
জন্মদিনের শুভেচ্ছা নেবেন লেনিন
বিপ্লবের ঠিক পরে পরেই লেনিন জার্মানির সাথে শান্তিচুক্তি করতে বাধ্য হয়েছিলেন। ব্রেস্ট লিটভস্ক চুক্তি। রাশিয়া তার বেশ কিছু ভূখণ্ড হারায়। এই চুক্তির সময় বলসেভিক পার্টির

বিপ্লবের ঠিক পরে পরেই লেনিন জার্মানির সাথে শান্তিচুক্তি করতে বাধ্য হয়েছিলেন। ব্রেস্ট লিটভস্ক চুক্তি। রাশিয়া তার বেশ কিছু ভূখণ্ড হারায়। এই চুক্তির সময় বলসেভিক পার্টির

রামকে নিয়ে আজকের দিনে ন্যারেটিভ আর কাউন্টার ন্যারেটিভের ভিড়ে ছোট্ট করে একটা মামুলি লোকের গল্প বলে যাই। চন্দ্রশেখর ঝা-এর গল্প। সে ছিল কোন্নগর লক্ষ্মী নারায়ণ

আজকের বিশ্ব স্বাস্থ্য দিবসের স্লোগান “মাই হেলথ মাই রাইটস।” আমার স্বাস্থ্য আমার অধিকার এই বিষয়টা নিয়ে ম্যাক্রো লেভেলে অনেকে আলোচনা হবে আজ পৃথিবী জুড়ে, গুরুগম্ভীর

প্রতিবার নির্বাচন আসলেই কেমন যেন অকাল বসন্ত নেমে আসে। চারদিকে একটা ফিল গুড ফ্যাক্টর। শাসক দলগুলি ক্রমাগত দাবি করতে থাকে যে তারা আমাদের জন্য কত

আজ সুবিখ্যাত বোকা দিবসে আসুন কয়েকজন বোকা মানুষের গল্প শোনাই আপনাদের। প্রথম জন ডা: দেবব্রত সেন। প্রবাদ প্রতিম চিকিৎসক অধ্যাপক SSKM হাসপাতালে ছিলেন। ওই পদগুলি

২৯ শে মার্চ, সকালে দুই লক্ষ ‘হতভাগা’ তাদের নির্বাচিত প্রতিনিধিদের টাউন হলে অধিষ্ঠিত করার জন্য জড়ো হল। বাজনা বাজে – রক্ষী বাহিনীর সঙ্গীনের মাথায় লাগানো

পাশের বাড়ির বৌদি, বিগত যৌবনা হলেও সাজগোজ করতে কিঞ্চিৎ ভালোবাসেন। আপনি আড় চোখে দেখেন আর পাড়ার চায়ের ঠেকের খাপ পঞ্চায়েতে তাকে আখ্যা দেন ঢলানি মেয়েছেলে

নিজেকে মার্ক্সিস্ট বলে দাবি করার খোয়াব কবেই মিলিয়ে গেছে ঠিক যেমনটা মিলিয়ে যায় সুগন্ধির সুবাস এক নিমেষে যখন দামী এসইউভি গাড়ির দরজা দড়াম করে খুলে

সেবাগ্রামে থাকার সময় গাঁধীজি সময় পেলেই লম্বা হাঁটা লাগাতেন। ১৯৩৯-এর ডিসেম্বর আশ্রম থেকে বেড়িয়ে গাঁধীজি দেখলেন হাতে পুঁটুলি নিয়ে এক ভদ্রলোক দাঁড়িয়ে আছেন। তিনি এগিয়ে

কুৎসা প্রচারটা কেউ কেউ আর্টের পর্যায়ে নিয়ে গেছে। আর সুলভ ইন্টারনেট ও গুগল বাবার দৌলতে এই উত্তর-সত্যকালে কোনটা যে সত্যি আর কোনটা যে মিথ্যে সেটা

“ডেপুটেশন” এই শব্দটা যেকোনো ছোট বড় মাঝারি আমলাকে জিজ্ঞেস করে দেখবেন, সে বাম আমলের হোক বা ডান, তাদের বুকে মৃদু কম্পন জাগাতে বাধ্য। অন্য রকম

এটা একটা পুরনো ছবি। সেদিনও ছিল পালস পোলিও দিবস। নিজের সন্তানকে দু ফোঁটা পোলিও খাইয়ে সুস্থ রাখার তাগিদে একবুক বন্যার জলে নেমে এসেছেন বাবা-মা। ছবিতে

বিপ্লবের ঠিক পরে পরেই লেনিন জার্মানির সাথে শান্তিচুক্তি করতে বাধ্য হয়েছিলেন। ব্রেস্ট লিটভস্ক চুক্তি। রাশিয়া তার বেশ কিছু ভূখণ্ড হারায়। এই চুক্তির সময় বলসেভিক পার্টির

রামকে নিয়ে আজকের দিনে ন্যারেটিভ আর কাউন্টার ন্যারেটিভের ভিড়ে ছোট্ট করে একটা মামুলি লোকের গল্প বলে যাই। চন্দ্রশেখর ঝা-এর গল্প। সে ছিল কোন্নগর লক্ষ্মী নারায়ণ

আজকের বিশ্ব স্বাস্থ্য দিবসের স্লোগান “মাই হেলথ মাই রাইটস।” আমার স্বাস্থ্য আমার অধিকার এই বিষয়টা নিয়ে ম্যাক্রো লেভেলে অনেকে আলোচনা হবে আজ পৃথিবী জুড়ে, গুরুগম্ভীর

প্রতিবার নির্বাচন আসলেই কেমন যেন অকাল বসন্ত নেমে আসে। চারদিকে একটা ফিল গুড ফ্যাক্টর। শাসক দলগুলি ক্রমাগত দাবি করতে থাকে যে তারা আমাদের জন্য কত

আজ সুবিখ্যাত বোকা দিবসে আসুন কয়েকজন বোকা মানুষের গল্প শোনাই আপনাদের। প্রথম জন ডা: দেবব্রত সেন। প্রবাদ প্রতিম চিকিৎসক অধ্যাপক SSKM হাসপাতালে ছিলেন। ওই পদগুলি

২৯ শে মার্চ, সকালে দুই লক্ষ ‘হতভাগা’ তাদের নির্বাচিত প্রতিনিধিদের টাউন হলে অধিষ্ঠিত করার জন্য জড়ো হল। বাজনা বাজে – রক্ষী বাহিনীর সঙ্গীনের মাথায় লাগানো

পাশের বাড়ির বৌদি, বিগত যৌবনা হলেও সাজগোজ করতে কিঞ্চিৎ ভালোবাসেন। আপনি আড় চোখে দেখেন আর পাড়ার চায়ের ঠেকের খাপ পঞ্চায়েতে তাকে আখ্যা দেন ঢলানি মেয়েছেলে

নিজেকে মার্ক্সিস্ট বলে দাবি করার খোয়াব কবেই মিলিয়ে গেছে ঠিক যেমনটা মিলিয়ে যায় সুগন্ধির সুবাস এক নিমেষে যখন দামী এসইউভি গাড়ির দরজা দড়াম করে খুলে

সেবাগ্রামে থাকার সময় গাঁধীজি সময় পেলেই লম্বা হাঁটা লাগাতেন। ১৯৩৯-এর ডিসেম্বর আশ্রম থেকে বেড়িয়ে গাঁধীজি দেখলেন হাতে পুঁটুলি নিয়ে এক ভদ্রলোক দাঁড়িয়ে আছেন। তিনি এগিয়ে

কুৎসা প্রচারটা কেউ কেউ আর্টের পর্যায়ে নিয়ে গেছে। আর সুলভ ইন্টারনেট ও গুগল বাবার দৌলতে এই উত্তর-সত্যকালে কোনটা যে সত্যি আর কোনটা যে মিথ্যে সেটা

“ডেপুটেশন” এই শব্দটা যেকোনো ছোট বড় মাঝারি আমলাকে জিজ্ঞেস করে দেখবেন, সে বাম আমলের হোক বা ডান, তাদের বুকে মৃদু কম্পন জাগাতে বাধ্য। অন্য রকম

এটা একটা পুরনো ছবি। সেদিনও ছিল পালস পোলিও দিবস। নিজের সন্তানকে দু ফোঁটা পোলিও খাইয়ে সুস্থ রাখার তাগিদে একবুক বন্যার জলে নেমে এসেছেন বাবা-মা। ছবিতে







আমাদের লক্ষ্য সবার জন্য স্বাস্থ্য আর সবার জন্য চিকিৎসা পরিষেবা। আমাদের আশা, এই লক্ষ্যে ডাক্তার, স্বাস্থ্যকর্মী, রোগী ও আপামর মানুষ, স্বাস্থ্য ব্যবস্থার সমস্ত স্টেক হোল্ডারদের আলোচনা ও কর্মকাণ্ডের একটি মঞ্চ হয়ে উঠবে ডক্টরস ডায়ালগ।
Editorial Committee:
Dr. Punyabrata Gun
Dr. Jayanta Das
Dr. Chinmay Nath
Dr. Indranil Saha
Dr. Aindril Bhowmik
Executive Editor: Piyali Dey Biswas
Shramajibi Swasthya Udyog
HA 44, Salt Lake, Sector-3, Kolkata-700097
নীচে Justori র মাধ্যমে আমাদের সদস্য হন – নিজে বলুন আপনার প্রশ্ন, মতামত – সরাসরি উত্তর পান ডাক্তারের কাছ থেকে