
এসেছে শীতের মাস, এ লগন ঘুমিয়ে থাকার…….
লম্বা টানা সময়ের জন্য ঘুমের প্রসঙ্গ সামনে এলেই আমাদের যাঁর কথা সবার আগে মনে পড়ে তিনি হলেন রক্ষকুলপতি দশানন রাবণের অনুজ মহাবীর কুম্ভকর্ণ। সীতাকে উদ্ধারের

লম্বা টানা সময়ের জন্য ঘুমের প্রসঙ্গ সামনে এলেই আমাদের যাঁর কথা সবার আগে মনে পড়ে তিনি হলেন রক্ষকুলপতি দশানন রাবণের অনুজ মহাবীর কুম্ভকর্ণ। সীতাকে উদ্ধারের

পালঙ্ক আলো করে শুয়ে আছে একরত্তি খোকা। ঘরের এক কোণে জ্বলছে রেড়ির তেলের সাঁঝ বাতি। বড় বড় ডাগর চোখ মেলে খোকা সেদিকেই তাকিয়ে আছে ,

আমাদের এক বন্ধু ছিল শ্যামল। বাইরে থেকে দেখে বোঝার উপায় ছিলনা যে শ্যামলের শরীরে এক জন্মগত ত্রুটি রয়েছে। এমনিতে স্বাভাবিক, কিন্তু থেকে থেকে ওর হাতদুটো

ছোট্ট “এলি” এক প্রতিবাদী চরিত্র। এখন সে তাঁর মিষ্টি টিন এজের পরিসরে। আরও যখন ছোট ছিল ,তখন থেকেই সে পৃথিবীর পরিবেশ নিয়ে ভাবছে। শুধু ভাবছে

আজ ২০২৪এর নভেম্বর মাসের ২৫ তারিখ । আজ আমার নিজের ঘরে ফিরে যাবার দিন। মাত্র ৫৬ দিনের ভিসা নিয়ে তোমাদের কাছে আসা, চাঁদ মামার সঙ্গে

এযেন সেই ছিল “রুমাল, হয়ে গেল বিড়াল” অথবা “ ছিল বন, হয়ে গেছে বাদা”র মতো ঘটনা। এ তো আর জাদুকরী কেরামতি নয় যে ঘোর কাটলেই

আজ শুরু করি একটা কবিতা দিয়ে। মূল কবিতাটি ইংরেজিতে লেখা। কবিতার মোট চারটি স্তবক। প্রত্যেক ভাষারই একটা নিজস্ব চলন আছে তাকে মান্যতা দিতেই হয়,

এ কাহিনি আজ থেকে কমবেশি ছয় দশক আগের। কয়েকদিন ধরেই থেকে থেকে বৃষ্টি হচ্ছে। তাতে করে গরমের ভাবটা খানিকটা কমেছে বটে, কিন্তু বাতাসের ভেজা ভেজা

পুনিয়াম্মার কথা মনে আছে? পুনিয়াম্মার সঙ্গে আমার দেখা হয়েছিল ওয়েনাড়ে ২০১৯ সালের একেবারে গোড়ার দিকে , মানে আজ থেকে ঠিক পাঁচ বছর আগে। সপরিবারে কেরালা

আমার খুচরো আপত্তি সত্ত্বেও ডাক্তারবাবু বলেছেন তাই সাতসকালেই আমাদের হাঁটাহাঁটির পর্ব শুরু হলো। প্রথম প্রথম বাড়ির উঠানের ওপর কয়েকদিনের ট্রায়াল রানের মতো ট্রায়াল ওয়াকের প্র্যাকটিস

ছোটোবেলায় ঠাকুমার মুখে শোনা বাঘাই সর্দারের গপ্পো আমাদের খুব মজিয়ে রাখতো। দু চারদিন পরপরই আমরা বায়না জুড়তাম – ঠাকুমা, আমাদের বাঘাইয়ের গল্প বলো। আমরা তিন

একটু পিছিয়ে গিয়ে গল্পের শুরুটার নাগাল পাওয়ার চেষ্টা করবো আজকে। তখন মহামারীর সময়। সব কিছু একেবারে লণ্ডভণ্ড অবস্থা। ঘর বন্দী হয়ে থাকার যে যন্ত্রণা তা

লম্বা টানা সময়ের জন্য ঘুমের প্রসঙ্গ সামনে এলেই আমাদের যাঁর কথা সবার আগে মনে পড়ে তিনি হলেন রক্ষকুলপতি দশানন রাবণের অনুজ মহাবীর কুম্ভকর্ণ। সীতাকে উদ্ধারের

পালঙ্ক আলো করে শুয়ে আছে একরত্তি খোকা। ঘরের এক কোণে জ্বলছে রেড়ির তেলের সাঁঝ বাতি। বড় বড় ডাগর চোখ মেলে খোকা সেদিকেই তাকিয়ে আছে ,

আমাদের এক বন্ধু ছিল শ্যামল। বাইরে থেকে দেখে বোঝার উপায় ছিলনা যে শ্যামলের শরীরে এক জন্মগত ত্রুটি রয়েছে। এমনিতে স্বাভাবিক, কিন্তু থেকে থেকে ওর হাতদুটো

ছোট্ট “এলি” এক প্রতিবাদী চরিত্র। এখন সে তাঁর মিষ্টি টিন এজের পরিসরে। আরও যখন ছোট ছিল ,তখন থেকেই সে পৃথিবীর পরিবেশ নিয়ে ভাবছে। শুধু ভাবছে

আজ ২০২৪এর নভেম্বর মাসের ২৫ তারিখ । আজ আমার নিজের ঘরে ফিরে যাবার দিন। মাত্র ৫৬ দিনের ভিসা নিয়ে তোমাদের কাছে আসা, চাঁদ মামার সঙ্গে

এযেন সেই ছিল “রুমাল, হয়ে গেল বিড়াল” অথবা “ ছিল বন, হয়ে গেছে বাদা”র মতো ঘটনা। এ তো আর জাদুকরী কেরামতি নয় যে ঘোর কাটলেই

আজ শুরু করি একটা কবিতা দিয়ে। মূল কবিতাটি ইংরেজিতে লেখা। কবিতার মোট চারটি স্তবক। প্রত্যেক ভাষারই একটা নিজস্ব চলন আছে তাকে মান্যতা দিতেই হয়,

এ কাহিনি আজ থেকে কমবেশি ছয় দশক আগের। কয়েকদিন ধরেই থেকে থেকে বৃষ্টি হচ্ছে। তাতে করে গরমের ভাবটা খানিকটা কমেছে বটে, কিন্তু বাতাসের ভেজা ভেজা

পুনিয়াম্মার কথা মনে আছে? পুনিয়াম্মার সঙ্গে আমার দেখা হয়েছিল ওয়েনাড়ে ২০১৯ সালের একেবারে গোড়ার দিকে , মানে আজ থেকে ঠিক পাঁচ বছর আগে। সপরিবারে কেরালা

আমার খুচরো আপত্তি সত্ত্বেও ডাক্তারবাবু বলেছেন তাই সাতসকালেই আমাদের হাঁটাহাঁটির পর্ব শুরু হলো। প্রথম প্রথম বাড়ির উঠানের ওপর কয়েকদিনের ট্রায়াল রানের মতো ট্রায়াল ওয়াকের প্র্যাকটিস

ছোটোবেলায় ঠাকুমার মুখে শোনা বাঘাই সর্দারের গপ্পো আমাদের খুব মজিয়ে রাখতো। দু চারদিন পরপরই আমরা বায়না জুড়তাম – ঠাকুমা, আমাদের বাঘাইয়ের গল্প বলো। আমরা তিন

একটু পিছিয়ে গিয়ে গল্পের শুরুটার নাগাল পাওয়ার চেষ্টা করবো আজকে। তখন মহামারীর সময়। সব কিছু একেবারে লণ্ডভণ্ড অবস্থা। ঘর বন্দী হয়ে থাকার যে যন্ত্রণা তা







আমাদের লক্ষ্য সবার জন্য স্বাস্থ্য আর সবার জন্য চিকিৎসা পরিষেবা। আমাদের আশা, এই লক্ষ্যে ডাক্তার, স্বাস্থ্যকর্মী, রোগী ও আপামর মানুষ, স্বাস্থ্য ব্যবস্থার সমস্ত স্টেক হোল্ডারদের আলোচনা ও কর্মকাণ্ডের একটি মঞ্চ হয়ে উঠবে ডক্টরস ডায়ালগ।
Editorial Committee:
Dr. Punyabrata Gun
Dr. Jayanta Das
Dr. Chinmay Nath
Dr. Indranil Saha
Dr. Aindril Bhowmik
Executive Editor: Piyali Dey Biswas
Shramajibi Swasthya Udyog
HA 44, Salt Lake, Sector-3, Kolkata-700097
নীচে Justori র মাধ্যমে আমাদের সদস্য হন – নিজে বলুন আপনার প্রশ্ন, মতামত – সরাসরি উত্তর পান ডাক্তারের কাছ থেকে