
বানভাসি রাজস্থান ও মুকুলের সোনার কেল্লা
লেখাটা গত বছরের। যদিও এ বছরেও তার প্রাসঙ্গিকতা কমে যায়নি। উষ্ণায়নের ফলে পৃথিবীর পরিচিত বৃষ্টিপাতের ছন্দ গিয়েছে বদলে। ধারাবাহিক বৃষ্টি এখন স্বল্পমেয়াদি প্রবল বৃষ্টিতে পরিণত

লেখাটা গত বছরের। যদিও এ বছরেও তার প্রাসঙ্গিকতা কমে যায়নি। উষ্ণায়নের ফলে পৃথিবীর পরিচিত বৃষ্টিপাতের ছন্দ গিয়েছে বদলে। ধারাবাহিক বৃষ্টি এখন স্বল্পমেয়াদি প্রবল বৃষ্টিতে পরিণত

একদম শুরুতেই বলে রাখি এই লেখাটি ধৈর্য্য ধরে পড়ার পর পাঠক পাঠিকাদের অনেকেই হয়তো আমাকে তেড়ে মারতে আসবেন।একেই প্রবীণ মানুষ, তায় সঙ্গী সামান্য পৃথুল বপু।

“গোলাপ বউয়ের ওপর ভার পড়েছে বটতলার মাটি বাঁধানো চাতালটাকে ভালো করে ঝাঁট দিয়ে দেবার। জটা ছড়ানো বিশাল বট গাছ। কে লাগিয়ে ছিল, কবে লাগিয়ে ছিল

আমরা তখন কলেজের ফার্স্ট ইয়ারে।দেওয়াল জুড়ে সেইসময় নানান কথার আঁকিবুঁকি। নতুন প্রজন্মের স্বপ্ন দেখার শুরু। একটা দেওয়াল লিখনের কথা কথা বারবার দেখতে দেখতে মনের গভীরে

ভারতবর্ষের একটা সুপ্রাচীন নাগরিক ঐতিহ্য রয়েছে। খুব সম্প্রতি যেসব পুরাতাত্ত্বিক খননের কাজ চলছে সেখান থেকেও আবিষ্কৃত হয়েছে প্রাচীন শহুরে জনপদের তাক্ লাগানো সব নিদর্শ। এই

আপনি কি সিঙারা, জিলিপি, পকোড়া,পাও ভাজি –এসব খেতে খুব পছন্দ করেন? তাহলে আপনার জন্য একটি বিধিসম্মত সতর্কীকরণের বিজ্ঞপ্তি জারি করতে চলেছে কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্য মন্ত্রক। তাঁদের

খবরটা পড়ে চমকে উঠলাম। ঘটনার কেন্দ্রস্থল মহারাষ্ট্রের পুনেতে যাকে বলা হয় মারাঠি সংস্কৃতির আঁতুড়ঘর, সেই পুনে জেলার অন্তর্গত একটি গ্রাম থেকে এক আদিবাসী পরিবারের ১৪

দিন কয়েক ধরে জ্বরে ভুগছে ছেলেটা। এখন সিজন চেঞ্জের সময়। ভাবলাম সেই কারণেই হয়তো এই বিপত্তি। বাড়িতে ঘরোয়া মেডিসিন বক্সে থাকা খুব চেনা একটা ট্যাবলেট

কন্যা মোদের এমন করে আর কতকাল শিকার হবে? খোলস ঢাকা কীটগুলো সব , আর কবে গো মানুষ হবে? স্বস্তি কি আর পাচ্ছি মোরা? মোদের মেয়ের

আজ আপনাদের এক আশ্চর্য মানুষের কথা শোনাই। তাঁর নাম মেরী, মেরী সুরিন। আমাদের পাশের রাজ্য ঝাড়খণ্ডের জঙ্গলমহল লাতেহারের বাসিন্দা তিনি। মাটির কাছাকাছি থাকা এই অপরিচিত

পৃথিবীর নীল ফুসফুস গভীর ক্ষয়রোগে আক্রান্ত। একটু একটু করে তা অন্তিমের পথে এগিয়ে যাচ্ছে। পৃথিবীর সুবিস্তৃত নীল জলভাগ থেকে ভেসে আসা অস্ফুট আর্তনাদ প্রতিনিয়তই জানান

নদী বাঁধ নির্মাণ নিয়ে আন্দোলন খুব নতুন কিছু নয়। বৃহত্তর উন্নয়নের দোহাই দিয়ে নদীতে বাঁধ দিয়ে জল আটকে রেখে তাকে ব্যবহার করার পরিকল্পনা করা হয়।

লেখাটা গত বছরের। যদিও এ বছরেও তার প্রাসঙ্গিকতা কমে যায়নি। উষ্ণায়নের ফলে পৃথিবীর পরিচিত বৃষ্টিপাতের ছন্দ গিয়েছে বদলে। ধারাবাহিক বৃষ্টি এখন স্বল্পমেয়াদি প্রবল বৃষ্টিতে পরিণত

একদম শুরুতেই বলে রাখি এই লেখাটি ধৈর্য্য ধরে পড়ার পর পাঠক পাঠিকাদের অনেকেই হয়তো আমাকে তেড়ে মারতে আসবেন।একেই প্রবীণ মানুষ, তায় সঙ্গী সামান্য পৃথুল বপু।

“গোলাপ বউয়ের ওপর ভার পড়েছে বটতলার মাটি বাঁধানো চাতালটাকে ভালো করে ঝাঁট দিয়ে দেবার। জটা ছড়ানো বিশাল বট গাছ। কে লাগিয়ে ছিল, কবে লাগিয়ে ছিল

আমরা তখন কলেজের ফার্স্ট ইয়ারে।দেওয়াল জুড়ে সেইসময় নানান কথার আঁকিবুঁকি। নতুন প্রজন্মের স্বপ্ন দেখার শুরু। একটা দেওয়াল লিখনের কথা কথা বারবার দেখতে দেখতে মনের গভীরে

ভারতবর্ষের একটা সুপ্রাচীন নাগরিক ঐতিহ্য রয়েছে। খুব সম্প্রতি যেসব পুরাতাত্ত্বিক খননের কাজ চলছে সেখান থেকেও আবিষ্কৃত হয়েছে প্রাচীন শহুরে জনপদের তাক্ লাগানো সব নিদর্শ। এই

আপনি কি সিঙারা, জিলিপি, পকোড়া,পাও ভাজি –এসব খেতে খুব পছন্দ করেন? তাহলে আপনার জন্য একটি বিধিসম্মত সতর্কীকরণের বিজ্ঞপ্তি জারি করতে চলেছে কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্য মন্ত্রক। তাঁদের

খবরটা পড়ে চমকে উঠলাম। ঘটনার কেন্দ্রস্থল মহারাষ্ট্রের পুনেতে যাকে বলা হয় মারাঠি সংস্কৃতির আঁতুড়ঘর, সেই পুনে জেলার অন্তর্গত একটি গ্রাম থেকে এক আদিবাসী পরিবারের ১৪

দিন কয়েক ধরে জ্বরে ভুগছে ছেলেটা। এখন সিজন চেঞ্জের সময়। ভাবলাম সেই কারণেই হয়তো এই বিপত্তি। বাড়িতে ঘরোয়া মেডিসিন বক্সে থাকা খুব চেনা একটা ট্যাবলেট

কন্যা মোদের এমন করে আর কতকাল শিকার হবে? খোলস ঢাকা কীটগুলো সব , আর কবে গো মানুষ হবে? স্বস্তি কি আর পাচ্ছি মোরা? মোদের মেয়ের

আজ আপনাদের এক আশ্চর্য মানুষের কথা শোনাই। তাঁর নাম মেরী, মেরী সুরিন। আমাদের পাশের রাজ্য ঝাড়খণ্ডের জঙ্গলমহল লাতেহারের বাসিন্দা তিনি। মাটির কাছাকাছি থাকা এই অপরিচিত

পৃথিবীর নীল ফুসফুস গভীর ক্ষয়রোগে আক্রান্ত। একটু একটু করে তা অন্তিমের পথে এগিয়ে যাচ্ছে। পৃথিবীর সুবিস্তৃত নীল জলভাগ থেকে ভেসে আসা অস্ফুট আর্তনাদ প্রতিনিয়তই জানান

নদী বাঁধ নির্মাণ নিয়ে আন্দোলন খুব নতুন কিছু নয়। বৃহত্তর উন্নয়নের দোহাই দিয়ে নদীতে বাঁধ দিয়ে জল আটকে রেখে তাকে ব্যবহার করার পরিকল্পনা করা হয়।







আমাদের লক্ষ্য সবার জন্য স্বাস্থ্য আর সবার জন্য চিকিৎসা পরিষেবা। আমাদের আশা, এই লক্ষ্যে ডাক্তার, স্বাস্থ্যকর্মী, রোগী ও আপামর মানুষ, স্বাস্থ্য ব্যবস্থার সমস্ত স্টেক হোল্ডারদের আলোচনা ও কর্মকাণ্ডের একটি মঞ্চ হয়ে উঠবে ডক্টরস ডায়ালগ।
Editorial Committee:
Dr. Punyabrata Gun
Dr. Jayanta Das
Dr. Chinmay Nath
Dr. Indranil Saha
Dr. Aindril Bhowmik
Executive Editor: Piyali Dey Biswas
Shramajibi Swasthya Udyog
HA 44, Salt Lake, Sector-3, Kolkata-700097
নীচে Justori র মাধ্যমে আমাদের সদস্য হন – নিজে বলুন আপনার প্রশ্ন, মতামত – সরাসরি উত্তর পান ডাক্তারের কাছ থেকে