
প্লাস্টিক: শেষ হয়েও হয় নাকো শেষ
সেদিন খবরের কাগজে একটা খবর পড়ে বেশ অন্যরকম অনুভূতি হলো। খবরটা এরকম – শহর সাফসুতরো রাখতে অভিনব উদ্যোগ ভদ্রেশ্বর পুরসভার। বর্জ্য প্লাস্টিক জমা দিলেই ভরপেট

সেদিন খবরের কাগজে একটা খবর পড়ে বেশ অন্যরকম অনুভূতি হলো। খবরটা এরকম – শহর সাফসুতরো রাখতে অভিনব উদ্যোগ ভদ্রেশ্বর পুরসভার। বর্জ্য প্লাস্টিক জমা দিলেই ভরপেট

ভোরের আলো সবে ফুটতে শুরু করেছে। চারদিকের অন্ধকার ক্রমশ ফিকে হয়ে আসায় বাড়ছে আলোর আভাস। পাখপাখালির দল গাছের পাতার আড়ালে থেকে কিচিরমিচির শব্দ করে জেগে

সময়টা মোটেই ভালো যাচ্ছে না দিল্লির আবাসিকদের। যমুনা দূষণের পর্ব থেকে শুরু করে মহানগরীর একটু একটু করে বসে যাওয়া, অসম্ভব রকমের বায়ুদূষণ, ইথিওপিয়ার আগ্নেয়গিরি থেকে

ধোঁয়ার এমনটাই দস্তুর ,তা সে কলকারখানার চিমনি থেকে গলগলিয়ে বের হওয়া ধোঁয়া হোক বা আগ্নেয়গিরির জ্বালামুখ দিয়ে মুক্তির উল্লাসে বাইরে বেরিয়ে আসা ছাই ভষ্মে ভরপুর

নিবন্ধের শিরোনামটি খুব পরিচিত এক পংক্তি। কবিতাটির রচনাকার রবিঠাকুর। মাটিতে মাত্র একটি পা রেখেও সব্বাইকে পেছনে ফেলে যে অবলীলায় মাথার ওপরে আদিগন্ত বিস্তৃত আকাশ পানে

বাড়ি থেকে বেরিয়ে সদর রাস্তার দিকে গেলেই একবার রামপ্রসাদের দোকানে ঢু মারি। দোকান মানে সাজানো গোছানো ঝাঁ চকচকে আলিশান কোনো ব্যাপার নয়। একটা স্থানু ভ্যানগাড়ির

দেশের পঠনপাঠনের যে বেহাল দশা তাতে শিক্ষা মন্ত্রীদের একটা বড়ো ভূমিকা রয়েছে। এই কথাটা আবারো প্রমাণ করলেন মধ্যপ্রদেশের শিক্ষামন্ত্রী। ভরা সভায় মাইকের সামনে কু ভাষণের

এক সময় পরিবার পরিকল্পনা দপ্তরের খুব জনপ্রিয় একটা শ্লোগান ছিল – ছোট পরিবার, সুখী পরিবার। ভারতবর্ষের বিপুল জনসংখ্যার কথা মাথায় রেখে পরিবার সীমিতকরণে প্রোৎসাহিত করতেই

দেশের রাজধানী শহর দিল্লি এই মুহূর্তে নানাভাবেই আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে। দেশের রাজধানী শহরের পক্ষে অবশ্য এমনটা কখনোই বেমানান বিষয় নয়। দেশের শাসনব্যবস্থার ভরকেন্দ্র এই মহানগরীকে আলোচনা

এবার নিবারণরা এসেছিল পাড়ার কালী পুজোয় তাদের চড়বড়ি তাসা পার্টি নিয়ে সেই ‘সোদরবন’ থেকে। দলে ওরা মোট পাঁচজন – নিবারণ, নিরাপদ, নিখিল, নিরঞ্জন আর নিরাপদর

বছর কয়েক আগের কথা। বিকেলের ছায়া সবে দীর্ঘ হতে শুরু করেছে। সেই শেষ পিরিয়ডে একটা ক্লাস । মাঝের খানিকটা সময়ের বিরতি। ঘরে বসে খাতা দেখছিলাম।

টেলিভিশনে কোটিপতি বানানোর প্রশ্নোত্তর পর্ব চলছে। উপস্থিত প্রতিযোগীদের মধ্যে যে সবথেকে দ্রুত আঙ্গুল চালিয়ে প্রশ্নের উত্তর দিতে পারবে, সেই সেদিনের জন্য হট্ সিটে বসে প্রশ্নকর্তার

সেদিন খবরের কাগজে একটা খবর পড়ে বেশ অন্যরকম অনুভূতি হলো। খবরটা এরকম – শহর সাফসুতরো রাখতে অভিনব উদ্যোগ ভদ্রেশ্বর পুরসভার। বর্জ্য প্লাস্টিক জমা দিলেই ভরপেট

ভোরের আলো সবে ফুটতে শুরু করেছে। চারদিকের অন্ধকার ক্রমশ ফিকে হয়ে আসায় বাড়ছে আলোর আভাস। পাখপাখালির দল গাছের পাতার আড়ালে থেকে কিচিরমিচির শব্দ করে জেগে

সময়টা মোটেই ভালো যাচ্ছে না দিল্লির আবাসিকদের। যমুনা দূষণের পর্ব থেকে শুরু করে মহানগরীর একটু একটু করে বসে যাওয়া, অসম্ভব রকমের বায়ুদূষণ, ইথিওপিয়ার আগ্নেয়গিরি থেকে

ধোঁয়ার এমনটাই দস্তুর ,তা সে কলকারখানার চিমনি থেকে গলগলিয়ে বের হওয়া ধোঁয়া হোক বা আগ্নেয়গিরির জ্বালামুখ দিয়ে মুক্তির উল্লাসে বাইরে বেরিয়ে আসা ছাই ভষ্মে ভরপুর

নিবন্ধের শিরোনামটি খুব পরিচিত এক পংক্তি। কবিতাটির রচনাকার রবিঠাকুর। মাটিতে মাত্র একটি পা রেখেও সব্বাইকে পেছনে ফেলে যে অবলীলায় মাথার ওপরে আদিগন্ত বিস্তৃত আকাশ পানে

বাড়ি থেকে বেরিয়ে সদর রাস্তার দিকে গেলেই একবার রামপ্রসাদের দোকানে ঢু মারি। দোকান মানে সাজানো গোছানো ঝাঁ চকচকে আলিশান কোনো ব্যাপার নয়। একটা স্থানু ভ্যানগাড়ির

দেশের পঠনপাঠনের যে বেহাল দশা তাতে শিক্ষা মন্ত্রীদের একটা বড়ো ভূমিকা রয়েছে। এই কথাটা আবারো প্রমাণ করলেন মধ্যপ্রদেশের শিক্ষামন্ত্রী। ভরা সভায় মাইকের সামনে কু ভাষণের

এক সময় পরিবার পরিকল্পনা দপ্তরের খুব জনপ্রিয় একটা শ্লোগান ছিল – ছোট পরিবার, সুখী পরিবার। ভারতবর্ষের বিপুল জনসংখ্যার কথা মাথায় রেখে পরিবার সীমিতকরণে প্রোৎসাহিত করতেই

দেশের রাজধানী শহর দিল্লি এই মুহূর্তে নানাভাবেই আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে। দেশের রাজধানী শহরের পক্ষে অবশ্য এমনটা কখনোই বেমানান বিষয় নয়। দেশের শাসনব্যবস্থার ভরকেন্দ্র এই মহানগরীকে আলোচনা

এবার নিবারণরা এসেছিল পাড়ার কালী পুজোয় তাদের চড়বড়ি তাসা পার্টি নিয়ে সেই ‘সোদরবন’ থেকে। দলে ওরা মোট পাঁচজন – নিবারণ, নিরাপদ, নিখিল, নিরঞ্জন আর নিরাপদর

বছর কয়েক আগের কথা। বিকেলের ছায়া সবে দীর্ঘ হতে শুরু করেছে। সেই শেষ পিরিয়ডে একটা ক্লাস । মাঝের খানিকটা সময়ের বিরতি। ঘরে বসে খাতা দেখছিলাম।

টেলিভিশনে কোটিপতি বানানোর প্রশ্নোত্তর পর্ব চলছে। উপস্থিত প্রতিযোগীদের মধ্যে যে সবথেকে দ্রুত আঙ্গুল চালিয়ে প্রশ্নের উত্তর দিতে পারবে, সেই সেদিনের জন্য হট্ সিটে বসে প্রশ্নকর্তার







আমাদের লক্ষ্য সবার জন্য স্বাস্থ্য আর সবার জন্য চিকিৎসা পরিষেবা। আমাদের আশা, এই লক্ষ্যে ডাক্তার, স্বাস্থ্যকর্মী, রোগী ও আপামর মানুষ, স্বাস্থ্য ব্যবস্থার সমস্ত স্টেক হোল্ডারদের আলোচনা ও কর্মকাণ্ডের একটি মঞ্চ হয়ে উঠবে ডক্টরস ডায়ালগ।
Editorial Committee:
Dr. Punyabrata Gun
Dr. Jayanta Das
Dr. Chinmay Nath
Dr. Indranil Saha
Dr. Aindril Bhowmik
Executive Editor: Piyali Dey Biswas
Shramajibi Swasthya Udyog
HA 44, Salt Lake, Sector-3, Kolkata-700097
নীচে Justori র মাধ্যমে আমাদের সদস্য হন – নিজে বলুন আপনার প্রশ্ন, মতামত – সরাসরি উত্তর পান ডাক্তারের কাছ থেকে