
অলিপাবের ঘটনা প্রসঙ্গে
আধ্যাত্মিকতা আর রিলিজিয়াসনেসের একটা প্রধান পার্থক্য এই যে রিলিজিয়নের মূল কাজ হল ধর্মীয় বিশ্বাসকে কোডিফাই করে গোষ্ঠী নির্মাণ করা। গোষ্ঠী নিজের স্বাতন্ত্র্য রক্ষা করার জন্য

আধ্যাত্মিকতা আর রিলিজিয়াসনেসের একটা প্রধান পার্থক্য এই যে রিলিজিয়নের মূল কাজ হল ধর্মীয় বিশ্বাসকে কোডিফাই করে গোষ্ঠী নির্মাণ করা। গোষ্ঠী নিজের স্বাতন্ত্র্য রক্ষা করার জন্য

টেলিভিশনের খবরে বলছে, “বিস্ফোরণের পিছনে ডি কোম্পানি। ডি মানে দাউদ নয়, ডাক্তার।” টেলি-সাংবাদিক বেশ রসিয়ে বলছেন আর আমি সীতার মতো “ধরণী দ্বিধা হও” বলে পাতাল

আমরা অনেকেই যা আশঙ্কা করছিলাম, সেটাই হচ্ছে বারবার। আরও বাড়বে। আর জি কর কাণ্ডের পর অপরাধীদের আড়াল করার জন্য সর্বশক্তি নিয়োগ করে রাজ্য প্রশাসন সব

উত্তরাখণ্ড, হিমাচল, পঞ্জাব একে একে বিধ্বস্ত হয়েছে বন্যায়। এবার উত্তরবঙ্গ, সিকিম, ভূটান, নেপাল গেল। লক্ষণ যে খুবই খারাপ, তা বোঝার জন্য খুব বেশি পড়াশোনার প্রয়োজন

মাঝেমাঝে খুব ধন্দে পড়ে যাই। জীবনের বিভিন্ন ক্ষেত্রেই পড়ি, রাজনৈতিক ক্ষেত্রে বোধহয় বেশি করে। আমার নিজের মূর্খতাই এর জন্য দায়ী। অভ্যুত্থান / বিদ্রোহ / বিপ্লব

রবীন্দ্রনাথ পুড়ে গেছেন। বেশ হয়েছে। রবীন্দ্রনাথকে বহুদিন আগেই মেরে ফেলা হয়েছে। সুতরাং ছবি পোড়ানো নিয়ে “গেল গেল” রব তোলার কোনো অর্থ হয় না। বাঙালি অস্মিতার

জীবনের এই পাঁচ দশক ধরে আইনশৃঙ্খলা রক্ষার স্বার্থে পুলিশের সঙ্গে সহযোগিতাই করে চলেছি। অন্যদেরও তাই করতে বলি। কিন্তু পুলিশ যদি নিজেই আইনের সঙ্গে সহযোগিতা করতে

গুয়াহাটি মেডিকেল কলেজের নিওনেটাল ইন্টেন্সিভ কেয়ার ইউনিটে অসুস্থ সদ্যোজাত শিশুর সংখ্যা ছিল পঁয়ত্রিশ। কর্তব্যরত নার্সের সংখ্যা ছিল এক। আজ্ঞে, মাত্র একজন নার্স পঁয়ত্রিশটি শিশুর দেখাশোনা

কুকুরের লেজ কখনো সোজা হয় না। কয়লাকে শতবার ধুলেও তার রঙ একই থাকে। (এটা কোনো অ্যাপারথেইডসূচক কথা হিসেবে বলা হচ্ছে না।) কিছু রোগ আছে, যা

১২ মে ২০২৫ আজ একটি “যুদ্ধ উন্মাদনা বিরোধী গণমিছিল” ছিল কোলকাতায়। “প্রয়োজনীয় যুদ্ধ” বিরোধী নয়, “যুদ্ধ উন্মাদনা” বিরোধী। বাধ্য হয়ে বীরের মতো যুদ্ধ করা আর

যুদ্ধ কখনোই আনন্দের নয়, উল্লাসের নয়, এমনকি গর্বেরও নয়, যদিও সাম্রাজ্যবাদী থেকে শুরু করে উগ্র জাতীয়তাবাদী, সেক্টারিয়ান বিচ্ছিন্নতাবাদী, স্বৈরশাসক বা নিপীড়নবিরোধী বিপ্লবী… সকলেই নানাভাবে যুদ্ধকে

পহেলগাঁওয়ের প্রেক্ষিতে ভারতের প্রতিক্রিয়ার কথা বলতে গিয়ে কিছু সংবাদ চ্যানেল “কড়া ওষুধ” এবং “বদলা” কথাদুটো পরপর ব্যবহার করছে। এতে চিকিৎসক হিসেবে আমার কিঞ্চিৎ অস্বস্তি হচ্ছে।

আধ্যাত্মিকতা আর রিলিজিয়াসনেসের একটা প্রধান পার্থক্য এই যে রিলিজিয়নের মূল কাজ হল ধর্মীয় বিশ্বাসকে কোডিফাই করে গোষ্ঠী নির্মাণ করা। গোষ্ঠী নিজের স্বাতন্ত্র্য রক্ষা করার জন্য

টেলিভিশনের খবরে বলছে, “বিস্ফোরণের পিছনে ডি কোম্পানি। ডি মানে দাউদ নয়, ডাক্তার।” টেলি-সাংবাদিক বেশ রসিয়ে বলছেন আর আমি সীতার মতো “ধরণী দ্বিধা হও” বলে পাতাল

আমরা অনেকেই যা আশঙ্কা করছিলাম, সেটাই হচ্ছে বারবার। আরও বাড়বে। আর জি কর কাণ্ডের পর অপরাধীদের আড়াল করার জন্য সর্বশক্তি নিয়োগ করে রাজ্য প্রশাসন সব

উত্তরাখণ্ড, হিমাচল, পঞ্জাব একে একে বিধ্বস্ত হয়েছে বন্যায়। এবার উত্তরবঙ্গ, সিকিম, ভূটান, নেপাল গেল। লক্ষণ যে খুবই খারাপ, তা বোঝার জন্য খুব বেশি পড়াশোনার প্রয়োজন

মাঝেমাঝে খুব ধন্দে পড়ে যাই। জীবনের বিভিন্ন ক্ষেত্রেই পড়ি, রাজনৈতিক ক্ষেত্রে বোধহয় বেশি করে। আমার নিজের মূর্খতাই এর জন্য দায়ী। অভ্যুত্থান / বিদ্রোহ / বিপ্লব

রবীন্দ্রনাথ পুড়ে গেছেন। বেশ হয়েছে। রবীন্দ্রনাথকে বহুদিন আগেই মেরে ফেলা হয়েছে। সুতরাং ছবি পোড়ানো নিয়ে “গেল গেল” রব তোলার কোনো অর্থ হয় না। বাঙালি অস্মিতার

জীবনের এই পাঁচ দশক ধরে আইনশৃঙ্খলা রক্ষার স্বার্থে পুলিশের সঙ্গে সহযোগিতাই করে চলেছি। অন্যদেরও তাই করতে বলি। কিন্তু পুলিশ যদি নিজেই আইনের সঙ্গে সহযোগিতা করতে

গুয়াহাটি মেডিকেল কলেজের নিওনেটাল ইন্টেন্সিভ কেয়ার ইউনিটে অসুস্থ সদ্যোজাত শিশুর সংখ্যা ছিল পঁয়ত্রিশ। কর্তব্যরত নার্সের সংখ্যা ছিল এক। আজ্ঞে, মাত্র একজন নার্স পঁয়ত্রিশটি শিশুর দেখাশোনা

কুকুরের লেজ কখনো সোজা হয় না। কয়লাকে শতবার ধুলেও তার রঙ একই থাকে। (এটা কোনো অ্যাপারথেইডসূচক কথা হিসেবে বলা হচ্ছে না।) কিছু রোগ আছে, যা

১২ মে ২০২৫ আজ একটি “যুদ্ধ উন্মাদনা বিরোধী গণমিছিল” ছিল কোলকাতায়। “প্রয়োজনীয় যুদ্ধ” বিরোধী নয়, “যুদ্ধ উন্মাদনা” বিরোধী। বাধ্য হয়ে বীরের মতো যুদ্ধ করা আর

যুদ্ধ কখনোই আনন্দের নয়, উল্লাসের নয়, এমনকি গর্বেরও নয়, যদিও সাম্রাজ্যবাদী থেকে শুরু করে উগ্র জাতীয়তাবাদী, সেক্টারিয়ান বিচ্ছিন্নতাবাদী, স্বৈরশাসক বা নিপীড়নবিরোধী বিপ্লবী… সকলেই নানাভাবে যুদ্ধকে

পহেলগাঁওয়ের প্রেক্ষিতে ভারতের প্রতিক্রিয়ার কথা বলতে গিয়ে কিছু সংবাদ চ্যানেল “কড়া ওষুধ” এবং “বদলা” কথাদুটো পরপর ব্যবহার করছে। এতে চিকিৎসক হিসেবে আমার কিঞ্চিৎ অস্বস্তি হচ্ছে।







আমাদের লক্ষ্য সবার জন্য স্বাস্থ্য আর সবার জন্য চিকিৎসা পরিষেবা। আমাদের আশা, এই লক্ষ্যে ডাক্তার, স্বাস্থ্যকর্মী, রোগী ও আপামর মানুষ, স্বাস্থ্য ব্যবস্থার সমস্ত স্টেক হোল্ডারদের আলোচনা ও কর্মকাণ্ডের একটি মঞ্চ হয়ে উঠবে ডক্টরস ডায়ালগ।
Editorial Committee:
Dr. Punyabrata Gun
Dr. Jayanta Das
Dr. Chinmay Nath
Dr. Indranil Saha
Dr. Aindril Bhowmik
Executive Editor: Piyali Dey Biswas
Shramajibi Swasthya Udyog
HA 44, Salt Lake, Sector-3, Kolkata-700097
নীচে Justori র মাধ্যমে আমাদের সদস্য হন – নিজে বলুন আপনার প্রশ্ন, মতামত – সরাসরি উত্তর পান ডাক্তারের কাছ থেকে