
আইনের শাসন, স্বচ্ছ প্রশাসন এবং গণতান্ত্রিক পরিবেশ প্রয়োজন
রবিবার বলে আজ দুপুরে কিছুক্ষণ বাড়িতে থাকতে পেরেছিলাম। দশ- পনেরো মিনিট টিভি দেখার সুযোগ পেলে আমি সাধারণত খবর দেখি এবং অভ্যাসবশত ১৩৬০ টিপে এবিপি আনন্দ

রবিবার বলে আজ দুপুরে কিছুক্ষণ বাড়িতে থাকতে পেরেছিলাম। দশ- পনেরো মিনিট টিভি দেখার সুযোগ পেলে আমি সাধারণত খবর দেখি এবং অভ্যাসবশত ১৩৬০ টিপে এবিপি আনন্দ

বিংশ শতাব্দীর শেষ এবং একবিংশ শতাব্দীর শুরুর দিকে পশ্চিমবঙ্গের দাপুটে বিরোধী নেত্রীর কিছু বক্তৃতার রেকর্ডিং বাজানো হত রাজ্যের বিভিন্ন জায়গায় তাঁর দলের তরফে। সেরকম দু’একটা

খবরটা শুনে আমার সংক্ষিপ্ত প্রতিক্রিয়া ছিল, “অ”। অবাক হলে বা দারুণ কিছু হয়েছে দেখলে আমরা অনেকসময় বলি, “ও!” অথবা আরও লম্বা করে “ওওও…!” যা হবার,

ইসলামিক অভ্যুত্থানের পরবর্তী ইরানে নারীরা অবদমিত, সেকথা অনস্বীকার্য। আপাতত ১০৮ জন স্কুল পড়ুয়া বালিকা আর ২২ জন ভলিবল খেলোয়াড় যুবতীকে একদিনে হত্যা করে ট্রাম্পবাবু ইরানে

আধ্যাত্মিকতা আর রিলিজিয়াসনেসের একটা প্রধান পার্থক্য এই যে রিলিজিয়নের মূল কাজ হল ধর্মীয় বিশ্বাসকে কোডিফাই করে গোষ্ঠী নির্মাণ করা। গোষ্ঠী নিজের স্বাতন্ত্র্য রক্ষা করার জন্য

টেলিভিশনের খবরে বলছে, “বিস্ফোরণের পিছনে ডি কোম্পানি। ডি মানে দাউদ নয়, ডাক্তার।” টেলি-সাংবাদিক বেশ রসিয়ে বলছেন আর আমি সীতার মতো “ধরণী দ্বিধা হও” বলে পাতাল

আমরা অনেকেই যা আশঙ্কা করছিলাম, সেটাই হচ্ছে বারবার। আরও বাড়বে। আর জি কর কাণ্ডের পর অপরাধীদের আড়াল করার জন্য সর্বশক্তি নিয়োগ করে রাজ্য প্রশাসন সব

উত্তরাখণ্ড, হিমাচল, পঞ্জাব একে একে বিধ্বস্ত হয়েছে বন্যায়। এবার উত্তরবঙ্গ, সিকিম, ভূটান, নেপাল গেল। লক্ষণ যে খুবই খারাপ, তা বোঝার জন্য খুব বেশি পড়াশোনার প্রয়োজন

মাঝেমাঝে খুব ধন্দে পড়ে যাই। জীবনের বিভিন্ন ক্ষেত্রেই পড়ি, রাজনৈতিক ক্ষেত্রে বোধহয় বেশি করে। আমার নিজের মূর্খতাই এর জন্য দায়ী। অভ্যুত্থান / বিদ্রোহ / বিপ্লব

রবীন্দ্রনাথ পুড়ে গেছেন। বেশ হয়েছে। রবীন্দ্রনাথকে বহুদিন আগেই মেরে ফেলা হয়েছে। সুতরাং ছবি পোড়ানো নিয়ে “গেল গেল” রব তোলার কোনো অর্থ হয় না। বাঙালি অস্মিতার

জীবনের এই পাঁচ দশক ধরে আইনশৃঙ্খলা রক্ষার স্বার্থে পুলিশের সঙ্গে সহযোগিতাই করে চলেছি। অন্যদেরও তাই করতে বলি। কিন্তু পুলিশ যদি নিজেই আইনের সঙ্গে সহযোগিতা করতে

গুয়াহাটি মেডিকেল কলেজের নিওনেটাল ইন্টেন্সিভ কেয়ার ইউনিটে অসুস্থ সদ্যোজাত শিশুর সংখ্যা ছিল পঁয়ত্রিশ। কর্তব্যরত নার্সের সংখ্যা ছিল এক। আজ্ঞে, মাত্র একজন নার্স পঁয়ত্রিশটি শিশুর দেখাশোনা

রবিবার বলে আজ দুপুরে কিছুক্ষণ বাড়িতে থাকতে পেরেছিলাম। দশ- পনেরো মিনিট টিভি দেখার সুযোগ পেলে আমি সাধারণত খবর দেখি এবং অভ্যাসবশত ১৩৬০ টিপে এবিপি আনন্দ

বিংশ শতাব্দীর শেষ এবং একবিংশ শতাব্দীর শুরুর দিকে পশ্চিমবঙ্গের দাপুটে বিরোধী নেত্রীর কিছু বক্তৃতার রেকর্ডিং বাজানো হত রাজ্যের বিভিন্ন জায়গায় তাঁর দলের তরফে। সেরকম দু’একটা

খবরটা শুনে আমার সংক্ষিপ্ত প্রতিক্রিয়া ছিল, “অ”। অবাক হলে বা দারুণ কিছু হয়েছে দেখলে আমরা অনেকসময় বলি, “ও!” অথবা আরও লম্বা করে “ওওও…!” যা হবার,

ইসলামিক অভ্যুত্থানের পরবর্তী ইরানে নারীরা অবদমিত, সেকথা অনস্বীকার্য। আপাতত ১০৮ জন স্কুল পড়ুয়া বালিকা আর ২২ জন ভলিবল খেলোয়াড় যুবতীকে একদিনে হত্যা করে ট্রাম্পবাবু ইরানে

আধ্যাত্মিকতা আর রিলিজিয়াসনেসের একটা প্রধান পার্থক্য এই যে রিলিজিয়নের মূল কাজ হল ধর্মীয় বিশ্বাসকে কোডিফাই করে গোষ্ঠী নির্মাণ করা। গোষ্ঠী নিজের স্বাতন্ত্র্য রক্ষা করার জন্য

টেলিভিশনের খবরে বলছে, “বিস্ফোরণের পিছনে ডি কোম্পানি। ডি মানে দাউদ নয়, ডাক্তার।” টেলি-সাংবাদিক বেশ রসিয়ে বলছেন আর আমি সীতার মতো “ধরণী দ্বিধা হও” বলে পাতাল

আমরা অনেকেই যা আশঙ্কা করছিলাম, সেটাই হচ্ছে বারবার। আরও বাড়বে। আর জি কর কাণ্ডের পর অপরাধীদের আড়াল করার জন্য সর্বশক্তি নিয়োগ করে রাজ্য প্রশাসন সব

উত্তরাখণ্ড, হিমাচল, পঞ্জাব একে একে বিধ্বস্ত হয়েছে বন্যায়। এবার উত্তরবঙ্গ, সিকিম, ভূটান, নেপাল গেল। লক্ষণ যে খুবই খারাপ, তা বোঝার জন্য খুব বেশি পড়াশোনার প্রয়োজন

মাঝেমাঝে খুব ধন্দে পড়ে যাই। জীবনের বিভিন্ন ক্ষেত্রেই পড়ি, রাজনৈতিক ক্ষেত্রে বোধহয় বেশি করে। আমার নিজের মূর্খতাই এর জন্য দায়ী। অভ্যুত্থান / বিদ্রোহ / বিপ্লব

রবীন্দ্রনাথ পুড়ে গেছেন। বেশ হয়েছে। রবীন্দ্রনাথকে বহুদিন আগেই মেরে ফেলা হয়েছে। সুতরাং ছবি পোড়ানো নিয়ে “গেল গেল” রব তোলার কোনো অর্থ হয় না। বাঙালি অস্মিতার

জীবনের এই পাঁচ দশক ধরে আইনশৃঙ্খলা রক্ষার স্বার্থে পুলিশের সঙ্গে সহযোগিতাই করে চলেছি। অন্যদেরও তাই করতে বলি। কিন্তু পুলিশ যদি নিজেই আইনের সঙ্গে সহযোগিতা করতে

গুয়াহাটি মেডিকেল কলেজের নিওনেটাল ইন্টেন্সিভ কেয়ার ইউনিটে অসুস্থ সদ্যোজাত শিশুর সংখ্যা ছিল পঁয়ত্রিশ। কর্তব্যরত নার্সের সংখ্যা ছিল এক। আজ্ঞে, মাত্র একজন নার্স পঁয়ত্রিশটি শিশুর দেখাশোনা







আমাদের লক্ষ্য সবার জন্য স্বাস্থ্য আর সবার জন্য চিকিৎসা পরিষেবা। আমাদের আশা, এই লক্ষ্যে ডাক্তার, স্বাস্থ্যকর্মী, রোগী ও আপামর মানুষ, স্বাস্থ্য ব্যবস্থার সমস্ত স্টেক হোল্ডারদের আলোচনা ও কর্মকাণ্ডের একটি মঞ্চ হয়ে উঠবে ডক্টরস ডায়ালগ।
Editorial Committee:
Dr. Punyabrata Gun
Dr. Jayanta Das
Dr. Chinmay Nath
Dr. Indranil Saha
Dr. Aindril Bhowmik
Executive Editor: Piyali Dey Biswas
Shramajibi Swasthya Udyog
HA 44, Salt Lake, Sector-3, Kolkata-700097
নীচে Justori র মাধ্যমে আমাদের সদস্য হন – নিজে বলুন আপনার প্রশ্ন, মতামত – সরাসরি উত্তর পান ডাক্তারের কাছ থেকে