
প্রকৃতি পরিষেবায় সপ্তসারথি (দ্বিতীয় পর্ব)
আগের পর্বে আমরা পরিচিত হয়েছি কয়েকজন নিরলস পরিবেশ যোদ্ধার সঙ্গে। আজকের পর্বে রইলেন আরও কয়েকজন। এমন লড়াই চলুক দিকে দিকে। ৫.রমেশ খারমালেপুনের জুন্নার পাহাড়। হরিয়ালি

আগের পর্বে আমরা পরিচিত হয়েছি কয়েকজন নিরলস পরিবেশ যোদ্ধার সঙ্গে। আজকের পর্বে রইলেন আরও কয়েকজন। এমন লড়াই চলুক দিকে দিকে। ৫.রমেশ খারমালেপুনের জুন্নার পাহাড়। হরিয়ালি

মহাভারতের একটি বিয়োগান্তক ঘটনা। অর্জুন এবং সুভদ্রার পুত্র অভিমন্যু গিয়েছেন যুদ্ধে। মহারণে সামিল হয়েছে কৌরব এবং পাণ্ডবরা। রণসজ্জা আর রণকৌশলে কে কাকে টেক্কা দেবে তারই

কথাটা কি খুব পরিচিত বা চেনা লাগছে? বোধহয় না। যদিও মাত্র দিন তিনেক আগেই সংবাদপত্রের পাতায় ছবি সহ এই বিষয়ে প্রতিবেদন প্রকাশিত হয়েছে। আপাদমস্তক গরম

আরাবল্লিকে নিয়ে জমে ওঠা বিতর্কের সমাধান হতে না হতেই নতুন করে বিরোধ দেখা দিয়েছে ছত্তিশগড়ে জবরদস্তি কয়লা উত্তোলনকে ঘিরে। গ্রামের নাম দৌরাভাথা, অঞ্চলের নাম টামনার,

মাদারীদের ভোজবাজির খেলা দেখেছেন কখনও? একেবারে সাধারণ পোশাক পড়া কতগুলো দেহাতি মানুষ । ঘমাসান শোরগোল তুলে নিমেষেই লোকজন জড়ো করতে এদের জুড়ি মেলা ভার! ঢোল

বছরের শেষ লগ্নে পৌঁছে এমন একটি লেখা লিখতে হবে তা স্বপ্নেও ভাবিনি। কিন্তু কথায় বলেনা মাতঙ্গ ভাবে এক হয় আরেক। এমনটাই হলো আমাদের সঙ্গে। দেশে

আরও একটা বছর কেটে যাচ্ছে পায়ে পায়ে। নতুন বছরকে স্বাগত জানাতে ধীরে ধীরে প্রস্তুতি নিচ্ছে সকলেই। নতুন বছর মানেই অনেক আশা ভরা চোখে ভবিষ্যতের দিকে

সেদিন খবরের কাগজে একটা খবর পড়ে বেশ অন্যরকম অনুভূতি হলো। খবরটা এরকম – শহর সাফসুতরো রাখতে অভিনব উদ্যোগ ভদ্রেশ্বর পুরসভার। বর্জ্য প্লাস্টিক জমা দিলেই ভরপেট

ভোরের আলো সবে ফুটতে শুরু করেছে। চারদিকের অন্ধকার ক্রমশ ফিকে হয়ে আসায় বাড়ছে আলোর আভাস। পাখপাখালির দল গাছের পাতার আড়ালে থেকে কিচিরমিচির শব্দ করে জেগে

সময়টা মোটেই ভালো যাচ্ছে না দিল্লির আবাসিকদের। যমুনা দূষণের পর্ব থেকে শুরু করে মহানগরীর একটু একটু করে বসে যাওয়া, অসম্ভব রকমের বায়ুদূষণ, ইথিওপিয়ার আগ্নেয়গিরি থেকে

ধোঁয়ার এমনটাই দস্তুর ,তা সে কলকারখানার চিমনি থেকে গলগলিয়ে বের হওয়া ধোঁয়া হোক বা আগ্নেয়গিরির জ্বালামুখ দিয়ে মুক্তির উল্লাসে বাইরে বেরিয়ে আসা ছাই ভষ্মে ভরপুর

নিবন্ধের শিরোনামটি খুব পরিচিত এক পংক্তি। কবিতাটির রচনাকার রবিঠাকুর। মাটিতে মাত্র একটি পা রেখেও সব্বাইকে পেছনে ফেলে যে অবলীলায় মাথার ওপরে আদিগন্ত বিস্তৃত আকাশ পানে

আগের পর্বে আমরা পরিচিত হয়েছি কয়েকজন নিরলস পরিবেশ যোদ্ধার সঙ্গে। আজকের পর্বে রইলেন আরও কয়েকজন। এমন লড়াই চলুক দিকে দিকে। ৫.রমেশ খারমালেপুনের জুন্নার পাহাড়। হরিয়ালি

মহাভারতের একটি বিয়োগান্তক ঘটনা। অর্জুন এবং সুভদ্রার পুত্র অভিমন্যু গিয়েছেন যুদ্ধে। মহারণে সামিল হয়েছে কৌরব এবং পাণ্ডবরা। রণসজ্জা আর রণকৌশলে কে কাকে টেক্কা দেবে তারই

কথাটা কি খুব পরিচিত বা চেনা লাগছে? বোধহয় না। যদিও মাত্র দিন তিনেক আগেই সংবাদপত্রের পাতায় ছবি সহ এই বিষয়ে প্রতিবেদন প্রকাশিত হয়েছে। আপাদমস্তক গরম

আরাবল্লিকে নিয়ে জমে ওঠা বিতর্কের সমাধান হতে না হতেই নতুন করে বিরোধ দেখা দিয়েছে ছত্তিশগড়ে জবরদস্তি কয়লা উত্তোলনকে ঘিরে। গ্রামের নাম দৌরাভাথা, অঞ্চলের নাম টামনার,

মাদারীদের ভোজবাজির খেলা দেখেছেন কখনও? একেবারে সাধারণ পোশাক পড়া কতগুলো দেহাতি মানুষ । ঘমাসান শোরগোল তুলে নিমেষেই লোকজন জড়ো করতে এদের জুড়ি মেলা ভার! ঢোল

বছরের শেষ লগ্নে পৌঁছে এমন একটি লেখা লিখতে হবে তা স্বপ্নেও ভাবিনি। কিন্তু কথায় বলেনা মাতঙ্গ ভাবে এক হয় আরেক। এমনটাই হলো আমাদের সঙ্গে। দেশে

আরও একটা বছর কেটে যাচ্ছে পায়ে পায়ে। নতুন বছরকে স্বাগত জানাতে ধীরে ধীরে প্রস্তুতি নিচ্ছে সকলেই। নতুন বছর মানেই অনেক আশা ভরা চোখে ভবিষ্যতের দিকে

সেদিন খবরের কাগজে একটা খবর পড়ে বেশ অন্যরকম অনুভূতি হলো। খবরটা এরকম – শহর সাফসুতরো রাখতে অভিনব উদ্যোগ ভদ্রেশ্বর পুরসভার। বর্জ্য প্লাস্টিক জমা দিলেই ভরপেট

ভোরের আলো সবে ফুটতে শুরু করেছে। চারদিকের অন্ধকার ক্রমশ ফিকে হয়ে আসায় বাড়ছে আলোর আভাস। পাখপাখালির দল গাছের পাতার আড়ালে থেকে কিচিরমিচির শব্দ করে জেগে

সময়টা মোটেই ভালো যাচ্ছে না দিল্লির আবাসিকদের। যমুনা দূষণের পর্ব থেকে শুরু করে মহানগরীর একটু একটু করে বসে যাওয়া, অসম্ভব রকমের বায়ুদূষণ, ইথিওপিয়ার আগ্নেয়গিরি থেকে

ধোঁয়ার এমনটাই দস্তুর ,তা সে কলকারখানার চিমনি থেকে গলগলিয়ে বের হওয়া ধোঁয়া হোক বা আগ্নেয়গিরির জ্বালামুখ দিয়ে মুক্তির উল্লাসে বাইরে বেরিয়ে আসা ছাই ভষ্মে ভরপুর

নিবন্ধের শিরোনামটি খুব পরিচিত এক পংক্তি। কবিতাটির রচনাকার রবিঠাকুর। মাটিতে মাত্র একটি পা রেখেও সব্বাইকে পেছনে ফেলে যে অবলীলায় মাথার ওপরে আদিগন্ত বিস্তৃত আকাশ পানে







আমাদের লক্ষ্য সবার জন্য স্বাস্থ্য আর সবার জন্য চিকিৎসা পরিষেবা। আমাদের আশা, এই লক্ষ্যে ডাক্তার, স্বাস্থ্যকর্মী, রোগী ও আপামর মানুষ, স্বাস্থ্য ব্যবস্থার সমস্ত স্টেক হোল্ডারদের আলোচনা ও কর্মকাণ্ডের একটি মঞ্চ হয়ে উঠবে ডক্টরস ডায়ালগ।
Editorial Committee:
Dr. Punyabrata Gun
Dr. Jayanta Das
Dr. Chinmay Nath
Dr. Indranil Saha
Dr. Aindril Bhowmik
Executive Editor: Piyali Dey Biswas
Shramajibi Swasthya Udyog
HA 44, Salt Lake, Sector-3, Kolkata-700097
নীচে Justori র মাধ্যমে আমাদের সদস্য হন – নিজে বলুন আপনার প্রশ্ন, মতামত – সরাসরি উত্তর পান ডাক্তারের কাছ থেকে