটিই। এই নিয়ে ছোটোবেলায় খুব ঝামেলা হত। প্রতিপদে যাদের বাড়িতে ভাইফোঁটা হত, তাদের মেয়েরা খুব ঘ্যাম নিয়ে বলত,

আরজিকর- ৩ ★ আরজিকর-এর এক ছাত্রের মা লিখেছেন। ও’খানে যা ঘটছে, অনেকেই জানতে চেয়েছেন। অনেক খানি জানা যাবে। ______________________________ ওরা সবাই আমার সন্তানতুল্য। তাই এক

প্রায় সত্যি এই গল্পটা আমায় বলেছিলেন, সমুদ্র স্যার। স্যারকে আমি বলেছিলাম গল্পটা একটা গ্রুপে লিখব। ★ শিশু সকালটা ক্রমশ কিশোর হয়ে উঠছে। ডাক্তার সেনগুপ্ত উত্তর

আর জি কর-১ _______________ নামে কি আসে যায়? আমাদের প্রিয়তমা নারীর নাম অপ্রাপনীয়া আমাদের দ্রুততম গাড়ির নাম ন যযৌ ন তস্থৌ আমাদের স্বপ্নসম্ভব বাড়ির নাম

আজ সন্ধ্যের খবরে দেখাল, শিলিগুড়ি থেকে নাকি কাঞ্চনজঙ্ঘার দেখা পাওয়া যাচ্ছে। ভাগ্য ভালো থাকলে, আবহাওয়া ভালো থাকলে, শিলিগুড়ি তথা উত্তর বাংলার নানা জায়গা থেকেই এ’রকম

অবশেষে শুভময় যা কায়মনোবাক্যে চাইছিল, তাই পেয়ে গেল। যদিও পেল, পুরোনো এক গল্পের মোড়কে। সেই যে এক সন্ন্যাসী রোদে পোড়া মাঠে হাঁটার সময় হন্যে হয়ে

বাঙালকে হাইকোর্ট দেখানো একটা প্রাচীন বাক্যবন্ধ। প্রাচীন বললাম বটে, কিন্তু সেই অর্থে সুপ্রাচীন কিন্তু নয়। এর শুরু কলকাতায় হাইকোর্ট ছিল? কে জানে। অরুণাচল খুব ছোটোবেলা

আমি বলেন্দ্রনাথ ঘোষ। এই ঘোষবাড়ির সব চে বড় ছেলে। আমাকে ডাকনাম ধরে, বল্টু বলে ডাকার আর কেউই বাকি নেই। মা বাবা কাকা জ্যাঠা কেউ না।

ডাক্তার হরিপদ দত্ত সম্প্রতি কর্মহীন হয়ে পড়েছে। একেবারেই কোনও কাজ নেই তার। ব্যাপার কিছুই না। মাত্র ছেচল্লিশ বছর বয়সে তার নশ্বর দেহ পঞ্চভূতে বিলীন হয়ে

নাটুকে কিন্তু না-টুকে নয়। বিশুদ্ধ টুকে লেখা। কার থেকে টুকেছি বলব না। ★ রূপুর বর চলে গেল আজ। রূপু বাপের বাড়িতে রইল। নাটক কি শেষ

নাঃ, আবারও হল, মানে ঘটল ব্যাপারটা। মাথা নীচু করে অরুণাচলকে স্বীকার করতে হল। বলতেও হল, আগে যা বহুবার বলতে হয়েছে। একই ভাষায় বারবার।- আর হবে

কেউ কেউ স্বয়ং দেয়, আবার কারও বা সন্তানেরা। ফেসবুকের দেওয়ালে অনেকেই দেয় নিজেদের বা মা-বাবার বিয়ের ছবি। অরুণাচল নিজে কোনও দিন দেয়নি নিজের বিয়ের ছবি।

আজ প্রতিপদের ভাইফোঁটা। অথচ বহুল প্রচলিত কিন্তু ভ্রাতৃদ্বিতীয়াটিই। এই নিয়ে ছোটোবেলায় খুব ঝামেলা হত। প্রতিপদে যাদের বাড়িতে ভাইফোঁটা হত, তাদের মেয়েরা খুব ঘ্যাম নিয়ে বলত,

আরজিকর- ৩ ★ আরজিকর-এর এক ছাত্রের মা লিখেছেন। ও’খানে যা ঘটছে, অনেকেই জানতে চেয়েছেন। অনেক খানি জানা যাবে। ______________________________ ওরা সবাই আমার সন্তানতুল্য। তাই এক

প্রায় সত্যি এই গল্পটা আমায় বলেছিলেন, সমুদ্র স্যার। স্যারকে আমি বলেছিলাম গল্পটা একটা গ্রুপে লিখব। ★ শিশু সকালটা ক্রমশ কিশোর হয়ে উঠছে। ডাক্তার সেনগুপ্ত উত্তর

আর জি কর-১ _______________ নামে কি আসে যায়? আমাদের প্রিয়তমা নারীর নাম অপ্রাপনীয়া আমাদের দ্রুততম গাড়ির নাম ন যযৌ ন তস্থৌ আমাদের স্বপ্নসম্ভব বাড়ির নাম

আজ সন্ধ্যের খবরে দেখাল, শিলিগুড়ি থেকে নাকি কাঞ্চনজঙ্ঘার দেখা পাওয়া যাচ্ছে। ভাগ্য ভালো থাকলে, আবহাওয়া ভালো থাকলে, শিলিগুড়ি তথা উত্তর বাংলার নানা জায়গা থেকেই এ’রকম

অবশেষে শুভময় যা কায়মনোবাক্যে চাইছিল, তাই পেয়ে গেল। যদিও পেল, পুরোনো এক গল্পের মোড়কে। সেই যে এক সন্ন্যাসী রোদে পোড়া মাঠে হাঁটার সময় হন্যে হয়ে







আমাদের লক্ষ্য সবার জন্য স্বাস্থ্য আর সবার জন্য চিকিৎসা পরিষেবা। আমাদের আশা, এই লক্ষ্যে ডাক্তার, স্বাস্থ্যকর্মী, রোগী ও আপামর মানুষ, স্বাস্থ্য ব্যবস্থার সমস্ত স্টেক হোল্ডারদের আলোচনা ও কর্মকাণ্ডের একটি মঞ্চ হয়ে উঠবে ডক্টরস ডায়ালগ।
Editorial Committee:
Dr. Punyabrata Gun
Dr. Jayanta Das
Dr. Chinmay Nath
Dr. Indranil Saha
Dr. Aindril Bhowmik
Executive Editor: Piyali Dey Biswas
Shramajibi Swasthya Udyog
HA 44, Salt Lake, Sector-3, Kolkata-700097
নীচে Justori র মাধ্যমে আমাদের সদস্য হন – নিজে বলুন আপনার প্রশ্ন, মতামত – সরাসরি উত্তর পান ডাক্তারের কাছ থেকে