
প্রাপ্তি – ৫ম কিস্তি
~পনেরো~ দশটার মিটিং শুরু হতে হতে প্রায় দশটা চল্লিশ। সবাই এসে না বসা অবধি সিংজী ওপর থেকে নামেন না। আজ দশটা বারো মিনিট থেকে শুরু

~পনেরো~ দশটার মিটিং শুরু হতে হতে প্রায় দশটা চল্লিশ। সবাই এসে না বসা অবধি সিংজী ওপর থেকে নামেন না। আজ দশটা বারো মিনিট থেকে শুরু

~বারো~ গ্রামের লোকের সঙ্গে দেখা হওয়ার পর থেকে পরাগব্রত ওরফে নাড়ুগোপাল উৎকণ্ঠিত থাকে। যত দিন যায় তত উৎকণ্ঠা বাড়ে বই কমে না। শেষে আর থাকতে

~নয়~ এখনও কি গ্রামের জমিজমার খবর নেওয়ার সময় হয়েছে? ভেবে ঠিক করতে পারছে না পরাগব্রত, ওরফে নাড়ুগোপাল। এ বিষয়ে সন্দেহ নেই যে খোঁজ শুরু করামাত্র

~পাঁচ~ শহর থেকে বহুদূরে ছোটো গঞ্জ আমোদপুর। বড়ো রাস্তা, মানে স্টেট হাইওয়ে গিয়েছে গ্রামটার গা দিয়ে। রাস্তার দু-ধারে উৎসাহীরা দোকান দিয়েছে এই আশায়, যে বাস,

~এক~ শহরের একদা অভিজাত উচ্চ-মধ্যবিত্ত পাড়ার বাড়িটা আজ খালিই পড়ে থাকে প্রায়। একসময়ে সে বাড়ির মালিক ছিলেন ভুবনব্রত মুখার্জি — ব্যবসায়ী বলেই তাঁকে জানে পাড়ার

আনন্দবাজার পত্রিকার ডিজিটাল থেকে এই সাক্ষাৎকারটি অনুমতিক্রমে পুনঃপ্রচারিত হলো। মনোরোগবিদ ডা অনিরুদ্ধ দেবের সাক্ষাৎকার নিয়েছেন মনস্তত্ত্ববিদ অনুত্তমা ব্যানার্জী।

সেদিন এই অনলাইন পোর্টালে এই গল্পটা দেখা গেল — https://www.anandabazar.com/…/do-you…/cid/1454350… না, ভয় নেই, আবার অন্য কোথাও গিয়ে গল্পের এই অংশ (যার জন্য আমি কোনও ভাবেই দায়ী

আনন্দবাজার পত্রিকার ডিজিটাল থেকে এই সাক্ষাৎকারটি অনুমতিক্রমে পুনঃপ্রচারিত হলো। মনোরোগবিদ ডা অনিরুদ্ধ দেবের সাক্ষাৎকার নিয়েছেন মনস্তত্ত্ববিদ অনুত্তমা ব্যানার্জী।

জবা পাগলি ছিল আমাদের পাড়ার পাগলি৷ আমাদের বাড়ির সামনের রাস্তাটা যেখানে নারকেলবাগানে গিয়ে শেষ হয়েছে, সেখানে; খাল পেরোনোর বাঁশের সাঁকোটায় না-উঠে বাঁ দিকে ঘুরলে যেখানে

বিংশ শতাব্দীর নয়ের দশকের প্রথমার্ধের কথা। রাঁচিতে মানসিক রোগ চিকিৎসার কেন্দ্রীয় সরকারি হাসপাতালে কর্মরত কনিষ্ঠ শিক্ষক হিসেবে একজন ছাত্রের কাছে রোগীর রোগেতিহাস শুনছিলাম। বছর বাইশের

গভীর জঙ্গলের একেবারে ভেতরে, যেখানে গাছগুলো প্রায় আকাশ ছুঁয়েছে, সেখানে তাদের গুঁড়িগুলো এত মোটা যে দশটা লোক মিলেও হাত মেলে বেড় দিতে পারে না। সেখানে

Prof. M L Sidde, Makkhan or Makkhanlal to his friends, though he did have a scarcity of such entities around him as those we honour

~পনেরো~ দশটার মিটিং শুরু হতে হতে প্রায় দশটা চল্লিশ। সবাই এসে না বসা অবধি সিংজী ওপর থেকে নামেন না। আজ দশটা বারো মিনিট থেকে শুরু

~বারো~ গ্রামের লোকের সঙ্গে দেখা হওয়ার পর থেকে পরাগব্রত ওরফে নাড়ুগোপাল উৎকণ্ঠিত থাকে। যত দিন যায় তত উৎকণ্ঠা বাড়ে বই কমে না। শেষে আর থাকতে

~নয়~ এখনও কি গ্রামের জমিজমার খবর নেওয়ার সময় হয়েছে? ভেবে ঠিক করতে পারছে না পরাগব্রত, ওরফে নাড়ুগোপাল। এ বিষয়ে সন্দেহ নেই যে খোঁজ শুরু করামাত্র

~পাঁচ~ শহর থেকে বহুদূরে ছোটো গঞ্জ আমোদপুর। বড়ো রাস্তা, মানে স্টেট হাইওয়ে গিয়েছে গ্রামটার গা দিয়ে। রাস্তার দু-ধারে উৎসাহীরা দোকান দিয়েছে এই আশায়, যে বাস,

~এক~ শহরের একদা অভিজাত উচ্চ-মধ্যবিত্ত পাড়ার বাড়িটা আজ খালিই পড়ে থাকে প্রায়। একসময়ে সে বাড়ির মালিক ছিলেন ভুবনব্রত মুখার্জি — ব্যবসায়ী বলেই তাঁকে জানে পাড়ার

আনন্দবাজার পত্রিকার ডিজিটাল থেকে এই সাক্ষাৎকারটি অনুমতিক্রমে পুনঃপ্রচারিত হলো। মনোরোগবিদ ডা অনিরুদ্ধ দেবের সাক্ষাৎকার নিয়েছেন মনস্তত্ত্ববিদ অনুত্তমা ব্যানার্জী।

সেদিন এই অনলাইন পোর্টালে এই গল্পটা দেখা গেল — https://www.anandabazar.com/…/do-you…/cid/1454350… না, ভয় নেই, আবার অন্য কোথাও গিয়ে গল্পের এই অংশ (যার জন্য আমি কোনও ভাবেই দায়ী

আনন্দবাজার পত্রিকার ডিজিটাল থেকে এই সাক্ষাৎকারটি অনুমতিক্রমে পুনঃপ্রচারিত হলো। মনোরোগবিদ ডা অনিরুদ্ধ দেবের সাক্ষাৎকার নিয়েছেন মনস্তত্ত্ববিদ অনুত্তমা ব্যানার্জী।

জবা পাগলি ছিল আমাদের পাড়ার পাগলি৷ আমাদের বাড়ির সামনের রাস্তাটা যেখানে নারকেলবাগানে গিয়ে শেষ হয়েছে, সেখানে; খাল পেরোনোর বাঁশের সাঁকোটায় না-উঠে বাঁ দিকে ঘুরলে যেখানে

বিংশ শতাব্দীর নয়ের দশকের প্রথমার্ধের কথা। রাঁচিতে মানসিক রোগ চিকিৎসার কেন্দ্রীয় সরকারি হাসপাতালে কর্মরত কনিষ্ঠ শিক্ষক হিসেবে একজন ছাত্রের কাছে রোগীর রোগেতিহাস শুনছিলাম। বছর বাইশের

গভীর জঙ্গলের একেবারে ভেতরে, যেখানে গাছগুলো প্রায় আকাশ ছুঁয়েছে, সেখানে তাদের গুঁড়িগুলো এত মোটা যে দশটা লোক মিলেও হাত মেলে বেড় দিতে পারে না। সেখানে

Prof. M L Sidde, Makkhan or Makkhanlal to his friends, though he did have a scarcity of such entities around him as those we honour







আমাদের লক্ষ্য সবার জন্য স্বাস্থ্য আর সবার জন্য চিকিৎসা পরিষেবা। আমাদের আশা, এই লক্ষ্যে ডাক্তার, স্বাস্থ্যকর্মী, রোগী ও আপামর মানুষ, স্বাস্থ্য ব্যবস্থার সমস্ত স্টেক হোল্ডারদের আলোচনা ও কর্মকাণ্ডের একটি মঞ্চ হয়ে উঠবে ডক্টরস ডায়ালগ।
Editorial Committee:
Dr. Punyabrata Gun
Dr. Jayanta Das
Dr. Chinmay Nath
Dr. Indranil Saha
Dr. Aindril Bhowmik
Executive Editor: Piyali Dey Biswas
Shramajibi Swasthya Udyog
HA 44, Salt Lake, Sector-3, Kolkata-700097
নীচে Justori র মাধ্যমে আমাদের সদস্য হন – নিজে বলুন আপনার প্রশ্ন, মতামত – সরাসরি উত্তর পান ডাক্তারের কাছ থেকে