
জিরি, বাবা, বাবাসাহেব
“বাবা গল্প বলো?” কাল রাতে জিরির আবদার। “বলছি, কিন্তু কাল কার জন্মদিন জানিস?” “কার, বাবা?” “বাবা সাহেব ভীমরাও আম্বেদকারের”। “বাবাসাহেব কে, বাবা?” “বাবাসাহেব আমাদের দেশের

“বাবা গল্প বলো?” কাল রাতে জিরির আবদার। “বলছি, কিন্তু কাল কার জন্মদিন জানিস?” “কার, বাবা?” “বাবা সাহেব ভীমরাও আম্বেদকারের”। “বাবাসাহেব কে, বাবা?” “বাবাসাহেব আমাদের দেশের

মহিলাদের মধ্যে যে ক্যান্সার শহরাঞ্চলে সবচেয়ে বেশি হয় তা হলো ব্রেস্ট (স্তন) ক্যান্সার। শহুরে জীবনযাত্রা, কম শারীরিক পরিশ্রম, স্থুলতা, সন্তানকে স্তন্যপান না করানো, পারিবারিক ব্রেস্ট

খুব সোজাসাপটা বলছি। আমাদের দাদা হৃদরোগ এ আক্রান্ত হয়েছেন এবং তিনি হার্ট ভালো রাখার তেলের বিজ্ঞাপন করেন এই নিয়ে কিছু ট্রোল চলছে। সে নিয়ে কোন

ট্রেন ধীরে ধীরে শিয়ালদহ স্টেশনে ঢুকতে শুরু করতেই একটা ভয়ানক ঠেলাঠেলি শুরু হলো।কোনক্রমে জেনারেল কম্পার্টমেন্টে জানালার ধারে একটা সিটে বসলাম, ২০ বছর বয়স তখন, বিংশ

লখনৌয়ের কনকনে ঠাণ্ডা, দুদিন সূর্যের দেখা নেই, প্রবল শৈত্য প্রবাহ চলছে উত্তর ভারত জুড়ে। এক কাপ গরম চা আর বান মাখন খেয়ে সবে বসেছি ও

আজ ২৫ শে ফেব্রুয়ারি ২০২১, পরিসংখ্যান বলছে ভারতে করোনা গ্রাফ আবার ঊর্ধমুখী। সক্রিয় রোগীর সংখ্যা আবার বাড়ছে। আমার ডাক্তারি মতে আর পড়াশোনায় মনে হয়েছে এটাই

রাত তিনটে বাজে। বসার ঘরের সোফাতে বসে আছি। গত তিনদিন ধরে এটাই রুটিন। কিছুতেই ঘুমতে পারছিনা। অসম্ভব দুর্বলতা শরীরে, খাওয়ার টেস্ট চলে গিয়েছে। একটু আগে

সপ্তাহে দুদিন লকডাউন নিয়ে বাজারু বাঙ্গালী খুব খিল্লি করছে দেখছি। মিম ট্রোলের ছড়াছড়ি। কিন্তু এতে এত হাসাহাসি, তুচ্ছতাচ্ছিল্য করার কি আছে বুঝতে পারছি না। মানছি

মে মাসের লক্ষনৌ-এর বিয়াল্লিশ ডিগ্রি গরমে চোখ মুখ জ্বালা করছে। সামনে টুলে বসা ময়লা ধুতি আর ফতুয়া পরা মাঝবয়েসী মানুষটাকে হিন্দিতে জিজ্ঞেস করলাম “নভেম্বর মাসে

এটা একটা বেসরকারি হাসপাতালের গল্প। কোন হাসপাতাল আমি বলব না অথবা বলতে পারব না। আমি অনেকগুলো হাসপাতালে কাজ করেছি তার কোন একটা। আমাদের ব্র্যাকিথেরাপি নামে

“বাবা গল্প বলো?” কাল রাতে জিরির আবদার। “বলছি, কিন্তু কাল কার জন্মদিন জানিস?” “কার, বাবা?” “বাবা সাহেব ভীমরাও আম্বেদকারের”। “বাবাসাহেব কে, বাবা?” “বাবাসাহেব আমাদের দেশের

মহিলাদের মধ্যে যে ক্যান্সার শহরাঞ্চলে সবচেয়ে বেশি হয় তা হলো ব্রেস্ট (স্তন) ক্যান্সার। শহুরে জীবনযাত্রা, কম শারীরিক পরিশ্রম, স্থুলতা, সন্তানকে স্তন্যপান না করানো, পারিবারিক ব্রেস্ট

খুব সোজাসাপটা বলছি। আমাদের দাদা হৃদরোগ এ আক্রান্ত হয়েছেন এবং তিনি হার্ট ভালো রাখার তেলের বিজ্ঞাপন করেন এই নিয়ে কিছু ট্রোল চলছে। সে নিয়ে কোন

ট্রেন ধীরে ধীরে শিয়ালদহ স্টেশনে ঢুকতে শুরু করতেই একটা ভয়ানক ঠেলাঠেলি শুরু হলো।কোনক্রমে জেনারেল কম্পার্টমেন্টে জানালার ধারে একটা সিটে বসলাম, ২০ বছর বয়স তখন, বিংশ

লখনৌয়ের কনকনে ঠাণ্ডা, দুদিন সূর্যের দেখা নেই, প্রবল শৈত্য প্রবাহ চলছে উত্তর ভারত জুড়ে। এক কাপ গরম চা আর বান মাখন খেয়ে সবে বসেছি ও

আজ ২৫ শে ফেব্রুয়ারি ২০২১, পরিসংখ্যান বলছে ভারতে করোনা গ্রাফ আবার ঊর্ধমুখী। সক্রিয় রোগীর সংখ্যা আবার বাড়ছে। আমার ডাক্তারি মতে আর পড়াশোনায় মনে হয়েছে এটাই

রাত তিনটে বাজে। বসার ঘরের সোফাতে বসে আছি। গত তিনদিন ধরে এটাই রুটিন। কিছুতেই ঘুমতে পারছিনা। অসম্ভব দুর্বলতা শরীরে, খাওয়ার টেস্ট চলে গিয়েছে। একটু আগে

সপ্তাহে দুদিন লকডাউন নিয়ে বাজারু বাঙ্গালী খুব খিল্লি করছে দেখছি। মিম ট্রোলের ছড়াছড়ি। কিন্তু এতে এত হাসাহাসি, তুচ্ছতাচ্ছিল্য করার কি আছে বুঝতে পারছি না। মানছি

মে মাসের লক্ষনৌ-এর বিয়াল্লিশ ডিগ্রি গরমে চোখ মুখ জ্বালা করছে। সামনে টুলে বসা ময়লা ধুতি আর ফতুয়া পরা মাঝবয়েসী মানুষটাকে হিন্দিতে জিজ্ঞেস করলাম “নভেম্বর মাসে

এটা একটা বেসরকারি হাসপাতালের গল্প। কোন হাসপাতাল আমি বলব না অথবা বলতে পারব না। আমি অনেকগুলো হাসপাতালে কাজ করেছি তার কোন একটা। আমাদের ব্র্যাকিথেরাপি নামে







আমাদের লক্ষ্য সবার জন্য স্বাস্থ্য আর সবার জন্য চিকিৎসা পরিষেবা। আমাদের আশা, এই লক্ষ্যে ডাক্তার, স্বাস্থ্যকর্মী, রোগী ও আপামর মানুষ, স্বাস্থ্য ব্যবস্থার সমস্ত স্টেক হোল্ডারদের আলোচনা ও কর্মকাণ্ডের একটি মঞ্চ হয়ে উঠবে ডক্টরস ডায়ালগ।
Editorial Committee:
Dr. Punyabrata Gun
Dr. Jayanta Das
Dr. Chinmay Nath
Dr. Indranil Saha
Dr. Aindril Bhowmik
Executive Editor: Piyali Dey Biswas
Shramajibi Swasthya Udyog
HA 44, Salt Lake, Sector-3, Kolkata-700097
নীচে Justori র মাধ্যমে আমাদের সদস্য হন – নিজে বলুন আপনার প্রশ্ন, মতামত – সরাসরি উত্তর পান ডাক্তারের কাছ থেকে